ঢাকা   বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

টেকনাফ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির অনুমোদন : সদস্য সচিব হলেন কামাল উদ্দিন

জ্বালানি সংকট, ঋণের উচ্চসুদ এবং ব্যবসাবান্ধব নয় এমন রাজস্ব কাঠামো-বর্তমানে এই তিনটি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান অন্তরায়। আগামী বাজেটে এসব বিষয়ে সরকারের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তা না হলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় বলে মনে করেন বাংলাদেশ নিটপণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত কারে তিনি এসব কথা বলেছেন।ওই সাক্ষাতকারে বাজেট নিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি তার প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে বলেন, নতুন সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। তাই বাজেটে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অতীতে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন অর্থনীতি ভালো ছিল এবং ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব বাজেট হয়েছে। আগামী বাজেটও বিনিয়োগ এবং ব্যবসাবান্ধব হবে বলে আশা করছি। বাজেটের আকার এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন,  বাজেটের আকার একটু বেশিই বড় হচ্ছে বলে মনে হয়। এত বড় বাজেট না দিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট দিলে সেটা দেশ ও অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। তবে বড় বাজেটে সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। অনেক মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা যায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া যায়। আর অসুবিধা হচ্ছে, বাজেট বাস্তবায়ন করতে না পারলে অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। যেটা আমরা অতীতেও দেখেছি। সেই ভারসাম্যহীনতার ফল এখন ভোগ করছে দেশের মানুষ।বাজেটে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ৬লাখ কোটি নির্ধারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাজেটের আকার অনুযায়ী অঙ্কের হিসাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা হয়তো ঠিকই আছে। এটা কতটুকু অর্জনযোগ্য সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে এত বিশাল লক্ষ্যমাত্রার কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হবেন, এটা নিশ্চিত। কারণ অতীতে দেখা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হলেও এনবিআর করজাল বাড়াতে পারেনি। তাই যারা ট্যাক্স দেয়, এনবিআর শুধু তাদের ওপরে আরও বোঝা চাপিয়েছে। ব্যবসা হোক বা না হোক, এনবিআরের লোকজন ট্যাক্স নিতে হাজির হয়ে যায়। উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার কারণে রাজস্ব ব্যবস্থা যেখানে ব্যবসাবান্ধব হওয়ার কথা, সেখানে এনবিআর শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। এই মানসিকতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগে এনবিআরের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়ার যে পরিকল্পনা করছেন এতে করে বেসরকারি খাত গুলো ঋণপ্রাপ্তিতে বাধাগ্রস্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে খুব বেশি সমস্যা হবে না। কারণ উচ্চসুদের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা নেই বললেই চলে। ১৫-১৬ শতাংশ সুদ দিয়ে কোনো ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোথাও ঋণের এত উচ্চসুদ আছে কিনা তা জানা নেই। এই মুহূর্তে যারা ঋণ নেবে তারা টাকা ফেরত দিতে পারবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া নিরাপদ ভেবে ব্যাংকগুলোও বেসরকারি খাতের চেয়ে সরকারি খাতে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহী। এতে তাদের অপারেশনাল খরচ নেই, ঝুঁকিও কম। যেটা এই মুহূর্তে ব্যবসায়ীদের দিলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিরাপদ হবে না। তাই আসন্ন বাজেটে বা সামনের সময়ে সরকার যদি ঋণের সুদ কমানোর কোনো মেকানিজম দিতে না পারে তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগ আর হবে না। যেসব ব্যবসা চলমান আছে, সেগুলো হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানির অপ্রতুলতা ও ব্যাংক ঋণের উচ্চসুদ-এ দুটো বর্তমানে নতুন বিনিয়োগের প্রধান বাধা। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাই বিনিয়োগ বাড়াতে হলে সরকারকে অবশ্যই এই দুই দিকে খেয়াল করতে হবে। এজন্য সরকার ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনার নির্দেশ দিতে পারে। বিনিয়োগভেদে ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে দিতে পারে। যে কোনো উপায়েই হোক ঋণের সুদহার কমাতেই হবে। অন্যদিকে জ্বালানি আরেকটি ইস্যু। সম্প্রতি ঢাকার আশপাশের এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটছে। উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটলে খরচও বেড়ে যায়।রাজস্ব খাতে প্রত্যাশা থেকে দুটি দাবি রেখে তিনি বলেন প্রথমত, বর্তমানে যে রাজস্ব ব্যবস্থা আছে, সেটা পুরোটাই ব্যবসা ও বিনিয়োগপরিপন্থি। একটা অনৈতিক ও বেআইনি ট্যাক্সেশন সিস্টেম চলছে দেশে। এটাকে ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই। রাজস্বব্যবস্থাকে অবশ্যই বাস্তবমুখী করতে হবে। আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস সংক্রান্ত যেসব আইন-কানুন আছে, সেগুলোকে ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, রাজস্ব বোর্ডের ‘ম্যাসিভ’ সংস্কার দরকার। প্রতিবছর বাজেট এলে এনবিআরের ওপর একটা লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেওয়া হয়। আর এনবিআর সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে যারা ট্যাক্স দেয়, তাদের চেপে ধরে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাই এনবিআরকে গ্রাম-উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। করজাল বাড়াতে হলে এনবিআরকে লজিস্টিক সহায়তা দিতে হবে। নীতি বিভাগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে নীতির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

বোরকা ও হিজাব নিয়ে সংসদ সদস্যের কটূক্তির প্রতিবাদে হেফাজতের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ

জ্বালানি সংকট, ঋণের উচ্চসুদ এবং ব্যবসাবান্ধব নয় এমন রাজস্ব কাঠামো-বর্তমানে এই তিনটি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান অন্তরায়। আগামী বাজেটে এসব বিষয়ে সরকারের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তা না হলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় বলে মনে করেন বাংলাদেশ নিটপণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত কারে তিনি এসব কথা বলেছেন।ওই সাক্ষাতকারে বাজেট নিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি তার প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে বলেন, নতুন সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। তাই বাজেটে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অতীতে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন অর্থনীতি ভালো ছিল এবং ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব বাজেট হয়েছে। আগামী বাজেটও বিনিয়োগ এবং ব্যবসাবান্ধব হবে বলে আশা করছি। বাজেটের আকার এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন,  বাজেটের আকার একটু বেশিই বড় হচ্ছে বলে মনে হয়। এত বড় বাজেট না দিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট দিলে সেটা দেশ ও অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। তবে বড় বাজেটে সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। অনেক মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা যায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া যায়। আর অসুবিধা হচ্ছে, বাজেট বাস্তবায়ন করতে না পারলে অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। যেটা আমরা অতীতেও দেখেছি। সেই ভারসাম্যহীনতার ফল এখন ভোগ করছে দেশের মানুষ।বাজেটে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ৬লাখ কোটি নির্ধারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাজেটের আকার অনুযায়ী অঙ্কের হিসাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা হয়তো ঠিকই আছে। এটা কতটুকু অর্জনযোগ্য সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে এত বিশাল লক্ষ্যমাত্রার কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হবেন, এটা নিশ্চিত। কারণ অতীতে দেখা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হলেও এনবিআর করজাল বাড়াতে পারেনি। তাই যারা ট্যাক্স দেয়, এনবিআর শুধু তাদের ওপরে আরও বোঝা চাপিয়েছে। ব্যবসা হোক বা না হোক, এনবিআরের লোকজন ট্যাক্স নিতে হাজির হয়ে যায়। উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার কারণে রাজস্ব ব্যবস্থা যেখানে ব্যবসাবান্ধব হওয়ার কথা, সেখানে এনবিআর শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। এই মানসিকতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগে এনবিআরের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়ার যে পরিকল্পনা করছেন এতে করে বেসরকারি খাত গুলো ঋণপ্রাপ্তিতে বাধাগ্রস্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে খুব বেশি সমস্যা হবে না। কারণ উচ্চসুদের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা নেই বললেই চলে। ১৫-১৬ শতাংশ সুদ দিয়ে কোনো ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোথাও ঋণের এত উচ্চসুদ আছে কিনা তা জানা নেই। এই মুহূর্তে যারা ঋণ নেবে তারা টাকা ফেরত দিতে পারবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া নিরাপদ ভেবে ব্যাংকগুলোও বেসরকারি খাতের চেয়ে সরকারি খাতে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহী। এতে তাদের অপারেশনাল খরচ নেই, ঝুঁকিও কম। যেটা এই মুহূর্তে ব্যবসায়ীদের দিলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিরাপদ হবে না। তাই আসন্ন বাজেটে বা সামনের সময়ে সরকার যদি ঋণের সুদ কমানোর কোনো মেকানিজম দিতে না পারে তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগ আর হবে না। যেসব ব্যবসা চলমান আছে, সেগুলো হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানির অপ্রতুলতা ও ব্যাংক ঋণের উচ্চসুদ-এ দুটো বর্তমানে নতুন বিনিয়োগের প্রধান বাধা। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাই বিনিয়োগ বাড়াতে হলে সরকারকে অবশ্যই এই দুই দিকে খেয়াল করতে হবে। এজন্য সরকার ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনার নির্দেশ দিতে পারে। বিনিয়োগভেদে ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে দিতে পারে। যে কোনো উপায়েই হোক ঋণের সুদহার কমাতেই হবে। অন্যদিকে জ্বালানি আরেকটি ইস্যু। সম্প্রতি ঢাকার আশপাশের এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটছে। উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটলে খরচও বেড়ে যায়।রাজস্ব খাতে প্রত্যাশা থেকে দুটি দাবি রেখে তিনি বলেন প্রথমত, বর্তমানে যে রাজস্ব ব্যবস্থা আছে, সেটা পুরোটাই ব্যবসা ও বিনিয়োগপরিপন্থি। একটা অনৈতিক ও বেআইনি ট্যাক্সেশন সিস্টেম চলছে দেশে। এটাকে ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই। রাজস্বব্যবস্থাকে অবশ্যই বাস্তবমুখী করতে হবে। আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস সংক্রান্ত যেসব আইন-কানুন আছে, সেগুলোকে ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, রাজস্ব বোর্ডের ‘ম্যাসিভ’ সংস্কার দরকার। প্রতিবছর বাজেট এলে এনবিআরের ওপর একটা লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেওয়া হয়। আর এনবিআর সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে যারা ট্যাক্স দেয়, তাদের চেপে ধরে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাই এনবিআরকে গ্রাম-উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। করজাল বাড়াতে হলে এনবিআরকে লজিস্টিক সহায়তা দিতে হবে। নীতি বিভাগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে নীতির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

আকিজ উদ্দিনের উত্তরসূরিদের মানবিক সেবার গল্প ও একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা

জ্বালানি সংকট, ঋণের উচ্চসুদ এবং ব্যবসাবান্ধব নয় এমন রাজস্ব কাঠামো-বর্তমানে এই তিনটি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান অন্তরায়। আগামী বাজেটে এসব বিষয়ে সরকারের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তা না হলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় বলে মনে করেন বাংলাদেশ নিটপণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত কারে তিনি এসব কথা বলেছেন।ওই সাক্ষাতকারে বাজেট নিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি তার প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে বলেন, নতুন সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। তাই বাজেটে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অতীতে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন অর্থনীতি ভালো ছিল এবং ব্যবসা-বাণিজ্যবান্ধব বাজেট হয়েছে। আগামী বাজেটও বিনিয়োগ এবং ব্যবসাবান্ধব হবে বলে আশা করছি। বাজেটের আকার এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন,  বাজেটের আকার একটু বেশিই বড় হচ্ছে বলে মনে হয়। এত বড় বাজেট না দিয়ে বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট দিলে সেটা দেশ ও অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। তবে বড় বাজেটে সুবিধা-অসুবিধা দুটোই আছে। অনেক মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা যায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়া যায়। আর অসুবিধা হচ্ছে, বাজেট বাস্তবায়ন করতে না পারলে অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। যেটা আমরা অতীতেও দেখেছি। সেই ভারসাম্যহীনতার ফল এখন ভোগ করছে দেশের মানুষ।বাজেটে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ৬লাখ কোটি নির্ধারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাজেটের আকার অনুযায়ী অঙ্কের হিসাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা হয়তো ঠিকই আছে। এটা কতটুকু অর্জনযোগ্য সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে এত বিশাল লক্ষ্যমাত্রার কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হবেন, এটা নিশ্চিত। কারণ অতীতে দেখা গেছে, লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হলেও এনবিআর করজাল বাড়াতে পারেনি। তাই যারা ট্যাক্স দেয়, এনবিআর শুধু তাদের ওপরে আরও বোঝা চাপিয়েছে। ব্যবসা হোক বা না হোক, এনবিআরের লোকজন ট্যাক্স নিতে হাজির হয়ে যায়। উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার কারণে রাজস্ব ব্যবস্থা যেখানে ব্যবসাবান্ধব হওয়ার কথা, সেখানে এনবিআর শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। এই মানসিকতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগে এনবিআরের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়ার যে পরিকল্পনা করছেন এতে করে বেসরকারি খাত গুলো ঋণপ্রাপ্তিতে বাধাগ্রস্ত হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে খুব বেশি সমস্যা হবে না। কারণ উচ্চসুদের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা নেই বললেই চলে। ১৫-১৬ শতাংশ সুদ দিয়ে কোনো ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোথাও ঋণের এত উচ্চসুদ আছে কিনা তা জানা নেই। এই মুহূর্তে যারা ঋণ নেবে তারা টাকা ফেরত দিতে পারবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া নিরাপদ ভেবে ব্যাংকগুলোও বেসরকারি খাতের চেয়ে সরকারি খাতে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহী। এতে তাদের অপারেশনাল খরচ নেই, ঝুঁকিও কম। যেটা এই মুহূর্তে ব্যবসায়ীদের দিলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিরাপদ হবে না। তাই আসন্ন বাজেটে বা সামনের সময়ে সরকার যদি ঋণের সুদ কমানোর কোনো মেকানিজম দিতে না পারে তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগ আর হবে না। যেসব ব্যবসা চলমান আছে, সেগুলো হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানির অপ্রতুলতা ও ব্যাংক ঋণের উচ্চসুদ-এ দুটো বর্তমানে নতুন বিনিয়োগের প্রধান বাধা। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাই বিনিয়োগ বাড়াতে হলে সরকারকে অবশ্যই এই দুই দিকে খেয়াল করতে হবে। এজন্য সরকার ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনার নির্দেশ দিতে পারে। বিনিয়োগভেদে ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে দিতে পারে। যে কোনো উপায়েই হোক ঋণের সুদহার কমাতেই হবে। অন্যদিকে জ্বালানি আরেকটি ইস্যু। সম্প্রতি ঢাকার আশপাশের এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটছে। উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটলে খরচও বেড়ে যায়।রাজস্ব খাতে প্রত্যাশা থেকে দুটি দাবি রেখে তিনি বলেন প্রথমত, বর্তমানে যে রাজস্ব ব্যবস্থা আছে, সেটা পুরোটাই ব্যবসা ও বিনিয়োগপরিপন্থি। একটা অনৈতিক ও বেআইনি ট্যাক্সেশন সিস্টেম চলছে দেশে। এটাকে ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই। রাজস্বব্যবস্থাকে অবশ্যই বাস্তবমুখী করতে হবে। আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস সংক্রান্ত যেসব আইন-কানুন আছে, সেগুলোকে ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, রাজস্ব বোর্ডের ‘ম্যাসিভ’ সংস্কার দরকার। প্রতিবছর বাজেট এলে এনবিআরের ওপর একটা লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেওয়া হয়। আর এনবিআর সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে যারা ট্যাক্স দেয়, তাদের চেপে ধরে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাই এনবিআরকে গ্রাম-উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। করজাল বাড়াতে হলে এনবিআরকে লজিস্টিক সহায়তা দিতে হবে। নীতি বিভাগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে নীতির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

