ঢাকা   সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

মুছাপুরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অতিথি ফ্যাসিস্ট: এমপি পূত্র আশা'র ফ্যাসিস্ট বিরোধী বক্তব্যে বিব্রত জনগন

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

বাংলার শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকবে মহানগর বিএনপি : এড. টিপু

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকবে মহানগর বিএনপি : এড. টিপু

ডিসি ও এসপিকে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির সম্মাননা

ডিসি ও এসপিকে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির সম্মাননা

​সোনারগাঁওয়ে ২১ কারবারি-সেবী গ্রেফতার

​সোনারগাঁওয়ে ২১ কারবারি-সেবী গ্রেফতার

বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ

বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ

বন্দর নবীগঞ্জে বিকল পানির পাম্প: ৩০ ঘণ্টা ধরে পানির জন্য হাহাকার, লক্ষাধিক মানুষের চরম ভোগান্তি

বন্দর নবীগঞ্জে বিকল পানির পাম্প: ৩০ ঘণ্টা ধরে পানির জন্য হাহাকার, লক্ষাধিক মানুষের চরম ভোগান্তি

জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার

জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার

বন্দরে ড্রেন নির্মাণ নিয়ে বিরোধ!দোকানিকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

বন্দরে ড্রেন নির্মাণ নিয়ে বিরোধ!দোকানিকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

শারদীয় দুর্গোৎসবে নারায়ণগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ড্রোনে নজরদারি

শারদীয় দুর্গোৎসবে নারায়ণগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ড্রোনে নজরদারি

বন্দর মুছাপুরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণদের পছন্দ মাহমুদুল হাসান শুভ

বন্দর মুছাপুরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণদের পছন্দ মাহমুদুল হাসান শুভ

ফি সাবিলিল্লাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ফি সাবিলিল্লাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা হাজীগঞ্জে ‘আহরনী’ পারিবারিক পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকালে হাজীগঞ্জ নবু মিস্ত্রি জামে মসজিদ সংলগ্ন সেলিনা মঞ্জিলে পাঠাগারটির উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআনের ‘পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন’—এই বাণীকে সামনে রেখে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার।সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার বলেন, ‘বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।’ পবিত্র কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা এক নয়। জ্ঞান অর্জনের জন্য সবাইকে পাঠাগারে আসতে হবে। যত বেশি জানা যাবে, তত বেশি শেখা যাবে। তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবও এর অন্যতম কারণ। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জানতে পারে এবং নৈতিকতা অর্জন করতে পারে। আল্লাহকে ভয় করলে অন্যায় থেকে বিরত থাকা সম্ভব। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। সমাজের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পরস্পর বিচ্ছিন্ন না থেকে সবাইকে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজিগঞ্জ নবু মিস্ত্রি জামে মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব ডা. মো. জসিমউদ্দিন, তল্লা সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি আলহাজ্ব মো. কুতুবউদ্দিন শাহীন, আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহীম, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম সরকার, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. রুহুল আমীন টিপু এবং দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি মনির হোসেন সুমন। আহরনী পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক আমির মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ বলেন, জ্ঞান অর্জনের বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে পাঠাগার অন্যতম। জীবনের একটা পর্যায়ে এসে সবার পক্ষে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় গিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না। কিন্তু জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পথে চলতেও জ্ঞান অর্জন জরুরি। তিনি বলেন, ১৯৬৪ সালে তিনি এ ধরনের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং তখনই ‘আহরনী’ নামটি মনোনীত করেছিলেন। তাঁর মতে, প্রত্যেকটি বাড়িতে এমন একটি করে পাঠাগার থাকা প্রয়োজন, যাতে পরিবারের সদস্যরা অবসর সময়ে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া হাজিগঞ্জ মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ ইমরান হুসাইন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘আহরনী’ পারিবারিক পাঠাগারটি এলাকার মানুষের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখবে।

সর্বত্র আল্লাহর দাসত্ব প্রতিষ্ঠাই মানব সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য: মিয়া গোলাম পরওয়ার

