ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

জনকণ্ঠে গণ-ছাঁটাই: ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডিইউজের

দৈনিক জনকণ্ঠ থেকে অবৈধভাবে ছাঁটাইকৃত সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছাঁটাইপত্র প্রত্যাহার এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। মঙ্গলবার দুপুরে জনকণ্ঠ ভবনের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে এ দাবি জানান সাংবাদিক নেতারা।মূল দাবি ও অভিযোগ:৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাঁটাই ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রত্যাহার করে পত্রিকা চালু না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।অবৈধ ছাঁটাই: কোনো ধরনের লে-অফ ছাড়াই ১৪০ জন সাংবাদিক ও কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ৩০-৩৪ বছরের অভিজ্ঞ কর্মী।ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: বক্তারা জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে ফ্যাসিবাদ ও পতিত শক্তির দোসর হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পত্রিকাটি ব্যবহার করে এখনও ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।কর্মসূচিতে ডিইউজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন। অবস্থান কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

গোলাম ফারুক খোকনের ৫১তম জন্মদিনে মুহাম্মদ জামাল হোসাইনের শুভেচ্ছা

চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন এলাকায় একটি মন্দির ও সংলগ্ন জমির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসকনের অনুসারী এবং স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (৬ জুন) ভোররাতে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন এবং পুলিশ একজনকে আটক করেছে।ঘটনার সূত্রপাত: পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোররাতের দিকে ইসকনের একটি দল নন্দনকানন এলাকার লোকনাথ মন্দির-সংলগ্ন স্থানে প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় মন্দির এলাকার একটি কক্ষ ভাঙচুর এবং কিছু বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পুলিশের ভাষ্য: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানান, লোকনাথ মন্দির ও সংলগ্ন জমি নিয়ে ইসকন ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট: স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরসংলগ্ন কিছু খাসজমি দখলের পাঁয়তারা করছে একটি পক্ষ। তাদের দাবি, ইসকন পরিকল্পিতভাবে ধাপে ধাপে ওই জমি ও মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ইসকনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও মন্দিরের নাম ভাঙিয়ে অনুদান সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল, যার প্রেক্ষিতে প্রবর্তক সংঘের নেতারাও অতীতে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। তবে বর্তমান সংঘর্ষের বিষয়ে ইসকনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।বর্তমান পরিস্থিতি: সংঘর্ষের পর আহত চারজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এলাকাটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এলাকায় টহল জোরদার রাখা হয়েছে।

ফতুল্লায় বসতবাড়িতে হামলা, নারীদের শ্লীলতাহানি ও লুটপাটের অভিযোগ

চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন এলাকায় একটি মন্দির ও সংলগ্ন জমির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসকনের অনুসারী এবং স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (৬ জুন) ভোররাতে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন এবং পুলিশ একজনকে আটক করেছে।ঘটনার সূত্রপাত: পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোররাতের দিকে ইসকনের একটি দল নন্দনকানন এলাকার লোকনাথ মন্দির-সংলগ্ন স্থানে প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় মন্দির এলাকার একটি কক্ষ ভাঙচুর এবং কিছু বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পুলিশের ভাষ্য: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানান, লোকনাথ মন্দির ও সংলগ্ন জমি নিয়ে ইসকন ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট: স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরসংলগ্ন কিছু খাসজমি দখলের পাঁয়তারা করছে একটি পক্ষ। তাদের দাবি, ইসকন পরিকল্পিতভাবে ধাপে ধাপে ওই জমি ও মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ইসকনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও মন্দিরের নাম ভাঙিয়ে অনুদান সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল, যার প্রেক্ষিতে প্রবর্তক সংঘের নেতারাও অতীতে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। তবে বর্তমান সংঘর্ষের বিষয়ে ইসকনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।বর্তমান পরিস্থিতি: সংঘর্ষের পর আহত চারজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এলাকাটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এলাকায় টহল জোরদার রাখা হয়েছে।

রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন এলাকায় একটি মন্দির ও সংলগ্ন জমির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসকনের অনুসারী এবং স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (৬ জুন) ভোররাতে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন এবং পুলিশ একজনকে আটক করেছে।ঘটনার সূত্রপাত: পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোররাতের দিকে ইসকনের একটি দল নন্দনকানন এলাকার লোকনাথ মন্দির-সংলগ্ন স্থানে প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় মন্দির এলাকার একটি কক্ষ ভাঙচুর এবং কিছু বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পুলিশের ভাষ্য: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানান, লোকনাথ মন্দির ও সংলগ্ন জমি নিয়ে ইসকন ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট: স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরসংলগ্ন কিছু খাসজমি দখলের পাঁয়তারা করছে একটি পক্ষ। তাদের দাবি, ইসকন পরিকল্পিতভাবে ধাপে ধাপে ওই জমি ও মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ইসকনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও মন্দিরের নাম ভাঙিয়ে অনুদান সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল, যার প্রেক্ষিতে প্রবর্তক সংঘের নেতারাও অতীতে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। তবে বর্তমান সংঘর্ষের বিষয়ে ইসকনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।বর্তমান পরিস্থিতি: সংঘর্ষের পর আহত চারজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এলাকাটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এলাকায় টহল জোরদার রাখা হয়েছে।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

​নারায়ণগঞ্জে ২৫ জুন দিনব্যাপী উন্নয়ন সাংবাদিকতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে

​নারায়ণগঞ্জে ২৫ জুন দিনব্যাপী উন্নয়ন সাংবাদিকতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

গোদাগাড়ী ভূমি অফিসের পিয়নের বিরুদ্ধে পুকুর ইজারা বাণিজ্যের অভিযোগ

গোদাগাড়ী ভূমি অফিসের পিয়নের বিরুদ্ধে পুকুর ইজারা বাণিজ্যের অভিযোগ

জনকণ্ঠে গণ-ছাঁটাই: ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডিইউজের

জনকণ্ঠে গণ-ছাঁটাই: ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডিইউজের

দেবিদ্বারে মোসলেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

দেবিদ্বারে মোসলেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

গোলাম ফারুক খোকনের ৫১তম জন্মদিনে মুহাম্মদ জামাল হোসাইনের শুভেচ্ছা

গোলাম ফারুক খোকনের ৫১তম জন্মদিনে মুহাম্মদ জামাল হোসাইনের শুভেচ্ছা

ফতুল্লায় বসতবাড়িতে হামলা, নারীদের শ্লীলতাহানি ও লুটপাটের অভিযোগ

ফতুল্লায় বসতবাড়িতে হামলা, নারীদের শ্লীলতাহানি ও লুটপাটের অভিযোগ

রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ  কর্মসূচির উদ্বোধন

রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

মাতামুহুরীতে লুটপাটের পর মা-মেয়ের ওপর পাশবিক নির্যাতন, আটক ৬

মাতামুহুরীতে লুটপাটের পর মা-মেয়ের ওপর পাশবিক নির্যাতন, আটক ৬

চ্যাম্পিয়নদের সংবর্ধনা, টেকনাফে ক্রীড়া উন্নয়নে মতবিনিময়

চ্যাম্পিয়নদের সংবর্ধনা, টেকনাফে ক্রীড়া উন্নয়নে মতবিনিময়

নজরুল জয়ন্তীতে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আলোচনা সভা

​জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা। ৫ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের আন-নূর মিলনায়তনে সংগঠনটির উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর অন্যতম উপদেষ্টা এম আব্দুল কাইয়ুম।​দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ইউনিটের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালামের পরিচালনায় এবং মহানগর সাহিত্য সাংস্কৃতিক বিভাগীয় সেক্রেটারি মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর উপদেষ্টা এইচ এম নাসির উদ্দিন।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম আব্দুল কাইয়ুম বলেন, "জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের কবি। তাঁর কবিতা ও গান আমাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়। তরুণ প্রজন্মের মাঝে নজরুলের অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে।"​অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্য এ্যাডভোকেট তমিজউদ্দিন। তিনি জাতীয় কবির সাহিত্যকর্ম ও জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করেন।​এ সময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন  (বিশিষ্ট নাট্য ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব) জাহাঙ্গীর কবির পোকন, ​শিল্পী মনিরুল আলম,​আনিসুজ্জামান, ​আবুল হোসেন সহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।​বক্তারা বলেন, বর্তমান অবক্ষয়মুখী সমাজে নৈতিকতা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে নজরুল চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আলোচনা সভা শেষে কবির জনপ্রিয় কবিতা ও গান পরিবেশনের মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের মুগ্ধ করেন স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি নেতা টিপু

