ঢাকা   শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১লা আগস্ট) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী নদী বন্দর লঞ্চঘাট চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকাসহ নানা দাবিসংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়। গণমিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া নেতারা ব্যানারের মাধ্যমে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা: অভ্যুত্থান চলাকালে ঘটে যাওয়া সমস্ত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার কাজ সম্পন্ন করা।শহীদ ওসমান বিন হাদীর খুনিদের বিচার ত্বরান্বিত করা: দ্রুত সময়ের মধ্যে শহীদ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন: জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে গঠিত গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। জনগণের দাবিকৃত বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিক, মেম্বার হিসেবে দেখতে চান সাধারণ মানুষ

জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক 'বাংলাবাজার' পত্রিকার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি এবং তরুণ ও নিষ্ঠাবান গণমাধ্যমকর্মী ইউসুফ আলী প্রধানের আজ শুভ জন্মদিন। ১৯৮৯ সালের ১৫ জুলাই চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আজ তিনি জীবনের আরও একটি বসন্ত পেরিয়ে নতুন বছরে পদার্পণ করলেন।​নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই নারায়ণগঞ্জের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন ইউসুফ আলী প্রধান। সমাজের নানা অসঙ্গতি, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং অধিকারের কথা প্রতিনিয়ত তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরছেন।​তার এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে সকাল থেকেই সহকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও তাকে ঘিরে শুভেচ্ছা বার্তার জোয়ার বইছে।​জন্মদিনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধান বলেন ​"জীবনের আরও একটি বছর পার করে নতুন বছরে পা রাখলাম। সাংবাদিকতা আমার কাছে কেবল পেশা নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। দেশ ও মানুষের কল্যাণে যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সত্যের পক্ষে আমার কলম সচল রাখতে পারি—আজকের এই দিনে সবার কাছে এই দোয়াই কামনা করি।"​পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত রয়েছেন। তার জন্মদিনে সংবাদ পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা।

নারায়ণগঞ্জে ছাত্রশিবিরের দিনব্যাপী ‘সাথী শিক্ষা শিবির’ অনুষ্ঠিত

জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক 'বাংলাবাজার' পত্রিকার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি এবং তরুণ ও নিষ্ঠাবান গণমাধ্যমকর্মী ইউসুফ আলী প্রধানের আজ শুভ জন্মদিন। ১৯৮৯ সালের ১৫ জুলাই চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আজ তিনি জীবনের আরও একটি বসন্ত পেরিয়ে নতুন বছরে পদার্পণ করলেন।​নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই নারায়ণগঞ্জের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন ইউসুফ আলী প্রধান। সমাজের নানা অসঙ্গতি, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং অধিকারের কথা প্রতিনিয়ত তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরছেন।​তার এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে সকাল থেকেই সহকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও তাকে ঘিরে শুভেচ্ছা বার্তার জোয়ার বইছে।​জন্মদিনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধান বলেন ​"জীবনের আরও একটি বছর পার করে নতুন বছরে পা রাখলাম। সাংবাদিকতা আমার কাছে কেবল পেশা নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। দেশ ও মানুষের কল্যাণে যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সত্যের পক্ষে আমার কলম সচল রাখতে পারি—আজকের এই দিনে সবার কাছে এই দোয়াই কামনা করি।"​পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত রয়েছেন। তার জন্মদিনে সংবাদ পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা।

নারায়ণগঞ্জে জুলাই অভ্যুত্থান ও ২৮ অক্টোবরের শহীদদের কবর জিয়ারত করলেন মহানগর জামায়াতের আমীর

জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক 'বাংলাবাজার' পত্রিকার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি এবং তরুণ ও নিষ্ঠাবান গণমাধ্যমকর্মী ইউসুফ আলী প্রধানের আজ শুভ জন্মদিন। ১৯৮৯ সালের ১৫ জুলাই চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আজ তিনি জীবনের আরও একটি বসন্ত পেরিয়ে নতুন বছরে পদার্পণ করলেন।​নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই নারায়ণগঞ্জের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন ইউসুফ আলী প্রধান। সমাজের নানা অসঙ্গতি, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ এবং অধিকারের কথা প্রতিনিয়ত তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরছেন।​তার এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে সকাল থেকেই সহকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও তাকে ঘিরে শুভেচ্ছা বার্তার জোয়ার বইছে।​জন্মদিনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধান বলেন ​"জীবনের আরও একটি বছর পার করে নতুন বছরে পা রাখলাম। সাংবাদিকতা আমার কাছে কেবল পেশা নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। দেশ ও মানুষের কল্যাণে যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সত্যের পক্ষে আমার কলম সচল রাখতে পারি—আজকের এই দিনে সবার কাছে এই দোয়াই কামনা করি।"​পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত রয়েছেন। তার জন্মদিনে সংবাদ পরিবারের পক্ষ থেকে রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাত বাহিনীর ‘সেনাপতি’ লিজার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাত বাহিনীর ‘সেনাপতি’ লিজার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

৬ দফা দাবীতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান

৬ দফা দাবীতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান

পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

আবু্ল হোসেন রিপনের নেতৃত্বে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি

আবু্ল হোসেন রিপনের নেতৃত্বে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি

নারায়ণগঞ্জে হামলা-লুটপাটের অভিযোগে দোষীদের বিচার দাবি ছাত্রশক্তির

নারায়ণগঞ্জে হামলা-লুটপাটের অভিযোগে দোষীদের বিচার দাবি ছাত্রশক্তির

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

সরকারের নীতির বিরোধিতায় নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের এপিপি, এজিপির পদত্যাগ

সরকারের নীতির বিরোধিতায় নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের এপিপি, এজিপির পদত্যাগ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ডিসির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ডিসির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি

তোলারাম কলেজের আহত দায়িত্বশীলদের দেখতে হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমীর আবদুল জব্বার

তোলারাম কলেজের আহত দায়িত্বশীলদের দেখতে হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমীর আবদুল জব্বার

তোলারাম কলেজ ছাত্রাবাসে হামলা-লুটপাটের অভিযোগে দোষীদের বিচার দাবি ছাত্রশক্তির

তোলারাম কলেজ ছাত্রাবাসে হামলা-লুটপাটের অভিযোগে দোষীদের বিচার দাবি ছাত্রশক্তির

রূপগঞ্জের হাটাব চাঁদের টেক গ্রামের হাবিবার বিরুদ্ধে আদালতের হাজিরার নির্দেশ

রূপগঞ্জের হাটাব চাঁদের টেক গ্রামের হাবিবার বিরুদ্ধে আদালতের হাজিরার নির্দেশ

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ড্যানীকে সজলের ফুলের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল।‎‎সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বাংলা মোটরসে অবস্থিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।‎‎এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাবু প্রমুখ।‎‎উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।‎‎গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।‎‎প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (সংশোধন) আইন, ২০১৫-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় চেয়ারম্যান হিসেবে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

৬ দফা দাবীতে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান

গ্যাস সংকট,ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুৎতের মূল্য বৃদ্ধি,ভূতুড়ে বিল বন্ধ এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উধ্বগতির প্রতিবাদে এবং ৬ দফা দাবীতে ডিসিকে স্মারক লিপি প্রদান করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট।বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট)  জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে ডিসিকে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।  গ্যাস সংকট, ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও ভুতুড়ে বিল আদায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।স্মারক লিপিতে উল্লেখ করা হয়,আমরা ১১ দলীয় ঐক্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের পক্ষ থেকে দেশের চলমান জনদুর্ভোগ সম্পর্কে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো নারায়ণগঞ্জেও তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গৃহস্থালির কাজকর্মসহ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে ভয়াবহ লোডশেডিং জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও উৎপাদন খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।অন্যদিকে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী নয়, এমন ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাপন অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।এমতাবস্থায় নারায়ণগঞ্জের জনগণের স্বার্থে আমরা নিম্নোক্ত দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি-১. অবিলম্বে গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।২. ভয়াবহ লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।৩. বিদ্যুতের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করে জনগণের সহনীয় পর্যায়ে আনতে হবে।৪. ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল আদায় বন্ধ করে প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে সঠিক বিল নিশ্চিত করতে হবে।৫. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার, সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।৬. জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় রাখতে কার্যকর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য মাওলানা মাইনুদ্দিন আহম্মেদ, মহানগরের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার, বক্তাবলী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক সহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ প্রশংসিত

শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ প্রশংসিত

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেণিভিত্তিক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছর চার মাস অন্তর নিয়মিত আয়োজিত এ সমাবেশকে শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।শতাব্দীপ্রাচীন এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে অগ্রগতি, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল, আচরণগত পরিবর্তন, শৃঙ্খলা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশের ফলে বিদ্যালয় ও পরিবারের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে উঠছে। এতে অভিভাবকরা সন্তানদের লেখাপড়ার অগ্রগতি সম্পর্কে সরাসরি অবগত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলাবোধ, নৈতিক মূল্যবোধ এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং ঝরে পড়ার প্রবণতা রোধেও এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, “অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার অগ্রগতি, উপস্থিতি ও আচরণ সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারছেন। ফলে তারা সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী করে তুলতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাঠ পরিকল্পনা প্রণয়ন, শিখনফল মূল্যায়ন, শিক্ষা উপকরণের কার্যকর ব্যবহার, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পাঠদান পদ্ধতি অনুসরণ এবং নিয়মিত একাডেমিক তদারকিসহ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”সমাবেশে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন। তারা বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষিকারা শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এ প্রচেষ্টার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। বিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিভাবকদের নিয়মিত যোগাযোগ বজায় থাকলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান আরও উন্নত হবে। আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সব ইতিবাচক কার্যক্রমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”সমাবেশে শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করতে শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।অভিভাবক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম, সহকারী প্রধান শিক্ষক শ্বেতলাল চন্দ্র দাশ, সহকারী শিক্ষক নুরুল হোছাইন ভুট্টো, অ্যাডহক কমিটির সদস্য মনির আহম্মদ এবং অভিভাবক মোক্তার হোছাইন বাপ্পী, আব্দুল আজিজ, মোহাম্মদ হোছাইন ও হারুন উর রশিদসহ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির অভিভাবকবৃন্দ।

সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের

সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সরকারি তোলারাম কলেজে বুধবার (৫ আগস্ট) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। দিনব্যাপী আয়োজনের প্রধান কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিভবন’ ও ‘শহীদ স্মৃতিচত্বর’-এর উদ্বোধন, স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা, তথ্যচিত্র প্রদর্শন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান, পুরস্কার বিতরণ এবং দোয়া মাহফিল। সকাল ৯টায় তল্লা নতুন রোডের হাজীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে কলেজ ক্যাম্পাসে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিভবন’ ও ‘শহীদ স্মৃতিচত্বর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর সকাল ১০টায় কলেজের পদ্মা মিলনায়তনে আলোচনা সভা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা জানানো হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দুপুরে কলেজ মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ-জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শহিদুল ইসলাম বলেন, “২৪-এর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সর্বস্তরের মানুষের একতার কারণেই এই বিজয় অর্জিত হয়েছে।” তিনি শিক্ষার্থীদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জুলাই আন্দোলনের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মত্যাগের আদর্শ ধারণ করে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎‎বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহরের কিল্লারপুলস্থ কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।‎‎আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবিক চেতনা ও জাতীয় ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।‎‎‎বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি খুরশিদ আহমেদ তুনিম। প্রধান আলোচক ছিলেন অভিভাবক সদস্য মনিরুল ইসলাম সজল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।‎‎অনুষ্ঠান শেষে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১লা আগস্ট) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী নদী বন্দর লঞ্চঘাট চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকাসহ নানা দাবিসংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়। গণমিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া নেতারা ব্যানারের মাধ্যমে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা: অভ্যুত্থান চলাকালে ঘটে যাওয়া সমস্ত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার কাজ সম্পন্ন করা।শহীদ ওসমান বিন হাদীর খুনিদের বিচার ত্বরান্বিত করা: দ্রুত সময়ের মধ্যে শহীদ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন: জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে গঠিত গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। জনগণের দাবিকৃত বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ড্যানীকে সজলের ফুলের শুভেচ্ছা