আল্লাহর জমিনে তাঁর দ্বীন ও দাসত্ব প্রতিষ্ঠাই মানব সৃষ্টির একমাত্র মূল উদ্দেশ্য। আর এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিটি নেতাকর্মী কাজ করে যাচ্ছে। তারা সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে সমাজে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা অঞ্চল দক্ষিণ কর্তৃক আয়োজিত জেলা ও মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যদের দু’দিনব্যাপী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এ শিক্ষা শিবিরে দূর-দূরান্ত থেকে আসা কর্মপরিষদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, “ইসলাম কেবল একটি ব্যক্তিগত উপাসনার নাম নয়, বরং এটি মানবজীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নের এক সর্বাঙ্গীন পথনির্দেশনা। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে নেতাকর্মীদের কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে নিজেদের জীবন গঠনের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।”কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও ঢাকা অঞ্চল দক্ষিণের পরিচালক সাইফুল আলম খান মিলন এমপি-র পরিচালনায় এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা শিবিরটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।দু’দিনব্যাপী এই শিক্ষা শিবিরে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ ও গবেষণাধর্মী আলোচনা পেশ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এতে বক্তব্য রাখেন ্মাওলানা আব্দুল হালিম — সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, ইজ্জত উল্লাহ, এমপি — কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ড. মাওলানা আব্দুস সামাদ — কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ — কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, আবদুর রব — কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য।শিক্ষা শিবিরে বক্তারা সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে জ্ঞানার্জন, আত্মশুদ্ধি এবং দাওয়াতি কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সব বিভাগের খবর

শ্রীলঙ্কা জামায়াতে ইসলামীর নবম আমীর হলেন অ্যাটর্নি জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ

শ্রীলঙ্কা জামায়াতে ইসলামীর (SLJI) ৯ম আমীর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও ইসলামি চিন্তাবিদ অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল' আশ-শাইখ জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ (নালিমী)। গত শনিবার (২৭ জুন) ক্যান্ডির পোলগোল্লায় অবস্থিত এনআইসিডি (NICD) অডিটোরিয়ামে সংগঠনের ন্যাশনাল মেম্বার কনভেনশন (NMC) ২০২৬-এ আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিদায়ী আমীর উস্তায মোহাম্মদ উসাইর ইসলাহির স্থলাভিষিক্ত হলেন, যিনি ২০১৮ সাল থেকে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন।ব্যক্তিগত ও শিক্ষাজীবন: আকুরানার বাসিন্দা আশ-শাইখ জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ মাতালের জাহিরা কলেজে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৯০ সালে তিনি বিখ্যাত বেরুয়ালার জামিয়্যাহ নালিমিয়্যায় ভর্তি হন এবং ১৯৯৭ সালে আরবি ভাষা ও ইসলামি শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (LL.B.) এবং পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (M.A.) ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশায় (অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল') নিয়োজিত রয়েছেন।সাংগঠনিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা: ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা জামাআতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার পর তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় শূরা, নির্বাহী পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সাল থেকে টানা আট বছর তিনি সংগঠনের সহকারী আমীর (ভাইস প্রেসিডেন্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি সংগঠনটির দাওয়াহ, শিক্ষা, সামাজিক সংস্কার এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে অনন্য অবদান রাখেন।সংগঠনের বাইরেও তিনি অল সিলন জামিয়্যতুল উলামা (ACJU)-এর কেন্দ্রীয় পরিষদ এবং ওয়াক্‌ফ বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে ২০১৭–২০১৮ সালে আকুরানা মসজিদ ফেডারেশন ও জামিয়্যতুল উলামার যৌথ উদ্যোগে গঠিত শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে তিনি সাংগঠনিক নেতৃত্বের সমসাময়িক অভিজ্ঞতায় নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।সংগঠনের অঙ্গীকার: ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীলঙ্কা জামাআতে ইসলামী দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক সেবায় কাজ করে আসছে। নতুন আমীর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি শ্রীলঙ্কায় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতীয় ঐক্য এবং সকল সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাদের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ

বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের বন্দর শাহী মসজিদ এলাকায় বন্দর ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিক উল্লাহর পতদত্যাগে দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে বিক্ষুব্ধ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।দুর্নীতি অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ উত্থ্যাপন করে ১৮ অক্টোবর রোববার দুপুরে ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে তারা এসব কর্মসূচী পালন করে।এ সংক্রান্তে মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বৈঠকের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ছাত্ররা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি নিয়ে আন্দোলন করে।ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অভিভাকদের অনেকেই গণমাধ্যমকর্মীদেরকে জানান, অধ্যক্ষ শেখ মুহাম্মদ আতিকউল্লাহ রুক্ষ মেজাজী। সে কোন অভিভাবকের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করেন না। শিক্ষার্থীদের ভর্তির নামে সে অভিভাবকদের সঙ্গে জুলুম করেন। গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে তিনি শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর মতো জগণ্য কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাকে অনতিবিলম্বে অপসারন না করা হলে আমরা আমাদের সন্তানদেরকে অন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করতে বাধ্য হবো।

একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি- মুহাম্মদ জামাল হোসাইন

একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি- মুহাম্মদ জামাল হোসাইন

শিক্ষার মানোন্নয়ন, নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারের প্রত্যয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের দারুল আরকাম একাডেমির চতুর্থ বার্ষিকী পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।​শনিবার (১৭ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বটতলা এলাকায় একাডেমি প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ, নারায়ণগঞ্জ ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী, উন্নয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্য সচিব মোহাম্মদ জামাল হোসাইন।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, “বর্তমান সময়ে কেবল সাধারণ একাডেমিক শিক্ষাই যথেষ্ট নয়, বরং এর পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার মানোন্নয়ন, নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।​আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক বোরহান উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দারুল আরকাম একাডেমির অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি ইমাম হোসাইনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিভাবকবৃন্দ।​আলোচনা সভা শেষে একাডেমির বার্ষিক চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

