ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
কাঙ্ক্ষিত মানের জনশক্তি ছাড়া বিপ্লব সাধিত হয় না- মোহাম্মদ আবদুল জব্বার বন্দরের ভয়ঙ্কর ডাকাত সর্দার মামুন গ্রেফতার বাউফলে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন আ স ম ফিরোজ বাউফলে মাদক ব্যবসায়ী নাঈম কে ৯৯ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছেন থানা পুলিশ  কাজিম উদ্দিন প্রধানের আকস্মিক মৃত্যুতে ফারুক হোসেনের গভীর শোক প্রকাশ বন্দর উপজেলা নির্বাচনে পিতা-পুত্রসহ ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা ফিলিস্তিনিদের পাশে বিশ্বের সকল মুসলিমদের এগিয়ে আসতে হবে- ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের বাউফল কাশিপুরের অদম্য ১০ ব্যাচের বন্ধুমহলের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত দুমকিতে ১ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন অয়ন ওসমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের ইফতার বিতরন

বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকে রেলওয়ের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪০ বার পড়া হয়েছে

রেলওয়ের জায়গা দখল

বন্দর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে রেলওয়ের জায়গা দখল করে দোকান স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে টিটুর বিরুদ্ধে। দখল হয়ে যাওয়া সেই জায়গায় পাকা স্থাপনা উঠছে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের চোঁখের সামনেই।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ট্রাকের মাধ্যমে বালু ফেলে এ খাল দখল করে পাকা দোকান স্থাপনা করা হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের যোগসাজশে এসব দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে টিটু ১১৮ শতাংশ জায়গা রেলওয়ে থেকে কৃষি লীজ নেন। এরপর থেকে ওই জমির উপর টিনসেড ছাপড়া নির্মাণ করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে আসলেও সেখানে কোনো পাকা স্থাপনা নির্মাণ হয়নি। কিন্তু টিনসেড ছাপড়া ভেঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাকে করে বালু দিয়ে জমি ভরাট করে ওই জায়গায় স্থায়ীভাবে পাকা স্থাপনা মির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে টিটুর ম্যানেজার মুছা জানান, প্রায় ৩০/৩৫ বছর ধরে রেলওয়ে থেকে ১১৮ শতাংশা জায়গা লীজ টিটু সাহেব লীজ নিয়েছে। আমরা লীজকৃত জায়গায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়াও লীজকৃত জায়গায় পাকা স্থাপনা করা যাবে বলেও তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে এসিল্যান্ড সরেজিমনে এসে দেখে গেছে এবং লীজের কাগজপত্র নিয়ে গেছি। আপনি প্রয়োজনে এসিল্যান্ড, ইউএনও ও চেয়ারম্যান সাহেবদের সাথে কথা বলতে পারেন।

এবিষয় বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন জানান আমি এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম.এ. মুহাইমিন আল জিহান জানান, আমি এই বিষয়টি এখনি দেখতেছি বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকে রেলওয়ের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ

আপডেট সময় : ০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বন্দর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে রেলওয়ের জায়গা দখল করে দোকান স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে টিটুর বিরুদ্ধে। দখল হয়ে যাওয়া সেই জায়গায় পাকা স্থাপনা উঠছে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের চোঁখের সামনেই।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ট্রাকের মাধ্যমে বালু ফেলে এ খাল দখল করে পাকা দোকান স্থাপনা করা হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের যোগসাজশে এসব দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে টিটু ১১৮ শতাংশ জায়গা রেলওয়ে থেকে কৃষি লীজ নেন। এরপর থেকে ওই জমির উপর টিনসেড ছাপড়া নির্মাণ করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে আসলেও সেখানে কোনো পাকা স্থাপনা নির্মাণ হয়নি। কিন্তু টিনসেড ছাপড়া ভেঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাকে করে বালু দিয়ে জমি ভরাট করে ওই জায়গায় স্থায়ীভাবে পাকা স্থাপনা মির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে টিটুর ম্যানেজার মুছা জানান, প্রায় ৩০/৩৫ বছর ধরে রেলওয়ে থেকে ১১৮ শতাংশা জায়গা লীজ টিটু সাহেব লীজ নিয়েছে। আমরা লীজকৃত জায়গায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়াও লীজকৃত জায়গায় পাকা স্থাপনা করা যাবে বলেও তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে এসিল্যান্ড সরেজিমনে এসে দেখে গেছে এবং লীজের কাগজপত্র নিয়ে গেছি। আপনি প্রয়োজনে এসিল্যান্ড, ইউএনও ও চেয়ারম্যান সাহেবদের সাথে কথা বলতে পারেন।

এবিষয় বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন জানান আমি এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম.এ. মুহাইমিন আল জিহান জানান, আমি এই বিষয়টি এখনি দেখতেছি বলে জানান।