ঢাকা   শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা   শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে প্রেসক্লাবের সামনে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয় এ শোভাযাত্রা। এতে নারী, শিশুসহ নানান বয়সের শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।শোভাযাত্রায় দেখা যায়, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল, কুলাসহ নানা দেশীয় সংস্কৃতির উপাদান নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজধানীবাসী। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শোভাযাত্রায় দেশাত্মবোধক, জারি, সারি, ভাটিয়ালি গান গেয়ে হৈ-হুল্লোড় করে উৎসবে মাতে রাজধানীবাসী।শোভাযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে বক্তারা জানান, দেশীয় সংস্কৃতি এগিয়ে নিতে হবে। পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা। বাঙালির প্রকৃত চেতনা জাগরণের সূচনা করতে হবে।

মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ​গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য  মাওলানা আবদুল জব্বার  তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।​এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ,  নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের  সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট  আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।​শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ  মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর  হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ​গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য  মাওলানা আবদুল জব্বার  তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।​এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ,  নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের  সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট  আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।​শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ  মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর  হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ​গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে শহরের চাষাড়া সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য  মাওলানা আবদুল জব্বার  তিনি তাঁর বক্তব্যে জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে তা কার্যকর করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন জনগণের এ রায় মেনে না নিলে জনগণ তা উচিত জবাব দিবে। তিনি বলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা যেভাবে পালিয়েছে আপনারা তাদের পথে হাটলে পালানোর সুযোগ পাবেন না।​এসময় সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ,  নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের  সংসদ সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট  আবদুল্লাহ আল আমিন, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি শাজাহান বেপারি, খেলাফত মজলিস মহানগর সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা হাফেজ আবদুল মোমিন প্রমূখ।প্রধান অতিথি মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন স্বৈরাচারী হয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনা। ক্ষমতায় থাকতে হলে জনগণের রায়কে মেনে নিতে হবে। নয়তো জনগণ তার জবাব দিবে।​শহরের চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিশাল বিক্ষোভ  মিছিলটি চাষাড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডি আই টি গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা গন এয়ায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি কঠোর  হুশিয়ারি ও সাবধান সহ বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ

বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ

দুমকিতে গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতি দাবিতে বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি

দুমকিতে গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতি দাবিতে বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি

গণঅধিকার নেতা রাকিব মাহমুদ কালামের ঈদ পূর্নমিলনী

গণঅধিকার নেতা রাকিব মাহমুদ কালামের ঈদ পূর্নমিলনী

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম" অতঃপর প্রতারণা

সাংবাদিক নির্যাতনে অভিযুক্ত এসিল্যান্ডকে পদোন্নতি ও বদলি

সাংবাদিক নির্যাতনে অভিযুক্ত এসিল্যান্ডকে পদোন্নতি ও বদলি

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

পুলিশের উপস্থিতিতে রাশেদ প্রধানের বাসায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

পুলিশের উপস্থিতিতে রাশেদ প্রধানের বাসায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

স্থানীয় নির্বাচনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নির্ধারণ সভা অনুষ্ঠিত  ​

স্থানীয় নির্বাচনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নির্ধারণ সভা অনুষ্ঠিত ​

মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

মায়ের ওপর অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া

আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া

নারায়ণগঞ্জে মাই টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ

নারায়ণগঞ্জে মাই টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ

​গাজীপুরে সন্তান, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে স্ত্রী উধাও   ​

​গাজীপুরে সন্তান, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে স্ত্রী উধাও ​

দুমকীতে সড়ক দুর্ঘটনা নিহত ১ - আহত ১

দুমকীতে সড়ক দুর্ঘটনা নিহত ১ - আহত ১

সোনারগাঁওয়ে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন

সোনারগাঁওয়ে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

পুলিশের উপস্থিতিতে রাশেদ প্রধানের বাসায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র এবং ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষস্থানীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানের বাসার সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে একদল সন্ত্রাসীর ‘মব সৃষ্টি’ ও হামলা এবং পঞ্চগড়ে জাগপার জেলা কার্যালয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার  ১৭ এপ্রিল (জুম’আ বার) বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, চব্বিশের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতার জেলা পর্যায়ের অফিসে হামলা ও  বাসার সামনে আজ সকালে একদল সন্ত্রাসীর ‘মব সৃষ্টি’ ও হামলার ঘটনায় বিএনপি সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। আমি রাশেদ প্রধানের দলীয় কার্যালয় ও বাসায় হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।একই সঙ্গে তদন্তপূর্বক ঘটনা দুটির সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করছি এবং রাশেদ প্রধানের বাসা, রাজনৈতিক কার্যালয় ও তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দাবি করছি।আমি দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

সব বিভাগের খবর

সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

১৬ এপ্রিল  বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে বার্ষিক মিলাদ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিদায় ২০২৬ ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সভাপতি ও ২০নং ওর্য়াডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদ। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন এই ইস্কুলে তোমরা যারা লেখাপড়া করো তোমাদের একটি কথা মনে রাখতে হবে।  এ বিদ্যালয় টি একটি ঐতিহাসিক বিদ্যালয়, তার নামটা যাহাতে ধরে রাখতে পারো, সেই প্রচেষ্টা থাকবে তোমাদের কাছে এবং তোমরা যদি ৮.৫ % এবার পরিক্ষা দিয়ে পাস করে আসতে পারো তাহলে কথা দিলাম। আমি আমার নিজের অর্থ ব্যায় করে তোমাদের কে পিকনিক করতে নিয়ে যাবো।এ সময় সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা কাজী নুসরাত ইয়াছমিন এর সভাপতিত্বে অন্য দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, এডভোকেট ফরহাদ মিয়া, অত্ত বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক বি, কম কবির মাস্টার, রুবিনা আক্তার, লকিতউল্লাহ ফরাজী,রামকমল সুএধর,আবদুল সালাম,ধমীয় শিক্ষক ইউসুফ ভূইয়া সহ সকল ছাএছাএী অভিভাবক বৃন্দগন এই সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে দোয়া শেষ সকলের মাজে মিষ্টি বিতরন করা হয়।

আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া

আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া

নারায়ণগঞ্জ শহরের আলম খান লেন এলাকায় অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা আলিম মাদরাসায় ২০২৬ সালের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) মাদরাসা মিলনায়তনে হাফেজ মারিয়া বিনতে ওবায়েদের কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রশাসক এডভোকেট শাখওয়াত হোসেন খান।প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট শাখওয়াত হোসেন খান বলেন, "নারীরা আজ সমাজের কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তোমরা দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। পরীক্ষার হলগুলোতে আত্মবিশ্বাসের সাথে অংশগ্রহণ করে তোমরা মাদরাসা ও এই শহরের গৌরব বয়ে আনবে।"তিনি আরও বলেন, "শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু ভালো ফলাফল নয়, বরং নৈতিকতা ও আদর্শের সমন্বয় ঘটানো। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নারী শিক্ষা ও দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।"অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক মাওলানা মইনউদ্দিন আহমাদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, লেখক ও কলামিস্ট মাওলানা আবদুল জব্বার এবং মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদা আক্তার। বক্তারা পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দোয়া করেন এবং শেষ সময়ে প্রস্তুতির বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী সোসাইটি অব নারায়ণগঞ্জের জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ্ব মু:মুনীরুজ্জামান শাহীন, সমাজ সেবক ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ক্রিড়াবিদ জাহাঙ্গীর কবির পোকন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবদুল জলিল।উক্ত মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আলী আশরাফ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং পরীক্ষার্থীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে পরীক্ষার্থীদের সফলতা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

এমপি পুত্রবধু ইফাত আরা বলেন,​ আজকের এই চমৎকার আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার শ্বশুর মহোদয়ের ঐকান্তিক ইচ্ছায় এই সুন্দর পরিবেশে আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়েছে। আবুল কাউছার বিশেষ ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি, তাই ওনার পক্ষ থেকেও আপনাদের সকলের প্রতি আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা।গত ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন,​আমি বরাবরই শুনে এসেছি যে বন্দর গার্লস স্কুল কেবল নামেই নয়, বরং গুণগত মান, সৃজনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। আজ আপনাদের উদ্দীপনা দেখে সেই বিশ্বাসের পূর্ণ প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।​শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,তোমরা শুধু এই স্কুলের ছাত্রই নও, তোমরা এই দেশের ভবিষ্যৎ। বিশেষ করে যারা আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছ, তাদের প্রতি রইলো আমার হৃদয় নিংড়ানো দোয়া এবং ভালোবাসা। তোমরা মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দেবে এবং তোমাদের অর্জিত সাফল্যের মধ্য দিয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও মর্যাদা আরও উচ্চ শিখরে নিয়ে যাবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।​শিক্ষকদের প্রতি ইফাত আরা বলেন,আপনারাই জাতি গড়ার কারিগর। অতীতে আপনারা যেভাবে ধৈর্য ও মমতার সাথে এই শিক্ষার্থীদের আলোকবর্তিকা হিসেবে পথ দেখিয়েছেন, আগামীতেও সেই দায়িত্বশীলতার ধারা বজায় রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আপনাদের হাত ধরেই আমাদের মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে বড় হবে।​পরিশেষে, এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনারা সবাই আমার এবং আমার শ্বশুর মহোদয়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করবেন।

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমি ও নির্ধারিত সড়কের জায়গা দখল করে বহুতল পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আদাবারিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় এই অবৈধ নির্মাণকাজ প্রকাশ্যেই চললেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।জানা যায়, হাজিরহাট বাজারের দক্ষিণ পাশে দাগ নং ২৫০৭-এর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি, যা মূলত সরকারি রাস্তার জন্য নির্ধারিত, সেটি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন মোঃ খলিল হাওলাদার (পিতা: মৃত তাজেম হাওলাদার)। প্রায় ১৮ মিটার প্রস্থ ও ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জমিতে ইতোমধ্যে বহুতল ভবনের ফাউন্ডেশন সহ প্রথম চলার কাজ শেষ করে দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইও সম্পন্ন করেছেন তিনি; বর্তমানে চলছে দেয়াল গাঁথনি ও পরবর্তী ধাপের নির্মাণ কাজ।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ সহ কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই এই ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এমনকি খাস জমি ব্যবহারের জন্য কোনো ডিসিআর (DCR) থাকার তথ্যও মেলেনি।সরেজমিনে দেখা যায়, খলিল হাওলাদার ভবনটি ব্যবসা ও বসবাসের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করছেন। আশেপাশে থাকা একাধিক প্লটের সঙ্গে এই খাস খতিয়ান সংযুক্ত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি নিজেদের জমির সঙ্গে সরকারি জমি আটকে রেখে দখলের চেষ্টা করছেন, যা ভবিষ্যতে বড় আকারের দখলবাজির ঝুঁকি তৈরি করছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর আগে এই জমিটি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার অংশ হিসেবে বিবেচিত ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রভাবশালীরা রাস্তার জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। এতে জনসাধারণের চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, খাস জমিতে কীভাবে বহুতল ভবন হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। কোনো নিয়ম-নীতি মানা হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে সরকারি জমি একসময় পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে।এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে একাধিকবার ওই স্থানে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। সরকারি রাস্তা ও খাস জমিতে ভবন নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রায় দুই মাস আগে আমি নিজেও গিয়ে কাজ বন্ধের মৌখিক নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তিনি তা মানছেন না। তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহমেদ বলেন, সরকারি রাস্তা দখল ও খাস জমিতে নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে তহসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি নির্মাণ কাজ চালানো হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকায় প্রশ্ন উঠেছে কার প্রভাবের জোরে চলছে এই দখলদারি? দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সরকারি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমি ও নির্ধারিত সড়কের জায়গা দখল করে বহুতল পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আদাবারিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় এই অবৈধ নির্মাণকাজ প্রকাশ্যেই চললেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।জানা যায়, হাজিরহাট বাজারের দক্ষিণ পাশে দাগ নং ২৫০৭-এর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি, যা মূলত সরকারি রাস্তার জন্য নির্ধারিত, সেটি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন মোঃ খলিল হাওলাদার (পিতা: মৃত তাজেম হাওলাদার)। প্রায় ১৮ মিটার প্রস্থ ও ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জমিতে ইতোমধ্যে বহুতল ভবনের ফাউন্ডেশন সহ প্রথম চলার কাজ শেষ করে দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইও সম্পন্ন করেছেন তিনি; বর্তমানে চলছে দেয়াল গাঁথনি ও পরবর্তী ধাপের নির্মাণ কাজ।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ সহ কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই এই ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এমনকি খাস জমি ব্যবহারের জন্য কোনো ডিসিআর (DCR) থাকার তথ্যও মেলেনি।সরেজমিনে দেখা যায়, খলিল হাওলাদার ভবনটি ব্যবসা ও বসবাসের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করছেন। আশেপাশে থাকা একাধিক প্লটের সঙ্গে এই খাস খতিয়ান সংযুক্ত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি নিজেদের জমির সঙ্গে সরকারি জমি আটকে রেখে দখলের চেষ্টা করছেন, যা ভবিষ্যতে বড় আকারের দখলবাজির ঝুঁকি তৈরি করছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর আগে এই জমিটি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার অংশ হিসেবে বিবেচিত ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রভাবশালীরা রাস্তার জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। এতে জনসাধারণের চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, খাস জমিতে কীভাবে বহুতল ভবন হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। কোনো নিয়ম-নীতি মানা হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে সরকারি জমি একসময় পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে।এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে একাধিকবার ওই স্থানে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। সরকারি রাস্তা ও খাস জমিতে ভবন নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রায় দুই মাস আগে আমি নিজেও গিয়ে কাজ বন্ধের মৌখিক নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তিনি তা মানছেন না। তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহমেদ বলেন, সরকারি রাস্তা দখল ও খাস জমিতে নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে তহসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি নির্মাণ কাজ চালানো হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকায় প্রশ্ন উঠেছে কার প্রভাবের জোরে চলছে এই দখলদারি? দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সরকারি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমি ও নির্ধারিত সড়কের জায়গা দখল করে বহুতল পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আদাবারিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার এলাকায় এই অবৈধ নির্মাণকাজ প্রকাশ্যেই চললেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।জানা যায়, হাজিরহাট বাজারের দক্ষিণ পাশে দাগ নং ২৫০৭-এর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি, যা মূলত সরকারি রাস্তার জন্য নির্ধারিত, সেটি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন মোঃ খলিল হাওলাদার (পিতা: মৃত তাজেম হাওলাদার)। প্রায় ১৮ মিটার প্রস্থ ও ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জমিতে ইতোমধ্যে বহুতল ভবনের ফাউন্ডেশন সহ প্রথম চলার কাজ শেষ করে দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইও সম্পন্ন করেছেন তিনি; বর্তমানে চলছে দেয়াল গাঁথনি ও পরবর্তী ধাপের নির্মাণ কাজ।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ সহ কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই এই ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এমনকি খাস জমি ব্যবহারের জন্য কোনো ডিসিআর (DCR) থাকার তথ্যও মেলেনি।সরেজমিনে দেখা যায়, খলিল হাওলাদার ভবনটি ব্যবসা ও বসবাসের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করছেন। আশেপাশে থাকা একাধিক প্লটের সঙ্গে এই খাস খতিয়ান সংযুক্ত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি নিজেদের জমির সঙ্গে সরকারি জমি আটকে রেখে দখলের চেষ্টা করছেন, যা ভবিষ্যতে বড় আকারের দখলবাজির ঝুঁকি তৈরি করছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহু বছর আগে এই জমিটি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার অংশ হিসেবে বিবেচিত ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রভাবশালীরা রাস্তার জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। এতে জনসাধারণের চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, খাস জমিতে কীভাবে বহুতল ভবন হচ্ছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। কোনো নিয়ম-নীতি মানা হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে সরকারি জমি একসময় পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে।এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে একাধিকবার ওই স্থানে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। সরকারি রাস্তা ও খাস জমিতে ভবন নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রায় দুই মাস আগে আমি নিজেও গিয়ে কাজ বন্ধের মৌখিক নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তিনি তা মানছেন না। তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহমেদ বলেন, সরকারি রাস্তা দখল ও খাস জমিতে নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে তহসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি নির্মাণ কাজ চালানো হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকায় প্রশ্ন উঠেছে কার প্রভাবের জোরে চলছে এই দখলদারি? দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সরকারি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

