ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

গৌরবের ৩ বছর পূর্ণ করল ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’

পটুয়াখালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পর্যটন, উন্নয়ন এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে দেশ ও বিদেশের আঙিনায় তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’ আজ সাফল্যের সাথে তার পথচলার তৃতীয় বছর পূর্ণ করেছে।২০২৩ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মটি গত তিন বছরে জেলার সৌন্দর্য, সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন অর্জনকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এক নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সাধারণ মানুষের গভীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ ঘোষণাপ্ল্যাটফর্মটির অ্যাডমিন প্যানেল জানিয়েছে, আগামী ৭ আগস্ট ২০২৬ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এই মহতী আয়োজনকে সফল করতে ইতিমধ্যে একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘জুলাই স্মৃতি ফটো কনটেস্ট–২০২৬’, যা পটুয়াখালীর সৌন্দর্যকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে।অ্যাডমিন প্যানেলের বার্তা: "গত তিন বছরের পথচলায় যারা আমাদের সাথে ছিলেন, অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন এবং আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে পাশে দাঁড়িয়েছেন—তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পটুয়াখালীর ইতিবাচক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভবিষ্যতেও আপনাদের এমন সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।"প্রত্যাশা ও শুভকামনাপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে প্ল্যাটফর্মটির সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং পটুয়াখালীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। পটুয়াখালীর গৌরবময় ইতিহাস ও অপার সম্ভাবনাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’র আগামী দিনগুলো আরও সমৃদ্ধ ও সফল হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার সচেতন মহল।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে -আব্দুল মোমিন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দর হরিপুরে দ্বিতীয় দফায় অবৈধ চুন কারখানা গুঁড়িয়ে দিল তিতাস

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রশিবিরের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি শুভ-সেক্রেটারি তামিম

সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রশিবিরের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি শুভ-সেক্রেটারি তামিম

মিথ্যা মামলা দিয়ে আলেমদের হয়রানি করলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে- নারায়ণগঞ্জ উলামা পরিষদ

মিথ্যা মামলা দিয়ে আলেমদের হয়রানি করলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে- নারায়ণগঞ্জ উলামা পরিষদ

​আড়াইহাজারে কুমির আতঙ্ক: এলাকায় মাইকিং

​আড়াইহাজারে কুমির আতঙ্ক: এলাকায় মাইকিং

সাইনবোর্ড মিতালী মার্কেটের বিদ্যুৎ সংকট, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

সাইনবোর্ড মিতালী মার্কেটের বিদ্যুৎ সংকট, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

সাইনবোর্ড মিতালী মার্কেটের বিদ্যুৎ সংকট, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

সাইনবোর্ড মিতালী মার্কেটের বিদ্যুৎ সংকট, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন

গৌরবের ৩ বছর পূর্ণ করল ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’

গৌরবের ৩ বছর পূর্ণ করল ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’

কক্সবাজারে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মাসিক কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক

কক্সবাজারে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মাসিক কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক

সুপার সিক্সটিনে মেসির আর্জেন্টিনা -মিশরকে হারিয়ে উঠবে কি কোয়ার্টার ফাইনালে?

সুপার সিক্সটিনে মেসির আর্জেন্টিনা -মিশরকে হারিয়ে উঠবে কি কোয়ার্টার ফাইনালে?

আমার ৪৫ বছর রাজনৈতিক জীবনে আমি কখনও মানুষের কোনো ক্ষতি চাইনি

আমার ৪৫ বছর রাজনৈতিক জীবনে আমি কখনও মানুষের কোনো ক্ষতি চাইনি

চর কাশীপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন

চর কাশীপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন

গণগ্রন্থাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছেন- আনিসুল ইসলাম সানি

নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অডিটরিয়াম সংস্কার, লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মনীষ চাকমার সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।​০৬ জুলাই ২০২৬ ইং  সোমবার মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন আহবায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুল ইসলাম সানি।​আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পাঠকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:​অডিটরিয়াম সংস্কার: গ্রন্থাগারের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ অডিটরিয়ামটিকে আধুনিক ও ব্যবহারোপযোগী করার জন্য দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়।​এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) স্থাপন: তীব্র গরমে পাঠকদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনের তাগিদ দেওয়া হয়।​আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধান: গ্রন্থাগারের পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, বইয়ের আধুনিক ক্যাটালগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাসহ অন্যান্য বিদ্যমান সমস্যাগুলো মহাপরিচালকের নিকট তুলে ধরা হয়।​আলোচনা শেষে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমা উত্থাপিত সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন এবং পাঠকদের সুবিধার্থে অডিটরিয়াম সংস্কার ও লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনসহ অন্যান্য যৌক্তিক সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।​বৈঠক শেষে আনিসুল ইসলাম সানি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সংস্কার কাজগুলো সম্পন্ন হলে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকরা একটি আধুনিক ও চমৎকার পরিবেশে জ্ঞানচর্চার সুযোগ পাবেন।

সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রশিবিরের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি শুভ-সেক্রেটারি তামিম

​২০২৬ সেশনের বাকি সময়ের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার আওতাধীন সরকারি তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি নির্বাচন ও সেক্রেটারি মনোনয়ন সম্পন্ন হয়েছে।​সাথীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এমদাদুল হক শুভ এবং নতুন শাখা সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ তামিম ইকবাল।​গত ৬ জুলাই তোলারাম কলেজ  সাথীদের নিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশে ‘সাথী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগর অফিস সম্পাদক রায়হান বিন রফিকের সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর শাখার সেক্রেটারি আমজাদ হোসাইন রাজু। এছাড়াও অনুষ্ঠানে তোলারাম কলেজ শাখার সাবেক সভাপতিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।​সমাবেশে ২০২৬ সেশনের বাকি সময়ের জন্য নতুন নেতৃত্ব গঠনে মহানগর সভাপতি স্বাক্ষরিত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সাথীদের প্রত্যক্ষ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রধান অতিথি আমজাদ হোসাইন রাজু সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত এমদাদুল হক শুভকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং নবনির্বাচিত সভাপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান।​শপথ গ্রহণ শেষে উপস্থিত সাথীদের পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে নবনির্বাচিত সভাপতি এমদাদুল হক শুভ, কলেজ শাখার নতুন সেক্রেটারি হিসেবে মোঃ তামিম ইকবালের নাম ঘোষণা করেন।​পরিশেষে, নবগঠিত কমিটির সার্বিক সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ছাত্রসমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ মাদরাসা ইস্যুতে ক্লিয়ার করলেন শিক্ষার্থী

নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ মাদরাসা ইস্যুতে ক্লিয়ার করলেন শিক্ষার্থী

সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ মাদরাসাকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি। একজন বর্তমান শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের অবস্থান ও ঘটনার ধারাবাহিকতা তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করছি।গত ৩০ জুন মাদরাসার নির্বাহী পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের জানা মতে, ওই বৈঠকে মুহতামিম ও মাওলানা হারুনুর রশীদ সাহেবের মধ্যকার বি-রো-ধ নিয়ে আলোচনা হয়। একপর্যায়ে সভাপতি মাদরাসার প্রতিনিধি তিনজন শিক্ষককে বৈঠক থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। পরে বৈঠকে মাওলানা হারুনুর রশীদ সাহেবকে মাদরাসা এবং মসজিদের খতিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।আমাদের জানা মতে, এই সিদ্ধান্তের পক্ষে উপস্থাপিত অ-ভিযোগের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও উপস্থাপনে মাওলানা ফেরদাউসসহ কয়েকজন ভূমিকা পালন করেন।অব্যাহতির পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে মাদরাসার অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা হয়েছে বলে আমরা দেখেছি। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, কোনো উসকানিতে ছাত্ররা সাড়া দেয়নি। শত চেষ্টা করেও কাউকে বিশৃঙ্খলার পথে নামানো সম্ভব হয়নি।কিন্তু হারুন সাহেবকে অব্যাহতির প্রায় পাঁচ দিন পর আমরা লক্ষ্য করি, মুহতামিম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শিক্ষক একের পর এক এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে থাকেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। আমাদের দৃষ্টিতে, মাদরাসার পরিচালনায় একক সিদ্ধান্তের প্রবণতা বাড়তে থাকে এবং কিছু জুনিয়র শিক্ষক নাজেমে তা'লিমাতসহ কয়েকজন সিনিয়র উস্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বিষয়টি এখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।পরবর্তীতে একের পর এক সিনিয়র উস্তাদকে অব্যাহতি দেওয়ার নোটিশ, যাতে মুহতামিমের স্বাক্ষর ছিল, শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায়। এই নোটিশই আজকের ছাত্র আন্দোলনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নোটিশটি দেখার পর ছাত্রদের মধ্যে তীব্র ক্ষো-ভের সৃষ্টি হয়।আমরা অব্যাহতি পাওয়া উস্তাদদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তাঁদের কষ্ট, বেদনা ও চোখের অশ্রু আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। আমাদের অনুভূতি ছিল, তাঁরা মানসিকভাবে অত্যন্ত চাপে ছিলেন।এরই প্রতিবাদে আজ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা মুহতামিমসহ সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগ, অব্যাহতি পাওয়া সিনিয়র উস্তাদদের পুনর্বহাল এবং মাদরাসায় ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।এ সময় বহিরাগত কিছু ব্যক্তি মাদরাসায় প্রবেশের চেষ্টা করে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। তবে শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে এবং কোনো ধরনের সংঘাতে জড়ায়নি। বিভিন্ন দিক থেকে কর্মসূচি প্রত্যাহারের চাপ থাকলেও ছাত্ররা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবিতে অটল ছিল।ঘটনার পর সারাদেশে এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। দুঃখজনকভাবে, পুরো ঘটনা না জেনেই অনেকে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিষয়টিকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেছেন। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই আন্দোলনের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা দলের সম্পৃক্ততা নেই।পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাদরাসায় উপস্থিত হন মুফতি মনির কাসেমী, এলাকার জাকির খান, ফেরদাউসসহ বিএনপির মহানগরীর কয়েকজন নেতা। দীর্ঘ আলোচনার পর আমাদের জানানো হয় যে, মাওলানা হারুনুর রশীদ সাহেবকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হবে এবং পরিচালনা পরিষদ আগামী তিন দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।পরিশেষে, আমরা আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই—দেওভোগ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা কারো উসকানিতে কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে নামেনি। আমরা শুধুমাত্র আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান, সম্মানিত সিনিয়র উস্তাদদের মর্যাদা এবং মাদরাসার ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ রক্ষার দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছি।আল্লাহ তাআলা আমাদের মাদরাসায় ন্যায়, ইনসাফ, ঐক্য ও শান্তি ফিরিয়ে দিন। আমীন।— মুহাম্মদ নাজমুল হুদা রনিশিক্ষার্থী, দেওভোগ মাদরাসা, নারায়ণগঞ্জ

বন্দরে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বন্দরে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বন্দরের নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার সকালে নাসিক ২৩ নং ওর্য়াডস্থ কলেজের এইচ এস সি পরির্ক্ষাথীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গভনিং বডির সভাপতি আলহাজ্ব সাইফুদ্দিন আহমেদ আনিস। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ নিতাই মজুমদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন হাজী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইফফাত আরা ইতি, শিক্ষানুরাগী ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন, অভিভাবক প্রতিনিধি মোঃ রাজিব সরদার,বিদায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণকান্ত মন্ডল ( সহকারী প্রধান শিক্ষক), উম্মে সালমা ( শিক্ষক প্রতিনিধি), সহকারী শিক্ষক মুক্তি বেগম, সহকারী শিক্ষক কামরুল হাসান, সহকারী শিক্ষক রহিমা আক্তার, সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ শাহাদাদ হোসেন, প্রভাষক তরিকুল ইসলাম, সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রভাষক মাহবুবুল হক সহ শিক্ষক ও কর্মচারী বৃন্দ।

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি স্লোগানে বৃক্ষরোপণ

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি স্লোগানে বৃক্ষরোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।​২৯ জুন ২০২৬, সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।​এবারের কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ও স্লোগান ছিল ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ (One Child, One Tree)। এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ নেন।​অনুষ্ঠানে মহানগর যুবদলের আহবায়ক মনিরুল ইসলাম সজল সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিবেশ রক্ষায় গাছের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং সেটির যত্ন নেওয়া উচিত।​বৃক্ষরোপণ শেষে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে আরও সবুজ করে গড়ে তোলার শপথ নেয়। এ সময় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

গৌরবের ৩ বছর পূর্ণ করল ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’

পটুয়াখালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পর্যটন, উন্নয়ন এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে দেশ ও বিদেশের আঙিনায় তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’ আজ সাফল্যের সাথে তার পথচলার তৃতীয় বছর পূর্ণ করেছে।২০২৩ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মটি গত তিন বছরে জেলার সৌন্দর্য, সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন অর্জনকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এক নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সাধারণ মানুষের গভীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ ঘোষণাপ্ল্যাটফর্মটির অ্যাডমিন প্যানেল জানিয়েছে, আগামী ৭ আগস্ট ২০২৬ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এই মহতী আয়োজনকে সফল করতে ইতিমধ্যে একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘জুলাই স্মৃতি ফটো কনটেস্ট–২০২৬’, যা পটুয়াখালীর সৌন্দর্যকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে।অ্যাডমিন প্যানেলের বার্তা: "গত তিন বছরের পথচলায় যারা আমাদের সাথে ছিলেন, অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন এবং আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে পাশে দাঁড়িয়েছেন—তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পটুয়াখালীর ইতিবাচক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভবিষ্যতেও আপনাদের এমন সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।"প্রত্যাশা ও শুভকামনাপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে প্ল্যাটফর্মটির সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং পটুয়াখালীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। পটুয়াখালীর গৌরবময় ইতিহাস ও অপার সম্ভাবনাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’র আগামী দিনগুলো আরও সমৃদ্ধ ও সফল হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার সচেতন মহল।

​আড়াইহাজারে কুমির আতঙ্ক: এলাকায় মাইকিং

​আড়াইহাজারে কুমির আতঙ্ক: এলাকায় মাইকিং

ইউসুফ আলী প্রধান নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মেঘনা নদীর শাখা নদীতে বিশাল এক কুমিরের সন্ধান পাওয়ার খবরে পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নদী পারাপার ও গোসল করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার সকাল ৭:৩০ মিনিটের দিকে আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাংগালিয়া চেঙ্গাকান্দীপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মোঃ মাহফুজ সকালের মক্তব পড়ানো শেষ করে মসজিদ ঘাটে যান। ঘাট থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে নদীর মাঝখানে তিনি প্রথম কুমিরটিকে ভাসতে দেখেন।​ঘটনার বিবরণ দিয়ে মুয়াজ্জিন মোঃ মাহফুজ বলেন ​"আমি নদীর মাঝখানে কুমিরটি দেখতে পেয়ে মোবাইল বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করি। ছবি তুলতে তুলতেই কুমিরটি পানিতে অদৃশ্য হয়ে যায়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই সেটি দ্রুত ঘাটের একদম কাছাকাছি এসে ভেসে ওঠে। তখন আমি ভয় পেয়ে যাই, তবে সাহস করে ছবি তুলি। পরে দ্রুত এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানাই এবং সবাইকে সতর্ক করতে এলাকায় মাইকিং করার ব্যবস্থা করি।"​মুয়াজ্জিন মাহফুজ কুমিরের ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড দিলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ছবিটিকে ভুয়া বা অন্য কোনো জায়গার বলে দাবি করেন।​ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় নিউজ পোর্টাল 'আড়াইহাজার টাইমস'-এর সম্পাদক ও সাংবাদিক নজরুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যান। তিনি ছবিটির সাথে ঘটনাস্থলের ব্যাকগ্রাউন্ড মিলিয়ে দেখতে 'জিওগ্রাফিক্যাল ম্যাচ' (ভৌগোলিক অবস্থান পরীক্ষা) করেন এবং ছবিটির সাথে পরিবেশের সম্পূর্ণ মিল খুঁজে পান। ফলে ছবিটির সত্যতা শতভাগ নিশ্চিত হয়।​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিতর্ককে পাশ কাটিয়ে ৭জুলাই মঙ্গলবার সকালেও একই নদীর উচিৎপুরা বাজার এলাকায় একাধিক ব্যক্তি কুমিরটিকে ভাসতে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। ফলে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে এখন নতুন করে কুমির আতঙ্ক ভর করেছে।উল্লেখ্য, মূল মেঘনা নদী থেকে এই ঘটনাস্থল তথা শাখা নদীটির দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার। স্থানীয় পরিবেশবিদ ও প্রবীণদের মতে, বর্ষা মৌসুমে নদীতে নতুন জোয়ারের পানি আসায় মূল নদী থেকে কুমির বা এই জাতীয় বন্যপ্রাণী শাখা নদীতে চলে আসা একদমই অসম্ভব কিছু নয়। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আড়াইহাজার উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা আবু কাউছার জানান এই বিষয়টি আমাকে কেউই জানায়নি। তবে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবো।

গণগ্রন্থাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছেন- আনিসুল ইসলাম সানি

গণগ্রন্থাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছেন- আনিসুল ইসলাম সানি

নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অডিটরিয়াম সংস্কার, লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মনীষ চাকমার সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।​০৬ জুলাই ২০২৬ ইং  সোমবার মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন আহবায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুল ইসলাম সানি।​আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পাঠকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:​অডিটরিয়াম সংস্কার: গ্রন্থাগারের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ অডিটরিয়ামটিকে আধুনিক ও ব্যবহারোপযোগী করার জন্য দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়।​এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) স্থাপন: তীব্র গরমে পাঠকদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনের তাগিদ দেওয়া হয়।​আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধান: গ্রন্থাগারের পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, বইয়ের আধুনিক ক্যাটালগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাসহ অন্যান্য বিদ্যমান সমস্যাগুলো মহাপরিচালকের নিকট তুলে ধরা হয়।​আলোচনা শেষে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমা উত্থাপিত সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন এবং পাঠকদের সুবিধার্থে অডিটরিয়াম সংস্কার ও লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনসহ অন্যান্য যৌক্তিক সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।​বৈঠক শেষে আনিসুল ইসলাম সানি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সংস্কার কাজগুলো সম্পন্ন হলে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকরা একটি আধুনিক ও চমৎকার পরিবেশে জ্ঞানচর্চার সুযোগ পাবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
বন্দর জাঙ্গাল ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠনের ১ম বর্ষপূর্তিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বন্দর জাঙ্গাল ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠনের ১ম বর্ষপূর্তিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সামাজিক ও মানবিক কাজের অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলা সংগঠন 'বন্দর জাঙ্গাল ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠন'-এর ১ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সংগঠনটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।​উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন।​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেল্প হসপিটালের চেয়ারম্যান ডাঃ আব্দুল আল মামুন এবং বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহেদ কায়েস।​বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠনের সভাপতি ওমর ফারুক।​অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা সংগঠনের ১ম বর্ষপূর্তিতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশের বিপর্যয় রোধে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। বন্দর জাঙ্গাল ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠন তাদের প্রথম বর্ষপূর্তিতে উৎসব-আড়ম্বরের চেয়ে পরিবেশবান্ধব এই মহতী উদ্যোগ নেওয়ায় অতিথিরা সংগঠনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামীতেও এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।​এ সময় এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠনের সর্বস্তরের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংগঠনের সভাপতি মো ওমর ফারুক, সহ সভাপতি মো হেলাল, সি সহ সভাপতি আমোয়ার, সেক্রেটারি ওমর শরিফ, উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, রহমত উল্লাহ সহকমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা সংগঠনের সদস্যদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন।

কোন পোস্ট নেই !
​আড়াইহাজারে কুমির আতঙ্ক: এলাকায় মাইকিং

​আড়াইহাজারে কুমির আতঙ্ক: এলাকায় মাইকিং

ইউসুফ আলী প্রধান নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার মেঘনা নদীর শাখা নদীতে বিশাল এক কুমিরের সন্ধান পাওয়ার খবরে পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নদী পারাপার ও গোসল করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার সকাল ৭:৩০ মিনিটের দিকে আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাংগালিয়া চেঙ্গাকান্দীপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মোঃ মাহফুজ সকালের মক্তব পড়ানো শেষ করে মসজিদ ঘাটে যান। ঘাট থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে নদীর মাঝখানে তিনি প্রথম কুমিরটিকে ভাসতে দেখেন।​ঘটনার বিবরণ দিয়ে মুয়াজ্জিন মোঃ মাহফুজ বলেন ​"আমি নদীর মাঝখানে কুমিরটি দেখতে পেয়ে মোবাইল বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করি। ছবি তুলতে তুলতেই কুমিরটি পানিতে অদৃশ্য হয়ে যায়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই সেটি দ্রুত ঘাটের একদম কাছাকাছি এসে ভেসে ওঠে। তখন আমি ভয় পেয়ে যাই, তবে সাহস করে ছবি তুলি। পরে দ্রুত এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানাই এবং সবাইকে সতর্ক করতে এলাকায় মাইকিং করার ব্যবস্থা করি।"​মুয়াজ্জিন মাহফুজ কুমিরের ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড দিলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ছবিটিকে ভুয়া বা অন্য কোনো জায়গার বলে দাবি করেন।​ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় নিউজ পোর্টাল 'আড়াইহাজার টাইমস'-এর সম্পাদক ও সাংবাদিক নজরুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যান। তিনি ছবিটির সাথে ঘটনাস্থলের ব্যাকগ্রাউন্ড মিলিয়ে দেখতে 'জিওগ্রাফিক্যাল ম্যাচ' (ভৌগোলিক অবস্থান পরীক্ষা) করেন এবং ছবিটির সাথে পরিবেশের সম্পূর্ণ মিল খুঁজে পান। ফলে ছবিটির সত্যতা শতভাগ নিশ্চিত হয়।​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিতর্ককে পাশ কাটিয়ে ৭জুলাই মঙ্গলবার সকালেও একই নদীর উচিৎপুরা বাজার এলাকায় একাধিক ব্যক্তি কুমিরটিকে ভাসতে দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। ফলে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে এখন নতুন করে কুমির আতঙ্ক ভর করেছে।উল্লেখ্য, মূল মেঘনা নদী থেকে এই ঘটনাস্থল তথা শাখা নদীটির দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার। স্থানীয় পরিবেশবিদ ও প্রবীণদের মতে, বর্ষা মৌসুমে নদীতে নতুন জোয়ারের পানি আসায় মূল নদী থেকে কুমির বা এই জাতীয় বন্যপ্রাণী শাখা নদীতে চলে আসা একদমই অসম্ভব কিছু নয়। নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আড়াইহাজার উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা আবু কাউছার জানান এই বিষয়টি আমাকে কেউই জানায়নি। তবে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবো।

বাবার বডি গার্ড আবু তাহেরের স্ত্রীকে নিয়ে কেক কাটলেন প্রধানমন্ত্রী

বাবার বডি গার্ড আবু তাহেরের স্ত্রীকে নিয়ে কেক কাটলেন প্রধানমন্ত্রী

২নং সেক্টর কমান্ডার ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বডি গার্ড প্রয়াত আবু তাহেরের স্ত্রীকে নিয়ে কেক কাটলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল ছিল পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।সেখানে হৃদয়গ্রাহী এক দৃশ্য চোখে পড়ে। যখন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটার জন্য তিন বাহিনীর প্রধান প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের দু'পাশে এসে দাঁড়ালেন, কেক আনা হলো, নাইফ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে কাটার জন্য, ঠিক ওই সময়ে তিনি হাতের ইশারায় পিজিআরের একজন সৈনিককে ডাকলেন, আঙুল দিয়ে দেখালেন দর্শক সারিতে বসে থাকা এক বৃদ্ধা নারীকে, যেন উনাকে এখানে নিয়ে আসা হয়।আশেপাশের কেউ বুঝতে পারতেছিলেন না এই বৃদ্ধা মহিলা  উনি কে! সেনাপ্রধানকেও দেখলাম কৌতুহল নিয়ে তাকিয়ে আছেন।প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা শামস স্যারকে কিছু বলতে দেখা যায়। তিনিও আঙুল দিয়ে আবার দেখান কোন মহিলার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পরে এ বৃদ্ধা নারীর হাত ধরে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে আসলেন পিজিআরের সেই সদস্য। উনাকে স্টেজে নিয়ে আসা হলে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো সেনাপ্রধান পেছনে সরে গিয়ে জায়গা করে দেন।ওই ভদ্রমহিলাকে দিয়ে কেক কাটান তারেক রহমান। কেক কাটা শেষে সম্মান জানিয়ে আবারো উনাকে বসিয়ে দেওয়া হয় নিজ আসনে।আমি জানতাম না, উনি আসলে কে। পরে জানতে পারি এই ভদ্রমহিলা নায়েক শহীদ আবু তাহেরের স্ত্রী রওশন আরা।আবু তাহের মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী ছিলেন।জিয়াউর রহমানকে যে রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের মধ্যে  খুন করা হয়, সেরাতে উনাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসে সে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেন।তারেক রহমান ভুলেন নাই উনার বাবার দেহরক্ষী সেই আবু তাহেরকে। দেহরক্ষী হিসেবে জিয়াউর রহমানের প্রতি তিনি যেই লয়ালিটি দেখিয়েছেন, তাতে তার স্ত্রী পরিবার যথাযথ  সহযোগিতা ও রেস্পেক্ট প্রাপ্য। এরকম এক সিচুয়েশনে তারেক রহমান নায়েক শহীদ আবু তাহেরের স্ত্রীকে নোটিশ করে নিয়ে এসে স্টেজে উনার পাশে  রেখে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটানোর দৃশ্যটা রিয়েলি মুগ্ধ করেছে। বিনয়, নম্রতা ও কাউন্ডনেস স্টেটসম্যানদের গ্রেইট করে তুলে।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে -আব্দুল মোমিন

ডেঙ্গু জ্বর ও হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফতুল্লা এনায়েতনগর ইউনিয়নের উদ্যোগে শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম মাসদাইর খানকার মোড় এলাকায় বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন। তিনি বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত না হলে সমাজ থেকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। কোনো ধর্মই মানুষকে অন্যায়, অত্যাচার, দুর্নীতি বা রাহাজানির শিক্ষা দেয় না। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।সম্প্রতি মাসদাইর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. কামরুল হাসান শাকিল।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ করা হয় এবং ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।কর্মসূচিতে হাজি মো. কামাল হোসেন, সেলিম হোসেন বাচ্চু, বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম আবদুল হালিম, সাইফুল ইসলাম সায়েম, সানাউল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।