বাংলার শিরোনাম
দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন। আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
মুছাপুরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অতিথি ফ্যাসিস্ট: এমপি পূত্র আশা'র ফ্যাসিস্ট বিরোধী বক্তব্যে বিব্রত জনগন
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন। আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন। আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
বাংলার শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা
সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা
কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি
বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ
তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু
গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার
মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র
তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ
জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার
মহানবমীতে সিদ্ধিগোপাল আখড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ডিসি রায়হান কবির
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত চা খেতে না'গঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বোস কেবিনে
মানিকগঞ্জে জব্দ কুমিল্লার পাচার হওয়া সার--আটক ২
বন্দরে 'উদ্যম সোশ্যাল ফাউন্ডেশন'-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু
রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
এমপি পুত্র আশার নির্দেশ অমান্য করে চলছে পাপ্পু ও কবিরের ১নং খেয়াঘাটের অবৈধ স্ট্যান্ড
কবি ও সাংবাদিক সেন্টুর জন্মদিন উদযাপন করলো নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি
হিন্দু ধর্মাম্বলী বড় উৎসব দূর্গা পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তার দাবি জানান - আবদুল জব্বার
কবিরাজির আড়ালে নারীদের ফাঁদ: স্ত্রী ফেলে নতুন নারীকে নিয়ে ফতুল্লায় আস্তানা!
সপ্তমী পুজাতে আড়াইহাজারের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ঐক্য পরিষদ
জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা হাজীগঞ্জে ‘আহরনী’ পারিবারিক পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকালে হাজীগঞ্জ নবু মিস্ত্রি জামে মসজিদ সংলগ্ন সেলিনা মঞ্জিলে পাঠাগারটির উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআনের ‘পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন’—এই বাণীকে সামনে রেখে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার।সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার বলেন, ‘বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।’ পবিত্র কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা এক নয়। জ্ঞান অর্জনের জন্য সবাইকে পাঠাগারে আসতে হবে। যত বেশি জানা যাবে, তত বেশি শেখা যাবে। তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবও এর অন্যতম কারণ। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জানতে পারে এবং নৈতিকতা অর্জন করতে পারে। আল্লাহকে ভয় করলে অন্যায় থেকে বিরত থাকা সম্ভব। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। সমাজের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পরস্পর বিচ্ছিন্ন না থেকে সবাইকে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজিগঞ্জ নবু মিস্ত্রি জামে মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব ডা. মো. জসিমউদ্দিন, তল্লা সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি আলহাজ্ব মো. কুতুবউদ্দিন শাহীন, আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহীম, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম সরকার, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. রুহুল আমীন টিপু এবং দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি মনির হোসেন সুমন। আহরনী পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক আমির মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ বলেন, জ্ঞান অর্জনের বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে পাঠাগার অন্যতম। জীবনের একটা পর্যায়ে এসে সবার পক্ষে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় গিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না। কিন্তু জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পথে চলতেও জ্ঞান অর্জন জরুরি। তিনি বলেন, ১৯৬৪ সালে তিনি এ ধরনের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং তখনই ‘আহরনী’ নামটি মনোনীত করেছিলেন। তাঁর মতে, প্রত্যেকটি বাড়িতে এমন একটি করে পাঠাগার থাকা প্রয়োজন, যাতে পরিবারের সদস্যরা অবসর সময়ে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া হাজিগঞ্জ মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ ইমরান হুসাইন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘আহরনী’ পারিবারিক পাঠাগারটি এলাকার মানুষের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ৩,৭০০ ডেঙ্গু টেস্ট কিট হস্তান্তর জেলা প্রশাসনের
খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ৩,৭০০ ডেঙ্গু টেস্ট কিট হস্তান্তর জেলা প্রশাসনের
সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
মাসদাইর বাজার ও গলাচিপায় জামায়াতে মশক নিধন অভিযান
মাসদাইর বাজার ও গলাচিপায় জামায়াতে মশক নিধন অভিযান
তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত
তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত
রাঙ্গাবালীতে ওসির সঙ্গে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম ও জুলাই যোদ্ধাদের মতবিনিময়
রাঙ্গাবালীতে ওসির সঙ্গে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম ও জুলাই যোদ্ধাদের মতবিনিময়
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত চা খেতে না'গঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বোস কেবিনে
তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত
রাঙ্গাবালীতে ওসির সঙ্গে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম ও জুলাই যোদ্ধাদের মতবিনিময়
খাদ্য খাতের যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি কঠোরভাবে দমন করা হবে- খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম
রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী
দুমকিতে উপজেলা যুবদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন
দুমকিতে ত্যাগীদের বঞ্চিত করে যুবদলের কমিটি দেয়ার প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল