বাউফলে পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যের উপর আতর্কিত হামলা

বাউফলে পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যের উপর আতর্কিত হামলা

সংবাদদাতা বাউফলঃপটুয়াখালীর বাউফলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তিনবারের সফল ইউপি সদস্য মো. সেলিম হাওলাদার’র উপর আতর্কিত হামলা ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।সোমবার (৩০শে জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৭ঃ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের বাহেরচর বাজারের পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদার প্রতিদিনের মতোই বাজারের কাজ শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হলে বাজারের পশ্চিম মাথায় মো.ইব্রাহিম সিকদার সহ ৪-৫ জনের সাথে টাকা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটিতে এক পর্যায় তারা (ইউপি সদস্য) সেলিম হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে আশেপাশের লোকজন জড়োয়া হয় এবং সেলিম হাওলাদারকে আহত অবস্থায় তার স্বজনরা চিকিৎসার জন্য বাউফলে নিয়ে যায়।

এ বিষয় ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদার’র কাছে জানতে চাইলে তিনি জনতার ইশতেহারকে বলেন,’ আমি পরিষদের কাজ শেষ করে বাহেরচর বাজারে আসি এবং বাজারের কাজ শেষ করে বাড়িতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে হঠাৎ ইব্রাহিম সিকদার(৫০), ইদি আমি(২৫)- শারদুল আমিন(২২) পিতা- খোশরুল আমিন সিকদার ও হুমায়ুন কবির সিকদার (৫৫)পিতা- মাহবুব আলম সিকদার আমাকে কিছু না বোঝার আগেই তারা এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও মারধর করে। আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি।তাছাড়াও নির্বাচন থেকেই আমার সাথে বিভিন্নরকম আক্রশমূলক ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা চালাত তারা।নির্বাচনে জনগণ আমাকে বারবার কেন ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে এতেও তাদের হিংসা হয়।

সেলিম হাওলাদার আরো বলেন,’ আমাকে মারধর করেও শান্ত হইনি, আমার কাছে প্রকল্পের কাজের বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার টাকা ছিল লেবারদের বিল দিবো, তাও ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।পরবর্তীতে মারধরের ঘটনা শুনে আমার স্বজনরা এসে আমাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক আমাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়।বর্তমানে এখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি।

তবে, এ ব্যাপারে কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন,’ মারধরের ঘটনার পরে সেলিম হাওলাদার আমাকে মোবাইল করে জানিয়েছে এবং আমি ওখানকার কিছু লোকজনের থেকেও শুনেছি। তবে ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদার’র উপর মারধরের ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

এ বিষয় বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আল-মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউপি সদস্যকে মারধরের ঘটনা আমাকে জানিয়েছে। আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *