ঢাকা   শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

গৌরবের ৩ বছর পূর্ণ করল ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’

পটুয়াখালীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পর্যটন, উন্নয়ন এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডকে দেশ ও বিদেশের আঙিনায় তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’ আজ সাফল্যের সাথে তার পথচলার তৃতীয় বছর পূর্ণ করেছে।২০২৩ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মটি গত তিন বছরে জেলার সৌন্দর্য, সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন অর্জনকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এক নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সাধারণ মানুষের গভীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ ঘোষণাপ্ল্যাটফর্মটির অ্যাডমিন প্যানেল জানিয়েছে, আগামী ৭ আগস্ট ২০২৬ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এই মহতী আয়োজনকে সফল করতে ইতিমধ্যে একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ‘জুলাই স্মৃতি ফটো কনটেস্ট–২০২৬’, যা পটুয়াখালীর সৌন্দর্যকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে।অ্যাডমিন প্যানেলের বার্তা: "গত তিন বছরের পথচলায় যারা আমাদের সাথে ছিলেন, অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন এবং আমাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে পাশে দাঁড়িয়েছেন—তাদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পটুয়াখালীর ইতিবাচক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ভবিষ্যতেও আপনাদের এমন সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।"প্রত্যাশা ও শুভকামনাপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে প্ল্যাটফর্মটির সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং পটুয়াখালীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। পটুয়াখালীর গৌরবময় ইতিহাস ও অপার সম্ভাবনাকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে ‘প্রাণবন্ত জেলা পটুয়াখালী’র আগামী দিনগুলো আরও সমৃদ্ধ ও সফল হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার সচেতন মহল।

কক্সবাজারে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মাসিক কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সুপার সিক্সটিনে মেসির আর্জেন্টিনা -মিশরকে হারিয়ে উঠবে কি কোয়ার্টার ফাইনালে?

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাংবাদিক কিবরিয়ার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে টানা বর্ষণে ৩টি ওয়ার্ডে তীব্র জলাবদ্ধতা

বন্দরে টানা বর্ষণে ৩টি ওয়ার্ডে তীব্র জলাবদ্ধতা

হ্নীলা মডেল ফারিয়ার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, মি. ঢাকা প্রতিযোগিতায় চতুর্থ হওয়ায় আমির আলীকে সংবর্ধনা

হ্নীলা মডেল ফারিয়ার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, মি. ঢাকা প্রতিযোগিতায় চতুর্থ হওয়ায় আমির আলীকে সংবর্ধনা

হ্নীলা বাজারে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক বাণিজ্যিক ভবন নূর মোহাম্মদ টাওয়ার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে আহ্বান

হ্নীলা বাজারে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক বাণিজ্যিক ভবন নূর মোহাম্মদ টাওয়ার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে আহ্বান

আশ্রয়ন নয় এটাকে আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে- মামুন মাহামুদ

আশ্রয়ন নয় এটাকে আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে- মামুন মাহামুদ

কাশীপুর কর্মী সম্মেলনে শেখ শাব্বীর আহমাদকে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

কাশীপুর কর্মী সম্মেলনে শেখ শাব্বীর আহমাদকে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

১১ জুলাই ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই, সেমিফাইনালে কারা যাবে?

১১ জুলাই ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই, সেমিফাইনালে কারা যাবে?

মানবতার কল্যাণে নিজেদেরকে নৈতিক আদর্শিকভাবে গড়ে তুলতে হবে- আবদুর রব

মানবতার কল্যাণে নিজেদেরকে নৈতিক আদর্শিকভাবে গড়ে তুলতে হবে- আবদুর রব

প্রবীণ শিক্ষককে অন্যায়ভাবে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে উত্তাল দেওভোগ জামিয়ার শিক্ষার্থীরা

প্রবীণ শিক্ষককে অন্যায়ভাবে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে উত্তাল দেওভোগ জামিয়ার শিক্ষার্থীরা

জুলাই শহীদদের স্মরণে নাসিক ১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

জুলাই শহীদদের স্মরণে নাসিক ১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

জনগণের আস্থা অর্জন করে বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়তে বদ্ধপরিকর- মিজানুর রহমান মুন্সি

জনগণের আস্থা অর্জন করে বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়তে বদ্ধপরিকর- মিজানুর রহমান মুন্সি

গণগ্রন্থাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছেন- আনিসুল ইসলাম সানি

নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অডিটরিয়াম সংস্কার, লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মনীষ চাকমার সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।​০৬ জুলাই ২০২৬ ইং  সোমবার মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন আহবায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুল ইসলাম সানি।​আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পাঠকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:​অডিটরিয়াম সংস্কার: গ্রন্থাগারের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ অডিটরিয়ামটিকে আধুনিক ও ব্যবহারোপযোগী করার জন্য দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়।​এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) স্থাপন: তীব্র গরমে পাঠকদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনের তাগিদ দেওয়া হয়।​আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধান: গ্রন্থাগারের পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, বইয়ের আধুনিক ক্যাটালগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাসহ অন্যান্য বিদ্যমান সমস্যাগুলো মহাপরিচালকের নিকট তুলে ধরা হয়।​আলোচনা শেষে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমা উত্থাপিত সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন এবং পাঠকদের সুবিধার্থে অডিটরিয়াম সংস্কার ও লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনসহ অন্যান্য যৌক্তিক সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।​বৈঠক শেষে আনিসুল ইসলাম সানি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সংস্কার কাজগুলো সম্পন্ন হলে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকরা একটি আধুনিক ও চমৎকার পরিবেশে জ্ঞানচর্চার সুযোগ পাবেন।

কাশীপুর কর্মী সম্মেলনে শেখ শাব্বীর আহমাদকে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

"মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত নিরাপদ কাশীপুর গড়ার প্রত্যয়" এই স্লোগানে আজ শুক্রবার বিকাল ৪টায় ফতুল্লার কাশীপুরের ভোলাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক বিশাল 'কর্মী সম্মেলন-২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে।​খেলাফত মজলিস কাশীপুর ইউনিয়ন শাখা সভাপতি আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ।​সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আহমদ আলী, নারায়ণগঞ্জ মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা সভাপতি খন্দকার হাফেজ আওলাদ, ফতুল্লা থানা সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের ফতুল্লা থানা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরীফ মাহমুদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুল আলম, ইসলামী ছাত্র মজলিসের জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ, প্রমুখ। ​বক্তাগণ কাশীপুরকে অপরাধমুক্ত, নিরাপদ ও একটি আদর্শ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে এবং সৎ ও আদর্শবান নেতা নির্বাচনের আহ্বান জানান। সম্মেলনে সিরাজুল মামুন আসন্ন কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদকে ঘোষণা করেন। এসময় কাশীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনতা উপস্থিত ছিলেন।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

প্রবীণ শিক্ষককে অন্যায়ভাবে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে উত্তাল দেওভোগ জামিয়ার শিক্ষার্থীরা

প্রবীণ শিক্ষককে অন্যায়ভাবে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে উত্তাল দেওভোগ জামিয়ার শিক্ষার্থীরা

নারায়ণগঞ্জের জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলূম দেওভোগ মাদ্রাসাকে ঘিরে সম্প্রতি সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা। মুহতামিমের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, হঠকারী সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক অনিয়ম এবং প্রবীণ উস্তাদদের অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সদ্য অব্যাহতি পাওয়া মুহতামিম আবু তাহের জিহাদি দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার প্রবীণ উস্তাদদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোণঠাসা করে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাতে অব্যাহতির ভয় দেখিয়ে তাদের নীরব থাকতে বাধ্য করা হতো বলেও একাধিক সূত্র জানায়। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সরব ছিলেন মুফতি হারুনুর রশিদ।গত ৩০ জুন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে মুফতি হারুনুর রশিদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট অনেকের দাবি, অভিযোগগুলো ছিল ভিত্তিহীন। এ ঘটনার পর থেকেই মাদ্রাসার অভ্যন্তরে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।এর প্রায় পাঁচ দিন পর মুহতামিম আবু তাহের জিহাদি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শিক্ষক—মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা জুবায়ের, মাওলানা এমদাদ ও মাওলানা মাজহার—একের পর এক এমন কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় মাদ্রাসার কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষক, নাজেমে তা'লিমাত এবং একাধিক সিনিয়র উস্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণও করা হয়।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন মুহতামিমের স্বাক্ষরযুক্ত একাধিক প্রবীণ উস্তাদের অব্যাহতির নোটিশ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয় এবং মাদ্রাসার অভ্যন্তরে শুরু হয় গণআন্দোলন।আন্দোলনের একপর্যায়ে মুহতামিম আবু তাহের জিহাদি নিজের অব্যাহতির পত্রে স্বাক্ষর করে তাৎক্ষণিকভাবে মাদ্রাসা ত্যাগ করেন। তাঁকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠান ছাড়ার জন্য ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীরা। তবে অভিযোগ রয়েছে, অব্যাহতির পরও তিনি বিভিন্ন মহলের সহায়তায় মাদ্রাসায় পুনরায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এখনো তাদের এক দফা দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তাদের বক্তব্য, অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া প্রবীণ উস্তাদদের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মাদ্রাসায় স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক প্রশাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না।ন্যায়বিচার ও প্রিয় উস্তাদদের সম্মান রক্ষার দাবিতে দেওভোগ জামিয়ার শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। নানা চাপ, ভয়ভীতি ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তারা তাদের দাবি থেকে একচুলও পিছিয়ে যায়নি। শিক্ষার্থীদের দৃঢ় বিশ্বাস—সত্য ও ন্যায়ের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। আর সেই বিশ্বাসকে বুকে ধারণ করেই তারা শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও অদম্য মনোবল নিয়ে তাদের ন্যায্য দাবির আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে।

তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসায় ফল প্রকাশ পুরস্কার বিতরণী ও মোড়ক উন্মোচন

তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসায় ফল প্রকাশ পুরস্কার বিতরণী ও মোড়ক উন্মোচন

সোহার্দ্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসা সিদ্ধিরগঞ্জ চিটাগাং রোড শাখার উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী এবং একটি নতুন শিশুতোষ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।​বুধবার (৮ জুলাই) সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এই ত্রিবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, নাসিক মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও নৈতিক চরিত্র গঠনে মাদ্রাসার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে কোমলমতি শিশুদের মননশীলতা বাড়াতে মানসম্মত বই পড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।​অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনির হোসাইন হেলালীর লেখা নতুন শিশুতোষ বই "পরিবর্তন"-এর মোড়ক উন্মোচন। প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত বিশেষ অতিথিবৃন্দ অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন এবং এর বহুল প্রচার ও সাফল্য কামনা করেন।​অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে আরও উপস্থিত ছিলেন (বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক এবং ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী) মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, (বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ১ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী) ​আলহাজ্ব কফিল আহমেদ।  ​অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে মেধা পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ মাদরাসা ইস্যুতে ক্লিয়ার করলেন শিক্ষার্থী

নারায়ণগঞ্জ দেওভোগ মাদরাসা ইস্যুতে ক্লিয়ার করলেন শিক্ষার্থী

সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ মাদরাসাকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি। একজন বর্তমান শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের অবস্থান ও ঘটনার ধারাবাহিকতা তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করছি।গত ৩০ জুন মাদরাসার নির্বাহী পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের জানা মতে, ওই বৈঠকে মুহতামিম ও মাওলানা হারুনুর রশীদ সাহেবের মধ্যকার বি-রো-ধ নিয়ে আলোচনা হয়। একপর্যায়ে সভাপতি মাদরাসার প্রতিনিধি তিনজন শিক্ষককে বৈঠক থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। পরে বৈঠকে মাওলানা হারুনুর রশীদ সাহেবকে মাদরাসা এবং মসজিদের খতিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।আমাদের জানা মতে, এই সিদ্ধান্তের পক্ষে উপস্থাপিত অ-ভিযোগের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও উপস্থাপনে মাওলানা ফেরদাউসসহ কয়েকজন ভূমিকা পালন করেন।অব্যাহতির পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে মাদরাসার অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা হয়েছে বলে আমরা দেখেছি। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, কোনো উসকানিতে ছাত্ররা সাড়া দেয়নি। শত চেষ্টা করেও কাউকে বিশৃঙ্খলার পথে নামানো সম্ভব হয়নি।কিন্তু হারুন সাহেবকে অব্যাহতির প্রায় পাঁচ দিন পর আমরা লক্ষ্য করি, মুহতামিম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শিক্ষক একের পর এক এমন কিছু পদক্ষেপ নিতে থাকেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। আমাদের দৃষ্টিতে, মাদরাসার পরিচালনায় একক সিদ্ধান্তের প্রবণতা বাড়তে থাকে এবং কিছু জুনিয়র শিক্ষক নাজেমে তা'লিমাতসহ কয়েকজন সিনিয়র উস্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বিষয়টি এখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।পরবর্তীতে একের পর এক সিনিয়র উস্তাদকে অব্যাহতি দেওয়ার নোটিশ, যাতে মুহতামিমের স্বাক্ষর ছিল, শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যায়। এই নোটিশই আজকের ছাত্র আন্দোলনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নোটিশটি দেখার পর ছাত্রদের মধ্যে তীব্র ক্ষো-ভের সৃষ্টি হয়।আমরা অব্যাহতি পাওয়া উস্তাদদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তাঁদের কষ্ট, বেদনা ও চোখের অশ্রু আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। আমাদের অনুভূতি ছিল, তাঁরা মানসিকভাবে অত্যন্ত চাপে ছিলেন।এরই প্রতিবাদে আজ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা মুহতামিমসহ সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগ, অব্যাহতি পাওয়া সিনিয়র উস্তাদদের পুনর্বহাল এবং মাদরাসায় ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবিতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।এ সময় বহিরাগত কিছু ব্যক্তি মাদরাসায় প্রবেশের চেষ্টা করে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। তবে শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে এবং কোনো ধরনের সংঘাতে জড়ায়নি। বিভিন্ন দিক থেকে কর্মসূচি প্রত্যাহারের চাপ থাকলেও ছাত্ররা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবিতে অটল ছিল।ঘটনার পর সারাদেশে এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। দুঃখজনকভাবে, পুরো ঘটনা না জেনেই অনেকে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিষয়টিকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেছেন। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই আন্দোলনের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা দলের সম্পৃক্ততা নেই।পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাদরাসায় উপস্থিত হন মুফতি মনির কাসেমী, এলাকার জাকির খান, ফেরদাউসসহ বিএনপির মহানগরীর কয়েকজন নেতা। দীর্ঘ আলোচনার পর আমাদের জানানো হয় যে, মাওলানা হারুনুর রশীদ সাহেবকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হবে এবং পরিচালনা পরিষদ আগামী তিন দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।পরিশেষে, আমরা আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই—দেওভোগ মাদরাসার শিক্ষার্থীরা কারো উসকানিতে কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিলের জন্য মাঠে নামেনি। আমরা শুধুমাত্র আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান, সম্মানিত সিনিয়র উস্তাদদের মর্যাদা এবং মাদরাসার ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ রক্ষার দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছি।আল্লাহ তাআলা আমাদের মাদরাসায় ন্যায়, ইনসাফ, ঐক্য ও শান্তি ফিরিয়ে দিন। আমীন।— মুহাম্মদ নাজমুল হুদা রনিশিক্ষার্থী, দেওভোগ মাদরাসা, নারায়ণগঞ্জ

হ্নীলা মডেল ফারিয়ার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, মি. ঢাকা প্রতিযোগিতায় চতুর্থ হওয়ায় আমির আলীকে সংবর্ধনা

টেকনাফের হ্নীলা মডেল ফারিয়ার মাসিক সভা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ফারিয়ার যুগ্ম সম্পাদক মোকতার হোছাইন বাপ্পি। সভাপতিত্ব করেন হ্নীলা মডেল ফারিয়ার সভাপতি মোকতার হোছাইন সোহেল।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোস্তাক আহমদ ও সাইফুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হ্নীলা মডেল ফারিয়ার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন।সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ। এ সময় হ্নীলা মডেল ফারিয়ার কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন দায়িত্বশীল সদস্য এবং সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সভা শেষে হ্নীলা মডেল ফারিয়ার সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আমির আলীকে ‘মি. ঢাকা’ বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।বক্তারা আমির আলীর এ অর্জনকে হ্নীলার জন্য গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে তাঁর ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে হ্নীলা মডেল ফারিয়ার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সংঘাত নয়, সম্প্রীতির সমাজ গঠনে দিরাই পিএফজির সভা অনুষ্ঠিত

