ঢাকা   শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশীয় প্রযুক্তি ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা খাতে প্রকৃত আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন সম্ভব।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৌ-গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম, সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বর্তমান অগ্রগতি ও সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনের বিস্তারিতসফরের শুরুতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার এবং সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) পরিদর্শন করেন।আইএফএফ সেন্টার: আইএফএফ সেন্টারের কর্মকর্তারা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সমুদ্রসীমায় জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করছে।সিএনআরডি: সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে পরিচালিত জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন।জাহাজ নির্মাণ শিল্প পরিদর্শনপ্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শনকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত ও নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সিডিডিএল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সক্ষমতা ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।এছাড়া, সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চলমান প্রকল্প, বিদ্যমান সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।আহ্বানপরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

সিদ্ধিরগঞ্জে বিউটি পার্লার কর্মী সেজে গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ

বিএনপির আদর্শিক 'ভ্যানগার্ড' হিসেবে পরিচিত ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাংগঠনিক গতিশীলতা ফেরাতে দলের হাইকমান্ড দ্রুত নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।সভাপতি পদে আলোচনায় যারা: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে হাইকমান্ড এবার অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সভাপতি পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন—আরিফুল ইসলাম আরিফ (সহ-সভাপতি)এ.বি.এম. ইজাজুল কবির রুয়েল (সহ-সভাপতি)খোরশেদ আলম সোহেল (সাবেক ঢাবি সভাপতি)মমিনুল ইসলাম জিসান (প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্যরা: সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন—শরীফ প্রধান শুভ (প্রচার সম্পাদক)গণেশ চন্দ্র রায় সাহস (ঢাবি সভাপতি)রাজু আহমেদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)নেতৃত্বে নতুন চমক 'বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়': জুলাই বিপ্লবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর এই অংশটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে কেন্দ্রীয় কমিটিতে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে আনার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজীবুল ইসলাম তালুকদার (বিন্দু) নেতৃত্বের আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।এখন বিএনপির হাইকমান্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী। যোগ্যতা ও আন্দোলনের সমন্বয়ে কেমন হতে যাচ্ছে আগামীর ছাত্রদল, তা জানতে অপেক্ষা আরও কিছুটা সময়ের।

বক্তাবলীর ঘটনা নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি নেতার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বিএনপির আদর্শিক 'ভ্যানগার্ড' হিসেবে পরিচিত ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাংগঠনিক গতিশীলতা ফেরাতে দলের হাইকমান্ড দ্রুত নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।সভাপতি পদে আলোচনায় যারা: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে হাইকমান্ড এবার অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সভাপতি পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন—আরিফুল ইসলাম আরিফ (সহ-সভাপতি)এ.বি.এম. ইজাজুল কবির রুয়েল (সহ-সভাপতি)খোরশেদ আলম সোহেল (সাবেক ঢাবি সভাপতি)মমিনুল ইসলাম জিসান (প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্যরা: সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন—শরীফ প্রধান শুভ (প্রচার সম্পাদক)গণেশ চন্দ্র রায় সাহস (ঢাবি সভাপতি)রাজু আহমেদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)নেতৃত্বে নতুন চমক 'বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়': জুলাই বিপ্লবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর এই অংশটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে কেন্দ্রীয় কমিটিতে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে আনার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজীবুল ইসলাম তালুকদার (বিন্দু) নেতৃত্বের আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।এখন বিএনপির হাইকমান্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী। যোগ্যতা ও আন্দোলনের সমন্বয়ে কেমন হতে যাচ্ছে আগামীর ছাত্রদল, তা জানতে অপেক্ষা আরও কিছুটা সময়ের।

মাজহারুল ইসলাম জোসেফের ‘যুবদল নেতা’ পরিচয় ভুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি

বিএনপির আদর্শিক 'ভ্যানগার্ড' হিসেবে পরিচিত ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাংগঠনিক গতিশীলতা ফেরাতে দলের হাইকমান্ড দ্রুত নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।সভাপতি পদে আলোচনায় যারা: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে হাইকমান্ড এবার অভিজ্ঞতা ও আন্দোলনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সভাপতি পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন—আরিফুল ইসলাম আরিফ (সহ-সভাপতি)এ.বি.এম. ইজাজুল কবির রুয়েল (সহ-সভাপতি)খোরশেদ আলম সোহেল (সাবেক ঢাবি সভাপতি)মমিনুল ইসলাম জিসান (প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্যরা: সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন—শরীফ প্রধান শুভ (প্রচার সম্পাদক)গণেশ চন্দ্র রায় সাহস (ঢাবি সভাপতি)রাজু আহমেদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)নেতৃত্বে নতুন চমক 'বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়': জুলাই বিপ্লবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর এই অংশটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে কেন্দ্রীয় কমিটিতে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে আনার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজীবুল ইসলাম তালুকদার (বিন্দু) নেতৃত্বের আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।এখন বিএনপির হাইকমান্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী। যোগ্যতা ও আন্দোলনের সমন্বয়ে কেমন হতে যাচ্ছে আগামীর ছাত্রদল, তা জানতে অপেক্ষা আরও কিছুটা সময়ের।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

১৯ জুন ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে মহানগরী জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

১৯ জুন ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে মহানগরী জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

আগামীকাল কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগামীকাল কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

সাংবাদিক শামীমের ৩৭তম জন্মদিন সামাজিক মাধ্যমে শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছা

সাংবাদিক শামীমের ৩৭তম জন্মদিন সামাজিক মাধ্যমে শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছা

সিদ্ধিরগঞ্জে বিউটি পার্লার কর্মী সেজে গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জে বিউটি পার্লার কর্মী সেজে গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ

বক্তাবলীর ঘটনা নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি নেতার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বক্তাবলীর ঘটনা নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি নেতার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

মাজহারুল ইসলাম জোসেফের ‘যুবদল নেতা’ পরিচয় ভুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি

মাজহারুল ইসলাম জোসেফের ‘যুবদল নেতা’ পরিচয় ভুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি

ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া গ্রেফতার

ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া গ্রেফতার

ভোলাহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

ভোলাহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

১৯ জুন ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে মহানগরী জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে আগামী ১৯ জুন অনুষ্ঠিতব্য কর্মী সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে ১২ জুন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে আন-নূর মিলনায়তনে এক দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে মহানগর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার। সভাপতিত্ব করেন মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল কাইউম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ. এম. নাসির উদ্দিনসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল জব্বার বলেন, “একটি আদর্শ সমাজ ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বেগবান করতে আদর্শবান ও দক্ষ জনশক্তি গঠনের কোনো বিকল্প নেই। আসন্ন কর্মী সম্মেলন সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাই সম্মেলন সফল করতে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা নতুনভাবে কর্মীদের সামনে তুলে ধরা হবে এবং দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল কাইউম বলেন, কর্মী সম্মেলনকে সফল করতে প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিতে হবে। তিনি সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।সমাবেশে বক্তারা সম্মেলনের প্রচার-প্রচারণা, উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তারা ১৯ জুনের কর্মী সম্মেলনকে সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে সকল নেতাকর্মীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

৬ জুন (শনিবার ) বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ শহরের এক মিলনায়তনে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী কর্তৃক ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেক্রেটারি ডাঃ নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দারসুল কুরআন পেশ করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহ সভাপতি মাওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াহহাব।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক।সভাপতি তার বক্তব্যে সূরা আল জুমআর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন - তিনি নিরক্ষরদের মাঝে পাঠিয়েছেন তার রাসূলকে তাঁদেরই মধ্য থেকে যে তাঁদের কাছে আল্লাহর আয়াত পাঠ করে, তাদেরকে পবিত্র করে, আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় অথচ ইতিপূর্বে তাঁরা ছিল স্পষ্ট গোমড়াহীতে নিমজ্জিত।এছাড়া তিনি বলেন- আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন সব সময় সর্বপ্রথম শিক্ষকদের দাবিদাওয়া আদায় নিয়ে কাজ করে। বর্তমানে শিক্ষাঙ্গনে নৈতিক অবক্ষয় বিরাজ করছে। মানুষ শিক্ষিত হলেও বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও মিরপুরে গর্ভধারিনী মাকে সাতদিন যাবৎ পঁচে মরতে হচ্ছে। তাই তিনি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উপদেষ্টা ও আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জ এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমদ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন - কোন শিক্ষক কেমন ক্লাস নেন তার প্রমান হচ্ছে তার ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা। একজন শিক্ষক তখনই ভালো শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হবেন যখন একটি ক্লাসের সকল ছাত্রছাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের সবাই তাকে একজন আদর্শবান শিক্ষক বলে বিবেচিত করবেন।তাই তিনি  শিক্ষকবৃন্দকে  সকল ক্লাসে নৈতিক মান অক্ষুন্ন রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর প্রচার সম্পাদক এস এম শফিকুল ইসলাম শফিক, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সদস্য জনাব আব্দুল বাতেন, বন্দর কলাগাছিয়া স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গোলাম আহাদ, ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মাধ্যমিক শাখার সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নবনির্মিত চার তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের প্রথম তলার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন এই ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ১৪৫ শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিতউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, "শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই নতুন একাডেমিক ভবন শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।"অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আলীমুজ্জামান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষা ও প্রশাসনিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:আব্দুর রহিম দুলাল (আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)আবু রায়হান মো. আলবেরুনি (যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবাইদুল ইসলাম রাজন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজারুল ইসলাম মিস্টার, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহজাদা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।নতুন ভবন উদ্বোধনের খবরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আধুনিক এই ভবনের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় সরকারি মালামাল রক্ষা করতে গিয়ে চোরের ধারালো ছুরির আঘাতে মারাত্মক জখম হয়েছেন আলীমুজ্জামান (৪৫) নামের এক রেলওয়ে পকেটম্যান। গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টায় চাষাড়া রেলওয়ের গুন্টিঘরে ডিউটিরত অবস্থায় এই হামলার শিকার হন তিনি। বর্তমানে শারীরিক যন্ত্রণা ও আর্থিক সংকটে দিশেহারা জীবন কাটাচ্ছেন এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মচারী।ঘটনার বিবরণ: রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভোরে একদল চোর চাষাড়া রেলওয়ের গুন্টিঘরের তালা ভেঙে সরকারি মালামাল চুরির চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে ডিউটিরত রেলওয়ে পকেটম্যান আলীমুজ্জামান সাহসিকতার সঙ্গে চোরদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চোর তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আলীমুজ্জামানের মাথা, বুক, পিঠ ও বাহুতে উপর্যুপরি হামলা চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার মাথায় ৬টি সেলাই দিতে হয়।আলীমুজ্জামানের সাহসিকতায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ইসমাইল (২৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল চাষাড়ার চানমারি এলাকার বাসিন্দা, যার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার নয়াগাঁওয়ে। সে একসময় লেগুনা চালক হিসেবে কাজ করত।অসহায়ত্বের করুণ দশা: আলীমুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রত্নেশ্বর গ্রামে। একমাত্র ৮ বছরের ছেলেকে নিয়ে চাষাড়ায় বসবাস করেন তিনি। সরকারি সম্পদ রক্ষায় নিজের জীবন বাজি রাখলেও, ঘটনার পর থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার কোনো সহায়তা বা খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আলীমুজ্জামান আগে থেকেই কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার দুটি কিডনিই ৫০ শতাংশ অকেজো বা ড্যামেজ হয়ে আছে। প্রতি মাসে তার চিকিৎসার পেছনে বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হয়। এর ওপর এই হামলায় আহত হয়ে তিনি কর্মক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন, যা তার পরিবারকে চরম অর্থসংকটে ঠেলে দিয়েছে।সচেতন মহলের দাবি: নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা সরকারি সম্পদ রক্ষা করছেন, তাদের এ ধরনের বিপদে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আলীমুজ্জামানের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং তাকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় সরকারি মালামাল রক্ষা করতে গিয়ে চোরের ধারালো ছুরির আঘাতে মারাত্মক জখম হয়েছেন আলীমুজ্জামান (৪৫) নামের এক রেলওয়ে পকেটম্যান। গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টায় চাষাড়া রেলওয়ের গুন্টিঘরে ডিউটিরত অবস্থায় এই হামলার শিকার হন তিনি। বর্তমানে শারীরিক যন্ত্রণা ও আর্থিক সংকটে দিশেহারা জীবন কাটাচ্ছেন এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মচারী।ঘটনার বিবরণ: রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভোরে একদল চোর চাষাড়া রেলওয়ের গুন্টিঘরের তালা ভেঙে সরকারি মালামাল চুরির চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে ডিউটিরত রেলওয়ে পকেটম্যান আলীমুজ্জামান সাহসিকতার সঙ্গে চোরদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চোর তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আলীমুজ্জামানের মাথা, বুক, পিঠ ও বাহুতে উপর্যুপরি হামলা চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার মাথায় ৬টি সেলাই দিতে হয়।আলীমুজ্জামানের সাহসিকতায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ইসমাইল (২৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল চাষাড়ার চানমারি এলাকার বাসিন্দা, যার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার নয়াগাঁওয়ে। সে একসময় লেগুনা চালক হিসেবে কাজ করত।অসহায়ত্বের করুণ দশা: আলীমুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রত্নেশ্বর গ্রামে। একমাত্র ৮ বছরের ছেলেকে নিয়ে চাষাড়ায় বসবাস করেন তিনি। সরকারি সম্পদ রক্ষায় নিজের জীবন বাজি রাখলেও, ঘটনার পর থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার কোনো সহায়তা বা খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আলীমুজ্জামান আগে থেকেই কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার দুটি কিডনিই ৫০ শতাংশ অকেজো বা ড্যামেজ হয়ে আছে। প্রতি মাসে তার চিকিৎসার পেছনে বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হয়। এর ওপর এই হামলায় আহত হয়ে তিনি কর্মক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন, যা তার পরিবারকে চরম অর্থসংকটে ঠেলে দিয়েছে।সচেতন মহলের দাবি: নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা সরকারি সম্পদ রক্ষা করছেন, তাদের এ ধরনের বিপদে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আলীমুজ্জামানের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং তাকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
ভোলাহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

ভোলাহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ২০২৫ ও ২০২৬ অর্থবছরের ‘প্রোগ্রাম এগ্রিকালচার এণ্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এণ্ড রেসিলিয়েশন ইন বাংলাদেশ (PARTNER)’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত হয়েছে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি দপ্তর প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সুলতান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলাহাটের নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাহিদ হোসেন।অতিথিবৃন্দঅনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সানোয়ার মোর্শেদ, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোজাম্মেল হক চুটু, মো. আফাজ উদ্দিন পানু মিঞা, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. নাসিম উদ্দিন, আরডিও মো. সবুজ আলী, প্রাণীসম্পদ অফিসার মো. শাহ্ জালাল, সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার খন্দকার হাবিব আনোয়ার, ভারপ্রাপ্ত সমবায় অফিসার মো. আব্দুল জলিল এবং এনজিও ‘ভার্ক’-এর সমন্বয়কারী মোসা. হাজেরা খাতুন।অনুষ্ঠানের সারসংক্ষেপউপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সুলতান আলীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো. আক্তারুল ইসলাম।পার্টনার প্রকল্পের গুরুত্ব ও লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই কংগ্রেসের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষক-কৃষাণীদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কৃষিক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ সুগম করা।অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষক মো. নাজমুল হোসাইন রানা, মো. আব্দুস সামাদ, মো. আব্দুল আজিজ, মো. আমিরুল ইসলামসহ অনেক কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং পুষ্টি নিশ্চিতকরণে কৃষি খাতের এই প্রকল্পের ভূমিকা তুলে ধরেন।

কোন পোস্ট নেই !
সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

সরকারি সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে রক্তাক্ত রেলকর্মী আলীমুজ্জামান, কর্তৃপক্ষের নেই কোনো খোঁজ!

নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় সরকারি মালামাল রক্ষা করতে গিয়ে চোরের ধারালো ছুরির আঘাতে মারাত্মক জখম হয়েছেন আলীমুজ্জামান (৪৫) নামের এক রেলওয়ে পকেটম্যান। গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টায় চাষাড়া রেলওয়ের গুন্টিঘরে ডিউটিরত অবস্থায় এই হামলার শিকার হন তিনি। বর্তমানে শারীরিক যন্ত্রণা ও আর্থিক সংকটে দিশেহারা জীবন কাটাচ্ছেন এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মচারী।ঘটনার বিবরণ: রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভোরে একদল চোর চাষাড়া রেলওয়ের গুন্টিঘরের তালা ভেঙে সরকারি মালামাল চুরির চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে ডিউটিরত রেলওয়ে পকেটম্যান আলীমুজ্জামান সাহসিকতার সঙ্গে চোরদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চোর তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আলীমুজ্জামানের মাথা, বুক, পিঠ ও বাহুতে উপর্যুপরি হামলা চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খানপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার মাথায় ৬টি সেলাই দিতে হয়।আলীমুজ্জামানের সাহসিকতায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ইসমাইল (২৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল চাষাড়ার চানমারি এলাকার বাসিন্দা, যার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার নয়াগাঁওয়ে। সে একসময় লেগুনা চালক হিসেবে কাজ করত।অসহায়ত্বের করুণ দশা: আলীমুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রত্নেশ্বর গ্রামে। একমাত্র ৮ বছরের ছেলেকে নিয়ে চাষাড়ায় বসবাস করেন তিনি। সরকারি সম্পদ রক্ষায় নিজের জীবন বাজি রাখলেও, ঘটনার পর থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার কোনো সহায়তা বা খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আলীমুজ্জামান আগে থেকেই কিডনিজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার দুটি কিডনিই ৫০ শতাংশ অকেজো বা ড্যামেজ হয়ে আছে। প্রতি মাসে তার চিকিৎসার পেছনে বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হয়। এর ওপর এই হামলায় আহত হয়ে তিনি কর্মক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন, যা তার পরিবারকে চরম অর্থসংকটে ঠেলে দিয়েছে।সচেতন মহলের দাবি: নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা সরকারি সম্পদ রক্ষা করছেন, তাদের এ ধরনের বিপদে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আলীমুজ্জামানের সুচিকিৎসা নিশ্চিত এবং তাকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশীয় প্রযুক্তি ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা খাতে প্রকৃত আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন সম্ভব।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৌ-গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম, সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বর্তমান অগ্রগতি ও সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনের বিস্তারিতসফরের শুরুতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার এবং সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) পরিদর্শন করেন।আইএফএফ সেন্টার: আইএফএফ সেন্টারের কর্মকর্তারা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সমুদ্রসীমায় জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করছে।সিএনআরডি: সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে পরিচালিত জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন।জাহাজ নির্মাণ শিল্প পরিদর্শনপ্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শনকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত ও নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সিডিডিএল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সক্ষমতা ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।এছাড়া, সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চলমান প্রকল্প, বিদ্যমান সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।আহ্বানপরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