বন্দরে আলহাজ্ব আবুল কাউসার আশার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

বন্দরে আলহাজ্ব আবুল কাউসার আশার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

গলাচিপায় ডিবি পুলিশের অভিযান: হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গলাচিপায় ডিবি পুলিশের অভিযান: হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

নিউজ নারায়ণগঞ্জের  নির্বাহী সম্পাদক তানভীর হোসেনের মা আর নেই

নিউজ নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী সম্পাদক তানভীর হোসেনের মা আর নেই

ফতুল্লায় তিতাসের অভিযানে ৪শ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

ফতুল্লায় তিতাসের অভিযানে ৪শ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

বেনজীর-ঘনিষ্ঠ ‘আন্ডা রফিক’: ক্ষমতার দাপটে রূপগঞ্জে গড়েছিলেন ত্রাসের রাজত্ব

বেনজীর-ঘনিষ্ঠ ‘আন্ডা রফিক’: ক্ষমতার দাপটে রূপগঞ্জে গড়েছিলেন ত্রাসের রাজত্ব

​ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জে জামায়াতের ব্যাপক প্রস্তুতি

​ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জে জামায়াতের ব্যাপক প্রস্তুতি

নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে জেলেকে গুলি করে হত্যা, আহত ১

নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে জেলেকে গুলি করে হত্যা, আহত ১

টেকনাফ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির অনুমোদন : সদস্য সচিব হলেন কামাল উদ্দিন

টেকনাফ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির অনুমোদন : সদস্য সচিব হলেন কামাল উদ্দিন

বোরকা ও হিজাব নিয়ে সংসদ সদস্যের কটূক্তির প্রতিবাদে হেফাজতের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ

বোরকা ও হিজাব নিয়ে সংসদ সদস্যের কটূক্তির প্রতিবাদে হেফাজতের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বন্দরে আলহাজ্ব আবুল কাউসার আশার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

বন্দর থানা হাজীপুর গ্রামে  শহিদ হোসেন মেম্বারের উদ্যেগে নারায়নগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক ও নারায়নগঞ্জ ৫ আসনের এমপি এডভোকেট আবুল কালাম সাহেবের রাজনৈতিক সচিব আলহাজ্ব  আবুল কাউসার আশার রোগ মুক্তি কামনায় করে দোয়া অনুষ্টিত হয়েছে।নারায়নগঞ্জ মহানগর বিএনপি স্থানীয় সরকারের সাবেক সহ সম্পাদক ও কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শহীদ হোসেন মেম্বারের উদ্যােগে ১৬ জুন মঙ্গলবার বিকালে হাজীপুর এলাকায় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।এই সময় আবুল কাউসার আশার রোগ মুক্তি সহ শহিদ জিয়া ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এর রুহের মাগফিরাত কামনায়  করে এই বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত দোয়া মাহফিলে এই  সময় অংশগ্রহন করেন নারায়নগঞ্জ মহানগর বি এন পি সাবেক শিশু বিষয়ক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন স্বপন,বন্দর থানা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মমিনুল হক মমিন,জাকির হোসেন,বাবুল মিয়া, জামাল উদ্দিন,আলমগীর হোসেন,আলআমিন, ইসমাইল,তাইজুল ইসলাম,জসিম উদ্দিন জসু,মোক্তার হোসেন সহ ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেএীবৃন্দ এই সময় উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন হাজীপুর বড় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হযরত মাওলানা মুফতি ইসমাইল হোসেন সিদ্দিকী, মোনাজাত শেষে সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরন করা হয়।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

