বাংলার শিরোনাম
বাস ভাড়া কমানোসহ ৬ দফা দাবিতে ডিসিকে ছাত্র মজলিসের স্মারকলিপি
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে পরিবহন মালিকদের একতরফা ও অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের হাফ পাস নিশ্চিতকরণসহ ৬ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা।রবিবার (১৭ মে ২০২৬) বিকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবিরের নিকট উক্ত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি প্রদানকালে ইসলামী ছাত্র মজলিসের নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সেক্রেটারি মুহাম্মদ ফজলে রাব্বি, জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ, মহানগর প্রশিক্ষণ সম্পাদক শাফিন আব্দুল্লাহ শাকিল, ফতুল্লা থানা সভাপতি মুহাম্মদ নূর নবী ইসলাম, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি মুহাম্মদ সিয়াম, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ।স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে পরিবহন মালিক সমিতির একতরফা সিদ্ধান্তে অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি, হাফ পাস সুবিধা না দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের সাথে বাসের চালক ও সহকারীদের দুর্ব্যবহার মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এর ফলে নারায়ণগঞ্জের হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রী প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।ইসলামী ছাত্র মজলিসের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত ৬টি দাবি হলো:১. নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা যাতায়াতে বর্তমান ৫৫ টাকার অযৌক্তিক ভাড়া অবিলম্বে কমিয়ে ৫০ টাকা নির্ধারণ করা।২. শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ টাকা হাফ পাস সুবিধা নিশ্চিত করা এবং শুক্র ও শনিবারসহ সপ্তাহের সাতদিনই এই সুবিধা কার্যকর রাখা।৩. বাসে শিক্ষার্থী সংখ্যা নির্দিষ্ট না রেখে প্রত্যেক বৈধ শিক্ষার্থীকে কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই হাফ পাস সুবিধা দেওয়া।৪. চালক ও সহকারীদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের প্রতি দুর্ব্যবহার ও জোরপূর্বক বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিয়ম করা।৫. ফিটনেসবিহীন গাড়ি প্রত্যাহার করে দক্ষ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত চালকের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা এবং যত্রতত্র স্ট্যান্ড বানিয়ে শহরে যানজট তৈরি করা বন্ধ করা।৬. নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটে সরকারি বিআরটিসি (BRTC) বাসের সংখ্যা ও ট্রিপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা।নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসক একজন দায়িত্বশীল প্রশাসক হিসেবে এই ন্যায়সংগত দাবিগুলো আমলে নিয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং এই রুটের পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভুমিকা পালন করবেন।
পুলিশে হামলার পর এবার রেস্টুরেন্টে সিফাত বাহিনীর লুটপাট
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ হয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের একই পরিবারের পাঁচজন সদস্যেরই করুণ মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার (১৫ মে) সকালে গৃহবধূ সায়মা বেগমের (৩২) মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পুরো পরিবারটির শেষ চিহ্নটুকুও মুছে গেল।নিহতদের সবার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া গ্রামে।বাড়িওয়ালার অবহেলা ও সেই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাপারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চরম অভাব-অনটনের কারণে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন দিনমজুর আবুল কালাম (৫০)। দুর্ঘটনার দুইদিন আগে ঘরের গ্যাসের পাইপে লিকেজ টের পেয়ে তারা বাড়ির মালিককে জানিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ির মালিক এতে কোনো কর্ণপাত করেননি।গত রোববার (১০ মে) সকালে আবুল কালাম দেশলাই জ্বালানোর সাথে সাথেই পুরো ঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের জমে থাকা গ্যাসে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে দগ্ধ হন আবুল কালাম, তাঁর স্ত্রী সায়মা বেগম এবং তাঁদের তিন সন্তান—মুন্নি (১০), মুন্না (৮) ও কথা (৭)।একে একে নিভে গেল পাঁচটি প্রাণগুরুতর দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকেই ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে গত সোমবার (১১ মে) প্রথমে মারা যান পরিবারের কর্তা আবুল কালাম।এরপর বুধবার (১৩ মে) ছোট মেয়ে কথা, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ছেলে মুন্না এবং বিকেলে বড় মেয়ে মুন্নি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। সর্বশেষ আজ শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে স্ত্রী সায়মা বেগমের মৃত্যুর মাধ্যমে একটি সাজানো পরিবার চিরতরে হারিয়ে গেল।