ঢাকা   শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

কল্যান্দী যুব সমাজের উদ্যোগে ৪র্থ তম ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে কল্যান্দী যুব সমাজের উদ্যোগে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ৪র্থ তম ক্রিকেট খেলার আয়োজন ও সমাপনী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এলাকার তরুণ ও যুবসমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার লক্ষ্যে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।​এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল খেলার মাঠ। টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শফিকুল ইসলাম জিতু।​খেলাটির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন শিশির। পুরো আয়োজনটির সভাপতিত্ব করেন আসাদুজ্জামান, যাঁর দিকনির্দেশনায় টুর্নামেন্টটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়।​উক্ত আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিউটি মেম্বার, খলিল ভাই, রমজান কাকা, আমির কাকা, সবুজ ভাই, দেলোয়ার ভাই সহ এলাকার স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও যুবসমাজের প্রতিনিধিরা।​টুর্নামেন্টটির সফল সমাপ্তি শেষে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে খেলায় অংশ নেওয়া সকল দল, খেলোয়াড় এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। বিশেষ করে, যেসকল প্রবাসী ভাইয়েরা এই আয়োজনে দূর প্রবাসে থেকেও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, তাদেরকে কমিটির পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।​খেলা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। যুব সমাজের এমন ইতিবাচক ও ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন নাগরিকবৃন্দ।

বন্দর হরিপুরে দ্বিতীয় দফায় অবৈধ চুন কারখানা গুঁড়িয়ে দিল তিতাস

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সাহিত্য ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নজরুল গবেষক হিসেবে ‘কামাল লোহানী স্মৃতি পদক’ অর্জন করেছেন কবি হুমায়ূন কবির।শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার ১০, শেখেরটেক মসজিদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বক্তৃতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শাখা-কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি শাহজাহান আবদালী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, সম্পাদক ও অধ্যাপক ড. শহীদুল্লাহ আনসারী। তিনি নজরুল গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কবি হুমায়ূন কবির-এর হাতে ‘কামাল লোহানী স্মৃতি পদক’ তুলে দেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, নজরুলচর্চা, গবেষণা এবং বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে গবেষকদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে। এ ধরনের সম্মাননা গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।পদকপ্রাপ্ত কবি হুমায়ূন কবির  এ সম্মাননার জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও কাজী নজরুল ইসলাম-এর জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গলাচিপায় ইয়াবাসহ ৪ মামলার আসামি তানভীর গ্রেপ্তার

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সাহিত্য ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নজরুল গবেষক হিসেবে ‘কামাল লোহানী স্মৃতি পদক’ অর্জন করেছেন কবি হুমায়ূন কবির।শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার ১০, শেখেরটেক মসজিদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বক্তৃতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শাখা-কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি শাহজাহান আবদালী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, সম্পাদক ও অধ্যাপক ড. শহীদুল্লাহ আনসারী। তিনি নজরুল গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কবি হুমায়ূন কবির-এর হাতে ‘কামাল লোহানী স্মৃতি পদক’ তুলে দেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, নজরুলচর্চা, গবেষণা এবং বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে গবেষকদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে। এ ধরনের সম্মাননা গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।পদকপ্রাপ্ত কবি হুমায়ূন কবির  এ সম্মাননার জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও কাজী নজরুল ইসলাম-এর জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জুলাই বিপ্লব বার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর সাহিত্য ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নজরুল গবেষক হিসেবে ‘কামাল লোহানী স্মৃতি পদক’ অর্জন করেছেন কবি হুমায়ূন কবির।শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার ১০, শেখেরটেক মসজিদ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বক্তৃতা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শাখা-কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি শাহজাহান আবদালী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, সম্পাদক ও অধ্যাপক ড. শহীদুল্লাহ আনসারী। তিনি নজরুল গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কবি হুমায়ূন কবির-এর হাতে ‘কামাল লোহানী স্মৃতি পদক’ তুলে দেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, নজরুলচর্চা, গবেষণা এবং বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে গবেষকদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে। এ ধরনের সম্মাননা গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।পদকপ্রাপ্ত কবি হুমায়ূন কবির  এ সম্মাননার জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও কাজী নজরুল ইসলাম-এর জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১১ দলীয় ঐক্যর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১১ দলীয় ঐক্যর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

যারা জুলাইকে বিচ্ছন্ন করে দিতে চায় সময়ের ব্যবধানে তারাই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে-  আবদুল জব্বার