৬ জুন (শনিবার ) বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ শহরের এক মিলনায়তনে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী কর্তৃক ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেক্রেটারি ডাঃ নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দারসুল কুরআন পেশ করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহ সভাপতি মাওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াহহাব।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক।সভাপতি তার বক্তব্যে সূরা আল জুমআর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন - তিনি নিরক্ষরদের মাঝে পাঠিয়েছেন তার রাসূলকে তাঁদেরই মধ্য থেকে যে তাঁদের কাছে আল্লাহর আয়াত পাঠ করে, তাদেরকে পবিত্র করে, আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় অথচ ইতিপূর্বে তাঁরা ছিল স্পষ্ট গোমড়াহীতে নিমজ্জিত।এছাড়া তিনি বলেন- আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন সব সময় সর্বপ্রথম শিক্ষকদের দাবিদাওয়া আদায় নিয়ে কাজ করে। বর্তমানে শিক্ষাঙ্গনে নৈতিক অবক্ষয় বিরাজ করছে। মানুষ শিক্ষিত হলেও বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও মিরপুরে গর্ভধারিনী মাকে সাতদিন যাবৎ পঁচে মরতে হচ্ছে। তাই তিনি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উপদেষ্টা ও আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জ এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমদ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন - কোন শিক্ষক কেমন ক্লাস নেন তার প্রমান হচ্ছে তার ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা। একজন শিক্ষক তখনই ভালো শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হবেন যখন একটি ক্লাসের সকল ছাত্রছাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের সবাই তাকে একজন আদর্শবান শিক্ষক বলে বিবেচিত করবেন।তাই তিনি  শিক্ষকবৃন্দকে  সকল ক্লাসে নৈতিক মান অক্ষুন্ন রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর প্রচার সম্পাদক এস এম শফিকুল ইসলাম শফিক, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সদস্য জনাব আব্দুল বাতেন, বন্দর কলাগাছিয়া স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গোলাম আহাদ, ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মাধ্যমিক শাখার সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নবনির্মিত চার তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের প্রথম তলার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন এই ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ১৪৫ শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিতউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, "শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই নতুন একাডেমিক ভবন শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।"অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আলীমুজ্জামান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষা ও প্রশাসনিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:আব্দুর রহিম দুলাল (আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)আবু রায়হান মো. আলবেরুনি (যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবাইদুল ইসলাম রাজন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজারুল ইসলাম মিস্টার, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহজাদা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।নতুন ভবন উদ্বোধনের খবরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আধুনিক এই ভবনের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকীসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোডস্থ চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনের প্রেক্ষাপট ও দাবিবিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বর্ষীয়ান সাংবাদিক সৈয়দ আবু মুসা। দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এনামুল হক রাশেদীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ তাফসির, পত্রিকার উপ-সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন এবং স্টাফ রিপোর্টার মো. এনামুল হক রাশেদী।সাংবাদিকদের বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়াবক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতেই তৈরি করা হয়েছে। সংবাদের তথ্যগত জবাব না দিয়ে একজন কথিত মাদক ব্যবসায়ীকে দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।বক্তারা আরও বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি জনগণের সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জবাব মামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেওয়াটা সংবিধানস্বীকৃত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী।কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বানমানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান বক্তারা।সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং সাংবাদিকদের ওপর হয়রানি বন্ধে দেশের সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও সুশীল সমাজকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তারা। মানববন্ধনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রিন্ট, স্যাটেলাইট ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকীসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোডস্থ চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনের প্রেক্ষাপট ও দাবিবিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বর্ষীয়ান সাংবাদিক সৈয়দ আবু মুসা। দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এনামুল হক রাশেদীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ তাফসির, পত্রিকার উপ-সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন এবং স্টাফ রিপোর্টার মো. এনামুল হক রাশেদী।সাংবাদিকদের বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়াবক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতেই তৈরি করা হয়েছে। সংবাদের তথ্যগত জবাব না দিয়ে একজন কথিত মাদক ব্যবসায়ীকে দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।বক্তারা আরও বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি জনগণের সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জবাব মামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেওয়াটা সংবিধানস্বীকৃত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী।কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বানমানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান বক্তারা।সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং সাংবাদিকদের ওপর হয়রানি বন্ধে দেশের সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও সুশীল সমাজকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তারা। মানববন্ধনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রিন্ট, স্যাটেলাইট ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান, নতুন জেটিতে স্বস্তি

হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান, নতুন জেটিতে স্বস্তি

নারায়ণগঞ্জ শহরের হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে দীর্ঘদিনের অবর্ণনীয় ভোগান্তির অবসান ঘটেছে। যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) নতুন জেটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এই জনহিতকর উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে বিআইডব্লিউটিএ এবং ঘাটের ইজারাদার আবুল হোসেন রিপনের প্রশংসা করেছেন প্রতিদিন নদী পারাপারকারী হাজারো যাত্রী।ভোগান্তির দীর্ঘ ইতিহাস ও সমাধানহাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নদী পারাপার হন। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ পুরোনো জেটির কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লেই তা তলিয়ে যেত। ফলে চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগ নিয়ে যাত্রীদের পারাপার হতে হতো, যা প্রায়শই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াত।গত বছর ঘাটটির ইজারা গ্রহণের পর থেকেই সাধারণ যাত্রীদের এই ভোগান্তি নিরসনে সচেষ্ট হন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার আবুল হোসেন রিপন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও বিআইডব্লিউটিএ-এর কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ নতুন জেটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।নির্মাণ কাজ ও বর্তমান অবস্থাগত পবিত্র ঈদুল আজহার আগে নতুন জেটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে হাজীগঞ্জ অংশের জেটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং নবীগঞ্জ অংশের কাজও এখন শেষ পর্যায়ে। আধুনিক ও মানসম্মত এই জেটি নির্মাণের ফলে এখন পারাপার ব্যবস্থা অনেক বেশি নিরাপদ ও সহজতর হয়েছে।যাত্রীদের অনুভূতিনতুন জেটি ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে নিয়মিত যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাত্রী আব্দুর রহিম বলেন, “বছরের পর বছর আমরা এই ঘাট দিয়ে যাতায়াত করছি। বর্ষায় জেটি ডুবে যাওয়ায় হাঁটু সমান কাদা ও পানিতে পারাপার হতে হতো, যা ছিল বড় দুর্ভোগের। এখন নতুন জেটিতে অনেক আরামদায়ক ও নিরাপদভাবে পারাপার করা যাচ্ছে।”এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করায় স্থানীয় যাত্রীরা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এবং ইজারাদার আবুল হোসেন রিপনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন এই জেটির মাধ্যমে হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে পারাপার ব্যবস্থা আরও আধুনিক হয়েছে এবং বছরের সব সময় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত হবে।

কোন পোস্ট নেই !
স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা চেয়ে রাজপথে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব

তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকীসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাব। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোডস্থ চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনের প্রেক্ষাপট ও দাবিবিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বর্ষীয়ান সাংবাদিক সৈয়দ আবু মুসা। দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এনামুল হক রাশেদীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কেফায়েত উল্লাহ তাফসির, পত্রিকার উপ-সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন এবং স্টাফ রিপোর্টার মো. এনামুল হক রাশেদী।সাংবাদিকদের বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়াবক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতেই তৈরি করা হয়েছে। সংবাদের তথ্যগত জবাব না দিয়ে একজন কথিত মাদক ব্যবসায়ীকে দিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।বক্তারা আরও বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি জনগণের সামনে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জবাব মামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেওয়াটা সংবিধানস্বীকৃত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী।কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বানমানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান বক্তারা।সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং সাংবাদিকদের ওপর হয়রানি বন্ধে দেশের সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও সুশীল সমাজকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তারা। মানববন্ধনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রিন্ট, স্যাটেলাইট ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।