টাকার অভাবে আটকে ছিল লাশ, দাফন আগামীকালগত সোমবার আবুল কালামের লাশ তাঁর নিজ গ্রামে এনে দাফন করা হলেও, টাকার অভাবে বাকি চারজনের লাশ হাসপাতালের হিমাগারেই আটকে ছিল। পরবর্তীতে একটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের আর্থিক সহায়তায় লাশগুলো বাড়িতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।আজ শুক্রবার রাতে অ্যাম্বুলেন্সযোগে লাশ নিয়ে স্বজনরা বাউফলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আগামীকাল শনিবার (১৬ মে) সকালে লাশগুলো গ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সকাল ৮টায় উত্তর কনকদিয়া গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হবে বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।প্রশাসনের বক্তব্যএ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং বেদনাদায়ক। আমরা খোঁজখবর রাখছি এবং নিহতের গ্রামের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল সকালে চারজনের লাশ এলাকায় পৌঁছালে সকাল ৮টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।"একই পরিবারের এমন অবর্ণনীয় মৃত্যুতে উত্তর কনকদিয়া গ্রামসহ পুরো বাউফল উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রূপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়া ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ হয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের একই পরিবারের পাঁচজন সদস্যেরই করুণ মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার (১৫ মে) সকালে গৃহবধূ সায়মা বেগমের (৩২) মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পুরো পরিবারটির শেষ চিহ্নটুকুও মুছে গেল।নিহতদের সবার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া গ্রামে।বাড়িওয়ালার অবহেলা ও সেই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাপারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চরম অভাব-অনটনের কারণে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন দিনমজুর আবুল কালাম (৫০)। দুর্ঘটনার দুইদিন আগে ঘরের গ্যাসের পাইপে লিকেজ টের পেয়ে তারা বাড়ির মালিককে জানিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ির মালিক এতে কোনো কর্ণপাত করেননি।গত রোববার (১০ মে) সকালে আবুল কালাম দেশলাই জ্বালানোর সাথে সাথেই পুরো ঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের জমে থাকা গ্যাসে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে দগ্ধ হন আবুল কালাম, তাঁর স্ত্রী সায়মা বেগম এবং তাঁদের তিন সন্তান—মুন্নি (১০), মুন্না (৮) ও কথা (৭)।একে একে নিভে গেল পাঁচটি প্রাণগুরুতর দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকেই ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে গত সোমবার (১১ মে) প্রথমে মারা যান পরিবারের কর্তা আবুল কালাম।এরপর বুধবার (১৩ মে) ছোট মেয়ে কথা, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ছেলে মুন্না এবং বিকেলে বড় মেয়ে মুন্নি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। সর্বশেষ আজ শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে স্ত্রী সায়মা বেগমের মৃত্যুর মাধ্যমে একটি সাজানো পরিবার চিরতরে হারিয়ে গেল।টাকার অভাবে আটকে ছিল লাশ, দাফন আগামীকালগত সোমবার আবুল কালামের লাশ তাঁর নিজ গ্রামে এনে দাফন করা হলেও, টাকার অভাবে বাকি চারজনের লাশ হাসপাতালের হিমাগারেই আটকে ছিল। পরবর্তীতে একটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের আর্থিক সহায়তায় লাশগুলো বাড়িতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।আজ শুক্রবার রাতে অ্যাম্বুলেন্সযোগে লাশ নিয়ে স্বজনরা বাউফলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আগামীকাল শনিবার (১৬ মে) সকালে লাশগুলো গ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সকাল ৮টায় উত্তর কনকদিয়া গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হবে বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।প্রশাসনের বক্তব্যএ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং বেদনাদায়ক। আমরা খোঁজখবর রাখছি এবং নিহতের গ্রামের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল সকালে চারজনের লাশ এলাকায় পৌঁছালে সকাল ৮টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।"একই পরিবারের এমন অবর্ণনীয় মৃত্যুতে উত্তর কনকদিয়া গ্রামসহ পুরো বাউফল উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ফতুল্লায় শ্বশুরবাড়ি থেকে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ হয়ে পটুয়াখালীর বাউফলের একই পরিবারের পাঁচজন সদস্যেরই করুণ মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার (১৫ মে) সকালে গৃহবধূ সায়মা বেগমের (৩২) মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পুরো পরিবারটির শেষ চিহ্নটুকুও মুছে গেল।নিহতদের সবার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া গ্রামে।বাড়িওয়ালার অবহেলা ও সেই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাপারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চরম অভাব-অনটনের কারণে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন দিনমজুর আবুল কালাম (৫০)। দুর্ঘটনার দুইদিন আগে ঘরের গ্যাসের পাইপে লিকেজ টের পেয়ে তারা বাড়ির মালিককে জানিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ির মালিক এতে কোনো কর্ণপাত করেননি।