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ড্যানীকে সজলের ফুলের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল।‎‎সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বাংলা মোটরসে অবস্থিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।‎‎এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাবু প্রমুখ।‎‎উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানীকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।‎‎গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।‎‎প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (সংশোধন) আইন, ২০১৫-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় চেয়ারম্যান হিসেবে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১লা আগস্ট) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী নদী বন্দর লঞ্চঘাট চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকাসহ নানা দাবিসংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়। গণমিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া নেতারা ব্যানারের মাধ্যমে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা: অভ্যুত্থান চলাকালে ঘটে যাওয়া সমস্ত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার কাজ সম্পন্ন করা।শহীদ ওসমান বিন হাদীর খুনিদের বিচার ত্বরান্বিত করা: দ্রুত সময়ের মধ্যে শহীদ ওসমান বিন হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন: জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে গঠিত গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। জনগণের দাবিকৃত বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়ীয়া দুর্গাপুরে উপকূলীয় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ) বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সদর উপজেলার ইটবাড়ীয়া দুর্গাপুরে উপকূলীয় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড বেইজ ‘অগ্রযাত্রা’র ব্যবস্থাপনায় এ মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার প্রায় ৪৭০ জন রোগীকে চিকিৎসা পরামর্শের পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে। সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সুনিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডের এমন জনসেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর প্রস্তুত - ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

৪২তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ২০২৫ ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আইজিপি

৪২তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ২০২৫ ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আইজিপি

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। আইজিপি বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪২তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ২০২৫ ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় একাডেমীর প্রিন্সিপাল জনাব জি এম আজিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বর্ণিল ও মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার জনাব শুভ কুমার ঘোষ।নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের পবিত্র দায়িত্ব। তিনি ভয়-ভীতি ও প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে সততা, নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, সেবা নিতে আসা কোন মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। তিনি দ্রুত পরিবর্তনশীল অপরাধ প্রবণতা, বিশেষ করে সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি 'আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'- এ আদর্শ ধারণ করে দেশসেবার মহান ব্রতে আত্মনিয়োগের জন্য নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। আইজিপি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে  ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর শাহরিয়ার হাসান সিজান বেস্ট ক্যাডেট, ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ সাইফুল ইসলাম বেস্ট একাডেমিক, ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর তৌকির আহমেদ বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিস, ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর আশরাফুল ইসলাম বেস্ট সুইমার এবং ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ কামরান শেখ বেস্ট শ্যুটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী সাব-ইন্সপেক্টরদের অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‘আমির হোসেন’ এভারকেয়ারের সিসিইউতে মুমূর্ষু অবস্থায়, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

এলাকার যেকোনো মানুষের বিপদ-আপদে সবার আগে এগিয়ে আসা এবং সুখে-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে থাকা সবার প্রিয় ব্যক্তিত্ব আমির হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত দুই দিন ধরে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) অত্যন্ত মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন।​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমির হোসেন ভাই এলাকায় একজন পরম পরোপকারী ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষ হিসেবে পরিচিত। করোনাকালীন সংকট থেকে শুরু করে যেকোনো সামাজিক বা ব্যক্তিগত সমস্যায় তিনি সবসময় নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর এই আকস্মিক ও আশঙ্কাজনক অসুস্থতার খবরে পুরো এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।​আমির ভাইয়ের পরিবার এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাঁর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য দেশবাসী ও সকলের কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে। পরিবারের এক সদস্য বলেন, "তিনি সবসময় অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে ব্যস্ত থাকতেন। আজ তিনি নিজেই হাসপাতালের বিছানায় জীবনের সাথে লড়াই করছেন। মহান আল্লাহ যেন আমির ভাইকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এবং আবার তাঁর পরিবার ও প্রিয় এলাকাবাসীর কাছে সুস্থভাবে ফিরিয়ে দেন। আল্লাহুম্মা আশফিহি শিফাআন কামিলা। আমিন।"

