ঢাকা   রোববার, ২১ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেই: খুলনায় শীর্ষ নেতাদের হুঙ্কার

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, "জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে। যারা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে টিকে থাকতে চায়, তাদের পরিণতি ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে।" তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "ভুল পথে না হেঁটে জনগণের কাতারে ফিরে আসুন।" ছাত্র-যুব আন্দোলনের ফসল হিসেবে শেখ হাসিনার পতনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "জনগণ কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করবে না। যদি সংসদে জনগণের দাবি পূরণ না হয়, তবে মাঠ থেকেই জনগণ তাদের শক্তি প্রদর্শন করবে।"কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ (সভাপতি, এলডিপি): তিনি বৈষম্যমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের সর্বদা সচেতন থাকতে হবে। কোনো স্বৈরাচারের যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য রাষ্ট্র কাঠামোয় মৌলিক সংস্কার প্রয়োজন।"মাওলানা মামুনুল হক (আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস): তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বিদেশি প্রভুদের কাছে নতি স্বীকার করা চলবে না। জনগণ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবেই দেখতে চায়।"মিয়া গোলাম পরওয়ার (সভাপতি, সমাপনী বক্তব্য): সভাপতির বক্তব্যে তিনি গণভোটের রায়ে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি জানান। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব হ্রাস এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন এখন সময়ের দাবি। এছাড়া পথে বিএনপি কর্মীদের হামলায় আহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।"জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি: সমাবেশে বক্তারা জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য—বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, "রাষ্ট্র সংস্কার, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জুলাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।"সমাবেশে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ:সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য জোটের শীর্ষ নেতারা। খুলনা বিভাগের বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াত দলীয় সংসদ সদস্যরা এ সময় উপস্থিত জনতাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।সার্বিক পরিস্থিতি: সমাবেশে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং একটি শক্তিশালী ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তাদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেটে প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার আসর: সর্বস্ব হারাচ্ছেন পথচারীরা

দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশীয় প্রযুক্তি ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা খাতে প্রকৃত আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন সম্ভব।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৌ-গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম, সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বর্তমান অগ্রগতি ও সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনের বিস্তারিতসফরের শুরুতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার এবং সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) পরিদর্শন করেন।আইএফএফ সেন্টার: আইএফএফ সেন্টারের কর্মকর্তারা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সমুদ্রসীমায় জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করছে।সিএনআরডি: সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে পরিচালিত জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন।জাহাজ নির্মাণ শিল্প পরিদর্শনপ্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শনকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত ও নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সিডিডিএল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সক্ষমতা ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।এছাড়া, সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চলমান প্রকল্প, বিদ্যমান সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।আহ্বানপরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

নৈতিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে কর্মীদের ভূমিকা অগ্রণী: জামাল হোসাইন

দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশীয় প্রযুক্তি ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা খাতে প্রকৃত আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন সম্ভব।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৌ-গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম, সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বর্তমান অগ্রগতি ও সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনের বিস্তারিতসফরের শুরুতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার এবং সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) পরিদর্শন করেন।আইএফএফ সেন্টার: আইএফএফ সেন্টারের কর্মকর্তারা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সমুদ্রসীমায় জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করছে।সিএনআরডি: সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে পরিচালিত জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন।জাহাজ নির্মাণ শিল্প পরিদর্শনপ্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শনকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত ও নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সিডিডিএল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সক্ষমতা ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।এছাড়া, সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চলমান প্রকল্প, বিদ্যমান সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।আহ্বানপরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

নারায়ণগঞ্জে নির্জন গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ: ২০ শ্রমিক আহত, সড়ক অবরোধ

দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশীয় প্রযুক্তি ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা খাতে প্রকৃত আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন সম্ভব।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৌ-গবেষণা, শিল্প ও সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম, সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বর্তমান অগ্রগতি ও সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনের বিস্তারিতসফরের শুরুতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খানে অবস্থিত আইএফএফ সেন্টার এবং সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিএনআরডি) পরিদর্শন করেন।আইএফএফ সেন্টার: আইএফএফ সেন্টারের কর্মকর্তারা উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সমুদ্রসীমায় জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ সফলভাবে পরিচালনা করছে।সিএনআরডি: সেন্টার ফর নেভাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে পরিচালিত জ্বালানি পরিশোধন প্রযুক্তি, ড্রোন উন্নয়ন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন।জাহাজ নির্মাণ শিল্প পরিদর্শনপ্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শনকালে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন বেসামরিক জাহাজের মেরামত ও নির্মাণে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সিডিডিএল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সক্ষমতা ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।এছাড়া, সফরের অংশ হিসেবে তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন মেরিন লিমিটেড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চলমান প্রকল্প, বিদ্যমান সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।আহ্বানপরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ জনশক্তির কর্মতৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ এবং প্রতিরক্ষা খাতের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