যারা জুলাইকে বিচ্ছন্ন করে দিতে চায় সময়ের ব্যবধানে তারাই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে- আবদুল জব্বার

দেশের মঞ্চে হ্নীলার গর্ব: মি. ঢাকা জিম প্রতিযোগিতায় চতুর্থ আমির আলী

দেশের মঞ্চে হ্নীলার গর্ব: মি. ঢাকা জিম প্রতিযোগিতায় চতুর্থ আমির আলী

প্রথম অংশগ্রহণেই বাজিমাত: ‘মি. ঢাকা’ জিম প্রতিযোগিতায় চতুর্থ হ্নীলার আমির আলী

প্রথম অংশগ্রহণেই বাজিমাত: ‘মি. ঢাকা’ জিম প্রতিযোগিতায় চতুর্থ হ্নীলার আমির আলী

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে- ড. আহমদ আবদুল কাদের

গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে- ড. আহমদ আবদুল কাদের

কল্যান্দী যুব সমাজের উদ্যোগে ৪র্থ তম ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

কল্যান্দী যুব সমাজের উদ্যোগে ৪র্থ তম ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

মহান মনিবের সন্তুষ্টির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে-  ডা. শফিকুর রহমান

মহান মনিবের সন্তুষ্টির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে- ডা. শফিকুর রহমান

সাংবাদিক কিবরিয়ার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক কিবরিয়ার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের নিয়মিত মাসিক সাহিত্য সভা শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬) বিকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের পঞ্চম তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি, সাহিত্যিক ও লেখকরা অংশগ্রহণ করেন।সভায় কবিরা স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন এবং সাহিত্যচর্চা, সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও সাহিত্য বিকাশে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এস এ শামীম।সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কবি ও লেখক আবদুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জ কবি, সাহিত্যিক ও লেখকদের নিয়ে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে মো. আবদুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং এস এ শামীমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রনজিৎ মোদক, মিয়া মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ এবং সাংবাদিক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— কাজী আনিসুল হক, কামাল সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মনি গাঙ্গুলী, এস এম সাহাবুদ্দিন, সুদত্ত রঞ্জন বড়ুয়া, মতিউর রহমান ফারুক, লাইলা আরজুমান শিউলী, মৃদুল সাহা, সায়মন আহাম্মদ ও সালাউদ্দিন আমির।সভায় মোট ২৭ জন কবি ও লেখক তাঁদের স্বরচিত লেখা পাঠ করেন। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান করতে বিভিন্ন গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেন উপস্থিত সদস্যরা।

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১১ দলীয় ঐক্যর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাংলাদেশ ১১ দলীয় ঐক্য  নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।আজ ০৪ জুলাই  (শনিবার) বিকেল ৫.০০ টায়  নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার শিবু মার্কেটে এ বিক্ষোভ মিছিল  ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি সাইনবোর্ড থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরে যাওয়ার প্রধান সড়কে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়ে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকারের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মুহাম্মদ হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন এন সি পি নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক জুবায়ের সরদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল কাদের নদভী, জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, এস সিপি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব জুবায়ের তামজিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারী মাওলানা মুহাম্মদ এমদাদুল্লাহ, অধ্যাপক মাসুদুর রহমান গিয়াস প্রমূখ, নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আবু সাঈদ মুন্না, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাসুদুর রহমান গিয়াস, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল বাকী, দেওয়ান খোরশেদ আলম, মাওলানা মুজিবুর রহমান মিয়াজী, মুফতী জাহাঙ্গীর আলমসহ  উপজেলা আমীরবৃন্দ ও কয়েক হাজার নেতা-কর্মী। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও  নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মমিনুল হক সরকার বলেন, জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে অনন্য নজির হয়ে রয়েছে। যদি জুলাই না হতো তাহলে এই সরকার ক্ষমতায় আসতে পারতো না।  অথচ মাত্র ৫১% ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসে প্রায় ৭০% মানুষের গণরায়কে তারা অস্বীকার করছে।  যদি জুলাই সনদ না মানেন তাহলে তাবার এদেশের মানুষ, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা মেহনতি মানুষকে সাথে নিয়ে রাস্তায় আবার নেমে আসবে। তখন আর মানুষকে থামাতে পারবেন না। সুতরাং মানুষের গণরায়কে মেনে নেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির নারায়ণগঞ্জ জেলার আহবায়ক জুবায়ের সরদার বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ নিয়ে টালবাহানা করছেন। আমরা বলে দিতে চাই যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে টালবাহানা করেন তাহলে আপনার গদিও টালবাহানা করবে। যদি অতিশীঘ্রই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হয় তাহলে আবার জুলাই নেমে আসবে।  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মাওলানা ওবাইদুল কাদের নদভী বলেন,  এদেশ স্বাধীন হওয়ার পর শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের হাতে এদেশকে তুলে দিতে চেয়েছিলেন। সেসময় জিয়াউর রহমানের হাতে দেশ রক্ষা হয়েছিল। গত ১৭ বছরে শেখ হাসিনা ও তার বাপের মতো এদেশকে ভারতের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিল কিন্তু আমাদের দেশের দামাল ছেলেরা তাদের জীবন দিয়ে, প্রাণ দিয়ে, রক্ত দিয়ে এদেশ কে রক্ষা করেছিল। যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে তারা রক্ত দিয়েছিল সে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন না হলে আবার এদেশের দামাল ছেলেরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে। এনসিপির নেতা জুবায়ের তামজিদ বলেন, আমরা যুগে যুগে রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। যদি প্রয়োজন হয় আবার রক্ত দিব। বর্তমান সরকার জুলাই সনদ নিয়ে যদি কোন টালবাহানা করে আবার আমরা মাঠে নামব। আমরা কোনদিন এ বিষয়ে ছাড় দিব না। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন,  আপনারা সকলে জানেন কিভাবে জুলাই আন্দোলনে জনগণকে হত্যা করা হয়েছিল। আজকে যেজন্য রাস্তায় দাড়িয়েছি যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হতো তাহলে আজ আমাদের এখানে দাড়াতে হতো না। কিন্তু আজ সরকারী দলের লোকজন জুলাই নিয়ে হাসি তামাশায় মেতে উঠেছে। দেখলে মনে হয় সরিষার মধ্যে ভূত আছে। আজকে যারা জুলাই আন্দলন নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছেন তারা মূলত আবার ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠার চেষ্টা করছে।জুলাই আন্দোলনে শহিদের পিতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৭০% মানুষের রায়কে অবজ্ঞা করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে কিন্তু আমি বলতে চাই অক্ষরে অক্ষরে নয় প্রতিটি পয়েন্টে পয়েন্টে বাস্তবায়ন করতে হবে। আমি শহিদের বাবা হিসেবে ১১ দলের এই আন্দোলনের সাথে সহমত পোষণ করছি। নারায়ণগঞ্জ জেলা এনসিপির সংগঠক নিরব রায়হান বলেন,  দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলছি, যে আশা নিয়ে জুলাই কায়েম হয়েছিল। বর্তমান সরকার তা বাস্তবায়ন করছে না। বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদের স্বরূপ তৈরি করছে। জামায়াতসহ আমরা ১১ দলীয় ঐক্য একতাবদ্ধ আছি।  আবার যদি শেখ হাসিনার মত ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা করা হয় আবার এদেশে জুলাই কায়েম হবে। নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও মিডিয়া বিভাগের তদারককারী আবু সাঈদ মোঃ মুন্না বলেন, জুলাই আগস্টের বিপ্লবের পর মানুষ যা কামনা করেছিল তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তারা জুলাই সনদ মেনে নিতে পারছে না। আমি তাদেরকে বলতে চাই, যদি জুলাই সনদ মেনে নিতে না পারেন তাহলে মানুষ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রতি আস্থাহীন পরবে।  মানুষ আস্থাহীন  হয়ে পরলে কাদের নিয়ে রাজনীতি করবেন। সুতরাং আসুন জুলাই সনদ মেনে নিয়ে মানুষের আস্থা কায়েম করি।নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ মাসুদুর রহমান গিয়াস বলেন, শেখ হাসিনা এদেশে খুন ও গুমের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাই এদেশে জুলাই নেমে এসেছিল।  আবার যদি এদেশে খুন ও গুমের ও রাজত্ব কায়েম হয় তাহলে এদেশের মানুষ তা মেনে নিবে না।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

বন্দরে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বন্দরে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বন্দরের নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার সকালে নাসিক ২৩ নং ওর্য়াডস্থ কলেজের এইচ এস সি পরির্ক্ষাথীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গভনিং বডির সভাপতি আলহাজ্ব সাইফুদ্দিন আহমেদ আনিস। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ নিতাই মজুমদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন হাজী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইফফাত আরা ইতি, শিক্ষানুরাগী ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন, অভিভাবক প্রতিনিধি মোঃ রাজিব সরদার,বিদায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণকান্ত মন্ডল ( সহকারী প্রধান শিক্ষক), উম্মে সালমা ( শিক্ষক প্রতিনিধি), সহকারী শিক্ষক মুক্তি বেগম, সহকারী শিক্ষক কামরুল হাসান, সহকারী শিক্ষক রহিমা আক্তার, সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ শাহাদাদ হোসেন, প্রভাষক তরিকুল ইসলাম, সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রভাষক মাহবুবুল হক সহ শিক্ষক ও কর্মচারী বৃন্দ।

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি স্লোগানে বৃক্ষরোপণ

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি স্লোগানে বৃক্ষরোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।​২৯ জুন ২০২৬, সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।​এবারের কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ও স্লোগান ছিল ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ (One Child, One Tree)। এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ নেন।​অনুষ্ঠানে মহানগর যুবদলের আহবায়ক মনিরুল ইসলাম সজল সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিবেশ রক্ষায় গাছের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং সেটির যত্ন নেওয়া উচিত।​বৃক্ষরোপণ শেষে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে আরও সবুজ করে গড়ে তোলার শপথ নেয়। এ সময় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

হ্নীলা বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন তারেক রহমান রাসেল

হ্নীলা বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন তারেক রহমান রাসেল

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী তারেক রহমান রাসেল।তিনি হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুস সালাম কোম্পানির সুযোগ্য নাতি এবং হোয়াকিয়া পাড়া রাইজিং স্টারের সম্মানিত চেয়ারম্যান। ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত তারেক রহমান রাসেলের এ নির্বাচনে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গনের ব্যক্তিরা তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সার্বিক শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে।প্রতিক্রিয়ায় শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, “আমরা আপনার নেতৃত্বে গর্বিত। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার অগ্রযাত্রায় আপনার সফলতা কামনা করছি।”

দেশের মঞ্চে হ্নীলার গর্ব: মি. ঢাকা জিম প্রতিযোগিতায় চতুর্থ আমির আলী

প্রথমবারের মতো দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতা ‘Mr Dhaka’-এ অংশ নিয়েই চতুর্থ স্থান অর্জন করেছেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের কৃতী সন্তান ও আই ফিটনেস জিম-এর ট্রেইনার আমির আলী।নিজের অভিষেক প্রতিযোগিতায় এমন সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি শুধু হ্নীলা নয়, পুরো টেকনাফের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তার এ অর্জনের খবরে এলাকাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা জানান, দীর্ঘদিনের কঠোর অনুশীলন, শৃঙ্খলা ও আত্মনিবেদনের ফল হিসেবেই আমির আলী এই সাফল্য অর্জন করেছেন। তার এ কৃতিত্ব স্থানীয় তরুণদের শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় আরও আগ্রহী করে তুলবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন। আমির আলীর এই অর্জনে বিভিন্ন সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং এলাকাবাসী তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বড় সাফল্য অর্জনের জন্য তার প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন সবাই।

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

‎​নারায়ণগঞ্জের বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর অন্যতম সহযোগী ও ‘সেনাপতি’ হিসেবে পরিচিত লিজার বিরুদ্ধে উঠেছে নানা গুরুতর অভিযোগ। সন্ত্রাসী বাহিনীকে অর্থায়ন, অস্ত্রধারীদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের নিয়মিত দেখাশোনা করার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন এই লিজা। শুধু সিফাতই নয়, স্বামী ইমনসহ পুরো সন্ত্রাসী বাহিনী বর্তমানে লিজার ছত্রছায়ায় রয়েছে বলে জানা গেছে। ‎‎‎​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে, কুপিয়ে শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাতকে নিরাপদ আশ্রয় দেন লিজা। ঘটনার পর টানা ১০ থেকে ১২ দিন সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় লিজার তত্ত্বাবধানেই আত্মগোপনে ছিল সিফাত।‎‎​সেখান থেকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিফাতকে ৪ দিনের জন্য চট্টগ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পর সর্বশেষ বন্দর উপজেলার চিতাশাল এলাকায় লিজা তার নিজের ভাইয়ের বাসায় শেখ সিফাতকে লুকিয়ে রাখে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।‎‎​মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু সন্ত্রাসী বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়াই নয়, লিজার বিরুদ্ধে এলাকায় গড়ে উঠেছে বিশাল এক অপরাধ সাম্রাজ্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। সিফাত ও ইমনের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের পেশীশক্তিকে ব্যবহার করে লিজা এলাকায় নিজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন।‎‎​এদিকে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের মতো চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের আশ্রয় দেওয়া এবং লিজা বাহিনীর এমন প্রকাশ্য অপতৎপরতায় ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বন্দর এলাকাবাসীর মনে। তারা দ্রুত এই চক্রের মূল হোতা শেখ সিফাত, তার সহযোগী ইমন এবং তাদের আশ্রয়দাত্রী লিজাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের ১৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের নিয়মিত মাসিক সাহিত্য সভা শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬) বিকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের পঞ্চম তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কবি, সাহিত্যিক ও লেখকরা অংশগ্রহণ করেন।সভায় কবিরা স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন এবং সাহিত্যচর্চা, সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও সাহিত্য বিকাশে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এস এ শামীম।সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কবি ও লেখক আবদুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জ কবি, সাহিত্যিক ও লেখকদের নিয়ে নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে মো. আবদুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং এস এ শামীমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রনজিৎ মোদক, মিয়া মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ এবং সাংবাদিক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— কাজী আনিসুল হক, কামাল সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মনি গাঙ্গুলী, এস এম সাহাবুদ্দিন, সুদত্ত রঞ্জন বড়ুয়া, মতিউর রহমান ফারুক, লাইলা আরজুমান শিউলী, মৃদুল সাহা, সায়মন আহাম্মদ ও সালাউদ্দিন আমির।সভায় মোট ২৭ জন কবি ও লেখক তাঁদের স্বরচিত লেখা পাঠ করেন। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান করতে বিভিন্ন গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেন উপস্থিত সদস্যরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
নারায়ণগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর রক্ষার্থেই মাটি কাটা হয়েছে- শেখ রবিউল আলম

নারায়ণগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর রক্ষার্থেই মাটি কাটা হয়েছে- শেখ রবিউল আলম

পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে পিলারের আশপাশ থেকে মাটি অপসারণে রেললাইন বা সেতুর কাঠামোর ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, বরং এর মাধ্যমে পরিবেশ ও প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে চলমান ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, ভায়াডাক্ট নির্মাণকাজের সময় ভারী যন্ত্রপাতি চলাচলের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে যে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, প্রকল্পের নকশা ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এখন সেই মাটি অপসারণ করা হচ্ছে। এটি প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বাভাবিক ও পরিকল্পিত একটি ধাপ।তিনি আরও বলেন, ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণের ফলে রেললাইন বা সেতুর কোনো ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না। বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার স্বার্থেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।শেখ রবিউল আলম জানান, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার অংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার এলাকায় গড়ে সাড়ে তিন ফুট গভীর পর্যন্ত মাটি অপসারণ করা হবে।তিনি বলেন, পুরো কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে সম্পূর্ণ নিরাপদ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের স্বার্থে প্রকল্পের নকশা ও প্রকৌশল নির্দেশনা অনুসরণ করেই কাজ পরিচালনা করছে। মাটি অপসারণের ফলে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কোন পোস্ট নেই !
বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

‎​নারায়ণগঞ্জের বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর অন্যতম সহযোগী ও ‘সেনাপতি’ হিসেবে পরিচিত লিজার বিরুদ্ধে উঠেছে নানা গুরুতর অভিযোগ। সন্ত্রাসী বাহিনীকে অর্থায়ন, অস্ত্রধারীদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের নিয়মিত দেখাশোনা করার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন এই লিজা। শুধু সিফাতই নয়, স্বামী ইমনসহ পুরো সন্ত্রাসী বাহিনী বর্তমানে লিজার ছত্রছায়ায় রয়েছে বলে জানা গেছে। ‎‎‎​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে, কুপিয়ে শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাতকে নিরাপদ আশ্রয় দেন লিজা। ঘটনার পর টানা ১০ থেকে ১২ দিন সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় লিজার তত্ত্বাবধানেই আত্মগোপনে ছিল সিফাত।‎‎​সেখান থেকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিফাতকে ৪ দিনের জন্য চট্টগ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পর সর্বশেষ বন্দর উপজেলার চিতাশাল এলাকায় লিজা তার নিজের ভাইয়ের বাসায় শেখ সিফাতকে লুকিয়ে রাখে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।‎‎​মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু সন্ত্রাসী বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়াই নয়, লিজার বিরুদ্ধে এলাকায় গড়ে উঠেছে বিশাল এক অপরাধ সাম্রাজ্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। সিফাত ও ইমনের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের পেশীশক্তিকে ব্যবহার করে লিজা এলাকায় নিজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন।‎‎​এদিকে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের মতো চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের আশ্রয় দেওয়া এবং লিজা বাহিনীর এমন প্রকাশ্য অপতৎপরতায় ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বন্দর এলাকাবাসীর মনে। তারা দ্রুত এই চক্রের মূল হোতা শেখ সিফাত, তার সহযোগী ইমন এবং তাদের আশ্রয়দাত্রী লিজাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মহান মনিবের সন্তুষ্টির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে-  ডা. শফিকুর রহমান

মহান মনিবের সন্তুষ্টির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে- ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা পাবলিক হলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ষান্মাসিক রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ জুলাই (শুক্রবার) সকালে জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছের সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।জেলা সেক্রেটারী বদরুল আমীন ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি জহিরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় আয়োজিত এ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সাত শতাধিক পুরুষ ও মহিলা রুকন অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান রুকনদের উদ্দেশে বলেন, “হযরত ইব্রাহিম (আ.) যেভাবে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য তাঁর শপথ বাস্তবায়ন করেছেন, তেমনি রুকনদেরকেও মহান মনিবের সন্তুষ্টির জন্য তাদের গৃহীত শপথ বাস্তবায়নের প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে। যে ধনসম্পদ আল্লাহ আমাদেরকে দান করেছেন, তা দ্বীনের পথে বিলিয়ে দিতে কৃপণতা করা যাবে না। রুকন ভাই-বোনদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক জীবন ইসলামের আদর্শে গড়ে তুলতে হবে।”তিনি আরও বলেন, “সংগঠনের প্রতিটি রুকন আদর্শিক আন্দোলনের অন্যতম ভিত্তি। তাই আত্মশুদ্ধি, কুরআন-হাদিস অধ্যয়ন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীলতা এবং জনকল্যাণমূলক কাজে আন্তরিকভাবে আত্মনিয়োগের মাধ্যমে সংগঠনের শক্তি আরও সুসংহত করতে হবে।” এ সময় তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমীর বলেন, “এদেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দিয়েছে। আমরা আশা করি সরকার জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে গণভোট বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।” বিশেষ অতিথিবৃন্দের বক্তব্যসম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন (কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য)মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া (কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য)নাজমুল হক সাঈদী (ময়মনসিংহ অঞ্চল টিম সদস্য)আব্দুল করিম (ময়মনসিংহ জেলা আমীর)অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন এমপি (ময়মনসিংহ জেলা নায়েবে আমীর)অধ্যক্ষ রমজান আলী (কিশোরগঞ্জ জেলা আমীর)মাওলানা হাফিজুর রহমান (শেরপুর জেলা আমীর)মাওলানা আব্দুস সাত্তার (জামালপুর জেলা আমীর)আসাদুজ্জামান সোহেল (ময়মনসিংহ মহানগর নায়েবে আমীর)এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা জেলার সাবেক আমীর মাওলানা এনামুল হক, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মাহবুবুর রহমান ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাসুম মোস্তফা এমপি। বক্তারা রুকনদের আদর্শিক মানোন্নয়ন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার এবং সমাজসেবামূলক কাজে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।সমাপনী ও নির্বাচনী প্রস্তুতিসভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ বলেন, রুকনদের আদর্শিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগের মানসিকতাই সংগঠনের অগ্রযাত্রার প্রধান শক্তি। তিনি প্রত্যেক রুকনকে নিজ নিজ এলাকায় ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য রুকনদের বিশেষ নির্দেশনা দেন।উল্লেখ্য, রুকন সম্মেলনে যোগদানের পূর্বে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন এবং সম্মেলন শেষে নেত্রকোণার বিশিষ্টজনদের সাথে এক সৌজন্য মধ্যাহ্নভোজে মিলিত হন।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে -আব্দুল মোমিন

ডেঙ্গু জ্বর ও হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফতুল্লা এনায়েতনগর ইউনিয়নের উদ্যোগে শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম মাসদাইর খানকার মোড় এলাকায় বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন। তিনি বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত না হলে সমাজ থেকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়। কোনো ধর্মই মানুষকে অন্যায়, অত্যাচার, দুর্নীতি বা রাহাজানির শিক্ষা দেয় না। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।সম্প্রতি মাসদাইর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. কামরুল হাসান শাকিল।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিতরণ করা হয় এবং ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।কর্মসূচিতে হাজি মো. কামাল হোসেন, সেলিম হোসেন বাচ্চু, বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম আবদুল হালিম, সাইফুল ইসলাম সায়েম, সানাউল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।