স্বপ্নের পদ্মা সেতু

এমপি সেলিম ওসমানের আন্তরিকতায় মুছাপুরে প্রায় ২শ’ ৬ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ইউপি

নির্বাচন হওয়ার কথা। সে মতে নির্বাচনী তফছিল ঘোষনার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থী ও বর্তমান দায়িত্বে থাকা সকল প্রার্থীরা প্রচার প্রচারনাসহ তাদের বিগত কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরতে শুরু করেছেন স্ব -স্ব এলাকার ভোটারদের মাঝে। গতকাল সোমবার বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের কার্যক্রম তুলে ধরছেন।

 

মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন জানান, বিগত ৫ বছরে তার ইউনিয়নে বন্দরের সবচেয়ে বেশী উন্নয়ন হয়েছে। এবং বিশাল বাজেটের মেগা প্রকল্পের উন্নয়ন বাকি আছে। যা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সদর-বন্দর আসনের সাংসদ সেলিম ওসমানের একান্ত আন্তরিকতায় মুছাপুরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বিগত ৫ বছরে সরকারি বরাদ্ধের ৫৬ কোটিসহ মেগা প্রকল্পের ২০৬ কোটি টাকার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, আমান ইউনিয়নে কোন রাস্তা নির্মাণের কাজ বাকি নেই। নতুন রাস্তা ছাড়া সকল রাস্তা পাকা করণ হয়েছে। স্কুল, মাদ্রাসা, ব্রীজ, কালভার্টসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আর এমপি সাহেবের প্রচেষ্টায় এ উন্নয়নর সম্ভব হয়েছে।

 

আমার ইউনিয়নে এখন শুধু কিছু নতুন রাস্তা পাকা করণ করা দরকার যা আগামীতে হবে। আমার ইউনিয়নে ১২৪৬ জন ভাতাভোগি রয়েছেন। এছাড়া ১০ টাকা দরে চাউল, মাসিক বিনা মূল্যে ৩০ কেজি করে চাউল পাচ্ছেন অনেকে। মোট কথা আমরা বিগত ৫ বছর নিরলস ভাবে জনগনের সেবা করেছি। করোনাকালে প্রায় ৭ হাজার পরিবারকে স্বাস্থ্য ও খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আর আমার ইউনিয়নে যে সকল মেম্বারগণ রয়েছে তারাও জনগণের সেবা আন্তরিক ভাবে করেছেন। সকলেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে আমি মনে করি। এ ব্যপারে ১নং ওয়ার্ড মেম্বার মান্নান জানান, তার ওয়ার্ডে বিগত ৫ বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে।

 

২নং ওয়ার্ডের মেম্বার বিল্লাল হোসেন জানান, তার ওয়ার্ডে প্রায় ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোহেল জানান, তার ওয়ার্ডে প্রায় ৫ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার খলিল জানান, তারওয়ার্ডে ৬ কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার মনোয়ার জানান, তার ওয়ার্ডে রয়েছে সরকারের মেগাপ্রকল্প। এ ওয়ার্ডে প্রায় ২শ’ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এবং এখনো মেগা প্রকল্পের কাজ চলছে। ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার ইয়ানবী জানান, তার ওয়ার্ডে প্রায় ৬ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার আনোয়ার হোসেন জানান, তার ওয়ার্ডে ৮ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মো: আলী জানান, তার ওয়ার্ডে প্রায় ৩ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে। সকলেই জানান, তাদের
ওয়ার্ড গুলিতে ব্রীজ, পাকা রাস্তা, মাদ্রাসা, কালভার্ট, কাঁচা রাস্তাসহ
ভাতা ভোগিদের এবং জনগনের যে কোর অসুবিধায় তারা এগিয়ে এসে
দ্রুত তা সমাধান ও বাস্তবায়ন করেছেন। নারী মেম্বার রয়েছেন খাদিজাবেগম, শাহনাজ বেগম ও নিলুফা বেগম। তারা সকলেই নারী স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি পুরুষ মেম্বারদের সাথে কাঁধে কাধ মিলিয়ে এলাকার
উন্নয়নে কাজ করেছেন। তারা মনে করেন এবারের নির্বাচনে তারা বিনা
পরিশ্রমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারবেন। কারণ তারা সকলেই
বিগত ৫ বছর জনগণের সেবায় নিবেদিত ভাবে কাজ করে েগেছেন।
এদিকে চেয়ারম্যান পদে কারো নাম শুনা না গেলেও মেম্বার পদে একাধিক
প্রাথর্ী রয়েছেন তারাও বিভিন্ন প্রতিশুতি দিয়ে যঙাচ্ছেন ভোটারদের
মাঝে। সকলেই জয়ের আশায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.