বন্দর ধামগড়ে ১৫ই আগষ্ট যেন শোক নয়,ঐদিনটি কাটে আনন্দে 

বন্দর ধামগড়ে ১৫ই আগষ্ট যেন শোক নয়,ঐদিনটি কাটে আনন্দে

বন্দর প্রতিনিধিঃ-” কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো ” ১৫ই আগষ্ট যখন বিশ্বময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্বার মাগফেরাত কামনায় শোকে বিহ্বল। আওয়ামীলীগের দলীয় ব্যানারে তথা সমগ্র বাঙ্গালী জাতি শহীদদের আত্বার মাগফেরাত কামনার্থে দোয়া মিলাদ আর অসহায় পরিবারের মাঝে তবারক বিতরনের আয়োজন। দুই হাত তুলে চোখের পানি ফেলে মহান আল্লাহপাকের দরবারে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন । সেখানে ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামিলীগ দলীয় নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচিত মাসুম আহম্মেদের ১৫ই আগষ্টের নামে শোক নয়। যেন মহা ধুমধামে আয়োজন করা তবারক বিতরনের নামে আনন্দ উল্লাসের মাতম। যেভাবে ১৫ই আগষ্টের পরে তবারক বিতরনের নামে আনন্দ উল্লাস করেছিল খুনি মোস্তাক বাহিনী। ছবিতে তবারক বিতরন দেখলে মনেই হয়না যে ১৫ই আগষ্টের শোকাবহ দিন। মনে হয় খুনি মোস্তাক রাজাকার আলবদর বাহিনীর খিচুড়ি খাওয়ার মহা উৎসব। এমনকি রাত পোহালেই ২১শে আগষ্ট গ্রেনেট হামলার প্রতিবাদ সহ শহীদদের আত্বার মাগফেরাত কামনায় স্মরন সভা। অথচ ফুটবল খেলার নামে তাদে পরিবারের সাজ সাজ রব। চলছে ফ্যাশন শোয়ের আয়োজন। লাল নীল আর চমকা শাড়ি পড়ে অট্রহাসিতে চেয়ারম্যান নিজেই দর্ষকের মন কাড়াবার চেষ্টায় মশগুল । তাদের আচরন দেখলে বুঝাই যায় না ১৫ ও ২১শে আগষ্ট অর্থাৎ পুরো দিনগুলোই বাঙ্গালী জাতির শোকাবহ মাস। আগামীকাল ২১শে আগষ্ট শনিবার তার লোক দেখানো জনসভা। যেখানে ধামগড়ের জনগনকে ধোকা দিয়ে নিজের স্বার্থ আদায়ের চেষ্টা। অর্থাৎ একদিগে পুরো মাসই বাঙ্গালী জাতি শোকে বিহ্বল। অন্যদিগে চলছে তার তবারক বিতরন আর খেলার মাঠে ফ্যাশন শোয়ের ডিগবাজি। জনগন তার ক্ষমতার দাপটে নিরব নিশ্চুপ। তৃনমুল নেতৃবৃন্দ হাইকমান্ডের নিকট প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। রয়েছে বি এন পি জামায়াতের সাথে আতাত করা বিশাল লাঠিয়াল বাহিনী। যার কারনে আওয়ামিলীগ নাম ভাঙ্গিয়ে দলের ভাবমূর্তি কলংকৃত করছে। আর এ সকল সুবিধাভোগী নেতাদের হাতে নৌকা তুলে না দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তৃনমুল আওয়ামিলীগের নেতাকর্মী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *