পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বাউফলে ‘জনতার কল সেন্টার’-এর শুভ উদ্বোধন করেছেন।সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় বাউফল উপজেলা জামায়াত অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ কল সেন্টারের উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি বলেন, জনগণের সমস্যা দ্রুত শোনা এবং কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে ‘জনতার কল সেন্টার’ চালু করা হয়েছে।এ উদ্যোগের মাধ্যমে উপজেলার সাধারণ মানুষ সরাসরি তাদের অভিযোগ, সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তা জানাতে পারবেন। এতে জনপ্রতিনিধি ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও গতিশীল হবে এবং সেবার মান উন্নত হবে।তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ জনসেবাকে আরও মানবিক ও জবাবদিহিমূলক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, একটি দক্ষ টিম ২৪ ঘণ্টা এ কল সেন্টারের মাধ্যমে উপজেলার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট শুনবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ সময় তিনি দুটি মোবাইল নম্বর—০১৭১৩৪৯৯৬৬১ এবং ০১৭১৩৪৯৯৬৬২—উল্লেখ করে বলেন, এ নম্বরগুলোতে কল করে যে কেউ তাদের সমস্যা জানাতে পারবেন।তবে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, যেন কেউ প্রাঙ্ক কল বা মিথ্যা ও প্রতারণামূলক কল না করেন। এতে জনসেবার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাস্টার রেদোয়ান উল্লাহ, উপজেলা শিবির সভাপতি আরিফ হোসাইন, পটুয়াখালী জেলার সাবেক শিবির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নুর, জামায়াতকর্মী হেলাল মুন্সিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়।সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার খুব খারাপ অবস্থা আমরা লক্ষ্য করছি। মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত করে ছাত্রদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই; দেশ যেন আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশ তিতুমীর ও অলি-আউলিয়াদের দেশ। মুসলমানদের এই দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন ওয়াদা ও অঙ্গীকার রক্ষায় কোনো প্রকার শিরক করা যাবে না।একজন রুকনের জীবনে কোনোভাবেই হারামের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। সমাজ পরিবর্তনের আগে নিজেদের পরিবারকে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে জনগণকে আদরের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠনে নিয়ে আসতে হবে। জামায়াতের পাল্লা ভারী করতে মানুষের হতাশা দূর করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিতে হবে।নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর মমিনুল হক সরকার, মহানগরী নায়েবে আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।মহানগরী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন। মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইনউদ্দিন মিয়া, ডক্টরস ফোরামের জেলা সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান এবং মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সম্মেলন শেষে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়।সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার খুব খারাপ অবস্থা আমরা লক্ষ্য করছি। মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত করে ছাত্রদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই; দেশ যেন আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশ তিতুমীর ও অলি-আউলিয়াদের দেশ। মুসলমানদের এই দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন ওয়াদা ও অঙ্গীকার রক্ষায় কোনো প্রকার শিরক করা যাবে না।একজন রুকনের জীবনে কোনোভাবেই হারামের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। সমাজ পরিবর্তনের আগে নিজেদের পরিবারকে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে জনগণকে আদরের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠনে নিয়ে আসতে হবে। জামায়াতের পাল্লা ভারী করতে মানুষের হতাশা দূর করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিতে হবে।নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর মমিনুল হক সরকার, মহানগরী নায়েবে আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।মহানগরী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন। মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইনউদ্দিন মিয়া, ডক্টরস ফোরামের জেলা সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান এবং মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সম্মেলন শেষে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়।সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার খুব খারাপ অবস্থা আমরা লক্ষ্য করছি। মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত করে ছাত্রদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই; দেশ যেন আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশ তিতুমীর ও অলি-আউলিয়াদের দেশ। মুসলমানদের এই দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন ওয়াদা ও অঙ্গীকার রক্ষায় কোনো প্রকার শিরক করা যাবে না।একজন রুকনের জীবনে কোনোভাবেই হারামের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। সমাজ পরিবর্তনের আগে নিজেদের পরিবারকে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে জনগণকে আদরের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠনে নিয়ে আসতে হবে। জামায়াতের পাল্লা ভারী করতে মানুষের হতাশা দূর করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিতে হবে।নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর মমিনুল হক সরকার, মহানগরী নায়েবে আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।মহানগরী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন। মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইনউদ্দিন মিয়া, ডক্টরস ফোরামের জেলা সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান এবং মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সম্মেলন শেষে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।