প্রতারক মানবাধিকারকর্মী রেহানা ও লম্পট জহিরুল ইসলামের গ্রেফতার চায় নারায়ণগঞ্জবাসী

প্রতারক মানবাধিকারকর্মী রেহানা ও লম্পট জহিরুল ইসলামের গ্রেফতার চায় নারায়ণগঞ্জবাসী


ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

অবশেষে আসল মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে ফতুল্লা থানার শিবু মার্কেট এলাকায় বসবাসকারী নষ্ট নারী ফেরদৌসী আক্তার রেহানা ও লম্পট জহিরুল ইসলামের।

এতদিন এই যুগল নিজেদেরকে বড় সাংবাদিক বড় মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে সমাজের বিভিন্ন বিশিষ্ট লোকজনদেরকে নাজেহাল করত এবং ফেসবুক লাইভে এসে নষ্ট নারী ফেরদৌসী আক্তার রেহানা বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে কটু ও অশ্লীল মন্তব্য করে ভাইরাল হত।

এখন  বহুমুখী প্রতারক ভুয়া সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র বর্মন আর এক ভূয়া সাংবাদিক আনিসুর রহমান এর সহযোগী হিসেবে নাম এসেছে বিতর্কিত রেহানা ও জহিরুল ইসলামের।
স্মরণ করা যেতে পারে গত সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে বহুমুখী প্রতারক প্রদিপ ও আনিসুর রহমানের আস্তানায় হানা দিয়ে এই দু’জনকে গ্রেফতার করে। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ভুয়া সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র বর্মন এর অন্যতম সহযোগী ফেরদৌসী আক্তার রেহানা ও জহিরুল ইসলাম সটকে পড়ে।
এখন নারায়ণগঞ্জে সর্বত্র দাবি উঠেছে এই ভুয়া মানবাধিকারকর্মী প্রতারক ফেরদৌসী আক্তার রেহানা ও লম্পট ভুয়া মানবাধিকারকর্মী জহিরুল ইসলামকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অন্যান্য সহযোগীদেরও সন্ধান পাওয়া যাবে।

এতে করে নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ অন্যান্য জেলার সাধারণ সহজ সরল মানুষ প্রতারক চক্রের প্রতারণার হাত থেকে রেহাই পাবে।

নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ব্যবসায়ী নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা র‍্যাব ১১ এর অভিযান কে স্বাগতম জানিয়েছে।
তারা দাবি করেছেন শহরের আনাচে-কানাচে এই ধরনের প্রদীপ চন্দ্র বর্মন, আনিসুর রহমান ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা ও জহিরুল ইসলামের মত ভুয়া সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মীর ছড়াছড়ি রয়েছে। এদেরও তদন্তপূর্বক আইনের আওতায় আনা জরুরি।


শেয়ার করুন