ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।
কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।