বাংলার শিরোনাম
দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন। আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
মুছাপুরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অতিথি ফ্যাসিস্ট: এমপি পূত্র আশা'র ফ্যাসিস্ট বিরোধী বক্তব্যে বিব্রত জনগন
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন। আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি। শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন। আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
বাংলার শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা
সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা
কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি
বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ
তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু
সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার
গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র
তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ
জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার
বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ
আলআমিন নগরে কব্জি বিচ্ছিন্ন করে উল্লাসের ঘটনার প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
আদালতে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এড, মুনির উদ্দিনের মৃত্যু
দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ ও দেশে জামায়াত চক্রান্ত করছে: রাশেদ খান
সাবেক কাউন্সিল ইকবালকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চান জামাল আকন
সিদ্ধিরগঞ্জে অপপ্রাচারের শিকার বিএনপি নেতা হালিম জুয়েল
সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করার দাবিতে আইনি নোটিশ
আড়াইহাজারে জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা, থানায় লিখিত অভিযোগ
অভিযুক্ত লিংকনের বিরুদ্ধে ভূমি দখল ও জাল দলিল তৈরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের
নারায়ণগঞ্জের বাতিঘর: বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম
একজন মানুষ, অথচ বহু পরিচয়ের এক উজ্জ্বল সমাহার। তিনি কলমযোদ্ধা সাংবাদিক, বিজ্ঞ আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, পরিবেশ আন্দোলনের অগ্রসৈনিক ও দক্ষ সংগঠক। রাজপথের নির্ভীক নাগরিক নেতা হিসেবে যিনি নারায়ণগঞ্জের মানুষের কাছে আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের তিনবারের সাবেক সফল সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম।১৯৫৮ সালের ২১ জুলাই বন্দর উপজেলার মাহমুদনগর এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই আলোকিত মানুষ। পিতা আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের গর্বিত জনক। তার সন্তানরা উভয়েই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ধর্মীয়মনা, প্রতিবাদী, মানবদরদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী।শিক্ষা জীবনের শুরু নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর জয়গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করে ১৯৮৭ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সেই থেকে অদ্যাবধি তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।অ্যাডভোকেট মাসুমের সাংবাদিকতা জীবন ৪৬ বছরের বর্ণাঢ্য অধ্যায়। বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। আশির দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক ভোরের কাগজের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। নারায়ণগঞ্জের মাটি ও মানুষের কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে তিনি প্রকাশ ও সম্পাদনা করে আসছেন ঐতিহ্যবাহী দৈনিক খবরের পাতা। তার সাহসী, আপসহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তিন-তিনবার নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন, যা জেলার সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক বিরল সম্মান ও রেকর্ড।রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি তোলারাম কলেজে পড়াকালীন সময়ে। তিনি তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগ (জাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে তোলারাম কলেজকে সরকারিকরণের দাবিতে সকল ছাত্র সংগঠনের সম্মিলিত ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মানবসেবামূলক স্কাউট আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাব স্কাউট থেকে বয় স্কাউট এবং তোলারাম কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৮৬ সাল থেকে স্থানীয় স্কাউটের সম্পাদক, ৯ বছর সদর উপজেলা স্কাউটের কমিশনার এবং ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক উপ-কমিশনার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ স্কাউটস, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।মাহবুবুর রহমান মাসুম শুধু সাংবাদিক বা আইনজীবী নন, তিনি নারায়ণগঞ্জের নাগরিক আন্দোলনের প্রাণপুরুষ। নারায়ণগঞ্জকে সন্ত্রাসমুক্ত করা, বাস ভাড়া কমানোর আন্দোলন, প্রিপেইড মিটারের ভুতুড়ে বিলের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন, খানপুরে বরফ কলের কন্টেইনার পোর্ট বাতিলের আন্দোলন, শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদী দখলমুক্ত করা, পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনসহ প্রতিটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্দোলনে তিনি সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন যুগের পর যুগ।তার চরিত্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, কারো বিপদ-আপদের খবর শুনলে তিনি স্থির থাকতে পারেন না। বহু গুণে গুণান্বিত এই মানুষটি মুহূর্তেই মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। এ কারণেই তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয়।বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির জেলা সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঢাকা (দক্ষিণ) বিভাগের সমন্বয়কারী, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (এনপিজেএ) বাংলাদেশ শাখার প্রধান উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির প্রধান উপদেষ্টা এবং নারায়ণগঞ্জ সংবাদকর্মী কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টাসহ অসংখ্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বর্তমান বয়স ৬৮ হলেও তারুণ্যের উদ্যম আজও অম্লান। এখনও তিনি যুবকের মতোই নারায়ণগঞ্জের মানুষের অধিকার আদায়ে সামনের কাতারে থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। যে কোনো অন্যায়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে তিনিই সবার আগে রুখে দাঁড়ান।সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষের মতে, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমের মতো আলোকিত, নির্লোভ, সৎ ও সাহসী মানুষ হাজার বছরে একজন জন্ম নেয়। জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ এই মানুষটি আজও নারায়ণগঞ্জবাসীর অধিকার আদায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, আর তাই তিনি হয়ে উঠেছেন নারায়ণগঞ্জের সত্যিকারের বাতিঘর।
ডেঙ্গু প্রকোপ রোধে নারায়ণগঞ্জ ১৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু
ডেঙ্গু প্রকোপ রোধে নারায়ণগঞ্জ ১৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু
পুষ্টিগুণে ভরপুর জাম্বুরা, মিলছে নানা স্বাস্থ্য উপকার
পুষ্টিগুণে ভরপুর জাম্বুরা, মিলছে নানা স্বাস্থ্য উপকার
ডেঙ্গু সচেতনতায় সিদ্ধিরগঞ্জে জামায়াতের লিফলেট ও বিনামূল্যে হোমিও ডোজ বিতরণ
ডেঙ্গু সচেতনতায় সিদ্ধিরগঞ্জে জামায়াতের লিফলেট ও বিনামূল্যে হোমিও ডোজ বিতরণ
ফতুল্লায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন সম্পন্ন: ১১০ রোগীর সেবা গ্রহণ
ফতুল্লায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন সম্পন্ন: ১১০ রোগীর সেবা গ্রহণ
রাঙ্গাবালীতে ওসির সঙ্গে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম ও জুলাই যোদ্ধাদের মতবিনিময়
রাঙ্গাবালীতে ওসির সঙ্গে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম ও জুলাই যোদ্ধাদের মতবিনিময়
তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত
রাঙ্গাবালীতে ওসির সঙ্গে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম ও জুলাই যোদ্ধাদের মতবিনিময়
খাদ্য খাতের যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি কঠোরভাবে দমন করা হবে- খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম
জামায়াতের লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী
দুমকিতে উপজেলা যুবদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন
দুমকিতে ত্যাগীদের বঞ্চিত করে যুবদলের কমিটি দেয়ার প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল