বিজয়নগর থানাধীন ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্র থানাধীন বুধন্তী ইউনিয়নের কেনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় পুলিশ বিজয়নগর থানার ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক থাকা আসামি বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের শীর্ষ সদস্য মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদকে তার বাড়ির পাশের ধান ক্ষেতের মধ্যে হতে গ্রেফতার করে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ ০৩টি মামলা রয়েছে।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।
কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।