ঢাকা   সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

মুছাপুরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অতিথি ফ্যাসিস্ট: এমপি পূত্র আশা'র ফ্যাসিস্ট বিরোধী বক্তব্যে বিব্রত জনগন

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

বাংলার শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

আদালতের রায়ে একতা সুপার মার্কেটের আগের পরিচালনা কমিটির বহাল: দখলদার চক্রের আবেদন ফের খারিজ

আদালতের রায়ে একতা সুপার মার্কেটের আগের পরিচালনা কমিটির বহাল: দখলদার চক্রের আবেদন ফের খারিজ

বন্দরে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র নামে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র উধাও

বন্দরে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র নামে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র উধাও

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

নাসিক'র নামে ভুয়া নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে

নাসিক'র নামে ভুয়া নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে

মোফাজ্জল আনোয়ারের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার, স্থপদে বহাল

মোফাজ্জল আনোয়ারের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার, স্থপদে বহাল

৫ম বারের মতো নারায়ণগঞ্জের জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন ​

৫ম বারের মতো নারায়ণগঞ্জের জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন ​

বন্দরে উদ্বোধনের আগেই ১৬ লাখ টাকার শৌচাগার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

বন্দরে উদ্বোধনের আগেই ১৬ লাখ টাকার শৌচাগার গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

নাসিক ৫ নং ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের গণসংযোগ

নাসিক ৫ নং ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের গণসংযোগ

ফতুল্লায় পাওয়া টাকা চাওয়ায় গৃহবধুকে হত্যা,টাকা-স্বর্নালংকার লুট

ফতুল্লায় পাওয়া টাকা চাওয়ায় গৃহবধুকে হত্যা,টাকা-স্বর্নালংকার লুট

সোনারগাঁয়ে ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা সম্পন্ন

বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও দেশীয় কারুশিল্পের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আট দিনব্যাপী লালন কারুমেলা’ শেষ হয়েছে। মরমী সাধক লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে গত ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এ আয়োজন গত ২৪ অক্টোবর সম্পন্ন হয়। ​মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ জন খ্যাতনামা কারুশিল্পী তাঁদের তৈরি ঐতিহ্যবাহী পণ্য নিয়ে অংশ নেন। মেলার স্টলগুলোতে নকশিকাঁথা, কাঠের রঙিন হাতি-ঘোড়া ও পুতুল, দারুশিল্প, হাতপাখা, বেতশিল্প, মাটির গহনা, ঝিনুকের কাজ, শতরঞ্জি, মণিপুরি তাঁত, কুমিল্লার খাদি, একতারা ও তাঁতবস্ত্র প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। এতে বাংলার গ্রামীণ জীবন ও বৈচিত্র্যময় শিল্পরীতির বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে। মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল কারুশিল্পীদের সরাসরি শিল্পকর্ম তৈরির লাইভ প্রদর্শনী।​বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, হারিয়ে যেতে বসা ও বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন এবং কারুশিল্পীদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ​অংশগ্রহণকারী কারুশিল্পীরা এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, সরাসরি ক্রেতাদের কাছে নিজেদের শিল্পকর্ম পৌঁছানোর সুযোগ তাঁদের উৎসাহিত করেছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এ ধরনের নিয়মিত আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বন্দরে সাবেক এমপি সেলিম ওসমানের 'খলিফা' আলী হোসেন প্রকাশ্যে, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিগত আওয়ামী সরকারঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী সন্ত্রাসী সেলিম ওসমানের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত বন্দর মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলী হোসেন এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।​ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরও সেলিম ওসমানের অনুসারী আলী হোসেন বহাল তবিয়তে এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে জোর দৌড়ঝাঁপ ও তৎপরতা চালাচ্ছেন।​এ বিষয়ে শাসনের বাগ এলাকার বাসিন্দা শহিদুর রহমান (সোহরাব) ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সেলিম ওসমানের ক্ষমতার ছায়াতলে থেকে আলী হোসেন এবং তার ছেলে এলাকায় চরম অত্যাচার-পীড়ন চালিয়েছেন। তাদের দাপটে সাধারণ ও নিরীহ মানুষ এলাকায় টিকে থাকতে পারত না। কথায় কথায় মিথ্যা মামলা ও হামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে চরম হয়রানি ও নির্যাতন করা হতো বলে তিনি দাবি করেন।​২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সারা দেশে পরিবর্তন এলেও স্থানীয় বাস্তবতা নিয়ে আক্ষেপ ব্যক্ত করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বলেন, "২৪-এর গণঅভ্যুত্থান হয়ে সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো, যদি আওয়ামী শাসনের অন্যতম দোসর ও সন্ত্রাসীরা এখনো এভাবে প্রকাশ্যে দাপিয়ে বেড়ায়!"​এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলী হোসেনের মতামত জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল অনতিবিলম্বে বিগত শাসনের জুলুম-নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