৫ মাসব্যাপী হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৫ মাসব্যাপী হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মেহরাবের ইমামরা যেদিন সমাজেরও নেতৃত্ব দেবেন, সেদিন সমাজ থেকে ঘুষ, দুর্নীতি চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, খুন, রাহাজানি, গুম সবকিছুই নিশ্চিহ্ন হবে, ইনশাআল্লাহ: ডা. শফিকুর রহমান এমপিনগর উন্নয়ন ফোরামের  উদ্যোগে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতায় ৫ মাসব্যাপী আয়োজিত ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬’ এর গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।পাঁচ মাসব্যাপী এ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট আলেম-ওলামা, হাফেজে কুরআন, প্রতিযোগী ও তাঁদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র কুরআনের হিফজ চর্চায় উৎসাহ প্রদান, হাফেজে কুরআনদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং কুরআনের শিক্ষা ও আদর্শ সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে কুরআন মুখস্থ করা, শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা এবং কুরআন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।প্রতিযোগিতার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, বিজয়ীদের মধ্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ, ল্যাপটপ, সাইকেল ও অর্ধ কোটি নগদ অর্থসহ বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করা হয়। চূড়ান্ত মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে পাঁচ মাসব্যাপী এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এমপি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ধরনের বিরল আয়োজন আগে কোথাও হয়নি। এ আয়োজন বাস্তবায়নে নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।তিনি বলেন, এই কুরআন যাঁদের বুকের মধ্যে ধারণ করার শক্তি দিয়েছেন, তাঁরা যেন কুরআনের শিক্ষাকে সমাজে বাস্তবায়নের জন্য নেতৃত্ব দিতে পারেন। আমরা মেহরাব থেকে নেতৃত্বের আসনে আপনাদের দেখতে চাই।ছোটখাটো মত ভিন্নতা দূরে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কুরআন ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহর আলোকে সমাজ গঠনে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।প্রতিযোগিতায় ১০ পারায় প্রথম স্থান অর্জনকারী ছোট্ট রিদওয়ান বিন আলীকে অভিনন্দন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেন, তাঁর বাবা, মা ও উস্তাদকে আমার পক্ষ থেকে ওমরাহ করানো হবে, ইনশাআল্লাহ।এ সময় ঢাকা মহানগরী উত্তরের জনপদের জন্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে আল্লাহ যেন কবুল করেন এবং তাঁকে সেই তাওফিক দান করেন এ দোয়া করেন তিনি।সভাপতির বক্তব্যে নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, আমরা পুরস্কার দেওয়ার আর নেওয়ার জন্য আজ এখানে আসিনি। আমরা এসেছি কুরআনের আলোয় সমাজকে আলোকিত করতে এবং সমাজে কুরআনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করতে।তিনি বলেন, হাফেজে কুরআনরা কুরআনকে ধারণ করে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দাঈ ইলাল্লাহর দায়িত্ব পালন করবেন এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। মতামতের ক্ষেত্রে বিভেদ থাকলেও পবিত্র কুরআনের প্রশ্নে সবাই এক ও অভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর কুরআন প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এর আগে স্বাগত বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন পাঁচ মাসব্যাপী এ আয়োজন সফল করতে যাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁদের প্রচেষ্টা মহান আল্লাহ কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন এ দোয়াও করেন তিনি।তিনি বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান শুধু পুরস্কার বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পবিত্র কুরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, কুরআনের শিক্ষা ও আদর্শকে ধারণ এবং সমাজে তা প্রতিষ্ঠার এক মহতী আয়োজন।সেলিম উদ্দিন আরও বলেন, পাঁচ মাসব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় আট শতাধিক কওমি ও আলিয়া মাদরাসার লক্ষাধিক হাফেজ অংশগ্রহণ করেছেন। কওমি, আলিয়া কিংবা অন্য কোনো নেসাব ও পরিচয়ের ভিন্নতা থাকলেও পবিত্র কুরআনের প্রশ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ। কুরআনের শিক্ষা ও আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে প্রতিষ্ঠা করে একটি আদর্শভিত্তিক, ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। পবিত্র আল কুরআন সমগ্র মুসলিম জাতির জীবনবিধান উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর হাজার হাজার হাফেজে কুরআন তৈরি হচ্ছেন। আলহামদুলিল্লাহ।নগর উন্নয়ন ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মূসা বলেন, এ ঐতিহাসিক কুরআনের সমাবেশ থেকে তাঁরা আগামী দিনে বাংলাদেশকে কুরআনের বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রে কুরআনের জীবনবিধান প্রতিষ্ঠার কথাও বলেন তিনি।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুফতি আলী হাসান ওসামা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আজকের আয়োজন যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, দেশে হাফেজ ও আলেমদের কদর বাড়ছে। এ প্রতিযোগিতার আয়োজক ও পৃষ্ঠপোষক নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।মুফতি আলী হাসান ওসামা আরও বলেন, এ আয়োজনের সার্থকতা তখনই আসবে, যখন ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব, জাতীয় মসজিদের নেতৃত্বসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বে হাফেজ ও আলেমরা দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শায়েখ হাফেজ আব্দুল হক বলেন, বাংলাদেশে অনেক প্রতিযোগিতার আয়োজন হলেও নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের উদ্যোগে পাঁচ মাসব্যাপী এ কুরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য তিনি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য যায়নুল আবেদিন বলেন, যাঁরা কুরআনকে জানেন, কুরআনকে মানেন এবং কুরআনের সব হুকুম-আহকাম মেনে চলেন, তাঁদের সম্মানিত করতে হবে। এই সমাজকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে, ইনশাআল্লাহ।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কুরআনকে যাঁরা সংরক্ষণ করেন, তাঁদের নিয়ে দীর্ঘ পাঁচ মাসব্যাপী কুরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ আয়োজন নতুন একটি সূচনা সৃষ্টি করেছে।তিনি এ আয়োজনের পৃষ্ঠপোষক নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত কেউ আল-কুরআনকে মুছে ফেলতে পারবে না। এটি মহান আল্লাহর বাণী এবং তিনিই এর সংরক্ষক।কুরআনের শিক্ষার আলোকে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কুরআনের শিক্ষা সমাজে প্রতিষ্ঠার জন্য হাফেজদের প্রস্তুত করতে হবে। ভবিষ্যতে আলেমরা রাষ্ট্রের নেতৃত্বে ভূমিকা রাখবেন উল্লেখ করে তিনি এ আয়োজনের বার্তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, আজকের দিনটি তাঁর জীবনের একটি ঐতিহাসিক দিন। তাঁর জানামতে, এ ধরনের বৃহৎ কুরআনভিত্তিক আয়োজন কোনো সরকারও করতে পারেনি। এ অনুষ্ঠানে কওমি ও আলিয়া মাদরাসার আলেম-ওলামা এবং পীর-মাশায়েখদের অংশগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি দেশের সর্বত্র ইসলামের সঠিক দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বক্তারা পবিত্র কুরআনের শিক্ষা ও আদর্শ ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়ন, হাফেজে কুরআনদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং কুরআনভিত্তিক নৈতিক ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।নগর উন্নয়ন ফোরামের সদস্য সচিব,ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম এবং হাফেজ খালিদ সাইফুল্লাহ বকসির সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা যায়নুল আবেদিন, হুফফাতুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শায়েখ হাফেজ আব্দুল হক, ঢাকা মহানগরীর উত্তর জামায়াতের  নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান  মূসা, কর্নেল( অব.) আব্দুল বাতেন এমপি , বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি আলী হাসান উসামা, উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা.ফখরুদ্দিন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত প্রমুখ।গত ১৬ জুলাই শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় ঢাকার ৮০০টি মাদরাসার প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতাটি পবিত্র কুরআনের ১০, ২০ ও ৩০ পারা  এই তিনটি পৃথক ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী তিনজন করে মোট ৯ জন সহ টোটাল ২৪৩ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী নির্বাচিত করে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকবে মহানগর বিএনপি : এড. টিপু

