বাউফলে আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

বাউফলে আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সংবাদ দাতা মোঃ সাইদুর রহমানঃ পটুয়াখালী বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ.লীগ এর সভাপতি অধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন সিকদার জামাল এর বিরুদ্ধে গত ২৭মে এবং ২৯ মে ২০২২ ইং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ও যুগান্তর অনলাইনে প্রকাশিত কালিশুরী বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নামে গণচাঁদাবাজি নামে মিথ্যা অসত্য বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে আজ (বুধবার ১জুন) ২০২২ ইং সকাল ১০.৩০ মিনিটের দিকে মানববন্ধন করেন কালিশুরী ব্যবসায়ী বৃন্দ ও এলাকার সুধিবৃন্দ এই সংবাদ প্রকাশের জোর প্রতিবাদ ও খুব্দ্য প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।

উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, কালিশুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাএলীগ ওসেচ্ছাসেবগলীগ সহ দলের অনেক নেতা কর্মী। বাংলাদেশ মিউটেশন একটিভিটি কালিশুরী বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি বাৎসরিক কর্মপরিকল্পনা ২০২১-২২ অর্থ বছরে কালিশুরী বাজার উন্নয়ন সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে স্থানীয় প্রকৌশলী ও কালিশুরী বাজার কমিটির উপস্থিতিতে যে সভা হয় সেই সভায় কালিশুরি বাজারে সিসি ক্যামেরা,অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র,পাওয়ার পাম, ডাস্টবিন, ও রাস্তার বাতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য বিষয়ের অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্ৰহীত হয়। তার ধারাবাহিকতায় ব্যবসায়ীরা উদ্যোগী হয়ে পর্যায়ক্রমে আর্থিক সহায়তায় উল্লেখিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেটা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নেছার উদ্দিন শিকদার জামালের কোন ভূমিকা ছিল না। তবে বাজার কমিটি সভাপতি হিসেবে, বাজার উন্নয়নে তার সার্বিক সহায়তা আছে।

যানা যায়, বর্তমান সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতা নেছার উদ্দিন সিকদার’র নেতৃত্বে কালিশুরী বাজারে ব্যবসায়ী ও কালিশুরী ইউনিয়নের সাধারণ জনগন শান্তিতে আছে, ভালো আছে।বাউফলে ১৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে কালিশুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান’র সততা ও যোগ্যতা নিয়ে জনমনে কোন প্রশ্ন নেই।

বিগত ২০১১ সালে কালিশুরী বাজারে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল তাতে ৫০ টির মতো ঘর সহ মালামাল পুরে গিয়ে ছিল।তখন এই নেছার উদ্দিন সিকদার এর নেতৃত্বে, ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আসম ফিরোজের নির্দেশে ব্যবসায়ীদের মালামাল রক্ষা ও পুরে যাওয়া ভিটিতে দোকান পূর্ণ নির্মাণ করতে পেরেছিল।

এছাড়াও স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক চিপ হুইপ এর মাধ্যমে যে সরকারি সাহায্য এসেছিল তা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে সুষ্ঠ বন্টন করেছিলেন এই নেছার উদ্দিন সিকদার জামাল। তার মত একজন সৎ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির দ্বারা কালিশুরী বাজারে চাঁদাবাজির প্রশ্নই আসে না বলে মন্তব্য করেন ব্যবসায়িকরা।তারা বলেন আমরা কালিশুরী বাজারের ব্যবসায়ীরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। তার মতো জনপ্রিয়তা ও সুনামকে ছোট করার জন্য ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক হীনমন্যতা বশত এই মিথ্যা সংবাদ কে বা কাহারা প্রকাশ করিয়েছেন এর তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি।তাই আমরা কালিশুরি বাজারের ব্যবসায়ী ও কালিশুরি ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ এই মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *