ঢাকা   রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা   রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের শীর্ষ সদস্য মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদ গ্রেফতার

বিজয়নগর থানাধীন ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্র থানাধীন বুধন্তী ইউনিয়নের কেনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় পুলিশ বিজয়নগর থানার ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক থাকা আসামি বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের শীর্ষ সদস্য মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদকে তার বাড়ির পাশের ধান ক্ষেতের মধ্যে হতে গ্রেফতার করে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ ০৩টি মামলা রয়েছে।

উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অমিত

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।

আনন্দ হাউজিংয়ের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।

কাঁচপুরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের শীর্ষ সদস্য মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদ গ্রেফতার

আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের শীর্ষ সদস্য মুর্শিদ প্রকাশ মোরশেদ গ্রেফতার

ফ্যাসিস্ট গেছে যেই পথে নব্য ফ্যাসিস্টও যাবে সেই পথে - আবদুল জব্বার  ​

ফ্যাসিস্ট গেছে যেই পথে নব্য ফ্যাসিস্টও যাবে সেই পথে - আবদুল জব্বার ​

উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অমিত

উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অমিত

আনন্দ হাউজিংয়ের বিরুদ্ধে  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

আনন্দ হাউজিংয়ের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

কাঁচপুরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

কাঁচপুরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

শীতলক্ষ্যা সেতুতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণগেল অজ্ঞাত বৃদ্ধের

শীতলক্ষ্যা সেতুতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণগেল অজ্ঞাত বৃদ্ধের

আমি জনগণের পকেট কাটতে চাই না: সাখাওয়াত হোসেন খান

আমি জনগণের পকেট কাটতে চাই না: সাখাওয়াত হোসেন খান

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রুকনদের অতন্দ্র প্রহরী হতে হবে-এ টি এম মাসুম

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রুকনদের অতন্দ্র প্রহরী হতে হবে-এ টি এম মাসুম

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

ফ্যাসিস্ট গেছে যেই পথে নব্য ফ্যাসিস্টও যাবে সেই পথে - আবদুল জব্বার ​

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ​গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য  মাওলানা আবদুল জব্বার  তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।​এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ,  নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের  সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট  আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।​শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ  মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর  হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

সব বিভাগের খবর

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

এমপি পুত্রবধু ইফাত আরা বলেন,​ আজকের এই চমৎকার আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার শ্বশুর মহোদয়ের ঐকান্তিক ইচ্ছায় এই সুন্দর পরিবেশে আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়েছে। আবুল কাউছার বিশেষ ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি, তাই ওনার পক্ষ থেকেও আপনাদের সকলের প্রতি আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা।গত ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন,​আমি বরাবরই শুনে এসেছি যে বন্দর গার্লস স্কুল কেবল নামেই নয়, বরং গুণগত মান, সৃজনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। আজ আপনাদের উদ্দীপনা দেখে সেই বিশ্বাসের পূর্ণ প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।​শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,তোমরা শুধু এই স্কুলের ছাত্রই নও, তোমরা এই দেশের ভবিষ্যৎ। বিশেষ করে যারা আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছ, তাদের প্রতি রইলো আমার হৃদয় নিংড়ানো দোয়া এবং ভালোবাসা। তোমরা মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দেবে এবং তোমাদের অর্জিত সাফল্যের মধ্য দিয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও মর্যাদা আরও উচ্চ শিখরে নিয়ে যাবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।​শিক্ষকদের প্রতি ইফাত আরা বলেন,আপনারাই জাতি গড়ার কারিগর। অতীতে আপনারা যেভাবে ধৈর্য ও মমতার সাথে এই শিক্ষার্থীদের আলোকবর্তিকা হিসেবে পথ দেখিয়েছেন, আগামীতেও সেই দায়িত্বশীলতার ধারা বজায় রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আপনাদের হাত ধরেই আমাদের মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে বড় হবে।​পরিশেষে, এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনারা সবাই আমার এবং আমার শ্বশুর মহোদয়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করবেন।

​নৈতিকতাসম্পন্ন নাগরিক দিয়েই সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব- মইনুদ্দিন আহমাদ  ​

​নৈতিকতাসম্পন্ন নাগরিক দিয়েই সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব- মইনুদ্দিন আহমাদ ​

নারায়ণগঞ্জ আদর্শ স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেছেন, কেবল নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ নাগরিকের মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। আজ (৯ এপ্রিল) সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আবেগঘন পরিবেশে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের দিকনির্দেশনা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।​মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ তার বক্তব্যে নৈতিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন, "চোর-বাটপার দিয়ে এদেশের পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। দেশকে প্রকৃত অর্থে পরিবর্তন করতে হলে নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ নাগরিকের কোনো বিকল্প নেই।" আদর্শ স্কুলের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, "আদর্শ স্কুল শুধু একটি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি মূলত একটি মানুষ গড়ার কারখানা।" এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে পথ দেখাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।​আদর্শ স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সিনিয়র শিক্ষক মনিরুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ​শহিদুল ইসলাম বাঙালী, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক ​ইকবাল হোসেন শ্যামল,  আদর্শ স্কুল উপাধ্যক্ষ ​মাইনউদ্দিন আহমেদ, আদর্শ মহিলা মাদরাসার সভাপতি ​ডা. আলী আশরাফ খান, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মহানগর সভাপতি ​মাওলানা ওমর ফারুক।​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ জাহাঙ্গীর কবির পোকন, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা নুরুল ইসলাম, আবদুর রশিদ শেখ, রবিউল আলম খান প্রমুখ।​অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সততার পথে অবিচল থাকার আহ্বান জানানো হয়। বিদায় বেলায় শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতের সময় স্কুল প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা মাদরাসার নতুন কমিটি গঠন

নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা মাদরাসার নতুন কমিটি গঠন

নারায়ণগঞ্জ শহরের নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ ‘আদর্শ মহিলা মাদরাসা’র নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হয়েছে। ৯ এপ্রিল সকালে মাদরাসা মিলনায়তনে আয়োজিত মাদরাসা বোর্ড কর্তৃক গঠিত পরিচিতি সভায় এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভায় ডা. আলী আশরাফকে সভাপতি এবং মোছা. মাহামুদা আক্তারকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করে মোট ৮ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।​কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ। তিনি তার বক্তব্যে মাদরাসার শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে নতুন কমিটিকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আদর্শ মহিলা মাদরাসা সাবেক সভাপতি ইকবাল আহমেদ শ্যামল, বিশিষ্ট সমাজসেবক ​শহিদুল ইসলাম বাঙালী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান, গোলাম সারোয়ার সাঈদ, সমাজকর্মী ​খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আবদুল জলিল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​সভায় বক্তারা বিদায়ী কমিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নবগঠিত কমিটিকে মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নারী শিক্ষার প্রসারে জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। নতুন কমিটির সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে মাদরাসাটিকে একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

​নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কলাবাগ এলাকায় মানবিকতার চরম অবমাননা ও ভূ-সম্পত্তি দখলের এক ন্যাক্কারজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে দুই এতিম ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাই—হালিম ও সাইদুরের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ভোগদখল করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক জামায়াত ইসলামের নেতা ও ইটালী প্রবাসী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম এবং তার ভাই বোরহানের বিরুদ্ধে। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তিন দশকে কোনো প্রতিকার পায়নি অসহায় পরিবারটি।​প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বন্দর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কলাবাগ এলাকায় প্রায় ১২ শতাংশ জমি নিয়ে এই বিবাদ। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ৩০ বছর আগে মৃত সালাউদ্দিন সরদার কোনো বৈধ দলিল ছাড়াই জোরপূর্বক এই জমিটি দখল করেন। তার মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা নুরুল ইসলাম সেই জমিতে অবৈধ বসতি ও আধিপত্য বজায় রেখেছেন। বর্তমানে সে জামায়াত ইসলামী নেতা নুরুল ইসলাম প্রবাসে থাকলেও তার ভাই বোরহানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে এলাকাছাড়া করার পায়তারা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।​ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান অত্যন্ত আবেগজড়িত কণ্ঠে জানান:​"দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আমাদের ওয়ারিশকৃত সম্পত্তি সালাউদ্দিন গং দখল করে আছে। তাদের কোনো বৈধ দলিল নেই। আমরা যখনই আমাদের জমি ফেরত চেয়েছি, নুরুল ইসলাম ও তার ক্যাডার বাহিনী আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এমনকি বিগত সরকারের পরিবর্তনের পরও তাদের দাপট কমেনি। আমরা এখন নিজ বাড়িতেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"​তিনি আরও জানান, স্থানীয় থানায় জিডি এবং অভিযোগ করেও কোনো কার্যকর ফল মেলেনি। ২ বছর আগে সালিশি বিচারের আবেদন করলেও অজ্ঞাত কারণে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।​এলাকাবাসী ও স্থানীয় মুরুব্বিরা একবাক্যে স্বীকার করেছেন যে, এই জমির প্রকৃত মালিক প্রতিবন্ধী হালিম ও সাইদুররা।​মোসলে উদ্দিন মাস্টার (সাবেক সভাপতি, কলাবাগ পঞ্চায়েত কমিটি): "আমি জানি এই জায়গার প্রকৃত মালিক রুস্তম মিয়ার ছেলে হালিম ও সাইদুররা। একাধিকবার বিচার-সালিশ হলেও নুরুল ইসলাম ক্ষমতার দাপটে দখল ছাড়েনি। অসহায় পরিবারটি এখন মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।​মাঈনুদ্দিন মানু (সভাপতি, কলাবাগ সমাজ কল্যাণ মুক্ত সংঘ): "নুরুল ইসলাম প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘকাল এই জমি আটকে রেখেছে। যারা ধর্ম ও ইনসাফের কথা বলে, তারা কীভাবে অন্যের হক এভাবে মেরে খায়, তা দেখে আমরা বিস্মিত। আমরা চাই যার জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হোক।​অসহায় প্রতিবন্ধী এই এতিম পরিবারটি এখন কেবল আইনি প্রতিকারের আশায় দিন গুনছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও ভাগ্য বদলায়নি এই অসহায় ভাইদের। তারা বর্তমান বিএনপি সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন—যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে তাদের পৈত্রিক ভিটা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

​নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কলাবাগ এলাকায় মানবিকতার চরম অবমাননা ও ভূ-সম্পত্তি দখলের এক ন্যাক্কারজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে দুই এতিম ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাই—হালিম ও সাইদুরের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ভোগদখল করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক জামায়াত ইসলামের নেতা ও ইটালী প্রবাসী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম এবং তার ভাই বোরহানের বিরুদ্ধে। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তিন দশকে কোনো প্রতিকার পায়নি অসহায় পরিবারটি।​প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বন্দর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কলাবাগ এলাকায় প্রায় ১২ শতাংশ জমি নিয়ে এই বিবাদ। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ৩০ বছর আগে মৃত সালাউদ্দিন সরদার কোনো বৈধ দলিল ছাড়াই জোরপূর্বক এই জমিটি দখল করেন। তার মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা নুরুল ইসলাম সেই জমিতে অবৈধ বসতি ও আধিপত্য বজায় রেখেছেন। বর্তমানে সে জামায়াত ইসলামী নেতা নুরুল ইসলাম প্রবাসে থাকলেও তার ভাই বোরহানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে এলাকাছাড়া করার পায়তারা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।​ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান অত্যন্ত আবেগজড়িত কণ্ঠে জানান:​"দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আমাদের ওয়ারিশকৃত সম্পত্তি সালাউদ্দিন গং দখল করে আছে। তাদের কোনো বৈধ দলিল নেই। আমরা যখনই আমাদের জমি ফেরত চেয়েছি, নুরুল ইসলাম ও তার ক্যাডার বাহিনী আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এমনকি বিগত সরকারের পরিবর্তনের পরও তাদের দাপট কমেনি। আমরা এখন নিজ বাড়িতেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"​তিনি আরও জানান, স্থানীয় থানায় জিডি এবং অভিযোগ করেও কোনো কার্যকর ফল মেলেনি। ২ বছর আগে সালিশি বিচারের আবেদন করলেও অজ্ঞাত কারণে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।​এলাকাবাসী ও স্থানীয় মুরুব্বিরা একবাক্যে স্বীকার করেছেন যে, এই জমির প্রকৃত মালিক প্রতিবন্ধী হালিম ও সাইদুররা।​মোসলে উদ্দিন মাস্টার (সাবেক সভাপতি, কলাবাগ পঞ্চায়েত কমিটি): "আমি জানি এই জায়গার প্রকৃত মালিক রুস্তম মিয়ার ছেলে হালিম ও সাইদুররা। একাধিকবার বিচার-সালিশ হলেও নুরুল ইসলাম ক্ষমতার দাপটে দখল ছাড়েনি। অসহায় পরিবারটি এখন মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।​মাঈনুদ্দিন মানু (সভাপতি, কলাবাগ সমাজ কল্যাণ মুক্ত সংঘ): "নুরুল ইসলাম প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘকাল এই জমি আটকে রেখেছে। যারা ধর্ম ও ইনসাফের কথা বলে, তারা কীভাবে অন্যের হক এভাবে মেরে খায়, তা দেখে আমরা বিস্মিত। আমরা চাই যার জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হোক।​অসহায় প্রতিবন্ধী এই এতিম পরিবারটি এখন কেবল আইনি প্রতিকারের আশায় দিন গুনছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও ভাগ্য বদলায়নি এই অসহায় ভাইদের। তারা বর্তমান বিএনপি সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন—যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে তাদের পৈত্রিক ভিটা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

বন্দরে প্রতিবন্ধীর জমি দখলের অভিযোগ সাবেক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

​নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কলাবাগ এলাকায় মানবিকতার চরম অবমাননা ও ভূ-সম্পত্তি দখলের এক ন্যাক্কারজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে দুই এতিম ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাই—হালিম ও সাইদুরের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ভোগদখল করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক জামায়াত ইসলামের নেতা ও ইটালী প্রবাসী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম এবং তার ভাই বোরহানের বিরুদ্ধে। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তিন দশকে কোনো প্রতিকার পায়নি অসহায় পরিবারটি।​প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বন্দর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কলাবাগ এলাকায় প্রায় ১২ শতাংশ জমি নিয়ে এই বিবাদ। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ৩০ বছর আগে মৃত সালাউদ্দিন সরদার কোনো বৈধ দলিল ছাড়াই জোরপূর্বক এই জমিটি দখল করেন। তার মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা নুরুল ইসলাম সেই জমিতে অবৈধ বসতি ও আধিপত্য বজায় রেখেছেন। বর্তমানে সে জামায়াত ইসলামী নেতা নুরুল ইসলাম প্রবাসে থাকলেও তার ভাই বোরহানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে এলাকাছাড়া করার পায়তারা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে।​ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান অত্যন্ত আবেগজড়িত কণ্ঠে জানান:​"দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আমাদের ওয়ারিশকৃত সম্পত্তি সালাউদ্দিন গং দখল করে আছে। তাদের কোনো বৈধ দলিল নেই। আমরা যখনই আমাদের জমি ফেরত চেয়েছি, নুরুল ইসলাম ও তার ক্যাডার বাহিনী আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এমনকি বিগত সরকারের পরিবর্তনের পরও তাদের দাপট কমেনি। আমরা এখন নিজ বাড়িতেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"​তিনি আরও জানান, স্থানীয় থানায় জিডি এবং অভিযোগ করেও কোনো কার্যকর ফল মেলেনি। ২ বছর আগে সালিশি বিচারের আবেদন করলেও অজ্ঞাত কারণে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।​এলাকাবাসী ও স্থানীয় মুরুব্বিরা একবাক্যে স্বীকার করেছেন যে, এই জমির প্রকৃত মালিক প্রতিবন্ধী হালিম ও সাইদুররা।​মোসলে উদ্দিন মাস্টার (সাবেক সভাপতি, কলাবাগ পঞ্চায়েত কমিটি): "আমি জানি এই জায়গার প্রকৃত মালিক রুস্তম মিয়ার ছেলে হালিম ও সাইদুররা। একাধিকবার বিচার-সালিশ হলেও নুরুল ইসলাম ক্ষমতার দাপটে দখল ছাড়েনি। অসহায় পরিবারটি এখন মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।​মাঈনুদ্দিন মানু (সভাপতি, কলাবাগ সমাজ কল্যাণ মুক্ত সংঘ): "নুরুল ইসলাম প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘকাল এই জমি আটকে রেখেছে। যারা ধর্ম ও ইনসাফের কথা বলে, তারা কীভাবে অন্যের হক এভাবে মেরে খায়, তা দেখে আমরা বিস্মিত। আমরা চাই যার জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হোক।​অসহায় প্রতিবন্ধী এই এতিম পরিবারটি এখন কেবল আইনি প্রতিকারের আশায় দিন গুনছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলেও ভাগ্য বদলায়নি এই অসহায় ভাইদের। তারা বর্তমান বিএনপি সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন—যাতে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে তাদের পৈত্রিক ভিটা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অমিত

উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অমিত

যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশীতে জিয়ার খাল পুনঃখনন প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে খাল খনন উদ্বোধনস্থল পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।শনিবার (দুপুরে) তিনি উলাশীর যদুনাথপুর এলাকায় অবস্থিত খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধনস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রস্তুতি কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় উলাশীর এই খাল পুনঃখনন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উলাশী যদুনাথপুর খাল খনন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।তিনি বলেন, এই খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা প্রশাসক আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধুসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

গাড়িতে উঠলেই কেন ঘন ঘন বমি হয় জানেন?

এমন অনেকেই আছেন, গাড়িতে ওঠার পরই শুরু হয় অস্বস্তি। কেউ কেউ দীর্ঘযাত্রার পর বমি বমি ভাবে ভোগেন। উঁচু-নিচু সড়ক, পাহাড়ি পথ, যানবাহনে ক্রমাগত ঝাঁকুনি এবং যানবাহনের ভেতরে থাকা বাজে গন্ধ এ সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।যদিও গাড়িতে চলার সময়ে বমি হওয়া খুব পরিচিত একটি সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে মোশন সিকনেস বলা হয়ে থাকে। ভ্রমণ করার সময়ে এমনটি কেন হয়? মন, চোখ ও শরীরের ভারসাম্যের মধ্যে সম্পর্ক কী? এটি কী প্রতিরোধ করা সম্ভব?আমাদের মস্তিষ্কে ফ্লুইড রয়েছে। ভ্রমণের সময়ে এই ফ্লুইড যখন নাড়া খায়, তখন এটিতে কম্পন তৈরি হয়, যা গলায় পৌঁছায়। গলা নড়াচড়ার ফলে সেই কম্পনগুলো চলে যায় মাথার খুলিতে। এ প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ব্যালেন্স বাধাগ্রস্ত করে এবং এর ফলে বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা তৈরি করে। যখন তা সহ্য করার মতো থাকে না, তখন বমি হয়।এ বিষয়ে দিল্লির স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মহসিন ওয়ালি বলেন, ভ্রমণের সময়ে পাকস্থলীর অবস্থাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা খালি পেটে বা কিছু না খেয়ে ভ্রমণ করেন, পাকস্থলীতে থাকা ভেগাস নার্ভ (যেটি হৃৎপিণ্ড ও গলার নার্ভের সঙ্গে সম্পৃক্ত) আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভারি খাবারের পর যারা ভ্রমণ করেন, তাদের বমি হতে পারে। তিনি বলেন, মোশন সিকনেস সব সময় কেবল ভ্রমণ সম্পর্ককৃত সমস্যা নয়। কখনো কখনো এটি হতে পারে মস্তিষ্কের কোনো ব্যাধির একটি উপসর্গ কিংবা ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো ব্রেন টিউমারের উপসর্গ পর্যন্ত হতে পারে মোশন সিকনেস।মোশন সিকনেস হলো এক ধরনের শারীরিক সমস্যা, যেখানে গাড়ি বা অন্য পরিবহনে ভ্রমণের সময় মাথা ঘোরা, মাথাব্যাথা, অস্থিরতা এবং বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীলতা, যেমন দেহের দিকনির্দেশনা ও সামঞ্জস্যতা, পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। বিশেষ করে গাড়ি, বাস, ট্রেন, জাহাজ বা আকাশপথে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, এবং পাহাড়ি রাস্তায় বা সাগর ও আকাশে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা আরও গুরুতর হতে পারে।

সাভারে ত্রাস সৃষ্টি করা সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট এর মৃত্যু

ঢাকার সাভারের জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ (আসল নাম সবুজ শেখ) মারা গেছেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাভারের অপরাধ জগতের এক বীভৎস ও অন্ধকার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।​কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাট হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​যেভাবে আলোচনায় আসে ‘সাইকো সম্রাট’সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত করেছিল এই খুনি।গত ১৮ জানুয়ারি সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের পর তার নৃশংসতার চিত্র সামনে আসে। এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি এবং মডেল মসজিদের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে নিজের কাঁধে করে মরদেহ বহন করতে দেখা যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্রাট একে একে ৬টি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি আদালতে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিল।​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ, বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায়। ২০১৪ সালে সাভারের তেঁতুলঝোরায় প্রথম খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। এরপর বিভিন্ন সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি হত্যা ও ২টি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সে ধারাবাহিকভাবে নারী ও পুরুষদের শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করত।​সম্রাটের হাতে নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল তরুণী তানিয়া আক্তারের হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে একটি মরদেহ নিয়ে যেতে দেখা গেলেও শুরুতে তানিয়ার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে রাজধানীর উত্তরখান থেকে তার পরিবার সাভারে এসে মরদেহ শনাক্ত করে। মেয়ের শেষ পরিণতি জানতে পেরে ও খুনি শনাক্ত হওয়ায় তানিয়ার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।​খুনি সম্রাটের মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত তানিয়ার মা জুলেখা বেগম ও বোন নাসরিন আক্তার ফারিয়া।তারা জানান, খুনি বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও কারো বুক খালি করত, সৃষ্টিকর্তা তার বিচার করেছেন।​ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ এন্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাটের মৃত্যুতে আইন অনুযায়ী তাকে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত থাকবে।