সব বিভাগের খবর

শ্রীলঙ্কা জামায়াতে ইসলামীর নবম আমীর হলেন অ্যাটর্নি জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ

শ্রীলঙ্কা জামায়াতে ইসলামীর (SLJI) ৯ম আমীর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও ইসলামি চিন্তাবিদ অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল' আশ-শাইখ জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ (নালিমী)। গত শনিবার (২৭ জুন) ক্যান্ডির পোলগোল্লায় অবস্থিত এনআইসিডি (NICD) অডিটোরিয়ামে সংগঠনের ন্যাশনাল মেম্বার কনভেনশন (NMC) ২০২৬-এ আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিদায়ী আমীর উস্তায মোহাম্মদ উসাইর ইসলাহির স্থলাভিষিক্ত হলেন, যিনি ২০১৮ সাল থেকে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন।ব্যক্তিগত ও শিক্ষাজীবন: আকুরানার বাসিন্দা আশ-শাইখ জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ মাতালের জাহিরা কলেজে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৯০ সালে তিনি বিখ্যাত বেরুয়ালার জামিয়্যাহ নালিমিয়্যায় ভর্তি হন এবং ১৯৯৭ সালে আরবি ভাষা ও ইসলামি শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (LL.B.) এবং পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (M.A.) ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশায় (অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল') নিয়োজিত রয়েছেন।সাংগঠনিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা: ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা জামাআতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার পর তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় শূরা, নির্বাহী পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সাল থেকে টানা আট বছর তিনি সংগঠনের সহকারী আমীর (ভাইস প্রেসিডেন্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি সংগঠনটির দাওয়াহ, শিক্ষা, সামাজিক সংস্কার এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে অনন্য অবদান রাখেন।সংগঠনের বাইরেও তিনি অল সিলন জামিয়্যতুল উলামা (ACJU)-এর কেন্দ্রীয় পরিষদ এবং ওয়াক্‌ফ বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে ২০১৭–২০১৮ সালে আকুরানা মসজিদ ফেডারেশন ও জামিয়্যতুল উলামার যৌথ উদ্যোগে গঠিত শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে তিনি সাংগঠনিক নেতৃত্বের সমসাময়িক অভিজ্ঞতায় নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।সংগঠনের অঙ্গীকার: ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীলঙ্কা জামাআতে ইসলামী দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক সেবায় কাজ করে আসছে। নতুন আমীর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি শ্রীলঙ্কায় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতীয় ঐক্য এবং সকল সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাদের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার (এলটি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ অর্জনে বিদ্যালয় পরিবার, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে।বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রকাশিত চিঠির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাতজন স্কাউটারকে লিডার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মাহমুদুর রহমান রয়েছেন। তিনি টেকনাফ উপজেলার পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।মাহমুদুর রহমান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালীর সম্ভ্রান্ত পরিবারের মরহুম মাস্টার হাবিবুর রহমানের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে আসছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ বিকাশেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার হিসেবে তাঁর এ দায়িত্বপ্রাপ্তি স্কাউট আন্দোলনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। তাঁর অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠা স্কাউট প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে মাহমুদুর রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর এ অর্জন বিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও স্কাউটিং কার্যক্রমে আরও সাফল্য কামনা করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, লিডার ট্রেইনার হিসেবে মাহমুদুর রহমানের নতুন দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে।অভিনন্দন ও শুভকামনা—মাহমুদুর রহমানের এ অর্জন টেকনাফের শিক্ষা ও স্কাউটিং অঙ্গনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক।

