নড়াইলে জ্বালানি তেল না পেয়ে বাগ্বিতণ্ডার পর একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরেকজনকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।গতকাল শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকায় তানভীর ফিলিং স্টেশনটির সামনে ঢাকা-বেনাপোল মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাহিদ নড়াইল সদর উপজেলার পেড়লি গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে এবং আহত নাহিদের মোটরসাইকেলে থাকা বন্ধু জিহাদুল মোল্যা তুলারামপুর এলাকার জহুরুল মোল্যার ছেলে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাকবিতণ্ডার পরও ওই ট্রাকচালক পাম্পেই অবস্থান করেন। রাত ২টা ১০ মিনিটে ফিলিং স্টেশনের কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশে মোটরসাইকেলযোগে সহকর্মী জিহাদকে নিয়ে পাম্প থেকে বের হন নাহিদ। এসময় দ্রুত গতিতে তাদের পেছনে ধাওয়া করতে দেখা যায় ট্রাকটিকে। পরে ট্রাকের চাপায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার বন্ধু জিহাদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা হাসাপাতালে নিলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ব্যাপারে নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী মুঠোফোনে বলেন, নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একাত্তরের বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় নারায়ণগঞ্জে দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন প্ল্যাটফর্মে এই খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। পথশিশুদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিয়ে তিনি বলেন "আমরা আপনাদের জন্য সামান্য উপহার হিসেবে এই খাবার নিয়ে এসেছি। মূলত আপনাদের মতো অবহেলিত মানুষের রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ দেখভালের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু দেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষের অধিকার পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।"তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, যেকোনো প্রয়োজনে এবং খাদ্য সংকটে জামায়াতে ইসলামী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।খাবার বিতরণকালে মহানগরীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক মহানগরী আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন: সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন, থানা আমীর ফজলুল হাই জাফরী, বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধানসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠান শেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করা হয়।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একাত্তরের বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় নারায়ণগঞ্জে দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন প্ল্যাটফর্মে এই খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। পথশিশুদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিয়ে তিনি বলেন "আমরা আপনাদের জন্য সামান্য উপহার হিসেবে এই খাবার নিয়ে এসেছি। মূলত আপনাদের মতো অবহেলিত মানুষের রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ দেখভালের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু দেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষের অধিকার পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।"তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, যেকোনো প্রয়োজনে এবং খাদ্য সংকটে জামায়াতে ইসলামী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।খাবার বিতরণকালে মহানগরীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক মহানগরী আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন: সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন, থানা আমীর ফজলুল হাই জাফরী, বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধানসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠান শেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করা হয়।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে একাত্তরের বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় নারায়ণগঞ্জে দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন প্ল্যাটফর্মে এই খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। পথশিশুদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিয়ে তিনি বলেন "আমরা আপনাদের জন্য সামান্য উপহার হিসেবে এই খাবার নিয়ে এসেছি। মূলত আপনাদের মতো অবহেলিত মানুষের রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ দেখভালের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু দেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ মানুষের অধিকার পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।"তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, যেকোনো প্রয়োজনে এবং খাদ্য সংকটে জামায়াতে ইসলামী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।খাবার বিতরণকালে মহানগরীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক মহানগরী আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন: সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন, থানা আমীর ফজলুল হাই জাফরী, বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক ইউসুফ আলী প্রধানসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠান শেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করা হয়।
কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।