অসুস্থ সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টুর খোঁজ নিলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ: আরোগ্য কামনায় দোয়া

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য এবং দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. হাফিজুর রহমান মিন্টুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর নেতৃবৃন্দ।​২০ জুলাই (সোমবার) সকালে অসুস্থ এই প্রবীণ সাংবাদিককে দেখতে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে  যান নেতৃবৃন্দ। সেখানে তাঁরা তাঁর চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাঁর শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রবীণ এই সাংবাদিকের আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।​সাংবাদিক মিন্টুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ​মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ​মাওলানা আবদুল জব্বার। নারায়ণগঞ্জ মহানগরী প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বশীল ​হাফেজ আবদুল মোমিন। ​এছাড়াও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।​এসময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টুর সহযোগী ও ডাক্তারদের সাথেও কথা বলেন এবং তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী খোঁজখবর নেন। নেতৃবৃন্দ তাঁর ডাক্তারদের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।​সবশেষে, মহান আল্লাহর দরবারে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল

রোগীসেবার মান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা এবং অবকাঠামো আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের দুটি প্রধান সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খানপুর ৩০০ শয্যা সরকারি হাসপাতাল এবং নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে পৃথকভাবে এই সভা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং দুই হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।সভায় হাসপাতাল দুটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জরুরি বিভাগের সেবা, ওষুধ সরবরাহ, জনবল সংকট এবং পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভাপতির বক্তব্যে এমপি আবুল কালাম বলেন, নারায়ণগঞ্জের এই দুটি সরকারি হাসপাতাল লাখো মানুষের ভরসার স্থান। এখানে আসা প্রতিটি রোগী যেন দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা পায় সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ডাক্তার-নার্সদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, জরুরি বিভাগে ওষুধের ঘাটতি না রাখা এবং হাসপাতালের অবকাঠামো আধুনিকায়নে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগও কাজে লাগানো হবে।জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, একটি হাসপাতালের আসল সৌন্দর্য হলো এর সেবা এবং পরিবেশ। রোগীরা যাতে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসা পায় সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রোগীদের মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টয়লেট ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা প্রতিদিন মনিটরিং করতে হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালের নিরাপত্তা, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।দালালমুক্ত সেবা  নিশ্চিত করতে হবে । জনগণের টাকায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানকে জনবান্ধব করে তুলতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।সভায়  ডাক্তার ও অন্যান্য জনবল সংকট নিরসন, আউটডোরে রোগীর ভিড় কমানো, টিকিট ফি প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং হাসপাতাল চত্বরকে দালালমুক্ত রাখার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে সভাপতি ও অতিথিরা দুই হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এসময় তারা ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে  গুরুত্ব সহকারে কাজ করা হবে।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে আজ ১৯ জুলাই, ২০২৬ (রবিবার) এক বৃহৎ বিনামূল্যে (ফ্রী) চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের হাজী আবেদ আলী আইডিয়াল হাই স্কুল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।​উক্ত চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মাওলানা আবদুল জব্বার।​৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি  মোঃ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন এবং সিদ্ধিরগঞ্জ দক্ষিণ শাখার নায়েবে আমীর মোঃ আব্দুল গফুরসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "মানবসেবা ইসলামের অন্যতম মূল শিক্ষা। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের এই মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ সমাজের অন্ধকার দূর করতে এবং মানুষের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।"​উক্ত ফ্রী চক্ষু শিবিরে এলাকার শত শত চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চোখ পরীক্ষা, পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চশমা প্রদান করা হয়।​আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন জানান, এলাকার সাধারণ ও দুস্থ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং তাদের কল্যাণে আগামীতেও এ ধরনের ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।