ঢাকা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
কাঙ্ক্ষিত মানের জনশক্তি ছাড়া বিপ্লব সাধিত হয় না- মোহাম্মদ আবদুল জব্বার বন্দরের ভয়ঙ্কর ডাকাত সর্দার মামুন গ্রেফতার বাউফলে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন আ স ম ফিরোজ বাউফলে মাদক ব্যবসায়ী নাঈম কে ৯৯ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছেন থানা পুলিশ  কাজিম উদ্দিন প্রধানের আকস্মিক মৃত্যুতে ফারুক হোসেনের গভীর শোক প্রকাশ বন্দর উপজেলা নির্বাচনে পিতা-পুত্রসহ ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা ফিলিস্তিনিদের পাশে বিশ্বের সকল মুসলিমদের এগিয়ে আসতে হবে- ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের বাউফল কাশিপুরের অদম্য ১০ ব্যাচের বন্ধুমহলের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত দুমকিতে ১ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন অয়ন ওসমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের ইফতার বিতরন

মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে এসপি ও শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে

মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে এসপি ও শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সুচিয়ারবন্দ এলাকার চিহিৃত মাদক সম্রাট মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনি। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে প্রায় ১৯টি। এসব মামলা নিয়েই পুলিশের নাকের ডগায় মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বেপরোয়া গতিতে চলছে।

জানা গেছে, মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনিকে আইনের ফাঁকফোকরে যতবারই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছেন ততবারই অল্প সময়ের ব্যবধানে আইনের ফাঁকফোকরে জামিনে বেরিয়ে আসেন মাদক সম্রাট ব্লাক জনি। তার নামে বন্দর থানায় ১৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদক মামলা রয়েছে ৮ এবং ডাকাতিসহ আরও ১১টি মামলা রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১৯ খানেক মাদক মামলা মাথার উপর ঝুলছে সুচিয়ারবন্দ এলাকার আমান উল্লাহ মিয়ার ছেলে বন্দরের শীর্ষ মাদক সম্রাট মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনি। সে কলাগাছিয়া ইউনিয়েনর বিভিন্ন পয়েন্টে আস্তানা গড়ে মাদকের কারবার দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। জমজমাট মাদক ব্যবসার কারনে এলাকার যে কোনো স্থানে হাত বাড়ালেই মিলছে গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবা। এলাকায় মাদক বিক্রি হওয়াটা এখন স্বাভাবিক বলে মনে করে অনেকেই। ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করা না গেলে যুব সমাজ দিনেদিনে খারাপের দিকে ধাবিত হবে বলে শঙ্কায় আছেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী আরও জানান, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা সয়লাব হলেও এগুলো দেখার কেউ নেই। যারা বন্ধ বা প্রতিরোধ করবে তারাই এ ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত হয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছে। এ মরণনেশা মাদকে দিন দিন এলাকার তরুণরা আসক্ত হচ্ছে। মাদক সেবনকারীদের উৎপাতের কারণে এলাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড।

বন্দর থানা ও ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ব্লাক জনিকে গ্রেফতার করলেও কিছুদিনের জন্য বন্ধ হয় মাদক ব্যবসা। এতে অল্প সময়ের ব্যবধানে আইনের ফাঁকফোকরে জামিনে বেরিয়ে আসেন মাদক সম্রাট ব্লাক জনি। প্রতিনিয়তই চলতে থাকে মাদক ব্যবসা।এলাকাবাসী কেও প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের বাড়ি ঘড়ে হামলা ও ভাংচুর এর স্বীকার হয় ব্লাক জনির বাহিনী দ্বারা।

মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক কেনাবেচা বন্ধ করতে জেলা পুলিশ সুপার ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে এসপি ও শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে এসপি ও শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সুচিয়ারবন্দ এলাকার চিহিৃত মাদক সম্রাট মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনি। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক মামলা রয়েছে প্রায় ১৯টি। এসব মামলা নিয়েই পুলিশের নাকের ডগায় মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বেপরোয়া গতিতে চলছে।

জানা গেছে, মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনিকে আইনের ফাঁকফোকরে যতবারই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছেন ততবারই অল্প সময়ের ব্যবধানে আইনের ফাঁকফোকরে জামিনে বেরিয়ে আসেন মাদক সম্রাট ব্লাক জনি। তার নামে বন্দর থানায় ১৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মাদক মামলা রয়েছে ৮ এবং ডাকাতিসহ আরও ১১টি মামলা রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১৯ খানেক মাদক মামলা মাথার উপর ঝুলছে সুচিয়ারবন্দ এলাকার আমান উল্লাহ মিয়ার ছেলে বন্দরের শীর্ষ মাদক সম্রাট মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনি। সে কলাগাছিয়া ইউনিয়েনর বিভিন্ন পয়েন্টে আস্তানা গড়ে মাদকের কারবার দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। জমজমাট মাদক ব্যবসার কারনে এলাকার যে কোনো স্থানে হাত বাড়ালেই মিলছে গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবা। এলাকায় মাদক বিক্রি হওয়াটা এখন স্বাভাবিক বলে মনে করে অনেকেই। ব্লাক জনির মাদক ব্যবসা বন্ধ করা না গেলে যুব সমাজ দিনেদিনে খারাপের দিকে ধাবিত হবে বলে শঙ্কায় আছেন অভিভাবকরা।

এলাকাবাসী আরও জানান, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা সয়লাব হলেও এগুলো দেখার কেউ নেই। যারা বন্ধ বা প্রতিরোধ করবে তারাই এ ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত হয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছে। এ মরণনেশা মাদকে দিন দিন এলাকার তরুণরা আসক্ত হচ্ছে। মাদক সেবনকারীদের উৎপাতের কারণে এলাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড।

বন্দর থানা ও ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ব্লাক জনিকে গ্রেফতার করলেও কিছুদিনের জন্য বন্ধ হয় মাদক ব্যবসা। এতে অল্প সময়ের ব্যবধানে আইনের ফাঁকফোকরে জামিনে বেরিয়ে আসেন মাদক সম্রাট ব্লাক জনি। প্রতিনিয়তই চলতে থাকে মাদক ব্যবসা।এলাকাবাসী কেও প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের বাড়ি ঘড়ে হামলা ও ভাংচুর এর স্বীকার হয় ব্লাক জনির বাহিনী দ্বারা।

মাদক সম্রাট ব্লাক জনির মাদক কেনাবেচা বন্ধ করতে জেলা পুলিশ সুপার ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।