ঢাকা   সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

মুছাপুরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অতিথি ফ্যাসিস্ট: এমপি পূত্র আশা'র ফ্যাসিস্ট বিরোধী বক্তব্যে বিব্রত জনগন

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ 'মনিটরিং সেল' গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার।​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দাবি জানান। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ঢাকা বিভাগের পর নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ও রক্ত দিয়েছেন। তাই শহীদ পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি এবং সার্বিক অবস্থা তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি স্থায়ী ও নিয়মিত 'মনিটরিং সেল' থাকা অত্যন্ত জরুরি।  শহীদ পরিবারের শিক্ষিত ও কর্মক্ষম সদস্যদের যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাকরির ন্যূনতম সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনেক ভুক্তভোগী মামলা বা আইনি জটিলতার কারণে নিজ এলাকায় থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ২৯ জন খালাস পেলেও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) নিকট সেই তথ্য না থাকার সমালোচনা করে তিনি একে "ভয়াবহ বিষয়" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমন্বয়হীনতা দূর করার তাগিদ দেন।  আলোচনা সভায় বেশ কিছু শহীদ পরিবারকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই যেন শহীদ পরিবারের প্রতি অবহেলা বা বৈষম্য না করা হয়।​বিপ্লবের চেতনা ধরে রাখার গুরুত্ব উল্লেখ করে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "আমরা যদি দুই দিনের মাথায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ভুলে যাই, তবে তা হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক। এটি বর্তমান প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে। ভুক্তভোগীদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে এবং প্রতিটি শহীদ পরিবারের সম্মান সুনিশ্চিত করতে হবে।"​বক্তব্যের শেষাংশে জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল—সবারই মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বৈরাচারমুক্ত ও একনায়কতন্ত্রহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণভোট বা জনগণের মতামতের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থাকবে।​তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করেন যে, এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগীরা জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। এই ধরনের হুমকির অবসান ঘটিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

বাংলার শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ

বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ

আলআমিন নগরে কব্জি বিচ্ছিন্ন করে উল্লাসের ঘটনার প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আলআমিন নগরে কব্জি বিচ্ছিন্ন করে উল্লাসের ঘটনার প্রকৃত আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আদালতে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এড, মুনির উদ্দিনের মৃত্যু

আদালতে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এড, মুনির উদ্দিনের মৃত্যু

দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ ও দেশে জামায়াত চক্রান্ত করছে: রাশেদ খান

দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ ও দেশে জামায়াত চক্রান্ত করছে: রাশেদ খান

সাবেক কাউন্সিল ইকবালকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চান জামাল আকন

সাবেক কাউন্সিল ইকবালকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দেখতে চান জামাল আকন

সিদ্ধিরগঞ্জে অপপ্রাচারের শিকার বিএনপি নেতা হালিম জুয়েল

সিদ্ধিরগঞ্জে অপপ্রাচারের শিকার বিএনপি নেতা হালিম জুয়েল

সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করার দাবিতে আইনি নোটিশ

গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করার দাবিতে আইনি নোটিশ

‎আড়াইহাজারে জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা, থানায় লিখিত অভিযোগ  ‎

‎আড়াইহাজারে জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা, থানায় লিখিত অভিযোগ ‎

​অভিযুক্ত লিংকনের বিরুদ্ধে ভূমি দখল ও জাল দলিল তৈরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

​অভিযুক্ত লিংকনের বিরুদ্ধে ভূমি দখল ও জাল দলিল তৈরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

নারায়ণগঞ্জের বাতিঘর: বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম

একজন মানুষ, অথচ বহু পরিচয়ের এক উজ্জ্বল সমাহার। তিনি কলমযোদ্ধা সাংবাদিক, বিজ্ঞ আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, পরিবেশ আন্দোলনের অগ্রসৈনিক ও দক্ষ সংগঠক। রাজপথের নির্ভীক নাগরিক নেতা হিসেবে যিনি নারায়ণগঞ্জের মানুষের কাছে আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের তিনবারের সাবেক সফল সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম।১৯৫৮ সালের ২১ জুলাই বন্দর উপজেলার মাহমুদনগর এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই আলোকিত মানুষ। পিতা আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের গর্বিত জনক। তার সন্তানরা উভয়েই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ধর্মীয়মনা, প্রতিবাদী, মানবদরদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী।শিক্ষা জীবনের শুরু নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর জয়গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করে ১৯৮৭ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সেই থেকে অদ্যাবধি তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।অ্যাডভোকেট মাসুমের সাংবাদিকতা জীবন ৪৬ বছরের বর্ণাঢ্য অধ্যায়। বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। আশির দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক ভোরের কাগজের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। নারায়ণগঞ্জের মাটি ও মানুষের কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে তিনি প্রকাশ ও সম্পাদনা করে আসছেন ঐতিহ্যবাহী দৈনিক খবরের পাতা। তার সাহসী, আপসহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তিন-তিনবার নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন, যা জেলার সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক বিরল সম্মান ও রেকর্ড।রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি তোলারাম কলেজে পড়াকালীন সময়ে। তিনি তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগ (জাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে তোলারাম কলেজকে সরকারিকরণের দাবিতে সকল ছাত্র সংগঠনের সম্মিলিত ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মানবসেবামূলক স্কাউট আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাব স্কাউট থেকে বয় স্কাউট এবং তোলারাম কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৮৬ সাল থেকে স্থানীয় স্কাউটের সম্পাদক, ৯ বছর সদর উপজেলা স্কাউটের কমিশনার এবং ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক উপ-কমিশনার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ স্কাউটস, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।মাহবুবুর রহমান মাসুম শুধু সাংবাদিক বা আইনজীবী নন, তিনি নারায়ণগঞ্জের নাগরিক আন্দোলনের প্রাণপুরুষ। নারায়ণগঞ্জকে সন্ত্রাসমুক্ত করা, বাস ভাড়া কমানোর আন্দোলন, প্রিপেইড মিটারের ভুতুড়ে বিলের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন, খানপুরে বরফ কলের কন্টেইনার পোর্ট বাতিলের আন্দোলন, শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদী দখলমুক্ত করা, পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনসহ প্রতিটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্দোলনে তিনি সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন যুগের পর যুগ।তার চরিত্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, কারো বিপদ-আপদের খবর শুনলে তিনি স্থির থাকতে পারেন না। বহু গুণে গুণান্বিত এই মানুষটি মুহূর্তেই মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। এ কারণেই তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয়।বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির জেলা সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঢাকা (দক্ষিণ) বিভাগের সমন্বয়কারী, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (এনপিজেএ) বাংলাদেশ শাখার প্রধান উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির প্রধান উপদেষ্টা এবং নারায়ণগঞ্জ সংবাদকর্মী কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টাসহ অসংখ্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বর্তমান বয়স ৬৮ হলেও তারুণ্যের উদ্যম আজও অম্লান। এখনও তিনি যুবকের মতোই নারায়ণগঞ্জের মানুষের অধিকার আদায়ে সামনের কাতারে থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। যে কোনো অন্যায়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে তিনিই সবার আগে রুখে দাঁড়ান।সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষের মতে, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমের মতো আলোকিত, নির্লোভ, সৎ ও সাহসী মানুষ হাজার বছরে একজন জন্ম নেয়। জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ এই মানুষটি আজও নারায়ণগঞ্জবাসীর অধিকার আদায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, আর তাই তিনি হয়ে উঠেছেন নারায়ণগঞ্জের সত্যিকারের বাতিঘর।

দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ ও দেশে জামায়াত চক্রান্ত করছে: রাশেদ খান

পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দিল্লিতে বসে এবং দেশবিরোধী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে অবস্থান করে দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে চক্রান্তে মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী অতীতেও একসঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তারা যৌথভাবে এরশাদ সরকারের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করা এবং দেশের গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তে লিপ্ত হয়। তৎকালীন সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের আপামর জনগণ সেই চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছিল। এই দুই দল অতীতে যেমন দেশ ও বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, আজও সেই একই চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সুদৃঢ় সমর্থন ও সহযোগিতায় বর্তমান বিএনপি সরকার অতীতের মতো সব ধরনের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও বৈরী চাপ সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।এর আগে দুপুরে রাশেদ খান সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকায় অবস্থিত আব্বাসী মঞ্জিল জৌনপুরী দরবার শরীফে যান এবং মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ওয়া সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. ফয়েজ উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

সব বিভাগের খবর

শ্রীলঙ্কা জামায়াতে ইসলামীর নবম আমীর হলেন অ্যাটর্নি জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ

শ্রীলঙ্কা জামায়াতে ইসলামীর (SLJI) ৯ম আমীর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও ইসলামি চিন্তাবিদ অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল' আশ-শাইখ জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ (নালিমী)। গত শনিবার (২৭ জুন) ক্যান্ডির পোলগোল্লায় অবস্থিত এনআইসিডি (NICD) অডিটোরিয়ামে সংগঠনের ন্যাশনাল মেম্বার কনভেনশন (NMC) ২০২৬-এ আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিদায়ী আমীর উস্তায মোহাম্মদ উসাইর ইসলাহির স্থলাভিষিক্ত হলেন, যিনি ২০১৮ সাল থেকে টানা দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন।ব্যক্তিগত ও শিক্ষাজীবন: আকুরানার বাসিন্দা আশ-শাইখ জামালদীন মোহাম্মদ আশরাফ মাতালের জাহিরা কলেজে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৯০ সালে তিনি বিখ্যাত বেরুয়ালার জামিয়্যাহ নালিমিয়্যায় ভর্তি হন এবং ১৯৯৭ সালে আরবি ভাষা ও ইসলামি শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (LL.B.) এবং পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (M.A.) ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশায় (অ্যাটর্নি-অ্যাট-ল') নিয়োজিত রয়েছেন।সাংগঠনিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা: ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা জামাআতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার পর তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় শূরা, নির্বাহী পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সাল থেকে টানা আট বছর তিনি সংগঠনের সহকারী আমীর (ভাইস প্রেসিডেন্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি সংগঠনটির দাওয়াহ, শিক্ষা, সামাজিক সংস্কার এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগে অনন্য অবদান রাখেন।সংগঠনের বাইরেও তিনি অল সিলন জামিয়্যতুল উলামা (ACJU)-এর কেন্দ্রীয় পরিষদ এবং ওয়াক্‌ফ বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে ২০১৭–২০১৮ সালে আকুরানা মসজিদ ফেডারেশন ও জামিয়্যতুল উলামার যৌথ উদ্যোগে গঠিত শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে তিনি সাংগঠনিক নেতৃত্বের সমসাময়িক অভিজ্ঞতায় নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।সংগঠনের অঙ্গীকার: ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রীলঙ্কা জামাআতে ইসলামী দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ধর্মীয় দিকনির্দেশনা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক সেবায় কাজ করে আসছে। নতুন আমীর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি শ্রীলঙ্কায় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জাতীয় ঐক্য এবং সকল সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাদের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর স্কুল শাখার প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর স্কুল শাখার প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ শহরে স্থানীয় স্কুল মিলনায়তনে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী স্কুল শাখার উদ্যোগে প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।​শনিবার (১০ অক্টোবর) বাদ আসর আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন স্কুল শাখার সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ এবং পরিচালনায় ছিলেন মাওলানা নজরুল ইসলাম।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের মহানগরীর প্রধান উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আবদুল জব্বার। বক্তব্যকালে তিনি বলেন, "শিক্ষকরা সমাজের স্থপতি। সুন্দর, নৈতিক ও আদর্শ সমাজ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আদর্শ শিক্ষকতার বিকল্প নেই।"​সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও মহানগরী শিক্ষক ফেডারেশনের উপদেষ্টা এইচ এম নাসির উদ্দিন এবং আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক।​উক্ত মতবিনিময় সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে মহানগরীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ পর্বে শিক্ষকদের গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষাদান পদ্ধতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়।

বন্দর লক্ষণখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অনিয়মের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

বন্দর লক্ষণখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অনিয়মের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লক্ষণখোলা আলহাজ্ব ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার যে অভিযোগ উঠেছে, তার তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক। ‎‎তাদের দাবি, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে অভিযোগকারীদের ব্যক্তিগত স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও পদ-পদবি হারানোর ক্ষোভ।‎‎বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক মো. মাহতাব উদ্দিনের সঠিক নীতি অনুসরণের কারণে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আমির হোসেন বাদশার বিরুদ্ধেও নানা আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, ২০১৪ সালে বিদ্যালয়ের এফডিআর-এর প্রায় ১০ লাখ টাকা তিনটি চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেছিলেন আমির হোসেন বাদশা। নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এই টাকা তোলার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি। একই সঙ্গে কোনো ধরনের টেন্ডার বা সরকারি নিয়ম না মেনে সে বছর বিদ্যালয়ের মাটি ভরাটের কাজ করানোর অভিযোগও রয়েছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।‎‎‎আলোচিত ভবন ভাড়া দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রতিবাদকারীরা জানান, বিদ্যালয়ের নির্মিত ছয়তলা বিশিষ্ট ভবন সংলগ্ন পাশেই একটি চায়না ফ্যাক্টরির জন্য সেট ভাড়া দেওয়া হয়েছে, যার দুর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের লেখালেখি ও স্বাভাবিক পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভবন একটি চায়না কোম্পানির কাছে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ভাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল, যা সম্পূর্ণ অবৈধ; কারণ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা এর ভবন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ভাড়া দেওয়া আইনসিদ্ধ নয়। মূলত এই অবৈধ পদক্ষেপে প্রধান শিক্ষক প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।‎‎প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে স্পষ্ট করা হয় যে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে সহকারী শিক্ষকদের পরামর্শক্রমেই নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রয়োজনীয় অর্থ উত্তোলন করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সেই অর্থ বিদ্যালয়ের ফান্ডে পুনরায় সঠিকভাবে পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট না জেনে ও অসৎ উদ্দেশ্যে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।‎‎এদিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট‎সহকারী শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সভাপতি আমির হোসেন বাদশা এবং এ.পি.এম. হাসান মেহেদী বহিরাগতদের মাধ্যমে একটি কিন্ডারগার্টেন পরিচালনার চাঞ্চল্যকর তথ্যও সামনে এসেছে। ‎‎প্রতিবাদকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক বিষয়টির তীব্র বিরোধিতা করলেও সহকারী শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সভাপতি আমির হোসেন বাদশা এবং এ.পি.এম. হাসান মেহেদীর সম্পৃক্ততায় ‘হালিমা খাতুন আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন’ পরিচালিত হয়ে আসছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে এই কিন্ডারগার্টেন চালানো হলেও তার কোনো বিদ্যুৎ বিল যথাযথভাবে পরিশোধ করা হয়নি। প্রধান শিক্ষক এই অনিয়মের অনুমোদন না দেওয়ায় তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরোধের মূল সূত্রপাত হয়।‎‎বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের আরও অভিযোগ, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন স্বার্থ এবং পাশের চায়না কোম্পানিকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম উত্তেজনা সৃষ্টি করায় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। প্রধান শিক্ষক এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে একদল ব্যক্তি কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ তুলেছেন।‎‎অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন পূর্বে দুই দফায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি স্থায়ীভাবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভে ব্যর্থ হওয়ায় বর্তমান প্রধান শিক্ষক মাহতাব উদ্দিনের প্রতি গভীর ক্ষোভ ও বিরোধের সৃষ্টি হয়। সেই ব্যক্তিগত বিরোধের জেরেই একের পর এক ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলে জোরালো দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।‎‎বিদ্যালয়টির শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্র বন্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।‎

উদ্ভাবনী চিন্তা ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে ইলহাম ইসলামিক স্কুলে ‘সাইন্স ফেয়ার-২০২৬’

উদ্ভাবনী চিন্তা ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে ইলহাম ইসলামিক স্কুলে ‘সাইন্স ফেয়ার-২০২৬’

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে রাজধানীর ইলহাম ইসলামিক স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইলহাম সাইন্স ফেয়ার-২০২৬’।বুধবার (৭ অক্টোবর) ইলহাম ইসলামিক স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ বিজ্ঞানমেলায় স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজেদের তৈরি নানা বৈজ্ঞানিক প্রকল্প, মডেল ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন পরিণত হয় জ্ঞান, কৌতূহল ও সৃজনশীলতার এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলহাম ইসলামিক স্কুলের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল এএফএম নুরুদ্দিন (অব.), সভাপতি ওবায়দুল্লাহ তারেক, ভাইস চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ, সিইও রমজান আলী, প্রধান শিক্ষক হারুন উর রশিদ এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ ।বিজ্ঞানমেলার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে নিয়ে গিয়ে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে, পর্যবেক্ষণ করতে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে এবং নতুন কিছু উদ্ভাবনের চিন্তা করতে উৎসাহিত করা।মেলার বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি প্রকল্প প্রদর্শন করে। তারা দর্শনার্থীদের সামনে নিজেদের প্রকল্পের কার্যপ্রণালী, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও বাস্তব জীবনে এর সম্ভাব্য প্রয়োগ তুলে ধরে। অনেক শিক্ষার্থী নিজেরাই প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ পরিচালনা ও ব্যাখ্যা করায় তাদের আত্মবিশ্বাস ও উপস্থাপনা দক্ষতাও ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়।অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও নতুন কিছু করার আগ্রহের প্রশংসা করেন তারা।অনুষ্ঠানে সভাপতি ওবায়দুল্লাহ তারেক বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য প্রস্তুত করাই আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাই তারা চিন্তা করতে শিখুক, প্রশ্ন করতে শিখুক এবং নিজেদের মেধা দিয়ে নতুন কিছু তৈরি করুক। বিজ্ঞানমেলার মতো আয়োজন সেই সৃজনশীলতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” “শ্রেণিকক্ষে শেখা বিষয় যখন একজন শিক্ষার্থী নিজের হাতে প্রয়োগ করে একটি প্রকল্প তৈরি করে, তখন তার শেখাটা আরও গভীর ও আনন্দময় হয়। ইলহাম সাইন্স ফেয়ারের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”স্কুলের প্রধান শিক্ষক হারুন উর রশিদ বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তা তৈরি হয় তার কৌতূহল থেকে। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য মুখস্থ করবে না; বরং কোনো সমস্যাকে কীভাবে বিশ্লেষণ করতে হয় এবং তার নতুন সমাধান কীভাবে খুঁজে বের করতে হয়, সেটিও শিখবে।”অভিভাবকদের অভিমতবিজ্ঞানমেলায় সন্তানদের অংশগ্রহণ ও নিজেদের হাতে তৈরি প্রকল্প উপস্থাপনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অভিভাবকরাও। তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের শুধু বিজ্ঞান শেখায় না, বরং তাদের চিন্তা করার, প্রশ্ন করার, নিজের ধারণা বাস্তবে প্রয়োগ করার এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তা উপস্থাপন করার সুযোগ করে দেয়।**দ্বিতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থীর  অভিভাবক আফরোজা আক্তার বলেন, “আমরা সাধারণত সন্তানদের বই পড়তে ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে দেখি। কিন্তু আজ তাদের নিজেদের তৈরি প্রকল্প নিয়ে এত আগ্রহের সঙ্গে কথা বলতে দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে। এ ধরনের আয়োজন তাদের শেখার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়াবে।”প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিভাবক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল বলেন, “বিজ্ঞানকে আনন্দের সঙ্গে শেখার এমন সুযোগ শিশুদের জন্য খুবই প্রয়োজন। নিজেরা কিছু তৈরি করার মাধ্যমে তারা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করছে, তা শুধু বই পড়ে অর্জন করা সম্ভব নয়। ইলহাম ইসলামিক স্কুলের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।”অভিভাবকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক আয়োজন নিয়মিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।আয়োজকরা মনে করেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর। তাই ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী মানসিকতা গড়ে তোলা প্রয়োজন।ইলহাম সাইন্স ফেয়ার-২০২৬-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই কৌতূহল ও সৃজনশীলতাকে আরও উৎসাহিত করার প্রয়াসই দেখা গেছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে ইলহাম ইসলামিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবে।

দেড় বছর আগের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিরোধের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গতকাল (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশুগঞ্জের কিছকির বাড়ি ও আক্কার বাড়ির লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দেড় বছর আগের একটি চুরির ঘটনা নিয়ে আক্কার বাড়ির কবির ও কিছকির বাড়ির আল-আমিনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।পরে এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলোয় চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ

বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রীতিকর পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে এক গৃহবধূ ও তার মায়ের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।রবিবার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগী মোসাঃ সোহানা আক্তার (২৪) বাদী হয়ে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্তরা হলেন— বন্দর থানার চর ইসলামপুর এলাকার মোক্তার হোসেনের মেয়ে মোসাঃ রিয়া মনি (২০) এবং তার মা মোসাঃ আলেয়া বেগম (৪২)।অভিযোগ সূত্রের জানা যায়, অভিযুক্ত ১নং বিবাদী রিয়া মনি বাদীর ছোট ভাই সৌদি প্রবাসী মোঃ হাবিব হোসেন সোহারিব (২৩)-এর স্ত্রী। প্রায় দুই বছর পূর্বে তাদের বিবাহ হয়। অভিযোগকারীর দাবি, বিয়ের পর থেকেই ১নং বিবাদীর আচরণে নানাবিধ অসঙ্গতি দেখা যায়। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে অসংলগ্ন পোস্ট ও ভিডিও করার বিষয়টি নিয়ে স্বামী বাধা দিলে রিয়া মনি তার প্রবাসে থাকা স্বামীকে হুমকি প্রদান করেন।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ১নং বিবাদী তার ননদের স্বামীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে সংসার বিনষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। গত ৯ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে বিবাদীদ্বয় ছনখোলাস্থ বাদীর বাড়িতে এসে গালাগালিসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।সর্বশেষ আজ ১১ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে ১নং বিবাদী তার মোবাইল থেকে বাদীর পিতার ফোনে কল দিয়ে পুনরায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং লোকজন দিয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তা ও সামাজিকভাবে মান-সম্মানহানির আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

নারায়ণগঞ্জের বাতিঘর: বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম

নারায়ণগঞ্জের বাতিঘর: বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম

একজন মানুষ, অথচ বহু পরিচয়ের এক উজ্জ্বল সমাহার। তিনি কলমযোদ্ধা সাংবাদিক, বিজ্ঞ আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, পরিবেশ আন্দোলনের অগ্রসৈনিক ও দক্ষ সংগঠক। রাজপথের নির্ভীক নাগরিক নেতা হিসেবে যিনি নারায়ণগঞ্জের মানুষের কাছে আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের তিনবারের সাবেক সফল সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম।১৯৫৮ সালের ২১ জুলাই বন্দর উপজেলার মাহমুদনগর এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই আলোকিত মানুষ। পিতা আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের গর্বিত জনক। তার সন্তানরা উভয়েই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ধর্মীয়মনা, প্রতিবাদী, মানবদরদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী।শিক্ষা জীবনের শুরু নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর জয়গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৮১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করে ১৯৮৭ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সেই থেকে অদ্যাবধি তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।অ্যাডভোকেট মাসুমের সাংবাদিকতা জীবন ৪৬ বছরের বর্ণাঢ্য অধ্যায়। বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। আশির দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত বহুল প্রচারিত দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক ভোরের কাগজের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। নারায়ণগঞ্জের মাটি ও মানুষের কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে তিনি প্রকাশ ও সম্পাদনা করে আসছেন ঐতিহ্যবাহী দৈনিক খবরের পাতা। তার সাহসী, আপসহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তিন-তিনবার নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন, যা জেলার সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক বিরল সম্মান ও রেকর্ড।রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি তোলারাম কলেজে পড়াকালীন সময়ে। তিনি তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগ (জাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে তোলারাম কলেজকে সরকারিকরণের দাবিতে সকল ছাত্র সংগঠনের সম্মিলিত ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মানবসেবামূলক স্কাউট আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কাব স্কাউট থেকে বয় স্কাউট এবং তোলারাম কলেজ রোভার স্কাউটের সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৮৬ সাল থেকে স্থানীয় স্কাউটের সম্পাদক, ৯ বছর সদর উপজেলা স্কাউটের কমিশনার এবং ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক উপ-কমিশনার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ স্কাউটস, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।মাহবুবুর রহমান মাসুম শুধু সাংবাদিক বা আইনজীবী নন, তিনি নারায়ণগঞ্জের নাগরিক আন্দোলনের প্রাণপুরুষ। নারায়ণগঞ্জকে সন্ত্রাসমুক্ত করা, বাস ভাড়া কমানোর আন্দোলন, প্রিপেইড মিটারের ভুতুড়ে বিলের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন, খানপুরে বরফ কলের কন্টেইনার পোর্ট বাতিলের আন্দোলন, শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদী দখলমুক্ত করা, পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনসহ প্রতিটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্দোলনে তিনি সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন যুগের পর যুগ।তার চরিত্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, কারো বিপদ-আপদের খবর শুনলে তিনি স্থির থাকতে পারেন না। বহু গুণে গুণান্বিত এই মানুষটি মুহূর্তেই মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। এ কারণেই তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয়।বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির জেলা সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঢাকা (দক্ষিণ) বিভাগের সমন্বয়কারী, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (এনপিজেএ) বাংলাদেশ শাখার প্রধান উপদেষ্টা, নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির প্রধান উপদেষ্টা এবং নারায়ণগঞ্জ সংবাদকর্মী কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টাসহ অসংখ্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বর্তমান বয়স ৬৮ হলেও তারুণ্যের উদ্যম আজও অম্লান। এখনও তিনি যুবকের মতোই নারায়ণগঞ্জের মানুষের অধিকার আদায়ে সামনের কাতারে থেকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। যে কোনো অন্যায়, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে তিনিই সবার আগে রুখে দাঁড়ান।সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষের মতে, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমের মতো আলোকিত, নির্লোভ, সৎ ও সাহসী মানুষ হাজার বছরে একজন জন্ম নেয়। জনকল্যাণে নিবেদিত প্রাণ এই মানুষটি আজও নারায়ণগঞ্জবাসীর অধিকার আদায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, আর তাই তিনি হয়ে উঠেছেন নারায়ণগঞ্জের সত্যিকারের বাতিঘর।

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের একটি উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকল্পটির প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় প্রকল্পের কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পটি প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি এর কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি অবহিত হন।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে বৃহৎ পরিসরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গবেষকেরা।বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জ্বালানির বিকল্প উৎস তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নির্ধারণে উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, প্রযুক্তির দক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়-সাশ্রয়ের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব সানেশ্বরের আবু বকর ছিদ্দিক ওরফে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন তুহিন ফরাজী। প্রতিষ্ঠার পর তিনি কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্ধারিত ছয় মাসের মেয়াদজুড়েও তিনি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তীতে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।একই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুহিন ফরাজী তার অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

ফতুল্লা কাশিপুর‌ জামায়াতের উদ্যাগে ৫০০ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ফতুল্লা কাশিপুর‌ জামায়াতের উদ্যাগে ৫০০ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের কাশিপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে প্রায় ৫০০ পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কাশিপুর ইউনিয়নের জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাডভোকেটঃ আক্তার হোসেনের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ্যাডভোকেটঃ আক্তার হোসেন জনস্বার্থে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুবসমাজকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে এগিয়ে আসা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাশিপুর ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মোঃ আল-আমিন স্যার, ডাঃ কানিজ শেখ, মোঃ জাহাঙ্গীর সর্দারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল নেতাকর্মী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বসাধারণ।ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়: বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ, পানির পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করা, মশারি ব্যবহার এবং মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ

বন্দরে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি, থানায় অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রীতিকর পোস্ট, মিথ্যা অপবাদ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে এক গৃহবধূ ও তার মায়ের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।রবিবার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগী মোসাঃ সোহানা আক্তার (২৪) বাদী হয়ে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্তরা হলেন— বন্দর থানার চর ইসলামপুর এলাকার মোক্তার হোসেনের মেয়ে মোসাঃ রিয়া মনি (২০) এবং তার মা মোসাঃ আলেয়া বেগম (৪২)।অভিযোগ সূত্রের জানা যায়, অভিযুক্ত ১নং বিবাদী রিয়া মনি বাদীর ছোট ভাই সৌদি প্রবাসী মোঃ হাবিব হোসেন সোহারিব (২৩)-এর স্ত্রী। প্রায় দুই বছর পূর্বে তাদের বিবাহ হয়। অভিযোগকারীর দাবি, বিয়ের পর থেকেই ১নং বিবাদীর আচরণে নানাবিধ অসঙ্গতি দেখা যায়। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে অসংলগ্ন পোস্ট ও ভিডিও করার বিষয়টি নিয়ে স্বামী বাধা দিলে রিয়া মনি তার প্রবাসে থাকা স্বামীকে হুমকি প্রদান করেন।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ১নং বিবাদী তার ননদের স্বামীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে সংসার বিনষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। গত ৯ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে বিবাদীদ্বয় ছনখোলাস্থ বাদীর বাড়িতে এসে গালাগালিসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।সর্বশেষ আজ ১১ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে ১নং বিবাদী তার মোবাইল থেকে বাদীর পিতার ফোনে কল দিয়ে পুনরায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং লোকজন দিয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তা ও সামাজিকভাবে মান-সম্মানহানির আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত

তুরস্কের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত

 ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) তুরস্কের পার্লামেন্টের মাননীয় স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাননীয় স্পিকারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তুরস্ক পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব আকিফ ইলমাজ এমপি প্রমুখ।বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা, রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।বৈঠকে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট এবং এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন।রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য তিনি তুরস্কের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় তুরস্কের মহামান্য প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা।বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান এমপি।বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সংসদীয়, শিক্ষাগত, প্রযুক্তিগত, শিল্প-সাহিত্য এবং মানবিক কার্যক্রম পিপল টু পিপল সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।উভয়পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাফিজুর রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রকোপ নিরসনে জনসচেতনতা সৃষ্টি, ফ্রি হোমিও ওষুধ বিতরণ, লিফলেট বিতরণ ও ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটানোর মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপী এক কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।​রবিবার (১১ অক্টোবর) বাদ আসর সিদ্ধিরগঞ্জ সাংগঠনিক উত্তর থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নাসিক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনুমিয়া মার্কেট এলাকায় এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও নাসিক মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার থেকে রক্ষা পেতে কেবল সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সর্বস্তরের জনগণকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে গণমানুষের যেকোনো বিপদে জামায়াতে ইসলামী অতীতেও পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।​সিদ্ধিরগঞ্জ উত্তর থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও সিদ্ধিরগঞ্জ সাংগঠনিক পশ্চিম থানা আমীর মাহাবুব আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।​উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গুরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট ও বিনামূল্যে হোমিও ওষুধ বিতরণ করা হয়। একই সাথে এলাকার বিভিন্ন অলিগলি ও বাসাবাড়ির আঙিনায় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো হয়।

স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস আজ

আজ ১০ অক্টোবর, স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস। স্তন ক্যানসার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণে মানুষকে উৎসাহিত করতে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। স্তনে চাকা বা পিণ্ড, আকারের পরিবর্তন, ত্বকে অস্বাভাবিকতা কিংবা নিপল থেকে রক্তমিশ্রিত তরল বের হওয়া এ রোগের সম্ভাব্য লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যানসার শনাক্ত করা গেলে কার্যকর চিকিৎসার সুযোগ বাড়ে। তাই ভয় ও সংকোচ দূরে রেখে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাসদাইর বাজার ও গলাচিপায় জামায়াতে মশক নিধন অভিযান

ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ পূর্ব সাংগঠনিক থানার উদ্যোগে মাসদাইর বাজার ও গলাচিপা এলাকায় মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।৯ অক্টোবর ২০২৬ পরিচালিত এ অভিযানে মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ ও মশার উপদ্রব কমানোর লক্ষ্যে কার্যক্রম চালানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এইচ এম নাসির উদ্দিন।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক থানা আমির ও অন্যান্য দায়িত্বশীল এবং কর্মীবৃন্দ ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি বাড়িঘর, আশপাশের পরিবেশ ও জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

ডেঙ্গু প্রকোপ রোধে নারায়ণগঞ্জ ১৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু

ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী সমন্বিত সামাজিক কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ সাংগঠনিক পূর্ব থানার ১৩ নং ওয়ার্ড শাখা। ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।​ঘোষিত সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে পুরো ওয়ার্ডজুড়ে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে হোমিও প্রতিষেধক ওষুধ প্রদান, ফগার মেশিনের সাহায্যে পাড়ায় পাড়ায় মশার ওষুধ ছিটানো এবং সর্বাত্মক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।​মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।" সমাজকল্যাণমূলক এই সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে ১৩ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর মশক নিধন নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ​অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ সমর্থকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।