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

টেকনাফের মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার নির্বাচিত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার (এলটি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এ অর্জনে বিদ্যালয় পরিবার, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে।বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রকাশিত চিঠির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাতজন স্কাউটারকে লিডার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মাহমুদুর রহমান রয়েছেন। তিনি টেকনাফ উপজেলার পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।মাহমুদুর রহমান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালীর সম্ভ্রান্ত পরিবারের মরহুম মাস্টার হাবিবুর রহমানের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে আসছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ বিকাশেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার হিসেবে তাঁর এ দায়িত্বপ্রাপ্তি স্কাউট আন্দোলনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। তাঁর অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠা স্কাউট প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে মাহমুদুর রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর এ অর্জন বিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও স্কাউটিং কার্যক্রমে আরও সাফল্য কামনা করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, লিডার ট্রেইনার হিসেবে মাহমুদুর রহমানের নতুন দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে।অভিনন্দন ও শুভকামনা—মাহমুদুর রহমানের এ অর্জন টেকনাফের শিক্ষা ও স্কাউটিং অঙ্গনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ভালো অবস্থানে যাবে, তাদের সফলতা কামনা করি: সজল

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ভালো অবস্থানে যাবে, তাদের সফলতা কামনা করি: সজল

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল বলেছেন, ইসলামিক চিন্তাধারা ও আদর্শকে ধারণ করে এ এলাকায় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখান থেকে ভালো ভালো শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে ভালো অবস্থানে যাবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।আমি তাদের সফলতা কামনা করি। যারা মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছেন, তাদের প্রতিও আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানাই। ভবিষ্যতে মাদ্রাসার কার্যক্রমে কখনো আমার সহযোগিতার প্রয়োজন হলে ইনশাআল্লাহ, আমি পাশে থাকব।‎‎বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তল্লা রেললাইন এলাকায় মাদ্রাসায়ে নূরে মদীনা কেরাতুল কোরআন ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দি উপলক্ষে ষষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।‎‎মনিরুল ইসলাম সজল বলেন, ইসলামিক চিন্তাবিদ ও আলেমরা তাঁদের বক্তব্যে ইসলামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। তাঁদের আলোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি সমাজে ভালো কাজ করতে হবে, মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে এবং মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়ার মতো কাজ করতে হবে।‎‎নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।‎‎তিনি আরও বলেন, বিএনপির ইসলামকে ভালোবেসেছেন এবং ইসলামের জন্য কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ইসলামকে ভালোবাসেন। তিনি বলেছেন, ইসলামবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড হতে দেওয়া হবে না। ইসলাম কিংবা ইসলামের মূলধারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন কোনো কাজ করা হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।‎‎বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সজল বলেন, দলের কেউ কোনো খারাপ কাজ করলে তা তুলে ধরতে হবে, যাতে দল নিজেদের ভুল সংশোধন করতে পারে। দেশের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করতে চান উল্লেখ করে তিনি তাঁর জন্য দোয়া কামনা করেন, যেন তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারেন।যেখানে সব ধর্ম ও মতের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে মিলেমিশে বসবাস করতে পারবেন।‎‎তল্লার বিশিষ্ট সমাজসেবক শমসের আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন রিপন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফয়সাল আহমেদ, মাদ্রাসায়ে নূরে মদীনা কেরাতুল কোরআন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হযরত মাওলানা মাহমুদুল হাসান শামীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বন্দরে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র নামে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র উধাও

বন্দরে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র নামে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র উধাও

