ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

পারস্পারিক সহযোগিতায় দেশের শিল্পখাতকে টেকসই করার আহ্বান বিকেএমইএ সভাপতির

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) নগর ভবনে আয়োজিত ফগার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা সফলভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানের মূল দিকসমূহ:জবাবদিহিতা নিশ্চিত: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক নজরদারি ও কার্যক্রমের পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।অনিয়মে জিরো টলারেন্স: মশক নিধনের ওষুধে অন্য উপাদান মিশিয়ে জালিয়াতি করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরঞ্জাম বিতরণ: প্রথম ধাপে ১৬টি এবং আজ আরও ১৬টিসহ মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ডগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।সতর্কবার্তা: বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত ফগিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতিত্ব করেন নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমানের আগমনে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের বিশাল স্বাগত র‍্যালী

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) নগর ভবনে আয়োজিত ফগার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা সফলভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানের মূল দিকসমূহ:জবাবদিহিতা নিশ্চিত: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক নজরদারি ও কার্যক্রমের পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।অনিয়মে জিরো টলারেন্স: মশক নিধনের ওষুধে অন্য উপাদান মিশিয়ে জালিয়াতি করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরঞ্জাম বিতরণ: প্রথম ধাপে ১৬টি এবং আজ আরও ১৬টিসহ মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ডগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।সতর্কবার্তা: বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত ফগিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতিত্ব করেন নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামীকাল ​নারায়ণগঞ্জ আসছেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) নগর ভবনে আয়োজিত ফগার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা সফলভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানের মূল দিকসমূহ:জবাবদিহিতা নিশ্চিত: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক নজরদারি ও কার্যক্রমের পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।অনিয়মে জিরো টলারেন্স: মশক নিধনের ওষুধে অন্য উপাদান মিশিয়ে জালিয়াতি করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরঞ্জাম বিতরণ: প্রথম ধাপে ১৬টি এবং আজ আরও ১৬টিসহ মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ডগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।সতর্কবার্তা: বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত ফগিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতিত্ব করেন নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

বন্দর নবীগঞ্জ বাজারের  ব্যবসায়ী মুহাম্মদ জুম্মানের ইন্তেকাল এলাকায় শোকের ছায়া

বন্দর নবীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মুহাম্মদ জুম্মানের ইন্তেকাল এলাকায় শোকের ছায়া

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

দুমকিতে সাংবাদিকের মাতৃবিয়োগে দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত

দুমকিতে সাংবাদিকের মাতৃবিয়োগে দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন  মেনেই জামায়াত আমীরকে গার্ড অব অনার

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মেনেই জামায়াত আমীরকে গার্ড অব অনার

দুমকিতে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ শোভাযাত্রা

দুমকিতে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ শোভাযাত্রা

শ্রমিক ও এনায়েতনগরের উন্নয়নে পাশে থাকতে চান হাফেজ আব্দুল মোমিন

শ্রমিক ও এনায়েতনগরের উন্নয়নে পাশে থাকতে চান হাফেজ আব্দুল মোমিন

কলাপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৪০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার

কলাপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৪০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী কদম রসূল দরগাহ পরিদর্শনে এমপি ও ডিসি

প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী কদম রসূল দরগাহ পরিদর্শনে এমপি ও ডিসি

নারায়ণগঞ্জে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম ঘোষণা জামায়াতের

নারায়ণগঞ্জে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মাওলানা আবদুল জব্বারের নাম ঘোষণা জামায়াতের

জনগণের রায় বাস্তবায়ন না হলে হিমালয় হয়ে দাঁড়াবে দেশের মানুষ- ডা. শফিকুর রহমান

জনগণের রায় বাস্তবায়ন না হলে হিমালয় হয়ে দাঁড়াবে দেশের মানুষ- ডা. শফিকুর রহমান