সংঘাত নয়, সম্প্রীতির সমাজ গঠনে দিরাই পিএফজির সভা অনুষ্ঠিত

‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় দিরাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভার আয়োজন করা হয়। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপএস (MIPS) প্রকল্পের সহযোগিতায় পিএফজি এই সভার আয়োজন করে।দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছবি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং পিএফজি’র সমন্বয়কারী সামছুল ইসলাম সরদার খেজুরের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কুদরত পাশা।সভায় বক্তারা পিএফজির কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করে বলেন, অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী, সহনশীল ও মানবিক সমাজ এবং রাষ্ট্র বিনির্মাণে পিএফজি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ, সহিংসতা নিরসন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা রোধেও সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ধল পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা, পিস ইভেন্ট এবং ওয়াইপিএজি’র (YPAG) ফলো-আপ সভার আয়োজন করা হবে।পরিকল্পনা সভায় আলোচনায় অংশ নেন পিএফজি সদস্য শাহ আলম, আলী আহমদ খান, সালাহ উদ্দিন তালুকদার, সৈদুর রহমান তালুকদার, জুয়েল আহমদ, মজিদা খাতুন, শাম্মি আক্তার, সুলতানা রাজিয়া, লিলি বেগম, রুপিয়া বেগম, হাফসা বেগম, পারভীন বেগম; ওয়েভ সদস্য ফরিদা আক্তার, অপি সরকার, রাহেলা বেগম এবং ওয়াইপিএজি’র লিপিকা বর্মন ও দূরপতি নন্দী প্রমুখ।বক্তারা সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যা দূর করে দিরাই উপজেলায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

গণগ্রন্থাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছেন- আনিসুল ইসলাম সানি

গণগ্রন্থাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছেন- আনিসুল ইসলাম সানি

নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অডিটরিয়াম সংস্কার, লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মনীষ চাকমার সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।​০৬ জুলাই ২০২৬ ইং  সোমবার মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন আহবায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুল ইসলাম সানি।​আলোচনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পাঠকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:​অডিটরিয়াম সংস্কার: গ্রন্থাগারের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ অডিটরিয়ামটিকে আধুনিক ও ব্যবহারোপযোগী করার জন্য দ্রুত সংস্কারের দাবি জানানো হয়।​এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) স্থাপন: তীব্র গরমে পাঠকদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনের তাগিদ দেওয়া হয়।​আনুষাঙ্গিক সমস্যা সমাধান: গ্রন্থাগারের পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, বইয়ের আধুনিক ক্যাটালগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাসহ অন্যান্য বিদ্যমান সমস্যাগুলো মহাপরিচালকের নিকট তুলে ধরা হয়।​আলোচনা শেষে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমা উত্থাপিত সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন এবং পাঠকদের সুবিধার্থে অডিটরিয়াম সংস্কার ও লাইব্রেরি কক্ষে এসি স্থাপনসহ অন্যান্য যৌক্তিক সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।​বৈঠক শেষে আনিসুল ইসলাম সানি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সংস্কার কাজগুলো সম্পন্ন হলে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকরা একটি আধুনিক ও চমৎকার পরিবেশে জ্ঞানচর্চার সুযোগ পাবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
আশ্রয়ন নয় এটাকে আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে- মামুন মাহামুদ

আশ্রয়ন নয় এটাকে আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে- মামুন মাহামুদ

ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সদর থানাধীন চর সৈয়দপুরে ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্প সংলগ্নে এ পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।চর সৈয়দপুর ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্পের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুর রহমান বাঙ্গালী'র সভাপতিত্বে ও-ই সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।প্রাসাদ নির্মান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলা যুব দলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি।প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন- যারা এখানে বসবাস করেন, তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে ভোটার হবেন। আমি এখানে এসে জানতে পেরেছি আপনারা জমির দলিল পাননি, অনেকে এখানকার ভোটার না। এখানে যেসকল সমস্যা যেমন- পানি, পয়ঃনিষ্কাশন সহ অন্যান্য সমস্যা দূরীকরণের কাজ করবো। এছাড়াও রাতের বেলা চলাচলের সুবিধার্থে সোলার লাইট লাগানোর ব্যবস্থা করা হবে। আশ্রয়ন প্রকল্প নয়, এটাকে আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।প্রধান বক্তা মশিউর রহমান রনি বলেন- ভূমিহীন আশ্রয়ন প্রকল্পে যেসকল সমস্যা রয়েছে, সেগুলো অতিসত্বর সমধানের জন্য ব্যবস্থা করা হবে। বিদুৎ, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন সহ সকল সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উক্ত পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে ও-ই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- এপিপি এড. মাহমুদুল হক আলমগীর, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ফতুল্লা থানার সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল, গোগনগর ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি আক্তার হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি মাসুদুর রহমান দুদু, আহম্মদ আলী, তাহের মাতবর, আক্তার হোসেন সহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মীরা।