রাজধানীতে বৈশাখী শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে প্রেসক্লাবের সামনে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয় এ শোভাযাত্রা। এতে নারী, শিশুসহ নানান বয়সের শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।শোভাযাত্রায় দেখা যায়, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল, কুলাসহ নানা দেশীয় সংস্কৃতির উপাদান নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজধানীবাসী। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শোভাযাত্রায় দেশাত্মবোধক, জারি, সারি, ভাটিয়ালি গান গেয়ে হৈ-হুল্লোড় করে উৎসবে মাতে রাজধানীবাসী।শোভাযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে বক্তারা জানান, দেশীয় সংস্কৃতি এগিয়ে নিতে হবে। পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা। বাঙালির প্রকৃত চেতনা জাগরণের সূচনা করতে হবে।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

গাড়িতে উঠলেই কেন ঘন ঘন বমি হয় জানেন?

এমন অনেকেই আছেন, গাড়িতে ওঠার পরই শুরু হয় অস্বস্তি। কেউ কেউ দীর্ঘযাত্রার পর বমি বমি ভাবে ভোগেন। উঁচু-নিচু সড়ক, পাহাড়ি পথ, যানবাহনে ক্রমাগত ঝাঁকুনি এবং যানবাহনের ভেতরে থাকা বাজে গন্ধ এ সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।যদিও গাড়িতে চলার সময়ে বমি হওয়া খুব পরিচিত একটি সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে মোশন সিকনেস বলা হয়ে থাকে। ভ্রমণ করার সময়ে এমনটি কেন হয়? মন, চোখ ও শরীরের ভারসাম্যের মধ্যে সম্পর্ক কী? এটি কী প্রতিরোধ করা সম্ভব?আমাদের মস্তিষ্কে ফ্লুইড রয়েছে। ভ্রমণের সময়ে এই ফ্লুইড যখন নাড়া খায়, তখন এটিতে কম্পন তৈরি হয়, যা গলায় পৌঁছায়। গলা নড়াচড়ার ফলে সেই কম্পনগুলো চলে যায় মাথার খুলিতে। এ প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ব্যালেন্স বাধাগ্রস্ত করে এবং এর ফলে বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা তৈরি করে। যখন তা সহ্য করার মতো থাকে না, তখন বমি হয়।এ বিষয়ে দিল্লির স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মহসিন ওয়ালি বলেন, ভ্রমণের সময়ে পাকস্থলীর অবস্থাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা খালি পেটে বা কিছু না খেয়ে ভ্রমণ করেন, পাকস্থলীতে থাকা ভেগাস নার্ভ (যেটি হৃৎপিণ্ড ও গলার নার্ভের সঙ্গে সম্পৃক্ত) আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভারি খাবারের পর যারা ভ্রমণ করেন, তাদের বমি হতে পারে। তিনি বলেন, মোশন সিকনেস সব সময় কেবল ভ্রমণ সম্পর্ককৃত সমস্যা নয়। কখনো কখনো এটি হতে পারে মস্তিষ্কের কোনো ব্যাধির একটি উপসর্গ কিংবা ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো ব্রেন টিউমারের উপসর্গ পর্যন্ত হতে পারে মোশন সিকনেস।মোশন সিকনেস হলো এক ধরনের শারীরিক সমস্যা, যেখানে গাড়ি বা অন্য পরিবহনে ভ্রমণের সময় মাথা ঘোরা, মাথাব্যাথা, অস্থিরতা এবং বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীলতা, যেমন দেহের দিকনির্দেশনা ও সামঞ্জস্যতা, পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। বিশেষ করে গাড়ি, বাস, ট্রেন, জাহাজ বা আকাশপথে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, এবং পাহাড়ি রাস্তায় বা সাগর ও আকাশে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা আরও গুরুতর হতে পারে।

সাভারে ত্রাস সৃষ্টি করা সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট এর মৃত্যু

ঢাকার সাভারের জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ (আসল নাম সবুজ শেখ) মারা গেছেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাভারের অপরাধ জগতের এক বীভৎস ও অন্ধকার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।​কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাট হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​যেভাবে আলোচনায় আসে ‘সাইকো সম্রাট’সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত করেছিল এই খুনি।গত ১৮ জানুয়ারি সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের পর তার নৃশংসতার চিত্র সামনে আসে। এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি এবং মডেল মসজিদের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে নিজের কাঁধে করে মরদেহ বহন করতে দেখা যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্রাট একে একে ৬টি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি আদালতে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিল।​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ, বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায়। ২০১৪ সালে সাভারের তেঁতুলঝোরায় প্রথম খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। এরপর বিভিন্ন সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি হত্যা ও ২টি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সে ধারাবাহিকভাবে নারী ও পুরুষদের শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করত।​সম্রাটের হাতে নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল তরুণী তানিয়া আক্তারের হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে একটি মরদেহ নিয়ে যেতে দেখা গেলেও শুরুতে তানিয়ার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে রাজধানীর উত্তরখান থেকে তার পরিবার সাভারে এসে মরদেহ শনাক্ত করে। মেয়ের শেষ পরিণতি জানতে পেরে ও খুনি শনাক্ত হওয়ায় তানিয়ার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।​খুনি সম্রাটের মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত তানিয়ার মা জুলেখা বেগম ও বোন নাসরিন আক্তার ফারিয়া।তারা জানান, খুনি বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও কারো বুক খালি করত, সৃষ্টিকর্তা তার বিচার করেছেন।​ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ এন্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাটের মৃত্যুতে আইন অনুযায়ী তাকে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত থাকবে।