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম হাজীপুর এলাকা থেকে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।২৫ অক্টোবর রবিবার চক্রটির মূলহোতা অফিস গুটিয়ে লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার শতাধিক সহজ-সরল মানুষ।​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র পরিচয়ে একটি প্রতারক চক্র পশ্চিম হাজীপুর এলাকার সেতু নামের এক নারীর বাড়িতে আস্তানা গেড়ে বসে। পরে এলাকার সাধারণ নারীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন লোভনীয় ঋণ ও সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ সদস্যের একটি দল গঠন করা হয় এবং সেতুকেই সেই দলের নেত্রী বানানো হয়।​এরপর থেকে শুরু হয় সুকৌশলে ফরম পূরণ ও কিস্তি তোলার কাজ। এভাবে পশ্চিম হাজীপুর ছাড়াও কল্যাণ্দী, নবীগঞ্জ, আলীরটেক, সাপের চর, ডিগ্রির চর ও কাঠপট্টিসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে ফরম পূরণের ও কিস্তির নামে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। পরবর্তীতে হঠাৎ করেই টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় প্রতারকরা।​অনুসন্ধানে জানা যায়, এই প্রতারক চক্রের মূল হোতা ও প্রধান ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন আব্দুল্লাহ আল-মামুন। তাঁর ব্যবহৃত ভিজিটিং কার্ডে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’ (নম্বর: M.R.ANO001420012600680) এবং ‘জাতীয় শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ মূলক সংস্থা’ (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত) লেখা ছিল। ভিজিটিং কার্ডে অফিসের বর্তমান ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল— চর শিবপুর (কাঠপট্টি), সদর, নারায়ণগঞ্জ।​ভুক্তভোগী গ্রাহকরা পরে ওই ঠিকানায় গিয়ে দেখতে পান, অফিসটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। প্রতারণার শিকার অসহায় গ্রাহকরা এখন সর্বস্ব হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।​এদিকে, প্রতারক চক্রের মূল হোতা আব্দুল্লাহ আল-মামুনসহ জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তাদের সন্ধান বা ধরিয়ে দিতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সোনারগাঁয়ে ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা সম্পন্ন

সোনারগাঁয়ে ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা সম্পন্ন

বাংলার লোকজ ঐতিহ্য ও দেশীয় কারুশিল্পের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আট দিনব্যাপী লালন কারুমেলা’ শেষ হয়েছে। মরমী সাধক লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে গত ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এ আয়োজন গত ২৪ অক্টোবর সম্পন্ন হয়। ​মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ জন খ্যাতনামা কারুশিল্পী তাঁদের তৈরি ঐতিহ্যবাহী পণ্য নিয়ে অংশ নেন। মেলার স্টলগুলোতে নকশিকাঁথা, কাঠের রঙিন হাতি-ঘোড়া ও পুতুল, দারুশিল্প, হাতপাখা, বেতশিল্প, মাটির গহনা, ঝিনুকের কাজ, শতরঞ্জি, মণিপুরি তাঁত, কুমিল্লার খাদি, একতারা ও তাঁতবস্ত্র প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। এতে বাংলার গ্রামীণ জীবন ও বৈচিত্র্যময় শিল্পরীতির বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে। মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল কারুশিল্পীদের সরাসরি শিল্পকর্ম তৈরির লাইভ প্রদর্শনী।​বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, হারিয়ে যেতে বসা ও বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন এবং কারুশিল্পীদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ​অংশগ্রহণকারী কারুশিল্পীরা এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, সরাসরি ক্রেতাদের কাছে নিজেদের শিল্পকর্ম পৌঁছানোর সুযোগ তাঁদের উৎসাহিত করেছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এ ধরনের নিয়মিত আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকল্পটির প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় প্রকল্পের কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পটি প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি এর কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত হন।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বৃহৎ পরিসরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গবেষকেরা।বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জ্বালানির বিকল্প উৎস তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নির্ধারণে উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, প্রযুক্তির দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়-সাশ্রয়ের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব সানেশ্বরের আবু বকর ছিদ্দিক ওরফে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন তুহিন ফরাজী। প্রতিষ্ঠার পর তিনি কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্ধারিত ছয় মাসের মেয়াদজুড়েও তিনি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তীতে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।একই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুহিন ফরাজী তার অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরের ভালোবাসায় সিক্ত নার্গিস মাকসুদ ও তার পরিবার

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরের ভালোবাসায় সিক্ত নার্গিস মাকসুদ ও তার পরিবার

ভাষাহীন আবেগ যে কোনো বাধার তোয়াক্কা করে না, তার এক অনন্য ও হৃদয়স্পর্শী প্রমাণ মিললো নারায়ণগঞ্জ বন্দরে। বিশিষ্ট সমাজসেবিকা ও মাতৃছায়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নার্গিস মাকসুদ এবং বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের প্রতি এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরের বিরল ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরটি মুখে কোনো কথা বলতে না পারলেও তার আন্তরিক ইশারা ও অমলিন অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে হৃদয়ে জমানো সব অকৃত্রিম ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। মাতৃছায়া ফাউন্ডেশন এবং সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায়, দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে নিবেদিতভাবে কাজ করে আসছে। সেই ধারাবাহিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিদান হিসেবেই এই আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।​নার্গিস মাকসুদের সান্নিধ্যে এসে প্রতিবন্ধী কিশোরটি তার ইশারা ও অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটালে সেখানে এক অবিশ্বাস্য মানবিক ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কিশোরটির চোখের ভাষা ও ভালোবাসায় উপস্থিত সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।​এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মাতৃছায়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নার্গিস মাকসুদ বলেন, "ওদের মুখে ভাষা নেই, কিন্তু মনের ভালোবাসা প্রকাশের অনুভূতি আমাদের চেয়েও অনেক খাঁটি। এই নিখাদ ভালোবাসা ও দোয়াই আমাদের সমাজসেবার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ও পরম প্রাপ্তি।"​মুছাপুরের সর্বস্তরের মানুষ এই ঘটনাকে ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। স্থানীয়দের মতে, মানবতার সেবা যে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছায়, এই ঘটনা তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।​

বন্দরে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র নামে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র উধাও

বন্দরে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র নামে ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারক চক্র উধাও

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম হাজীপুর এলাকা থেকে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।২৫ অক্টোবর রবিবার চক্রটির মূলহোতা অফিস গুটিয়ে লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার শতাধিক সহজ-সরল মানুষ।​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’র পরিচয়ে একটি প্রতারক চক্র পশ্চিম হাজীপুর এলাকার সেতু নামের এক নারীর বাড়িতে আস্তানা গেড়ে বসে। পরে এলাকার সাধারণ নারীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন লোভনীয় ঋণ ও সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ সদস্যের একটি দল গঠন করা হয় এবং সেতুকেই সেই দলের নেত্রী বানানো হয়।​এরপর থেকে শুরু হয় সুকৌশলে ফরম পূরণ ও কিস্তি তোলার কাজ। এভাবে পশ্চিম হাজীপুর ছাড়াও কল্যাণ্দী, নবীগঞ্জ, আলীরটেক, সাপের চর, ডিগ্রির চর ও কাঠপট্টিসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে ফরম পূরণের ও কিস্তির নামে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। পরবর্তীতে হঠাৎ করেই টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় প্রতারকরা।​অনুসন্ধানে জানা যায়, এই প্রতারক চক্রের মূল হোতা ও প্রধান ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন আব্দুল্লাহ আল-মামুন। তাঁর ব্যবহৃত ভিজিটিং কার্ডে ‘গ্রামীণ মানবিক উন্নয়ন সংস্থা’ (নম্বর: M.R.ANO001420012600680) এবং ‘জাতীয় শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ মূলক সংস্থা’ (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত) লেখা ছিল। ভিজিটিং কার্ডে অফিসের বর্তমান ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল— চর শিবপুর (কাঠপট্টি), সদর, নারায়ণগঞ্জ।​ভুক্তভোগী গ্রাহকরা পরে ওই ঠিকানায় গিয়ে দেখতে পান, অফিসটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। প্রতারণার শিকার অসহায় গ্রাহকরা এখন সর্বস্ব হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।​এদিকে, প্রতারক চক্রের মূল হোতা আব্দুল্লাহ আল-মামুনসহ জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তাদের সন্ধান বা ধরিয়ে দিতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

টেকনাফে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত

টেকনাফে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত

নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টেকনাফে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) টেকনাফ উপজেলা শাখা ও হাইওয়ে পুলিশের যৌথ উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি হ্নীলা বাসস্টেশন প্রদক্ষিণ শেষে আবাসিক হোটেল সিকদার প্লাজা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে নিসচা টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল খালেদের সভাপতিত্বে এবং দুর্ঘটনা অনুসন্ধান সম্পাদক ঈসা খানের সঞ্চালনায় এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ সজিব। বিশেষ অতিথি ছিলেন একই ফাঁড়ির এসআই মিরাজ।এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিসচা টেকনাফ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল উদ্দিন খোকা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস মিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আকবর, অর্থ সম্পাদক আতিকুল হাই, অফিস সম্পাদক মো. দিলদার আহমদ, যুববিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইউছুপ, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুর রহমান ভূঁইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কবি আজিজুর রহমান এবং সদস্য মোকতার হোসাইন সোহেল, মোহাম্মদ জুবায়ের,হ্নীলা হোয়াইক্যং সিএনজি মাহিন্দ্রা সমিতির  সাধারণ সম্পাদক রফিকুল মেহেদীসহ টমটম ও সিএনজি সমিতির সদস্যরা।বক্তারা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে জনসাধারণ, চালক, বাস মালিক ও প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। অদক্ষ ও মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের গাড়ি চালানোর কারণে নিয়মিত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই দুর্ঘটনা কমাতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।তারা আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) টেকনাফ উপজেলা শাখা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তারা।নিসচার নেতৃবৃন্দ জানান, সবার সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে চালকদের জন্য বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে সড়কে জেব্রা ক্রসিং চিহ্নিতকরণ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় সচেতনতামূলক বিলবোর্ড স্থাপনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।পরিশেষে, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে পথসভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বন্দরে ময়না ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যু: চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ‘ময়না ক্লিনিক’-এ চিকিৎসকের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিক ডাক্তার ময়না বেগমের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিশুটির বাবা মো. হোসেন রয়েল (২৮)। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে নবজাতকটিকে মাতুয়াইল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ডেলিভারির জন্য স্ত্রীকে বন্দর থানাধীন আমিন আবাসিক এলাকার স্কুলঘাট সংলগ্ন ‘ময়না ক্লিনিকে’ ভর্তি করেন রাজমিস্ত্রি মো. হোসেন রয়েল। ওইদিন দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে সিজারের মাধ্যমে তার একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়।শিশু জন্মের পর থেকেই কান্না করতে থাকলে বিষয়টি ডাক্তার ময়না বেগমকে জানান বাবা রয়েল। তার অভিযোগ, এ সময় ময়না বেগম শিশুটির কোনো সমস্যা নেই এবং এমনিতেই কান্না করছে বলে জানান।অভিযোগে রয়েল আরও উল্লেখ করেন, শনিবার সকাল থেকে শিশুটির কান্না ক্রমেই বাড়তে থাকে। তিনি বিষয়টি ফোনে আবার ময়না বেগমকে জানালেও তিনি ক্লিনিকে এসে শিশুটিকে দেখেননি। এমনকি কর্মরত নার্সদের ডাক্তার ডাকার কথা বললেও তারা বিষয়টিতে কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিকের নার্সের পরামর্শে ময়না বেগমকে ফোন করেন রয়েল। তখন তাকে বন্দর থানাধীন ঝাউতলা এলাকার এক চিকিৎসক স্বপন ডাক্তারের কাছে যেতে বলা হয়। সেখানে গিয়ে চিকিৎসককে না পেয়ে তার সহকারীর কাছে অনুরোধ করলেও চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।এরপর ময়না বেগমের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করলে তাকে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে যেতে বলা হয়। সেখানেও তাকে না পেয়ে ফরাজীকান্দা এলাকার ডা. দিপুর কাছে যেতে বলা হয়। সেখানে গিয়েও চিকিৎসককে না পেয়ে বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসক আসবেন বলে তার সহকারীর কাছ থেকে জানতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।পরে ময়না বেগমের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করলে তিনি নবজাতককে তার ক্লিনিকে নিয়ে আসতে বলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্লিনিকে যাওয়ার পর ময়না বেগম নিজে না এসে নার্সদের ফোনে শিশুটিকে অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। নার্সরা শিশুটিকে অক্সিজেন দেওয়ার পর তার কান্না বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে রয়েল নার্সদের কাছে জানতে চাইলেও তারা কোনো উত্তর দিতে পারেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।পরে ময়না বেগমকে ফোনে বিষয়টি জানালে তিনি নবজাতককে দ্রুত মাতুয়াইল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শনিবার দুপুর ১টার দিকে শিশুটিকে নিয়ে মাতুয়াইল হাসপাতালে গেলে সেখানকার চিকিৎসক জানান, শিশুটি প্রায় এক ঘণ্টা আগেই মারা গেছে।এ ঘটনায় শনিবার বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন শিশুটির বাবা মো. হোসেন রয়েল। অভিযোগে তিনি চিকিৎসকের অবহেলা ও যথাসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে তার নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও ক্লিনিকে তাৎক্ষণিক কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। এমনকি চিকিৎসকের পরিবর্তে ক্লিনিকের নার্সদের দিয়ে শিশুটির চিকিৎসা চালানো হচ্ছিল।অভিযোগের বিষয়ে ক্লিনিকের প্রতিনিধি কাউছার বলেন, শিশুটি মারা যাবার আগে সুস্থ এবং স্বাভাবিক ছিলো। আমরা তাকে যথেষ্ট চিকিৎসা দিয়েছি। পরিবারকে আমরা মায়ের বুকের দুধ ছাড়া বাচ্চাকে অন্যকোন খাবার দিতে বারণ করেছিলাম। তবে কি কারনে বাচ্চাটির মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আলাউল কবির দিপু জানান, সিভিল সার্জনের নির্দেশে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “সিভিল সার্জনের কল পেয়ে এসেছি। তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে তদন্ত করা হয়েছে। যতটুকু শুনলাম, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কিছুটা অবহেলা আছে।”এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স ছাড়াই ‘ময়না ক্লিনিক’-এ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, অভিযোগটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে ক্লিনিকটির বৈধতা যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বিএনপি নেতা মেজবাহ উদ্দিন স্বপনকে দেখতে ঢাকা ছুটে গেলেন- আবুল কাউছার আশা

