রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে প্রেসক্লাবের সামনে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয় এ শোভাযাত্রা। এতে নারী, শিশুসহ নানান বয়সের শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।শোভাযাত্রায় দেখা যায়, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল, কুলাসহ নানা দেশীয় সংস্কৃতির উপাদান নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজধানীবাসী। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শোভাযাত্রায় দেশাত্মবোধক, জারি, সারি, ভাটিয়ালি গান গেয়ে হৈ-হুল্লোড় করে উৎসবে মাতে রাজধানীবাসী।শোভাযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে বক্তারা জানান, দেশীয় সংস্কৃতি এগিয়ে নিতে হবে। পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা। বাঙালির প্রকৃত চেতনা জাগরণের সূচনা করতে হবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বার তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বার তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বার তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।
কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।