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিভাবক মতবিনিময় সভা

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিভাবক মতবিনিময় সভা

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির ফার্স্ট সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা এবং অভিভাবক মতবিনিময় সভা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফ পাটওয়ারী। সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুফতি নজরুল ইসলামের চমৎকার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নাসিক (নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন) ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন।​এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ এনায়েতুল্লাহ, মাওলানা মোঃ শাহ আলম এবং জনাব মোঃ সাইফুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, "ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমি প্রায় এক দশক ধরে অত্র এলাকায় অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রেখে চলছে। এখানকার শিক্ষকরা অত্যন্ত যোগ্য এবং পরিশ্রমী। তারা তাদের নিপুণ দক্ষতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।"​শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে অভিভাবকদের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন- সচেতন অভিভাবকদের উচিত প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।  শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি মজবুত সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে।  দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্য করে তুলবে এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব দিতে সদা প্রস্তুত থাকবে।​আলোচনা ও মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে এক আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। বিগত সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে গৌরব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি মুহাম্মদ জামাল হোসাইনসহ আমন্ত্রিত অন্যান্য মেহমানবৃন্দ।​অভিভাবকদের সক্রিয় উপস্থিতি ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা

৬ জুন (শনিবার ) বাদ আছর নারায়ণগঞ্জ শহরের এক মিলনায়তনে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী কর্তৃক ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেক্রেটারি ডাঃ নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দারসুল কুরআন পেশ করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহ সভাপতি মাওলানা মোঃ আব্দুল ওয়াহহাব।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাওলানা মোঃ ওমর ফারুক।সভাপতি তার বক্তব্যে সূরা আল জুমআর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন - তিনি নিরক্ষরদের মাঝে পাঠিয়েছেন তার রাসূলকে তাঁদেরই মধ্য থেকে যে তাঁদের কাছে আল্লাহর আয়াত পাঠ করে, তাদেরকে পবিত্র করে, আর তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় অথচ ইতিপূর্বে তাঁরা ছিল স্পষ্ট গোমড়াহীতে নিমজ্জিত।এছাড়া তিনি বলেন- আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন সব সময় সর্বপ্রথম শিক্ষকদের দাবিদাওয়া আদায় নিয়ে কাজ করে। বর্তমানে শিক্ষাঙ্গনে নৈতিক অবক্ষয় বিরাজ করছে। মানুষ শিক্ষিত হলেও বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও মিরপুরে গর্ভধারিনী মাকে সাতদিন যাবৎ পঁচে মরতে হচ্ছে। তাই তিনি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উপদেষ্টা ও আদর্শ স্কুল নারায়ণগঞ্জ এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমদ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন - কোন শিক্ষক কেমন ক্লাস নেন তার প্রমান হচ্ছে তার ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা। একজন শিক্ষক তখনই ভালো শিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হবেন যখন একটি ক্লাসের সকল ছাত্রছাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের সবাই তাকে একজন আদর্শবান শিক্ষক বলে বিবেচিত করবেন।তাই তিনি  শিক্ষকবৃন্দকে  সকল ক্লাসে নৈতিক মান অক্ষুন্ন রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।উক্ত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর প্রচার সম্পাদক এস এম শফিকুল ইসলাম শফিক, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সদস্য জনাব আব্দুল বাতেন, বন্দর কলাগাছিয়া স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক গোলাম আহাদ, ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মাধ্যমিক শাখার সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

দিরাইয়ে নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

জাহানারা মেমোরিয়াল সমাজ সেবা ট্রাস্ট এর উদ্যোগে দিরাইয়ে ৪০ জন প্রশিক্ষিত নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ) পৌরশহরের আজমল কনভেনশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. মাওলানা শোয়াইব আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও মাওলানা মুখতার হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লন্ডন বরো অব বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহ্যাম এর ডেপুটি চেয়ার অব অ্যাসেম্বলী কাউন্সিলর মোহাম্মদ সাদরুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাওলানা আব্দুল বাছির, মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজিজ, মাওলানা মহি উদ্দিন কাসেমী প্রমুখ।

কোন পোস্ট নেই !
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।