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকবে মহানগর বিএনপি : এড. টিপু

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু।‎‎তিনি বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। ৫ আগস্টের পর তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, নারায়ণগঞ্জে যেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর কোনো নির্যাতন না হয় এবং ব্যবসায়ীরা যেন কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হন। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় এবারও দুর্গাপূজায় তাঁদের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা অতীতেও পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত আপনাদের পাশে আছি।”‎‎রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শারদীয় দুর্গোৎসবের সপ্তমীতে নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।‎‎এড. টিপু আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। এখানে মুসলমানদের কবরস্থান, হিন্দুদের শ্মশান ও খ্রিস্টানদের গোরস্থান রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্যও একটি সমাধিস্থল নির্মাণের উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।‎‎তিনি বলেন, “আমরা হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ—সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করতে চাই। পরস্পরের হাতে হাত রেখে প্রত্যেকের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে চাই। ধর্ম যার যার, সম্প্রীতি সবার এই চেতনাকে ধারণ করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।”‎‎তিনি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আনন্দঘন সময়ে সবাইকে অন্যায়, অত্যাচার ও অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সম্মিলিতভাবে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষের মুখে হাসি ফুটবে এবং সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।‎‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ- ৫ আসনের সংসদ সদস্য এড. আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখণ সরকার শিপন, সহসভাপতি তিলোত্তমা দাস, ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম আপন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর বেপারীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার

জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা হাজীগঞ্জে ‘আহরনী’ পারিবারিক পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকালে হাজীগঞ্জ নবু মিস্ত্রি জামে মসজিদ সংলগ্ন সেলিনা মঞ্জিলে পাঠাগারটির উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআনের ‘পড়ো তোমার রবের নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন’—এই বাণীকে সামনে রেখে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার।সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার বলেন, ‘বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।’ পবিত্র কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা এক নয়। জ্ঞান অর্জনের জন্য সবাইকে পাঠাগারে আসতে হবে। যত বেশি জানা যাবে, তত বেশি শেখা যাবে। তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবও এর অন্যতম কারণ। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে জানতে পারে এবং নৈতিকতা অর্জন করতে পারে। আল্লাহকে ভয় করলে অন্যায় থেকে বিরত থাকা সম্ভব। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। সমাজের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, পরস্পর বিচ্ছিন্ন না থেকে সবাইকে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজিগঞ্জ নবু মিস্ত্রি জামে মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব ডা. মো. জসিমউদ্দিন, তল্লা সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি আলহাজ্ব মো. কুতুবউদ্দিন শাহীন, আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহীম, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম সরকার, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. রুহুল আমীন টিপু এবং দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি মনির হোসেন সুমন। আহরনী পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক আমির মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ বলেন, জ্ঞান অর্জনের বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে পাঠাগার অন্যতম। জীবনের একটা পর্যায়ে এসে সবার পক্ষে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় গিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না। কিন্তু জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন কখনো শেষ হয় না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দেখানো পথে চলতেও জ্ঞান অর্জন জরুরি। তিনি বলেন, ১৯৬৪ সালে তিনি এ ধরনের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং তখনই ‘আহরনী’ নামটি মনোনীত করেছিলেন। তাঁর মতে, প্রত্যেকটি বাড়িতে এমন একটি করে পাঠাগার থাকা প্রয়োজন, যাতে পরিবারের সদস্যরা অবসর সময়ে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়া হুসাইনিয়া আরাবিয়া হাজিগঞ্জ মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ ইমরান হুসাইন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘আহরনী’ পারিবারিক পাঠাগারটি এলাকার মানুষের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখবে।

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকল্পটির প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় প্রকল্পের কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পটি প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি এর কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত হন।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বৃহৎ পরিসরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গবেষকেরা।বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জ্বালানির বিকল্প উৎস তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নির্ধারণে উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, প্রযুক্তির দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়-সাশ্রয়ের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব সানেশ্বরের আবু বকর ছিদ্দিক ওরফে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন তুহিন ফরাজী। প্রতিষ্ঠার পর তিনি কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্ধারিত ছয় মাসের মেয়াদজুড়েও তিনি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তীতে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।একই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুহিন ফরাজী তার অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

শারদীয় দুর্গোৎসবে নারায়ণগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ড্রোনে নজরদারি

শারদীয় দুর্গোৎসবে নারায়ণগঞ্জে কড়া নিরাপত্তা, ড্রোনে নজরদারি

শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা জুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১। জেলায় অবস্থিত ২১৯টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৯৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। মণ্ডপগুলোতে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক নিরাপত্তা ফ্রেমওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে।শনিবার (১৭ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের ঐতিহাসিক রামকৃষ্ণ মিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।তিনি জানান, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাতটি জেলায় মোট ১ হাজার ৯৫০টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ২১৯টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। উৎসবকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স, কুইক রেসপন্স টিম, সার্বক্ষণিক কো-অর্ডিনেশন সেল এবং বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকবে মহানগর বিএনপি : এড. টিপু

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকবে মহানগর বিএনপি : এড. টিপু

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু।‎‎তিনি বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। ৫ আগস্টের পর তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, নারায়ণগঞ্জে যেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর কোনো নির্যাতন না হয় এবং ব্যবসায়ীরা যেন কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হন। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় এবারও দুর্গাপূজায় তাঁদের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা অতীতেও পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত আপনাদের পাশে আছি।”‎‎রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শারদীয় দুর্গোৎসবের সপ্তমীতে নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।‎‎এড. টিপু আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। এখানে মুসলমানদের কবরস্থান, হিন্দুদের শ্মশান ও খ্রিস্টানদের গোরস্থান রয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্যও একটি সমাধিস্থল নির্মাণের উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।‎‎তিনি বলেন, “আমরা হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ—সবাই মিলে একসঙ্গে বসবাস করতে চাই। পরস্পরের হাতে হাত রেখে প্রত্যেকের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে চাই। ধর্ম যার যার, সম্প্রীতি সবার এই চেতনাকে ধারণ করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।”‎‎তিনি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আনন্দঘন সময়ে সবাইকে অন্যায়, অত্যাচার ও অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সম্মিলিতভাবে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষের মুখে হাসি ফুটবে এবং সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।‎‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ- ৫ আসনের সংসদ সদস্য এড. আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখণ সরকার শিপন, সহসভাপতি তিলোত্তমা দাস, ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম আপন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর বেপারীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত

তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত

 ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তুরস্কের পার্লামেন্টের মাননীয় স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাননীয় স্পিকারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তুরস্ক পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব আকিফ ইলমাজ এমপি প্রমুখ।বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা, রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।বৈঠকে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট এবং এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন।রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য তিনি তুরস্কের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় তুরস্কের মহামান্য প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা।বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান এমপি।বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সংসদীয়, শিক্ষাগত, প্রযুক্তিগত, শিল্প-সাহিত্য এবং মানবিক কার্যক্রম পিপল টু পিপল সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।উভয়পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাফিজুর রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

বিএনপি নেতা মেজবাহ উদ্দিন স্বপনকে দেখতে ঢাকা ছুটে গেলেন- আবুল কাউছার আশা

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও বন্দর থানা বিএনপি নেতা মেজবাহ উদ্দিন স্বপনকে দেখতে ছুটে গেলেন আবুল কাউছার আশা।গত ১১ অক্টোবর এশার নামাজ পড়ার পরে বন্দর দড়ি সোনাকান্দা নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ব্রেন স্ট্রোক করেন তিনি  পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।বুধবার ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার পদ্মা হসপিটালে ছুটে গেলেন নারায়ন গঞ্জ ৫ আসনের এমপির রাজনৈতিক সচিব ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশা। এ সময় আশা বলেন  চিকিৎসা সেবায় যে কোন প্রয়োজনে আমার বাবা এমপি আবুল কালাম সাহেব আপনার পাশে রয়েছে এবং থাকবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি। হাসপাতালে এ সময় তার সাথে ছিলেন।নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমেদ, আহবায়ক কমিটির সদস্য আওলাদ হোসেন, নাসিক ২০নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ, ২১নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর হান্নান সরকার, ২২নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহম্মেদ ও মহানগর বিএনপি নেতা সুজন মাহমুদসহ নেতৃবৃন্দগন।

নাসিক ১২ নং ওয়ার্ডে মাওলানা আবদুল জব্বারের মশা নিধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১২ নম্বর ওয়ার্ডের খানপুর পোলস্টার ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে মশা নিধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাদ আসর আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, "ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে কেবল ওষুধ ছিটানোই যথেষ্ট নয়, মশা নিধনের পাশাপাশি আমাদের প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, ডোবা-নালা ও জমা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি না হতে পারে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম।​এছাড়াও উক্ত কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ও স্থানীয় ১২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ডোবা-নালা পরিচ্ছন্নকরণসহ মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।

দেশে শুধু মশার উপদ্রবই নয়, বরং চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিও বেড়ে গেছে- আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১৫ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে মশা নিধন কর্মসূচি ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।​সোমবার (১২ অক্টোবর) বাদ আসর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটানো এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিষেধক হোমিও ওষুধ বিতরণ করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র প্রার্থী  মাওলানা আবদুল জব্বার। বক্তব্যে তিনি সরকারের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বৈষম্য তুলে ধরে বলেন, "সরকার নানান পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো মিল পাওয়া যায় না।" পাশাপাশি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে দেশে শুধু মশার উপদ্রবই নয়, বরং চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।"​উক্ত কর্মসূচী ও সংক্ষিপ্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন। এছাড়া জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ৩,৭০০ ডেঙ্গু টেস্ট কিট হস্তান্তর জেলা প্রশাসনের

নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৩,৭০০-এর বেশি ডেঙ্গু টেস্ট কিট প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১২ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের খানপুরস্থ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট এই টেস্ট কিট হস্তান্তর করা হয়।​সম্প্রতি জেলাজুড়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতির সার্বিক তদারকি ও চিকিৎসাসেবা সহজতর করার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হস্তান্তরিত এই কিটগুলোর মাধ্যমে হাসপাতালে আসা রোগীদের দ্রুত ডেঙ্গু শনাক্তকরণ সম্ভব হবে, যা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। হাসপাতালের রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা বজায় রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরণের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।​একই সাথে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকার এবং নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।