গত রোববার (১০ মে) সকালে আবুল কালাম দেশলাই জ্বালানোর সাথে সাথেই পুরো ঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের জমে থাকা গ্যাসে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে দগ্ধ হন আবুল কালাম, তাঁর স্ত্রী সায়মা বেগম এবং তাঁদের তিন সন্তান—মুন্নি (১০), মুন্না (৮) ও কথা (৭)।একে একে নিভে গেল পাঁচটি প্রাণগুরুতর দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকেই ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে গত সোমবার (১১ মে) প্রথমে মারা যান পরিবারের কর্তা আবুল কালাম।এরপর বুধবার (১৩ মে) ছোট মেয়ে কথা, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ছেলে মুন্না এবং বিকেলে বড় মেয়ে মুন্নি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। সর্বশেষ আজ শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে স্ত্রী সায়মা বেগমের মৃত্যুর মাধ্যমে একটি সাজানো পরিবার চিরতরে হারিয়ে গেল।টাকার অভাবে আটকে ছিল লাশ, দাফন আগামীকালগত সোমবার আবুল কালামের লাশ তাঁর নিজ গ্রামে এনে দাফন করা হলেও, টাকার অভাবে বাকি চারজনের লাশ হাসপাতালের হিমাগারেই আটকে ছিল। পরবর্তীতে একটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের আর্থিক সহায়তায় লাশগুলো বাড়িতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।আজ শুক্রবার রাতে অ্যাম্বুলেন্সযোগে লাশ নিয়ে স্বজনরা বাউফলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আগামীকাল শনিবার (১৬ মে) সকালে লাশগুলো গ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সকাল ৮টায় উত্তর কনকদিয়া গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হবে বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন।প্রশাসনের বক্তব্যএ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং বেদনাদায়ক। আমরা খোঁজখবর রাখছি এবং নিহতের গ্রামের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল সকালে চারজনের লাশ এলাকায় পৌঁছালে সকাল ৮টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।"একই পরিবারের এমন অবর্ণনীয় মৃত্যুতে উত্তর কনকদিয়া গ্রামসহ পুরো বাউফল উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বাংলার শিরোনাম
সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা
জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার
সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান
যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম
এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন
বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক
ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান
ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী
পটুয়াখালীতে জেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত তরিকুল ইসলাম ইভান
দুমকিতে গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতি দাবিতে বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি
বাস ভাড়া কমানোসহ ৬ দফা দাবিতে ডিসিকে ছাত্র মজলিসের স্মারকলিপি
জনগণের প্রকৃত মুক্তির জন্য সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই- আবদুল জব্বার
জিমখানা মাদক ব্যবসায়ীদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে এসপির নিকট স্মারকলিপি
ফতুল্লায় পৈত্রিক জমি দখলের অপচেষ্টা, ঘরে আগুন ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি
পুলিশে হামলার পর এবার রেস্টুরেন্টে সিফাত বাহিনীর লুটপাট
রূপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়া ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ফতুল্লায় শ্বশুরবাড়ি থেকে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ
২৪ ঘণ্টায় চাঁদাবাজ আজহারের মুক্তি: ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী
কলাপাড়ায় একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য
সেই জামায়াত নেতার দাবি: চাল ক্রয় বৈধ, অপপ্রচার চালাচ্ছে কুচক্রী মহল
মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত ৫টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
১৩ মে বুধবার রাজধানীর প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার রচিত পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বইগুলোর লেখক মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল, এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আব্দুল জব্বার, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান, এমপি এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রচ্ছদ প্রকাশনীর চেয়ারম্যান রাজিফুল হাসান বাপ্পি ও সিইও শাহমুন নাকীব ফারাবিসহ বিপুলসংখ্যক সুধী।প্রকাশিত বইগুলো হলো- ১. লৌহকপাটের অন্যজীবন২. মুমিনের জীবনে নিয়ামত ও মুসিবত ৩. কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪. ঈমানের উন্নতি ৫. মুমিনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার সালাত ও সবর
দুমকি উপজেলা দপ্তর প্রধান শূন্য, স্থবির উন্নয়ন কার্যক্রম
দুমকি উপজেলা দপ্তর প্রধান শূন্য, স্থবির উন্নয়ন কার্যক্রম