ঢাকা   বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

ফতুল্লা মডেল থানা পরিদর্শন করলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার

নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী ফতুল্লা মডেল থানা পরিদর্শন করেছেন।গতকাল সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৪ ঘটিকায় তিনি থানা কার্যালয়ে পৌঁছালে ফতুল্লা মডেল থানার পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, মালখানা, হাজতখানা এবং থানা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। সেই সাথে তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করা ও অপরাধ দমনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার তাগিদ দেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল, নারায়ণগঞ্জ) জনাব মোঃ শামীম হোসাইন, ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ মাহবুব আলম এবং পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্) জনাব আজিজুর রহিমানসহ থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে ত্রিবেনী ব্রিজ, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ম ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্টের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মি. অতুল খারে (Atul Khare) এবং জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া (Jean-Pierre Lacroix) এর সাথে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির অংশগ্রহণ করেন।  বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বৈঠককালে বলেন, জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উভয় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের উঁচুমানের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উভয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, ৩৫ হাজার টাকা ছিনতাই

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ম ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্টের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মি. অতুল খারে (Atul Khare) এবং জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া (Jean-Pierre Lacroix) এর সাথে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির অংশগ্রহণ করেন।  বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বৈঠককালে বলেন, জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উভয় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের উঁচুমানের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উভয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

বন্দর নবীগঞ্জে বেহাল সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে চালক ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ম ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্টের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মি. অতুল খারে (Atul Khare) এবং জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া (Jean-Pierre Lacroix) এর সাথে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির অংশগ্রহণ করেন।  বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বৈঠককালে বলেন, জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উভয় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের উঁচুমানের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উভয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধানের শুভ জন্মদিন

সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধানের শুভ জন্মদিন

বন্দরে অটো গ্যারেজে  ডাকাতি হওয়া আরো ২০টি ব্যাটারী সিদ্ধিরগঞ্জের নাভানা থেকে উদ্ধার গ্রেপ্তার-২

বন্দরে অটো গ্যারেজে ডাকাতি হওয়া আরো ২০টি ব্যাটারী সিদ্ধিরগঞ্জের নাভানা থেকে উদ্ধার গ্রেপ্তার-২

পে-স্কেল বাস্তবায়নে টালবাহানা শ্রমিক-কর্মচারী অসন্তোষ বাড়াবে : এস এম লুৎফর রহমান

পে-স্কেল বাস্তবায়নে টালবাহানা শ্রমিক-কর্মচারী অসন্তোষ বাড়াবে : এস এম লুৎফর রহমান

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

র‍্যাবের ওপর সশস্ত্র হামলা: প্রধান আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু রিপন গ্রেফতার

র‍্যাবের ওপর সশস্ত্র হামলা: প্রধান আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু রিপন গ্রেফতার

ফতুল্লা মডেল থানা পরিদর্শন করলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার

ফতুল্লা মডেল থানা পরিদর্শন করলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার

সেমিফাইনালে ইউরোপের দুই পরাশক্তি, শেষ হাসি হাসবে কে?

সেমিফাইনালে ইউরোপের দুই পরাশক্তি, শেষ হাসি হাসবে কে?

নবীগঞ্জ-কাইকারটেক সড়ক সংস্কারের দাবিতে দুই ঘণ্টা অবরোধ, তীব্র যানজট

নবীগঞ্জ-কাইকারটেক সড়ক সংস্কারের দাবিতে দুই ঘণ্টা অবরোধ, তীব্র যানজট

ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে ত্রিবেনী ব্রিজ, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে ত্রিবেনী ব্রিজ, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, ৩৫ হাজার টাকা ছিনতাই

রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, ৩৫ হাজার টাকা ছিনতাই

সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে সফল শিক্ষা সফর ২০২৬

জ্ঞানের অন্বেষণ, ইতিহাসের অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিক চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানার উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘শিক্ষা সফর ২০২৬’। ‘স্মৃতির পাতায় অমলিন’ শিরোনামের এই সফরে অর্ধশতাধিক তরুণ নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।সফরের বিবরণ: নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জামাল হোসাইনের গতিশীল নেতৃত্বে সফরকারী দলটি বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করে। সফরের অংশ হিসেবে তারা বাগেরহাটের ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও ইসলাম প্রচারক হযরত খান জাহান আলী (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তরুণরা প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী ও ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর প্রতিনিধি দলটি পিরোজপুর জেলায় অবস্থিত ‘আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ফাউন্ডেশন’ পরিদর্শন করে।সমাপনী ও লক্ষ্য: সফরের শেষ পর্যায়ে সমাপনী বক্তব্যে সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির মাহবুব আলম বলেন, “এই সফর কেবল চিত্তবিনোদনের জন্য নয়, বরং নিজের শেকড় ও ইতিহাসকে জানার জন্য। তরুণ সমাজকে আগামী দিনে দেশ, সমাজ ও ইসলামের কল্যাণে যোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে।” অনুষ্ঠানে তার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করা হয়, যেখানে সফরের লক্ষ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।অংশগ্রহণকারীদের প্রতিক্রিয়া: সফরে অংশগ্রহণকারী তরুণ নেতাকর্মীদের মতে, এই সফর তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও নৈতিক মানদণ্ড সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। ইতিহাসকে কাছ থেকে জানার এই সুযোগ তাদের দেশপ্রেম ও আদর্শিক দৃঢ়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা সত্যিই তাদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

পে-স্কেল বাস্তবায়নে টালবাহানা শ্রমিক-কর্মচারী অসন্তোষ বাড়াবে : এস এম লুৎফর রহমান

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকার অযৌক্তিক টালবাহানা শুরু করেছে। জুনের শেষ সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা প্রকাশ না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাত, বিশেষ করে গার্মেন্টস শ্রমিকরাও বর্তমান মজুরি কাঠামো ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে চরম সংকটে রয়েছেন।তিনি আজ বাদ মাগরিব চট্টগ্রামের জামালখানস্থ মহানগর কার্যালয়ে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরের মাসিক সেক্টর দায়িত্বশীল বৈঠকে সভাপতির উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন।এস এম লুৎফর রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা এবং এক ধাপে শতভাগ বাস্তবায়ন করা। কিন্তু সরকার একদিকে কার্যকরের সময় পিছিয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্মচারীদের ন্যায্য প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করেছে। দ্রুত গেজেট প্রকাশ করে এক ধাপে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।তিনি বলেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত নয়। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে শ্রমিক পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ এবং শ্রম আইনে খর্ব হওয়া অধিকার পুনর্বহাল না করলে শিল্পখাতে অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পাবে।এস এম লুৎফর রহমান আরও বলেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থে শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্র গড়তে চায়, তাহলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের জন্যও যুগোপযোগী মজুরি কাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা ও শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় মূল্যস্ফীতি ও বৈষম্যের কারণে শ্রমজীবী মানুষের অসন্তোষ আরও তীব্র হবে, যা দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতের জন্য শুভ হবে না।মহানগর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ-সভাপতি নজির হোসেন ও মকবুল আহমেদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মজুমদার, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শিহাব উল্লাহ , কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুন্নবী ও প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহীম মানিক প্রমুখ।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

নারায়ণগঞ্জের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম পুনরায় সচল ও নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কলেজ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।আবেদনে ক্যারিয়ার ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব ও ইংরেজি ক্লাবসহ কলেজের অন্যান্য সকল ক্লাবের কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর জোর দাবি জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনে উল্লেখ করেন, সরকারি তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের বিকাশে বিভিন্ন ক্লাব সবসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ বা সীমিত আকারে থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা বিকাশের বড় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কেবল শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই একজন শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ধরনের ক্লাব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়াতে সাহায্য করে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে।”শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার স্বার্থে বন্ধ থাকা ক্লাবগুলোর কার্যক্রম অতিদ্রুত চালু এবং নিয়মিত পরিচালনার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, কলেজ প্রশাসন তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও অভিভাবকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে "মা সমাবেশ"

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও অভিভাবকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে "মা সমাবেশ"

কুতুব আইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও অভিভাবকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে "মা সমাবেশ" অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১৩ জুলাই  কুতুব আইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন।এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন  একটি শিশুর শিক্ষার ভিত্তি গড়ে ওঠে পরিবার থেকে। মায়েরাই হচ্ছেন শিশুর প্রথম শিক্ষক। আপনারা যদি সন্তানের পড়াশোনার প্রতি যত্নবান হন, নিয়মিত স্কুলে পাঠান এবং বাড়িতে পড়ার পরিবেশ তৈরি করেন, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান অনেক গুণ বেড়ে যাবে। সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিনামূল্যে বই, উপবৃত্তি, উন্নত অবকাঠামো সহ নানা সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এসবের সুফল তখনই পাওয়া যাবে যখন শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা একসাথে কাজ করবে। আমি প্রতিটি মাকে অনুরোধ করব, আপনার সন্তান স্কুলে কী শিখছে তা প্রতিদিন খোঁজ নিন। বই-খাতা ঠিকমতো আছে কিনা, হোমওয়ার্ক করছে কিনা তা দেখুন। শিশুকে মোবাইল-টিভির প্রতি আসক্ত না করে বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলুন। কুতুব আইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি আদর্শ বিদ্যালয়। এখানকার শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। আপনারা (অভিভাবকরা) সহযোগিতা করলে এই বিদ্যালয় থেকে ভবিষ্যতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী বের হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, এবং বিপুল সংখ্যক অভিভাবক মায়েরা উপস্থিত ছিলেন।

টানা বর্ষণে পানির নিচে বন্দরের ঐতিহ্যবাহী রামনগর স্কুল: চরম দুর্ভোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

টানা বর্ষণে পানির নিচে বন্দরের ঐতিহ্যবাহী রামনগর স্কুল: চরম দুর্ভোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

​টানা বর্ষণে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ২৬নং ওয়ার্ডের ১নং ঢাকেশ্বরী এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী '২২নং রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়' প্রাঙ্গণ ও শ্রেণীকক্ষ পানিতে তলিয়ে গেছে। ১৩ জুলাই সোমবার সকালে গেলে দেখা যায় বিদ্যালয়ের মাঠ ও বারান্দা ছাড়িয়ে মূল প্রবেশদ্বার দিয়ে শ্রেণীকক্ষের ভেতরে পানি প্রবেশ করায় চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরেই ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা বিরাজ করছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এবারের টানা বর্ষণে পরিস্থিতি আরও নাজুক আকার ধারণ করেছে। মাঠ ও বারান্দা উপচে নোংরা পানি এখন সরাসরি শ্রেণীকক্ষের ভেতর ঢুকে পড়েছে, যার ফলে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।​শ্রেণীকক্ষের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমভাবে বাড়ছে। চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের আশঙ্কায় ভুগছেন অভিভাবকরা। ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির কারণে বিদ্যালয়ে শিশুদের পাঠানোই এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলে জানান তারা। ​"সামান্য বৃষ্টি হলেই স্কুল প্রাঙ্গণে পানি জমে যায়। আর এবার তো ক্লাসরুমের ভেতরেই পানি ঢুকে গেছে। নোংরা পানির কারণে বাচ্চাদের অসুখ-বিসুখ হওয়ার ভয়ে আমরা আতঙ্কে আছি।"​বিদ্যালয়ের এই নজিরবিহীন জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসন করে শিক্ষার স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তারা জানান, এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্থায়ী সংস্কার করা না হলে প্রতি বছরই ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এমন দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

নারায়ণগঞ্জের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম পুনরায় সচল ও নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কলেজ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।আবেদনে ক্যারিয়ার ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব ও ইংরেজি ক্লাবসহ কলেজের অন্যান্য সকল ক্লাবের কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর জোর দাবি জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনে উল্লেখ করেন, সরকারি তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের বিকাশে বিভিন্ন ক্লাব সবসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ বা সীমিত আকারে থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা বিকাশের বড় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কেবল শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই একজন শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ধরনের ক্লাব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়াতে সাহায্য করে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে।”শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার স্বার্থে বন্ধ থাকা ক্লাবগুলোর কার্যক্রম অতিদ্রুত চালু এবং নিয়মিত পরিচালনার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, কলেজ প্রশাসন তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

নারায়ণগঞ্জের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম পুনরায় সচল ও নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কলেজ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।আবেদনে ক্যারিয়ার ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব ও ইংরেজি ক্লাবসহ কলেজের অন্যান্য সকল ক্লাবের কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর জোর দাবি জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনে উল্লেখ করেন, সরকারি তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের বিকাশে বিভিন্ন ক্লাব সবসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ বা সীমিত আকারে থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা বিকাশের বড় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কেবল শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই একজন শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ধরনের ক্লাব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়াতে সাহায্য করে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে।”শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার স্বার্থে বন্ধ থাকা ক্লাবগুলোর কার্যক্রম অতিদ্রুত চালু এবং নিয়মিত পরিচালনার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, কলেজ প্রশাসন তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে সফল শিক্ষা সফর ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে সফল শিক্ষা সফর ২০২৬

জ্ঞানের অন্বেষণ, ইতিহাসের অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিক চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানার উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘শিক্ষা সফর ২০২৬’। ‘স্মৃতির পাতায় অমলিন’ শিরোনামের এই সফরে অর্ধশতাধিক তরুণ নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।সফরের বিবরণ: নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জামাল হোসাইনের গতিশীল নেতৃত্বে সফরকারী দলটি বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করে। সফরের অংশ হিসেবে তারা বাগেরহাটের ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও ইসলাম প্রচারক হযরত খান জাহান আলী (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তরুণরা প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী ও ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর প্রতিনিধি দলটি পিরোজপুর জেলায় অবস্থিত ‘আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ফাউন্ডেশন’ পরিদর্শন করে।সমাপনী ও লক্ষ্য: সফরের শেষ পর্যায়ে সমাপনী বক্তব্যে সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির মাহবুব আলম বলেন, “এই সফর কেবল চিত্তবিনোদনের জন্য নয়, বরং নিজের শেকড় ও ইতিহাসকে জানার জন্য। তরুণ সমাজকে আগামী দিনে দেশ, সমাজ ও ইসলামের কল্যাণে যোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে।” অনুষ্ঠানে তার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করা হয়, যেখানে সফরের লক্ষ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।অংশগ্রহণকারীদের প্রতিক্রিয়া: সফরে অংশগ্রহণকারী তরুণ নেতাকর্মীদের মতে, এই সফর তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও নৈতিক মানদণ্ড সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। ইতিহাসকে কাছ থেকে জানার এই সুযোগ তাদের দেশপ্রেম ও আদর্শিক দৃঢ়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা সত্যিই তাদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
পানিবন্দী মানুষের পাশে ডিসি জাহিদ: খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে দুর্গত এলাকায়

পানিবন্দী মানুষের পাশে ডিসি জাহিদ: খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে দুর্গত এলাকায়

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানির নিচে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সাতকানিয়া উপজেলায়। পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগের মধ্যে কার্যালয়ে বসে নির্দেশনা দেওয়ার বদলে দুর্গত মানুষের দুয়ারে পৌঁছে গেলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। সঙ্গে ছিল জরুরি শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসামগ্রী।শুক্রবার তিনি সাতকানিয়া উপজেলার বন্যাকবলিত ঢেমশা ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ৮০০ পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণ বিতরণ করেন। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল এক কেজি করে মুড়ি, চিড়া ও চিনি, দুটি বিস্কুটের প্যাকেট, দুই লিটার বিশুদ্ধ পানি, চারটি মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামানসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জেলা প্রশাসক জানান, দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধারকাজ চালাতে জেলা প্রশাসনের অনুরোধে শনিবার থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধার অভিযানে নামছে। কোন উপজেলায় কতটি স্পিডবোট প্রয়োজন এবং কোন এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সেনাবাহিনীকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।তিনি বলেন, টানা প্রায় পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িসহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া উপজেলা। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের সবকটিই পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শুধু এ উপজেলাতেই চার লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী।জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলা ও মহানগরের ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। বর্তমানে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবার পানিবন্দী এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০। পাহাড়ধস, দেয়ালধস ও পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন পাঁচজন।জেলা প্রশাসক বলেন, অনেক এলাকায় সাধারণ নৌকাও পৌঁছাতে পারছে না। তাই দুর্গম এলাকায় স্পিডবোট ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হবে। উদ্ধার হওয়া মানুষের জন্য জেলার ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ২৩ হাজার ৮৫০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবারেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।তিনি জানান, বন্যার্তদের জন্য এ পর্যন্ত ৭০০ মেট্রিক টন চাল ও ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৩ লাখ টাকা, ২২ হাজার ২৫০টি শুকনো খাবারের প্যাকেট এবং ৯ হাজার ৮০০টি রান্না করা খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে বর্তমানে আরও ৪০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৭ লাখ টাকা জরুরি ত্রাণ হিসেবে মজুত রয়েছে।সাতকানিয়ার জন্য ইতিমধ্যে ৯ লাখ টাকা ও ২৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নগুলোতে ওই চাল দিয়ে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। জেলার অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাতেও একই কার্যক্রম চলছে। সাতকানিয়ার পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের পর চট্টগ্রামের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাসও পাওয়া গেছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।বন্যাকবলিত সাতকানিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছে। সন্দ্বীপে সহায়তা করছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। পাশাপাশি পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকেরা উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিনেও সবাইকে মাঠে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জলাবদ্ধতার কারণ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, শুধু খাল দখল নয়, খালে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণেও পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। খাল পরিষ্কার করতে গিয়ে ফ্রিজ, জাজিমসহ নানা ধরনের বর্জ্য পাওয়া যাচ্ছে। খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত আরও কমলে পাহাড়ি ঢলের পানিও নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে শনিবার সাংগু নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে স্লুইস গেট ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা সচল রাখতে কাজ চলছে।বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় মেডিকেল টিম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।প্রাথমিক হিসাবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ২০টি সড়কের ৫০ দশমিক ৫৬ কিলোমিটার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তথ্য অনুযায়ী, জেলার ৫১৪টি সড়কের ২৪৭ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার অংশ এবং ১৭৬টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “সরকার ও জেলা প্রশাসন বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত আছে। উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সব বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতির সম্পূর্ণ উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”তিনি বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

কোন পোস্ট নেই !
সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

সরকারি তোলারাম কলেজে স্থবির ক্লাব কার্যক্রম সচলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আবেদন

নারায়ণগঞ্জের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজে দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম পুনরায় সচল ও নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কলেজ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।আবেদনে ক্যারিয়ার ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব ও ইংরেজি ক্লাবসহ কলেজের অন্যান্য সকল ক্লাবের কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর জোর দাবি জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনে উল্লেখ করেন, সরকারি তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের বিকাশে বিভিন্ন ক্লাব সবসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ বা সীমিত আকারে থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা বিকাশের বড় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কেবল শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই একজন শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ধরনের ক্লাব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়াতে সাহায্য করে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে।”শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার স্বার্থে বন্ধ থাকা ক্লাবগুলোর কার্যক্রম অতিদ্রুত চালু এবং নিয়মিত পরিচালনার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা আহ্বান জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, কলেজ প্রশাসন তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখেন, অনেক ঘরবাড়ি এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।উল্লেখ্য, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।এছাড়াও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবেন। আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমীর জনাব আনোয়ারুল আলম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপিসহ মহানগরী ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চায় পরিবার

সাধারণ চিকিৎসার জন্য এসে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অদক্ষ নার্স ও কর্মীদের ভুলে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ১৬ মাস বয়সী শিশু রাইয়ান। অদক্ষ হাতে রক্ত নেওয়ার চেষ্টার ফলে শিশুটির হাতের রক্তনালী বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেলের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে।ঘটনার বিবরণ: ভুক্তভোগী শিশুর চাচা কাজী জহির রায়হান জানান, গত কয়েকদিন আগে সামান্য মাথার ফোড়ার চিকিৎসার জন্য ডা. শফিউল আলমের কাছে রাইয়ানকে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো করার জন্য তারা চাষাড়ার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। সেখানে দায়িত্বরত নার্সরা অদক্ষতার চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেন। শিশুটির কোমল হাতে বারবার সুই ফুটিয়েও তারা রক্ত সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হন এবং দীর্ঘসময় ধরে অমানবিক কষ্ট দেন।অবহেলার ভয়াবহ পরিণাম: বাসায় ফেরার পর রাইয়ানের ডান হাত অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যেতে শুরু করে এবং প্রচণ্ড যন্ত্রণায় শিশুটি সারারাত কান্নাকাটি করে। পরের দিন রিপোর্টসহ ডা. শফিউল আলমকে দেখালে তিনি শিশুটির হাতের অবস্থা দেখে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। এমনকি তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে এই ধরনের জটিলতার চিকিৎসা সম্ভব নয়।পরিবার তাকে দ্রুত শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু সিট খালি না থাকায় শেষ পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঢামেকের চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, ভুলভাবে রক্ত নেওয়ার চেষ্টার ফলে শিশুটির কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত রক্ত সঞ্চালনের প্রধান রক্তনালী বন্ধ হয়ে গেছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় জরুরিভিত্তিতে তার অপারেশন করা হয়। শিশুটি এখনো ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন।ক্ষোভ ও দাবি: শিশুটির পরিবার এ ঘটনার জন্য পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অদক্ষ কর্মী এবং কর্তৃপক্ষের চরম দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কোনো দোষ নেই, বরং পপুলার কর্তৃপক্ষের অদক্ষ লোকবল নিয়োগ এবং সেবার নামে অবহেলাই রাইয়ানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের দাবি: ১. ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ। ২. অদক্ষ কর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ শাস্তির নিশ্চয়তা। ৩. শিশুটির চিকিৎসার সমুদয় খরচ বহনসহ পপুলার কর্তৃপক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান।কাজী জহির রায়হান বলেন, "আমি গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার নিষ্পাপ ভাতিজা যেন বিচার পায় এবং এমন অদক্ষ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।"

জুলাই শহীদদের স্মরণে নাসিক ১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

শহীদদের স্মরণে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর এবং জামায়াত-সমর্থিত নাসিক মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি আয়োজকদের প্রশংসা করে বলেন, “১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আল্লাহ তা'আলা যেন তাদের এ খেদমত কবুল করেন। মানুষের সেবায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকুক, সেই দোয়া করি।”সভাপতির বক্তব্যে ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. খোরশেদ আলম বলেন, “ওয়ার্ডবাসীর প্রয়োজনেই আমাদের এ আয়োজন। যারা অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না, তাদের জন্য এটি একটি ছোট্ট প্রয়াস। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। জনগণ আমাদের সেবার সুযোগ দিলে ওয়ার্ডভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করব। আমরা সমাজকে মাদকমুক্ত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা সবসময় পাশে থাকব।”বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ। তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের শিক্ষা। কোরআন-হাদিসের আলোকে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত মহৎ। ১১ নম্বর ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামকে ধন্যবাদ জানাই।”আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তল্লা বড় জামে মসজিদের সভাপতি সমশের আলী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামী কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, উত্তর থানা আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এবং উত্তর থানা সেক্রেটারি আব্দুর রহিম। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন কাজী মো আবুল হোসেন।মেডিকেল ক্যাম্পে ছয়জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ প্রদান করেন। তারা হলেন—ডা. আলী আশরাফ খান (চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ), ডা. মো. শাহজালাল সুমন (অর্থোপেডিক), ডা. আশিকুর রহমান মৃদুল, ডা. ইব্রাহীম খলিল, ডা. হারুন আর রশীদ চৌধুরী এবং দন্ত চিকিৎসক ডা. আবু নাঈম (মো. ইব্রাহীম)।দিনব্যাপী আয়োজিত এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে -আব্দুল মোমিন

ডেঙ্গু জ্বর ও হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফতুল্লা এনায়েতনগর ইউনিয়নের উদ্যোগে শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম মাসদাইর খানকার মোড় এলাকায় বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন। তিনি বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত না হলে সমাজ থেকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। কোনো ধর্মই মানুষকে অন্যায়, অত্যাচার, দুর্নীতি বা রাহাজানির শিক্ষা দেয় না। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।সম্প্রতি মাসদাইর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. কামরুল হাসান শাকিল।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ করা হয় এবং ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।কর্মসূচিতে হাজি মো. কামাল হোসেন, সেলিম হোসেন বাচ্চু, বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম আবদুল হালিম, সাইফুল ইসলাম সায়েম, সানাউল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।