কুমিল্লায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা ও হয়রানি: থানায় জিডি

কুমিল্লায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা ও হয়রানি: থানায় জিডি

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেটে প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার আসর: সর্বস্ব হারাচ্ছেন পথচারীরা

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেটে প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার আসর: সর্বস্ব হারাচ্ছেন পথচারীরা

নৈতিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে কর্মীদের ভূমিকা অগ্রণী: জামাল হোসাইন

নৈতিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে কর্মীদের ভূমিকা অগ্রণী: জামাল হোসাইন

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেই: খুলনায় শীর্ষ নেতাদের হুঙ্কার

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেই: খুলনায় শীর্ষ নেতাদের হুঙ্কার

নারায়ণগঞ্জে নির্জন গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ: ২০ শ্রমিক আহত, সড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জে নির্জন গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ: ২০ শ্রমিক আহত, সড়ক অবরোধ

তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের ‘বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ অভিযান-২০২৬’ পালিত

তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের ‘বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ অভিযান-২০২৬’ পালিত

নগর ভবনের ফাইল চালাচালিতে জিম্মি বন্দরের বাসিন্দারা: ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ নগরবাসী

নগর ভবনের ফাইল চালাচালিতে জিম্মি বন্দরের বাসিন্দারা: ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ নগরবাসী

খোলস বদলে বিএনপিতে শামসুজ্জোহা: অতীত অপরাধ ঢাকতে ‘হাইব্রিড’ রাজনীতির আশ্রয়!

খোলস বদলে বিএনপিতে শামসুজ্জোহা: অতীত অপরাধ ঢাকতে ‘হাইব্রিড’ রাজনীতির আশ্রয়!

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নৈতিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে কর্মীদের ভূমিকা অগ্রণী: জামাল হোসাইন

নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক বিশাল কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯ জুন ঈদগাহ মাঠে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়। সম্মেলনে সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।​কর্মী সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সির প্রার্থী মুহাম্মদ জামাল হোসাইন।​তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, "তোমরা সংঘবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে ধারণ কর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।" তিনি আরো বলেন সমাজের সার্বিক উন্নয়ন, নৈতিকতার বিকাশ এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে জামায়াতের কর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমান চ্যালেঞ্জিং সময়ে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনের কাজকে আরও বেগবান করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।​সম্মেলনে মহানগরী ও স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য শীর্ষনেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা প্রত্যেকেই কর্মীদের নৈতিক মান উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মী সম্মেলন সমাপ্ত হয়।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

যুক্তির সমীরণে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিতর্ক উৎসব: ফাইনালে লড়বে ৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

যুক্তির সমীরণে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিতর্ক উৎসব: ফাইনালে লড়বে ৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

“যুক্তির সমীরণে, প্রাচ্যের ডান্ডি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ৮ দিনব্যাপী ‘নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিতর্ক উৎসব’। জলবায়ু সহনশীল ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এই উৎসবের সেমিফাইনাল পর্বটি বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।উৎসবের চিত্র: উপজেলার ৬০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে বিতার্কিকদের অংশগ্রহণে এই বিতর্ক উৎসবটি জ্ঞান ও যুক্তির লড়াইয়ে পরিণত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। টানা ৮ দিন ধরে চলা বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সেমিফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পেল ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।ফাইনালিস্টদের তালিকা: আগামী ২২ জুন জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বে যারা একে অপরের মুখোমুখি হবে:প্রাথমিক বিভাগ: ১০ নং বাতানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনাম ৭৪ নং কুতুব আইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।মাধ্যমিক বিভাগ: মর্গ্যান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ বনাম হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।আয়োজকদের বক্তব্য: বিতর্ক উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরে এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, “যুক্তি ও জ্ঞানের চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। জলবায়ু সহনশীল ক্যাম্পাসের বার্তা তাদের মাধ্যমেই সমাজে ছড়িয়ে পড়বে।”সেমিফাইনাল পর্বে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিতর্ক শেষে চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এলাকায় ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। ২২ জুনের ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

দুমকি উপজেলা শিক্ষক পরিবারের আয়োজনে দক্ষিণবঙ্গ কৃষি ও কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ উপজেলা শিক্ষক পরিবারের সন্তান প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন সুমনকে উপজেলা শিক্ষক পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও বর্নিল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।শনিবার (২০জুন) দুপুরে উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, দুমকি নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান। দুমকি টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জামাল হোসেন এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন লেবুখালী সরকারি হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান আশ্রাফ, সাতানী আমির উদ্দিন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ জব্বার হাওলাদার, সরকারি জনতা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (অব:) শহিদুল ইসলাম, সৃজনী বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস, দুমকি একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহামুদা আক্তার হেপী, মমতাজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা বেগম, এবিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান। প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এইচএম মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আতিকুর রহমান, আইসিটি সম্পাদক রাজিবুল রাজ, সাংবাদিক বাহাদুর হোসেন।সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন, চড়বয়ড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন, জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র হালদার, আঙ্গারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ, সাংবাদিক এবাদুল হক ও জায়েদ বিন আলী সুজন  প্রমুখ। এসময় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ প্রধান ও শিক্ষক শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিভাবক মতবিনিময় সভা

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিভাবক মতবিনিময় সভা

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির ফার্স্ট সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা এবং অভিভাবক মতবিনিময় সভা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফ পাটওয়ারী। সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুফতি নজরুল ইসলামের চমৎকার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নাসিক (নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন) ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন।​এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ এনায়েতুল্লাহ, মাওলানা মোঃ শাহ আলম এবং জনাব মোঃ সাইফুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, "ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমি প্রায় এক দশক ধরে অত্র এলাকায় অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রেখে চলছে। এখানকার শিক্ষকরা অত্যন্ত যোগ্য এবং পরিশ্রমী। তারা তাদের নিপুণ দক্ষতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।"​শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে অভিভাবকদের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন- সচেতন অভিভাবকদের উচিত প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।  শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি মজবুত সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে।  দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্য করে তুলবে এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব দিতে সদা প্রস্তুত থাকবে।​আলোচনা ও মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে এক আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। বিগত সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে গৌরব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি মুহাম্মদ জামাল হোসাইনসহ আমন্ত্রিত অন্যান্য মেহমানবৃন্দ।​অভিভাবকদের সক্রিয় উপস্থিতি ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

পূর্ব শত্রুতা এবং ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ছড়িয়ে পড়া গুজবের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ জুন শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে এ সহিংসতা ঘটে। এতে আসাদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেক পুরুষ গ্রাম ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।সংঘর্ষের সূত্রপাত: স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসের তৃতীয় রোজায় একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত। ঐ দুর্ঘটনায় দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তি আহত হয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় আসাদুলের পরিবারের সদস্যদের আসামি করা হয়। ঘটনার দিন সকালে ঢাকা থেকে ফিরে আসাদুল ও তার আত্মীয়রা প্রতিপক্ষ ইলিয়াস ও তার জামাতা বাবলুর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে।গুজব ও সহিংসতা: আহত ইলিয়াস ও বাবলু মারা গেছেন—এমন একটি গুজব দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ক্ষুব্ধ জনতা আসাদুল ইসলাম, তার ভাই আশরাফুল ও আবু তালেবের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তিনটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকেও উত্তেজিত জনতা বাধা প্রদান করে। অগ্নিকাণ্ডে আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও মোটরসাইকেলসহ মূল্যবান মালামাল ভস্মীভূত হয় এবং ঘরবাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে বলে জানা গেছে।নিহত ও আহতদের তথ্য: ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল ওয়াজিদ ফরহাদ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ১২ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর আহত আসাদুল ইসলামকে রাজশাহীতে নেওয়ার পথে অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশের বক্তব্য ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ: ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল বারিক জানান, পূর্ব বিরোধ ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ছড়ানো গুজবের জেরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) মো. হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মামলার সার্বিক তদারকি করছেন।গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি: সংঘর্ষের পর থেকে গ্রামে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামলার এজাহারে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে, ফলে নিরীহ ব্যক্তিরাও ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে এলাকাটি অনেকটা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। তবে সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার মাস্টার ও বর্তমান মেম্বার বাবুর ভূমিকা এবং পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতাকে এলাকাবাসী প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখছেন। তারা দাবি জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

পূর্ব শত্রুতা এবং ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ছড়িয়ে পড়া গুজবের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ জুন শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে এ সহিংসতা ঘটে। এতে আসাদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেক পুরুষ গ্রাম ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।সংঘর্ষের সূত্রপাত: স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসের তৃতীয় রোজায় একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত। ঐ দুর্ঘটনায় দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তি আহত হয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় আসাদুলের পরিবারের সদস্যদের আসামি করা হয়। ঘটনার দিন সকালে ঢাকা থেকে ফিরে আসাদুল ও তার আত্মীয়রা প্রতিপক্ষ ইলিয়াস ও তার জামাতা বাবলুর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে।গুজব ও সহিংসতা: আহত ইলিয়াস ও বাবলু মারা গেছেন—এমন একটি গুজব দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ক্ষুব্ধ জনতা আসাদুল ইসলাম, তার ভাই আশরাফুল ও আবু তালেবের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তিনটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকেও উত্তেজিত জনতা বাধা প্রদান করে। অগ্নিকাণ্ডে আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও মোটরসাইকেলসহ মূল্যবান মালামাল ভস্মীভূত হয় এবং ঘরবাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে বলে জানা গেছে।নিহত ও আহতদের তথ্য: ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল ওয়াজিদ ফরহাদ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ১২ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর আহত আসাদুল ইসলামকে রাজশাহীতে নেওয়ার পথে অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশের বক্তব্য ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ: ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল বারিক জানান, পূর্ব বিরোধ ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ছড়ানো গুজবের জেরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) মো. হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মামলার সার্বিক তদারকি করছেন।গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি: সংঘর্ষের পর থেকে গ্রামে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামলার এজাহারে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে, ফলে নিরীহ ব্যক্তিরাও ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে এলাকাটি অনেকটা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। তবে সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার মাস্টার ও বর্তমান মেম্বার বাবুর ভূমিকা এবং পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতাকে এলাকাবাসী প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখছেন। তারা দাবি জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের ‘বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ অভিযান-২০২৬’ পালিত

তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের ‘বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ অভিযান-২০২৬’ পালিত

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজ শাখার উদ্যোগে ‘বৃক্ষ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’ পালন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৯ জুন) কলেজ প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।কর্মসূচির কার্যক্রম: অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করেন।নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ: অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি অমিত হাসান এবং মহানগরী সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন। এ সময় তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মহানগরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।কেন্দ্রীয় সভাপতির আহ্বান: প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ছাত্রসমাজকে পরিবেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আমি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানাই, পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগান।"সামাজিক আন্দোলনের ডাক: সমাপনী বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ সচেতন হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণের এই মহতী উদ্যোগকে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও স্বাগত জানিয়েছেন।

কোন পোস্ট নেই !
গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

গুজবের বলি ভোলাহাট: বাড়িঘরে আগুন, সংঘর্ষে প্রাণহানি

পূর্ব শত্রুতা এবং ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ছড়িয়ে পড়া গুজবের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ জুন শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে এ সহিংসতা ঘটে। এতে আসাদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেক পুরুষ গ্রাম ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।সংঘর্ষের সূত্রপাত: স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসের তৃতীয় রোজায় একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত। ঐ দুর্ঘটনায় দেলোয়ার নামের এক ব্যক্তি আহত হয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় আসাদুলের পরিবারের সদস্যদের আসামি করা হয়। ঘটনার দিন সকালে ঢাকা থেকে ফিরে আসাদুল ও তার আত্মীয়রা প্রতিপক্ষ ইলিয়াস ও তার জামাতা বাবলুর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে।গুজব ও সহিংসতা: আহত ইলিয়াস ও বাবলু মারা গেছেন—এমন একটি গুজব দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। ক্ষুব্ধ জনতা আসাদুল ইসলাম, তার ভাই আশরাফুল ও আবু তালেবের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তিনটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন নেভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকেও উত্তেজিত জনতা বাধা প্রদান করে। অগ্নিকাণ্ডে আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও মোটরসাইকেলসহ মূল্যবান মালামাল ভস্মীভূত হয় এবং ঘরবাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে বলে জানা গেছে।নিহত ও আহতদের তথ্য: ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল ওয়াজিদ ফরহাদ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় মোট ১২ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর আহত আসাদুল ইসলামকে রাজশাহীতে নেওয়ার পথে অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশের বক্তব্য ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ: ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল বারিক জানান, পূর্ব বিরোধ ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ছড়ানো গুজবের জেরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) মো. হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মামলার সার্বিক তদারকি করছেন।গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি: সংঘর্ষের পর থেকে গ্রামে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামলার এজাহারে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে, ফলে নিরীহ ব্যক্তিরাও ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে এলাকাটি অনেকটা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। তবে সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার মাস্টার ও বর্তমান মেম্বার বাবুর ভূমিকা এবং পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতাকে এলাকাবাসী প্রশংসার দৃষ্টিতে দেখছেন। তারা দাবি জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।