কুমিল্লায় ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের নিয়ে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় ক্লাবফুট বা ‘মুগুর পা’ আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অভিভাবকদের নিয়ে এক বিশেষ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে নগরীর অর্ক কেয়ার সেন্টার সভা কক্ষে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ প্রকল্পের আওতায় এই ‘প্যারেন্টস গ্রুপ মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউনাইটেড পারপাস-এর বাস্তবায়নে এবং মিরাকেলফিট-এর আর্থিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় প্রধান ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড পারপাস-এর ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সুমিত বণিক। সভার কারিগরি সহযোগিতায় ছিলেন অর্ক কেয়ার সেন্টারের পনসেটি প্র্যাকটিশনার ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. তৌহিদুল ইসলাম।সভায় ১০ জন ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুর মোট ২০ জন অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ১২ জন নারী এবং ৮ জন পুরুষ ছিলেন। সেশনে শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যাতায়াত সমস্যা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মতো চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।সভার ফ্যাসিলিটেটর সুমিত বণিক অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ক্লাবফুট চিকিৎসায় ‘পনসেটি মেথড’ পুরো বিশ্বেই একটি স্বীকৃত, নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি। আমাদের ফিজিওথেরাপিস্টবৃন্দদ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই সেবাদান করছেন। সঠিক সময়ে এই চিকিৎসা শুরু করা গেলে ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুরা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা অন্য যেকোনো স্বাভাবিক শিশুর মতোই নিজের পায়ে দাঁড়াতে, দৌড়াতে এবং স্কুলে যেতে পারে। তাই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। তবে এই চিকিৎসায় চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের চেয়েও সবচেয়ে বড় ভূমিকাটি পালন করেন পরিবারের মূল কারিগর—বাবা-মায়েরা।”পনসেটি প্র্যাকটিশনার ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. তৌহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “ক্লাবফুট চিকিৎসার এই দীর্ঘ যাত্রায় শিশুর জন্য পরিবারের সবার ভালোবাসা আর যত্ন হচ্ছে সবচেয়ে বড় ওষুধ। প্লাস্টার খোলার পর সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করানো এবং ব্রেস বা বিশেষ জুতা পরিয়ে রাখার কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় একটু সুস্থতা দেখলে বা শিশুর কান্নাকাটিতে মায়া করে অনেকেই চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে দেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনাদের সামান্য অবহেলা বা অসচেতনতা আদরের শিশুটির সুন্দর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।"সভায় পনসেটি মেথড বা ক্লাবফুট চিকিৎসার ধাপগুলো অভিভাবকদের সহজভাবে বুঝিয়ে বলা হয়। অনেক সময় চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করে দিলে শিশুর পায়ের পাতা পুনরায় বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে—এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের মনে থাকা বিভিন্ন ভুল ধারণা দূর করতে ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে প্রশ্নোত্তর ও অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব পরিচালিত হয়।মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে অভিভাবকরা আক্ষেপ করে জানান, সমাজে ক্লাবফুট নিয়ে এখনো নানা ভুল ধারণা রয়েছে। বিশেষ করে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের প্রায়ই অযথা দোষারোপ ও কটু কথার শিকার হতে হয়। সমাজ থেকে এই নেতিবাচক মানসিকতা দূর করার পাশাপাশি, অভিভাবকগণ সব ধরনের কুসংস্কার পেছনে ফেলে সন্তানের চিকিৎসায় অবিচল থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।পরিশেষে, শিশুদের সুন্দর আগামীর জন্য 'ইউনাইটেড পারপাস'-এর চলমান সহায়তাগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে সভার সমাপ্তি করা হয়। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ক্লাবফুট সমস্যার সমাধান, সঠিক চিকিৎসার প্রসার এবং মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করছে।