স্বপ্নের পদ্মা সেতু

কালাইয়া নৌ পুলিশ নিষেধাজ্ঞার জাল না পুড়িয়ে বিক্রি সহ মা ইলিশ নিজ বন্টন

এম.জাফরান হারুন, নিজস্ব প্রতিনিধি, পটুয়াখালী:: পটুয়াখালী বাউফলের তেতুলিয়া নদীতে কালাইয়া নৌ পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটককৃত জেলের জাল না পুড়ে ধ্বংস করে ও মা ইলিশ বিতরণ না করে ভাগ বন্টন করে নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে থেকে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে তেতুলিয়া নদীতে কালাইয়া নৌ পুলিশ অভিযানে নেমে ব্যাপক মা ইলিশ ধরার জাল সহ মা ইলিশ জব্দ করে। সেই জাল ও মা ইলিশ শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালাইয়া লঞ্চঘাট এনে নতুন নতুন ব্যাপক ইলিশ জাল রেখে পুরোনো পুরোনো জাল কিছু উঠিয়ে জনগণের সামনে লোক দেখানোভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। আর বড় বড় মা ইলিশ গুলো ট্রলারের গদির নিচে মজুদ করে ছোট ছোট জাটকা ইলিশ গুলো লোক দেখানোভাবে মাদ্রাসা এতিমখানায় সহ জনসাধারণের মধ্যে বিতরণ করা হয়। পরে নতুন নতুন জাল সহ বড় বড় মা ইলিশ গুলো কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাড়ির ঘাটে এনে ভাগবন্টন করা হয়। যাতে পরে ওই নতুন নতুন জালগুলো অন্য অন্য জেলেদের কাছে বিক্রি করা হয়। এ অবরোধ চলাকালীন নৌ পুলিশ এমনিই করে আসছে প্রতিনিয়ত।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় সাপ্তাহিক অপরাধ তালাশ এর পটুয়াখালী জেলার নিজস্ব প্রতিনিধি এম জাফরান হারুন এর ক্যামেরায় তা ধরা পড়েছে। এসময় ওই ট্রলারে থাকা কালাইয়া নৌ পুলিশকে অভিযানে সহযোগিতা করা লোকজন জানান, এ জালগুলো আমাদেরকে দিয়েছে এবং ইলিশ মাছগুলো আমাদেরকে খেতে দিয়েছে।

নাম না বলা শর্তে জানান, কালাইয়া নৌ পুলিশ রাতে যখন অভিযান করে জেলেদের আটক করে তখন কিছু জেলেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

অনুসন্ধানে প্রতিবেদকের উপস্থিতি টের পেয়ে কালাইয়া নৌ পুলিশের ইনচার্জ এসআই মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এসে বলেন, আপনাকে বারবার ফোন দেওয়া হয়, আপনি আসেন ফাঁড়িতে ওটা দেখব হানে।

তখনই দ্রুত এবিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনকে প্রতিবেদক এব্যাপারে অবগত করিলে তিনি বলেন, ভিডিও আলামত দিন। এব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.