দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন