ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্দরে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-৩ বন্দরে অসুস্থ্য জাপা নেতা ফজর আলী পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দ বাবুর্চি ও দালাল চক্রের দখলে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বন্দরে দিনমজুরকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা আফজালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাচনে হুইপ নজরুলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন গলাচিপা উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ১৫ জন ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হবে ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এর সখ্যতায় মদনপুরে অবৈধ ফুটপাত বাণিজ্য গলাচিপা উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ১৫ জন ম্যাজিস্ট কলাপাড়ায় ব্যতিক্রমী আয়োজনে সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা

বাউফলে বিভিন্ন ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত ডাকাত দল অবশেষে আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

বাউফলে বিভিন্ন ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত ডাকাত দল অবশেষে আট

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালীর বাউফলে বিভিন্ন সময় ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ত সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার মাদারিপুর, বরিশাল এবং বাউফল উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ই নভেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী পুলিশ অফিসে অয়োজিত প্রেসব্রিফিং এ পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সময় বাউফল উপজেলায় বেশ কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতে পুরো বিষয়ে তদন্তে নামে জেলা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে একটি ডাকাত চক্র ঢাকা থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে পটুয়াখালী জেলায় আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের একটি টিম মাদারিপুর জেলার রাজৈর থানার সামনের মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে চার ডাকাতকে আটক করে।

এরা হচ্ছেন কালাইয়ার বাচ্চু সরদার, কনকদিয়া এলাকার উজ্জল হোসেন, পূর্ব কালাইয়ার জুলহাস মাতব্বর ওরফে জুলফু ডাকাত এবং পিরোজুপর এলাকার ইন্দুরকানি এলাকার নজরুল শেখ।

আটক হওয়া ডাকাতদের দেয়া তথ্য মতে রাতেই ডাকাত দলের সর্দার বরিশাল বাটাজোর এলাকার সোলায়মান হোসেন রনির বাড়িতে অভিযান চালালে রনি গোপন সুরঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাদারীপুর ও ফরিপুর জেলা পুলিশকে ডাকাত সর্দার সম্পর্কে তথ্য দিলে তারা মাহাসড়কে চেক পোস্ট স্থাপন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ফরিদপুর জেলা পুলিশ রনিকে তাদের চেক পোস্টে গ্রেফতার করতে স্বক্ষম হয়।

পরবর্তীতে বাউফলে ডাকাত দলকে আশ্রয়দাতা কলাইয়া এলাকার ২নং ওয়ার্ড এর মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং সুমন হোসেন কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের বাড়ি থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি লক কাটার, চারটি রামদা এবং দুটি শাবল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া ডাকাত সদস্যদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য আদালতে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে জেলা পুলিশ জানান।

উল্লেখ্য, বাউফল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ডাকাতির ঘটনা ঘটে এবং বেশি ডাকাতির ঘটনা ঘটে কালাইয়া ইউনিয়নে। যেন সাধারণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ডাকাত আতঙ্কে দিনাতিপাত যাপন করে। এবং চুরি ডাকাতির কথা শুনেই অনুসন্ধানী সাংবাদিক শেখ এম জাফরান হারুন একেরপর এক প্রতিবেদন প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন। যাহার দরুন সাংবাদিককে অনেক চাপ সইতে হয়েছে। এবার এই ডাকাত দল কে কারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিতেন তাই নিয়ে আসছি অনুসন্ধানের মাধ্যমে পরবর্তীতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাউফলে বিভিন্ন ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত ডাকাত দল অবশেষে আটক

আপডেট সময় : ১২:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

বাউফলে বিভিন্ন ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত ডাকাত দল অবশেষে আট

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালীর বাউফলে বিভিন্ন সময় ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ত সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার মাদারিপুর, বরিশাল এবং বাউফল উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ই নভেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী পুলিশ অফিসে অয়োজিত প্রেসব্রিফিং এ পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সময় বাউফল উপজেলায় বেশ কয়েকটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতে পুরো বিষয়ে তদন্তে নামে জেলা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে একটি ডাকাত চক্র ঢাকা থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে করে পটুয়াখালী জেলায় আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের একটি টিম মাদারিপুর জেলার রাজৈর থানার সামনের মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে চার ডাকাতকে আটক করে।

এরা হচ্ছেন কালাইয়ার বাচ্চু সরদার, কনকদিয়া এলাকার উজ্জল হোসেন, পূর্ব কালাইয়ার জুলহাস মাতব্বর ওরফে জুলফু ডাকাত এবং পিরোজুপর এলাকার ইন্দুরকানি এলাকার নজরুল শেখ।

আটক হওয়া ডাকাতদের দেয়া তথ্য মতে রাতেই ডাকাত দলের সর্দার বরিশাল বাটাজোর এলাকার সোলায়মান হোসেন রনির বাড়িতে অভিযান চালালে রনি গোপন সুরঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাদারীপুর ও ফরিপুর জেলা পুলিশকে ডাকাত সর্দার সম্পর্কে তথ্য দিলে তারা মাহাসড়কে চেক পোস্ট স্থাপন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ফরিদপুর জেলা পুলিশ রনিকে তাদের চেক পোস্টে গ্রেফতার করতে স্বক্ষম হয়।

পরবর্তীতে বাউফলে ডাকাত দলকে আশ্রয়দাতা কলাইয়া এলাকার ২নং ওয়ার্ড এর মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং সুমন হোসেন কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের বাড়ি থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি লক কাটার, চারটি রামদা এবং দুটি শাবল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া ডাকাত সদস্যদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য আদালতে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে জেলা পুলিশ জানান।

উল্লেখ্য, বাউফল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ডাকাতির ঘটনা ঘটে এবং বেশি ডাকাতির ঘটনা ঘটে কালাইয়া ইউনিয়নে। যেন সাধারণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ডাকাত আতঙ্কে দিনাতিপাত যাপন করে। এবং চুরি ডাকাতির কথা শুনেই অনুসন্ধানী সাংবাদিক শেখ এম জাফরান হারুন একেরপর এক প্রতিবেদন প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন। যাহার দরুন সাংবাদিককে অনেক চাপ সইতে হয়েছে। এবার এই ডাকাত দল কে কারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিতেন তাই নিয়ে আসছি অনুসন্ধানের মাধ্যমে পরবর্তীতে।