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও বন্দর থানা বিএনপি নেতা মেজবাহ উদ্দিন স্বপনকে দেখতে ছুটে গেলেন আবুল কাউছার আশা।গত ১১ অক্টোবর এশার নামাজ পড়ার পরে বন্দর দড়ি সোনাকান্দা নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ব্রেন স্ট্রোক করেন তিনি  পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।বুধবার ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার পদ্মা হসপিটালে ছুটে গেলেন নারায়ন গঞ্জ ৫ আসনের এমপির রাজনৈতিক সচিব ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশা। এ সময় আশা বলেন  চিকিৎসা সেবায় যে কোন প্রয়োজনে আমার বাবা এমপি আবুল কালাম সাহেব আপনার পাশে রয়েছে এবং থাকবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি। হাসপাতালে এ সময় তার সাথে ছিলেন।নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমেদ, আহবায়ক কমিটির সদস্য আওলাদ হোসেন, নাসিক ২০নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ, ২১নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর হান্নান সরকার, ২২নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর সুলতান আহম্মেদ ও মহানগর বিএনপি নেতা সুজন মাহমুদসহ নেতৃবৃন্দগন।

নাসিক ১২ নং ওয়ার্ডে মাওলানা আবদুল জব্বারের মশা নিধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১২ নম্বর ওয়ার্ডের খানপুর পোলস্টার ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে মশা নিধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাদ আসর আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, "ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে কেবল ওষুধ ছিটানোই যথেষ্ট নয়, মশা নিধনের পাশাপাশি আমাদের প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, ডোবা-নালা ও জমা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি না হতে পারে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম।​এছাড়াও উক্ত কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ও স্থানীয় ১২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ডোবা-নালা পরিচ্ছন্নকরণসহ মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।

দেশে শুধু মশার উপদ্রবই নয়, বরং চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিও বেড়ে গেছে- আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১৫ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে মশা নিধন কর্মসূচি ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।​সোমবার (১২ অক্টোবর) বাদ আসর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটানো এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিষেধক হোমিও ওষুধ বিতরণ করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র প্রার্থী  মাওলানা আবদুল জব্বার। বক্তব্যে তিনি সরকারের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বৈষম্য তুলে ধরে বলেন, "সরকার নানান পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো মিল পাওয়া যায় না।" পাশাপাশি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে দেশে শুধু মশার উপদ্রবই নয়, বরং চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।"​উক্ত কর্মসূচী ও সংক্ষিপ্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন। এছাড়া জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্মসূচিতে অংশ নেন।