কোন পোস্ট নেই !
সংঘাত নয়, সম্প্রীতির সমাজ গঠনে দিরাই পিএফজির সভা অনুষ্ঠিত

সংঘাত নয়, সম্প্রীতির সমাজ গঠনে দিরাই পিএফজির সভা অনুষ্ঠিত

‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় দিরাই উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভার আয়োজন করা হয়। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপএস (MIPS) প্রকল্পের সহযোগিতায় পিএফজি এই সভার আয়োজন করে।দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছবি চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং পিএফজি’র সমন্বয়কারী সামছুল ইসলাম সরদার খেজুরের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কুদরত পাশা।সভায় বক্তারা পিএফজির কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করে বলেন, অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী, সহনশীল ও মানবিক সমাজ এবং রাষ্ট্র বিনির্মাণে পিএফজি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ, সহিংসতা নিরসন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা রোধেও সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ধল পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা, পিস ইভেন্ট এবং ওয়াইপিএজি’র (YPAG) ফলো-আপ সভার আয়োজন করা হবে।পরিকল্পনা সভায় আলোচনায় অংশ নেন পিএফজি সদস্য শাহ আলম, আলী আহমদ খান, সালাহ উদ্দিন তালুকদার, সৈদুর রহমান তালুকদার, জুয়েল আহমদ, মজিদা খাতুন, শাম্মি আক্তার, সুলতানা রাজিয়া, লিলি বেগম, রুপিয়া বেগম, হাফসা বেগম, পারভীন বেগম; ওয়েভ সদস্য ফরিদা আক্তার, অপি সরকার, রাহেলা বেগম এবং ওয়াইপিএজি’র লিপিকা বর্মন ও দূরপতি নন্দী প্রমুখ।বক্তারা সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যা দূর করে দিরাই উপজেলায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি সরাসরি বন্যাকবলিত বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখেন, অনেক ঘরবাড়ি এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে এবং অসংখ্য পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস প্রদান করেন।উল্লেখ্য, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।এছাড়াও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করবেন। আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আমীর জনাব আনোয়ারুল আলম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম এমপিসহ মহানগরী ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

জুলাই শহীদদের স্মরণে নাসিক ১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

শহীদদের স্মরণে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর এবং জামায়াত-সমর্থিত নাসিক মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি আয়োজকদের প্রশংসা করে বলেন, “১১ নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আল্লাহ তা'আলা যেন তাদের এ খেদমত কবুল করেন। মানুষের সেবায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকুক, সেই দোয়া করি।”সভাপতির বক্তব্যে ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. খোরশেদ আলম বলেন, “ওয়ার্ডবাসীর প্রয়োজনেই আমাদের এ আয়োজন। যারা অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না, তাদের জন্য এটি একটি ছোট্ট প্রয়াস। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। জনগণ আমাদের সেবার সুযোগ দিলে ওয়ার্ডভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করব। আমরা সমাজকে মাদকমুক্ত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা সবসময় পাশে থাকব।”বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ। তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের শিক্ষা। কোরআন-হাদিসের আলোকে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত মহৎ। ১১ নম্বর ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামকে ধন্যবাদ জানাই।”আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তল্লা বড় জামে মসজিদের সভাপতি সমশের আলী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামী কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, উত্তর থানা আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এবং উত্তর থানা সেক্রেটারি আব্দুর রহিম। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন কাজী মো আবুল হোসেন।মেডিকেল ক্যাম্পে ছয়জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ প্রদান করেন। তারা হলেন—ডা. আলী আশরাফ খান (চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ), ডা. মো. শাহজালাল সুমন (অর্থোপেডিক), ডা. আশিকুর রহমান মৃদুল, ডা. ইব্রাহীম খলিল, ডা. হারুন আর রশীদ চৌধুরী এবং দন্ত চিকিৎসক ডা. আবু নাঈম (মো. ইব্রাহীম)।দিনব্যাপী আয়োজিত এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে -আব্দুল মোমিন

ডেঙ্গু জ্বর ও হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফতুল্লা এনায়েতনগর ইউনিয়নের উদ্যোগে শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম মাসদাইর খানকার মোড় এলাকায় বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন। তিনি বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত না হলে সমাজ থেকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। কোনো ধর্মই মানুষকে অন্যায়, অত্যাচার, দুর্নীতি বা রাহাজানির শিক্ষা দেয় না। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।সম্প্রতি মাসদাইর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. কামরুল হাসান শাকিল।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ করা হয় এবং ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।কর্মসূচিতে হাজি মো. কামাল হোসেন, সেলিম হোসেন বাচ্চু, বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম আবদুল হালিম, সাইফুল ইসলাম সায়েম, সানাউল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।