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। গত ৮ জুন এই সাক্ষাতের একটি ছবি তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করলে তা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।ফেসবুক পোস্টে অ্যাডভোকেট টিপু জানান, নিজের রাজনৈতিক অভিভাবক তারেক রহমানের সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাকে নিজের ছোট মেয়ে নুসরাত জাহান খান সৃষ্টির বিয়ের দাওয়াত দিয়েছেন। তারেক রহমানকে ‘আস্থার শেষ ভরসা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি এই সাক্ষাৎকে নিজের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন বলে অভিহিত করেন।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

৬ জুন (শনিবার ) বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ শহরের এক মিলনায়তনে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী কর্তৃক ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেক্রেটারি ডাঃ নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দারসুল কুরআন পেশ করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহ সভাপতি মাওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াহহাব।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক।সভাপতি তার বক্তব্যে সূরা আল জুমআর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন - তিনি নিরক্ষরদের মাঝে পাঠিয়েছেন তার রাসূলকে তাঁদেরই মধ্য থেকে যে তাঁদের কাছে আল্লাহর আয়াত পাঠ করে, তাদেরকে পবিত্র করে, আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় অথচ ইতিপূর্বে তাঁরা ছিল স্পষ্ট গোমড়াহীতে নিমজ্জিত।এছাড়া তিনি বলেন- আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন সব সময় সর্বপ্রথম শিক্ষকদের দাবিদাওয়া আদায় নিয়ে কাজ করে। বর্তমানে শিক্ষাঙ্গনে নৈতিক অবক্ষয় বিরাজ করছে। মানুষ শিক্ষিত হলেও বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও মিরপুরে গর্ভধারিনী মাকে সাতদিন যাবৎ পঁচে মরতে হচ্ছে। তাই তিনি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উপদেষ্টা ও আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জ এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমদ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন - কোন শিক্ষক কেমন ক্লাস নেন তার প্রমান হচ্ছে তার ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা। একজন শিক্ষক তখনই ভালো শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হবেন যখন একটি ক্লাসের সকল ছাত্রছাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের সবাই তাকে একজন আদর্শবান শিক্ষক বলে বিবেচিত করবেন।তাই তিনি  শিক্ষকবৃন্দকে  সকল ক্লাসে নৈতিক মান অক্ষুন্ন রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর প্রচার সম্পাদক এস এম শফিকুল ইসলাম শফিক, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সদস্য জনাব আব্দুল বাতেন, বন্দর কলাগাছিয়া স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গোলাম আহাদ, ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মাধ্যমিক শাখার সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নবনির্মিত চার তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের প্রথম তলার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন এই ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ১৪৫ শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিস্তারিতউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, "শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই নতুন একাডেমিক ভবন শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।"অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আলীমুজ্জামান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষা ও প্রশাসনিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:আব্দুর রহিম দুলাল (আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)আবু রায়হান মো. আলবেরুনি (যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা বিএনপি)এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবাইদুল ইসলাম রাজন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজারুল ইসলাম মিস্টার, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহজাদা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।নতুন ভবন উদ্বোধনের খবরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আধুনিক এই ভবনের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

বীরগঞ্জে ভোগডোমা আশ্রয়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন এমপি মনজুরুল ইসলাম

বীরগঞ্জে ভোগডোমা আশ্রয়ণ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন এমপি মনজুরুল ইসলাম

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে নবনির্মিত ‘ভোগডোমা আশ্রয়ণ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মনজুরুল ইসলাম।রবিবার (৩১ মে) বেলা ১১টায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যালয়টির অবকাঠামো ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমা খাতুন, বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এবং পাল্টাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম।এছাড়াও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তানভীর চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর জব্বার, উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শাহাজাহান সিরাজ শিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশরাফুলদ্দৌলা খান, পাল্টাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম আলীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের বিশেষ পরিকল্পনা ও উদ্যোগে এই বিদ্যালয়টি বাস্তব রূপ পেতে শুরু করেছে। বিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশেপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের কষ্ট লাঘব হবে। এতে করে বিশেষ করে ছাত্রীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মনজুরুল ইসলাম বলেন, "বর্তমান সরকারের আমলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষের আবাসনের পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোগডোমা আশ্রয়ণের এই বিদ্যালয়টি চালু হলে অবহেলিত এই এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে এবং নতুন প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে গড়ে উঠবে।"স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জেলা প্রশাসকের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও পরিকল্পনার এই বিদ্যালয় আশ্রয়ণ এলাকার মানুষের জন্য শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা নগর ভবনটি বর্তমানে যেখানে আছে, সেখানেই নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন নগরবাসী। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত তদন্ত সভায় এই জনমত উঠে আসে।তদন্ত সভার প্রেক্ষাপট:পাল্টাপাল্টি আবেদন: বর্তমান স্থানে নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। অন্যদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এটি দক্ষিণ এলাকার ছোট ধর্মপুরে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন।তদন্ত প্রক্রিয়া: এই দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম সরেজমিনে তদন্ত ও নাগরিকদের মতামত গ্রহণের জন্য এই সভার আয়োজন করেন।নাগরিক ও নেতৃবৃন্দের মতামত: সভায় উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা স্পষ্টভাবে জানান, ১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর থেকেই বর্তমান স্থানটি কুমিল্লা পৌরভবন হিসেবে পরিচিত। এটি সরিয়ে নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সভায় উপস্থিত অধিকাংশ ব্যক্তিই বর্তমান স্থানেই ভবন নির্মাণের পক্ষে মত দেন। তবে অল্প কয়েকজন স্থানীয় নেতা ছোট ধর্মপুরে ভবন স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছেন।জরুরি দাবি: সভার বক্তারা দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমানে নগর ভবন নির্মাণের টেন্ডার সিডিউল বিক্রি ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম উপস্থিত সবার বক্তব্য ও মতামত লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন। সভা শেষে তদন্ত কর্মকর্তা প্রস্তাবিত ছোট ধর্মপুর এলাকাটিও পরিদর্শন করেন।

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা নগর ভবনটি বর্তমানে যেখানে আছে, সেখানেই নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন নগরবাসী। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত তদন্ত সভায় এই জনমত উঠে আসে।তদন্ত সভার প্রেক্ষাপট:পাল্টাপাল্টি আবেদন: বর্তমান স্থানে নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। অন্যদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এটি দক্ষিণ এলাকার ছোট ধর্মপুরে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন।তদন্ত প্রক্রিয়া: এই দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম সরেজমিনে তদন্ত ও নাগরিকদের মতামত গ্রহণের জন্য এই সভার আয়োজন করেন।নাগরিক ও নেতৃবৃন্দের মতামত: সভায় উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা স্পষ্টভাবে জানান, ১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর থেকেই বর্তমান স্থানটি কুমিল্লা পৌরভবন হিসেবে পরিচিত। এটি সরিয়ে নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সভায় উপস্থিত অধিকাংশ ব্যক্তিই বর্তমান স্থানেই ভবন নির্মাণের পক্ষে মত দেন। তবে অল্প কয়েকজন স্থানীয় নেতা ছোট ধর্মপুরে ভবন স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছেন।জরুরি দাবি: সভার বক্তারা দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমানে নগর ভবন নির্মাণের টেন্ডার সিডিউল বিক্রি ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম উপস্থিত সবার বক্তব্য ও মতামত লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন। সভা শেষে তদন্ত কর্মকর্তা প্রস্তাবিত ছোট ধর্মপুর এলাকাটিও পরিদর্শন করেন।

নজরুল জয়ন্তীতে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আলোচনা সভা

নজরুল জয়ন্তীতে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আলোচনা সভা

​জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা। ৫ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের আন-নূর মিলনায়তনে সংগঠনটির উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর অন্যতম উপদেষ্টা এম আব্দুল কাইয়ুম।​দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ইউনিটের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালামের পরিচালনায় এবং মহানগর সাহিত্য সাংস্কৃতিক বিভাগীয় সেক্রেটারি মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর উপদেষ্টা এইচ এম নাসির উদ্দিন।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম আব্দুল কাইয়ুম বলেন, "জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের কবি। তাঁর কবিতা ও গান আমাদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়। তরুণ প্রজন্মের মাঝে নজরুলের অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে।"​অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্য এ্যাডভোকেট তমিজউদ্দিন। তিনি জাতীয় কবির সাহিত্যকর্ম ও জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করেন।​এ সময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন  (বিশিষ্ট নাট্য ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব) জাহাঙ্গীর কবির পোকন, ​শিল্পী মনিরুল আলম,​আনিসুজ্জামান, ​আবুল হোসেন সহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।​বক্তারা বলেন, বর্তমান অবক্ষয়মুখী সমাজে নৈতিকতা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে নজরুল চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আলোচনা সভা শেষে কবির জনপ্রিয় কবিতা ও গান পরিবেশনের মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের মুগ্ধ করেন স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা নগর ভবনটি বর্তমানে যেখানে আছে, সেখানেই নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন নগরবাসী। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত তদন্ত সভায় এই জনমত উঠে আসে।তদন্ত সভার প্রেক্ষাপট:পাল্টাপাল্টি আবেদন: বর্তমান স্থানে নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। অন্যদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এটি দক্ষিণ এলাকার ছোট ধর্মপুরে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন।তদন্ত প্রক্রিয়া: এই দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম সরেজমিনে তদন্ত ও নাগরিকদের মতামত গ্রহণের জন্য এই সভার আয়োজন করেন।নাগরিক ও নেতৃবৃন্দের মতামত: সভায় উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা স্পষ্টভাবে জানান, ১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর থেকেই বর্তমান স্থানটি কুমিল্লা পৌরভবন হিসেবে পরিচিত। এটি সরিয়ে নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সভায় উপস্থিত অধিকাংশ ব্যক্তিই বর্তমান স্থানেই ভবন নির্মাণের পক্ষে মত দেন। তবে অল্প কয়েকজন স্থানীয় নেতা ছোট ধর্মপুরে ভবন স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছেন।জরুরি দাবি: সভার বক্তারা দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমানে নগর ভবন নির্মাণের টেন্ডার সিডিউল বিক্রি ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম উপস্থিত সবার বক্তব্য ও মতামত লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন। সভা শেষে তদন্ত কর্মকর্তা প্রস্তাবিত ছোট ধর্মপুর এলাকাটিও পরিদর্শন করেন।

কোন পোস্ট নেই !
কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

কুমিল্লা নগর ভবন স্থানান্তর বিতর্ক: অধিকাংশের মত বর্তমান স্থানেই নির্মাণের পক্ষে

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা নগর ভবনটি বর্তমানে যেখানে আছে, সেখানেই নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন নগরবাসী। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে আয়োজিত তদন্ত সভায় এই জনমত উঠে আসে।তদন্ত সভার প্রেক্ষাপট:পাল্টাপাল্টি আবেদন: বর্তমান স্থানে নতুন ভবন নির্মাণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। অন্যদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এটি দক্ষিণ এলাকার ছোট ধর্মপুরে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন।তদন্ত প্রক্রিয়া: এই দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম সরেজমিনে তদন্ত ও নাগরিকদের মতামত গ্রহণের জন্য এই সভার আয়োজন করেন।নাগরিক ও নেতৃবৃন্দের মতামত: সভায় উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা স্পষ্টভাবে জানান, ১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর থেকেই বর্তমান স্থানটি কুমিল্লা পৌরভবন হিসেবে পরিচিত। এটি সরিয়ে নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সভায় উপস্থিত অধিকাংশ ব্যক্তিই বর্তমান স্থানেই ভবন নির্মাণের পক্ষে মত দেন। তবে অল্প কয়েকজন স্থানীয় নেতা ছোট ধর্মপুরে ভবন স্থানান্তরের পক্ষে মত দিয়েছেন।জরুরি দাবি: সভার বক্তারা দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সংসদ সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমানে নগর ভবন নির্মাণের টেন্ডার সিডিউল বিক্রি ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম উপস্থিত সবার বক্তব্য ও মতামত লিপিবদ্ধ করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন। সভা শেষে তদন্ত কর্মকর্তা প্রস্তাবিত ছোট ধর্মপুর এলাকাটিও পরিদর্শন করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন রেকর্ড: এনসিটি-তে ইতিহাসের সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিং

চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন রেকর্ড: এনসিটি-তে ইতিহাসের সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিং

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) একক মাসে সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে। সদ্য সমাপ্ত মে মাসে টার্মিনালটিতে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৯৬ টিইইউস (TEUs) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।সাফল্যের নেপথ্যে যে পরিসংখ্যানবন্দরের তথ্যমতে, মে মাসে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৮১ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। মোট হ্যান্ডলিংকৃত কনটেইনারের মধ্যে:আমদানিকৃত: ৫৯ হাজার ৮৫১ টিইইউসরপ্তানিকৃত: ৬৬ হাজার ৬৪৫ টিইইউসএর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৩৩ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং ছিল টার্মিনালটির আগের রেকর্ড। সেই রেকর্ড অতিক্রম করে মে মাসে নতুন এই সাফল্য অর্জিত হলো।দক্ষ ব্যবস্থাপনায় গতিশীল এনসিটিবন্দর পরিচালনা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান ‘চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড (সিডিডিএল)’-এর ব্যবস্থাপনায় এনসিটি-তে এই সাফল্যের জোয়ার এসেছে। সিডিডিএল ২০২৫ সালের ৭ জুলাই এনসিটি-র অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে টার্মিনালের কার্যক্রমে অভূতপূর্ব গতি এসেছে।বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাহাজ পয়েন্ট, ডেলিভারি পয়েন্ট, অ্যাপ্রাইজ পয়েন্ট, সিএন্ডএফ শেড এবং গেট ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেওয়ায় কনটেইনার খালাস ও লোডিং কার্যক্রম আগের চেয়ে অনেক দ্রুততর হয়েছে।বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়াচট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ পার্সোনাল অফিসার মো. নাসির উদ্দিন বলেন, “এনসিটিতে একক মাসে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের এই নতুন রেকর্ড দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ ধরনের সাফল্য জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে আরও বেগবান করবে।”বন্দর বিশ্লেষকদের মতে, এই অর্জন দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে এবং সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বন্দর কর্তৃপক্ষের এমন দক্ষ ব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বমানের সক্ষমতার নতুন শিখরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

কুমিল্লায় ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের নিয়ে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় ক্লাবফুট বা ‘মুগুর পা’ আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অভিভাবকদের নিয়ে এক বিশেষ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে নগরীর অর্ক কেয়ার সেন্টার সভা কক্ষে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ প্রকল্পের আওতায় এই ‘প্যারেন্টস গ্রুপ মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউনাইটেড পারপাস-এর বাস্তবায়নে এবং মিরাকেলফিট-এর আর্থিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় প্রধান ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড পারপাস-এর ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সুমিত বণিক। সভার কারিগরি সহযোগিতায় ছিলেন অর্ক কেয়ার সেন্টারের পনসেটি প্র্যাকটিশনার ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. তৌহিদুল ইসলাম।সভায় ১০ জন ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুর মোট ২০ জন অভিভাবক অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ১২ জন নারী এবং ৮ জন পুরুষ ছিলেন। সেশনে শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যাতায়াত সমস্যা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মতো চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।সভার ফ্যাসিলিটেটর সুমিত বণিক অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ক্লাবফুট চিকিৎসায় ‘পনসেটি মেথড’ পুরো বিশ্বেই একটি স্বীকৃত, নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি। আমাদের ফিজিওথেরাপিস্টবৃন্দদ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেই সেবাদান করছেন। সঠিক সময়ে এই চিকিৎসা শুরু করা গেলে ক্লাবফুট আক্রান্ত শিশুরা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা অন্য যেকোনো স্বাভাবিক শিশুর মতোই নিজের পায়ে দাঁড়াতে, দৌড়াতে এবং স্কুলে যেতে পারে। তাই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। তবে এই চিকিৎসায় চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের চেয়েও সবচেয়ে বড় ভূমিকাটি পালন করেন পরিবারের মূল কারিগর—বাবা-মায়েরা।”পনসেটি প্র্যাকটিশনার ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. তৌহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “ক্লাবফুট চিকিৎসার এই দীর্ঘ যাত্রায় শিশুর জন্য পরিবারের সবার ভালোবাসা আর যত্ন হচ্ছে সবচেয়ে বড় ওষুধ। প্লাস্টার খোলার পর সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করানো এবং ব্রেস বা বিশেষ জুতা পরিয়ে রাখার কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় একটু সুস্থতা দেখলে বা শিশুর কান্নাকাটিতে মায়া করে অনেকেই চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে দেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনাদের সামান্য অবহেলা বা অসচেতনতা আদরের শিশুটির সুন্দর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।"সভায় পনসেটি মেথড বা ক্লাবফুট চিকিৎসার ধাপগুলো অভিভাবকদের সহজভাবে বুঝিয়ে বলা হয়। অনেক সময় চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করে দিলে শিশুর পায়ের পাতা পুনরায় বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে—এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের মনে থাকা বিভিন্ন ভুল ধারণা দূর করতে ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে প্রশ্নোত্তর ও অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব পরিচালিত হয়।মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে অভিভাবকরা আক্ষেপ করে জানান, সমাজে ক্লাবফুট নিয়ে এখনো নানা ভুল ধারণা রয়েছে। বিশেষ করে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের প্রায়ই অযথা দোষারোপ ও কটু কথার শিকার হতে হয়। সমাজ থেকে এই নেতিবাচক মানসিকতা দূর করার পাশাপাশি, অভিভাবকগণ সব ধরনের কুসংস্কার পেছনে ফেলে সন্তানের চিকিৎসায় অবিচল থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।পরিশেষে, শিশুদের সুন্দর আগামীর জন্য 'ইউনাইটেড পারপাস'-এর চলমান সহায়তাগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে সভার সমাপ্তি করা হয়। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ক্লাবফুট সমস্যার সমাধান, সঠিক চিকিৎসার প্রসার এবং মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে ‘ওয়াক ফর লাইফ’ প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করছে।

ডাক্তারদের খবর কেউ রাখেনা- এমপি মোহাম্মদ কামাল হোসাইন

​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে 'সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন প্রতিরোধে সেফুরোক্সিম-এর ভূমিকা' শীর্ষক একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার এবং 'ডিএনডি এলাকার স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার' বিষয়ক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি বলেন, "ডাক্তারদের খবর কেউ ঠিকমতো রাখেন না। অথচ আমার নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষার পরেই ছিল স্বাস্থ্যসেবার স্থান। ডিএনডি এলাকার নানাবিধ সমস্যার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ।"তিনি আরও বলেন, ডিএনডি এলাকার গত ২৬ বছরের তথ্য চেয়েছেন এবং এই অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দেন। সংসদ সদস্য আরও যোগ করেন, "আমাদের এডুকেশন এবং হেলথ সেক্টরে কাজ করতে হবে। আপনাদের এই ভালো উদ্যোগের সাথে আমি সবসময় থাকবো এবং সহযোগী হিসেবে আমাকে পাশে পাবেন।"ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর ডাঃ সোহেলুর রহমান। তিনি সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশন প্রতিরোধে 'সেফুরোক্সিম' ওষুধের কার্যকারিতা ও প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির উপদেষ্টা  ডাঃ আলী আশরাফ খান বলেন, সচেতনতা সবার জন্য জরুরি। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান যেন স্বাস্থ্য বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা হয়। একইসাথে তিনি এমপি কামাল হোসেনকে ডিএনডি প্রজেক্ট ও সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় সহায়তা করার অনুরোধ জানান।সেমিনারে ডিএনডি এলাকার স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ রেহনুমা মেহনাজ হোসাইন। তিনি ঢাকা-৪, ৫ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত ডিএনডি এলাকার স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডাঃ এম. এ. সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা সঠিক রেফারেল সিস্টেম চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।মদনপুর বারাকা হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর  ডাঃ আব্দুল মালেক বলেন, উন্নত দেশগুলোর মতো জিপি (GP) সেন্টার সিস্টেম চালু করা দরকার, যেখানে জরুরি রোগীদের রেফার করার আগে সঠিক বোর্ড কনসালটেশন থাকবে। এছাড়া হাসপাতালের সামনে যেন ট্রাফিক জ্যাম না থাকে সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ এলাইড হাসপাতালের এমডি ডা : বদরুদ্দোজা ও ফতুল্লা ডক্টরস ল্যাবের এমডি ডা: মোস্তাফিজুর রহমান। বিপিএল  লিমিটেডের সৌজন্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কোম্পানির ঔষধ 'টারবোক্লাভ' নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র রিজিওনাল সেলস এক্সিকিউটিভ মোঃ সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্ব সঞ্চালনা করেন ডাঃ মোঃ সাজ্জাত উল ইসলাম (দিপু) ও ডাঃ কামরুন নাহার পলি।পরিশেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা: মোহাম্মদ আরশাদ।