ঢাকা   সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

ফতুল্লা মডেল থানা পরিদর্শন করলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার

নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী ফতুল্লা মডেল থানা পরিদর্শন করেছেন।গতকাল সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৪ ঘটিকায় তিনি থানা কার্যালয়ে পৌঁছালে ফতুল্লা মডেল থানার পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, মালখানা, হাজতখানা এবং থানা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। সেই সাথে তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করা ও অপরাধ দমনে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার তাগিদ দেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল, নারায়ণগঞ্জ) জনাব মোঃ শামীম হোসাইন, ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ মাহবুব আলম এবং পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্) জনাব আজিজুর রহিমানসহ থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নবীগঞ্জ-কাইকারটেক সড়ক সংস্কারের দাবিতে দুই ঘণ্টা অবরোধ, তীব্র যানজট

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ম ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্টের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মি. অতুল খারে (Atul Khare) এবং জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া (Jean-Pierre Lacroix) এর সাথে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির অংশগ্রহণ করেন।  বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বৈঠককালে বলেন, জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উভয় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের উঁচুমানের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উভয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে ত্রিবেনী ব্রিজ, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ম ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্টের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মি. অতুল খারে (Atul Khare) এবং জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া (Jean-Pierre Lacroix) এর সাথে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির অংশগ্রহণ করেন।  বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বৈঠককালে বলেন, জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উভয় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের উঁচুমানের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উভয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, ৩৫ হাজার টাকা ছিনতাই

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৫ম ইউএনকপস ২০২৬ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্টের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মি. অতুল খারে (Atul Khare) এবং জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া (Jean-Pierre Lacroix) এর সাথে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির অংশগ্রহণ করেন।  বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান বৈঠককালে বলেন, জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে বিশ্বের যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রতিষ্ঠা এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অনন্য অবদান ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশগ্রহণ আরো বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উভয় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের উঁচুমানের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উভয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থাপিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার চর্চা করতে হবে- ডিসি মো: রায়হান কবির

শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার চর্চা করতে হবে- ডিসি মো: রায়হান কবির

নান্দনিক ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মেম্বার প্রার্থী - মো. শাহ আলম

নান্দনিক ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মেম্বার প্রার্থী - মো. শাহ আলম

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্তু-বাবুলের মাদকবিরোধী মিছিল!

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্তু-বাবুলের মাদকবিরোধী মিছিল!

নারায়ণগঞ্জ সদরে ৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান  ​

নারায়ণগঞ্জ সদরে ৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ​

সাংবাদিক শেখ সুমনের ছোট কন্যা সুরাইফার প্রথম জন্মদিন উদযাপিত  ​

সাংবাদিক শেখ সুমনের ছোট কন্যা সুরাইফার প্রথম জন্মদিন উদযাপিত ​

ফতুল্লায় রাস্তা পারাপারে ট্রাক চাপায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

ফতুল্লায় রাস্তা পারাপারে ট্রাক চাপায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

হাইতির এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনার তারকা

হাইতির এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনার তারকা

হাফিজুর রহমানের  মুক্তি'র দাবিতে  নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

হাফিজুর রহমানের মুক্তি'র দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনায় সম্পন্ন হলো হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর শিক্ষার্থী মিলনমেলা

উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনায় সম্পন্ন হলো হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর শিক্ষার্থী মিলনমেলা

আমি তাকে উবায়দুল্লাহ ফারুক আলেম বলবো না জালেম বলবো বুঝতে পারছি না: মুস্তাফিজুর রহমান

আমি তাকে উবায়দুল্লাহ ফারুক আলেম বলবো না জালেম বলবো বুঝতে পারছি না: মুস্তাফিজুর রহমান

সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে সফল শিক্ষা সফর ২০২৬

জ্ঞানের অন্বেষণ, ইতিহাসের অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিক চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানার উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘শিক্ষা সফর ২০২৬’। ‘স্মৃতির পাতায় অমলিন’ শিরোনামের এই সফরে অর্ধশতাধিক তরুণ নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।সফরের বিবরণ: নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জামাল হোসাইনের গতিশীল নেতৃত্বে সফরকারী দলটি বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করে। সফরের অংশ হিসেবে তারা বাগেরহাটের ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও ইসলাম প্রচারক হযরত খান জাহান আলী (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তরুণরা প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী ও ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর প্রতিনিধি দলটি পিরোজপুর জেলায় অবস্থিত ‘আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ফাউন্ডেশন’ পরিদর্শন করে।সমাপনী ও লক্ষ্য: সফরের শেষ পর্যায়ে সমাপনী বক্তব্যে সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির মাহবুব আলম বলেন, “এই সফর কেবল চিত্তবিনোদনের জন্য নয়, বরং নিজের শেকড় ও ইতিহাসকে জানার জন্য। তরুণ সমাজকে আগামী দিনে দেশ, সমাজ ও ইসলামের কল্যাণে যোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে।” অনুষ্ঠানে তার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করা হয়, যেখানে সফরের লক্ষ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।অংশগ্রহণকারীদের প্রতিক্রিয়া: সফরে অংশগ্রহণকারী তরুণ নেতাকর্মীদের মতে, এই সফর তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও নৈতিক মানদণ্ড সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। ইতিহাসকে কাছ থেকে জানার এই সুযোগ তাদের দেশপ্রেম ও আদর্শিক দৃঢ়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা সত্যিই তাদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

নান্দনিক ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মেম্বার প্রার্থী - মো. শাহ আলম

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৬ জুলাই রবিবার বেলা ৩ টায়‌ বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের গোবিন্দকুল এলাকায় এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন বন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি তরুণ সমাজসেবক মো. শাহ আলম এসময় তিনি একটি আধুনিক, উন্নত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই মুছাপুর ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।  তিনি বলেন, যেদিন থেকে রাজনীতি শুরু করি সেদিন থেকেই আমাদের ইউনিয়নের এবং ওয়ার্ডের প্রতিটা মানুষকে নিজের আপনজন হিসেবে চিনি। নিজের জন্য নয়, এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চাই। আপনাদের দোয়া, সমর্থন ও ভোটই আমার একমাত্র প্রত্যাশা। একসাথে মিলেমিশে মোরা কাজ করে উন্নত ওয়ার্ড গড়বো।প্রবাস ফেরত সমাজসেবক মো. সুমন'র সভাপতিত্বে ও আল হাসান'র সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাইদুর রহমান, মো. সোহেল, শিতল বাবু,  আব্দুর কাদের, আব্দুস সামাদ, মো. বাচ্চু, মো. মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ হোসেন।এতে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশিদ আলম (এমলাক), বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান, গোলাপ হোসেন, মো. জুয়েল, মো. দাদন মিয়া, হিরো মিয়া, বিল্লাহ হোসেন, হৃদয় সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার চর্চা করতে হবে- ডিসি মো: রায়হান কবির

শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার চর্চা করতে হবে- ডিসি মো: রায়হান কবির

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।রোববার সদর উপজেলার ১২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একযোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, "পরিচ্ছন্নতা শুধু একটি কাজ নয়, এটি একটি অভ্যাস। শিক্ষার্থীরা যদি ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার চর্চা করে, তাহলে তার প্রভাব পরিবার থেকে সমাজ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন জানান, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এর অংশ হিসেবে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক আলোচনা, পোস্টারিং এবং বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি নিষ্কাশন ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, কেবল বিদ্যালয় নয়, শিক্ষার্থীরা যেন পরিবার ও সমাজেও পরিচ্ছন্নতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় সেজন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমটি ধারাবাহিকভাবে চলবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এলাকেও এর আওতায় আনা হবে।আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে উঠবে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে পুরো নারায়ণগঞ্জের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায়।

নারায়ণগঞ্জ সদরে ৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান  ​

নারায়ণগঞ্জ সদরে ৫৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ​

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সদর উপজেলার ১২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৫৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম চালানো হয়।​অভিযান চলাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ অংশগ্রহণে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ, প্রাঙ্গণ এবং চারপাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। পাশাপাশি মৌসুমি রোগ বালাই, বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমানো পানি দূর করা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।​নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ও নিবিড় তদারকিতে এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।​কর্মসূচি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন জানান,শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা গেলে এটি তাদের জীবনের স্থায়ী অভ্যাসে পরিণত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই সুস্থ পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তাদের বাড়ি এবং সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।​শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এই সচেতনতামূলক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন তাঁরা।

উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনায় সম্পন্ন হলো হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর শিক্ষার্থী মিলনমেলা

উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনায় সম্পন্ন হলো হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর শিক্ষার্থী মিলনমেলা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ঐতিহ্যবাহী হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্জন, সাফল্য ও গৌরবময় ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় পর্বের সুবর্ণ জয়ন্তী ও মিলনমেলা শনিবার (২৫ জুলাই) আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পরিষদের আয়োজনে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ড পার্ক নারায়ণগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অতিথি ও আয়োজকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আহমদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুন্নেছা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিনতি বসাক, নুরুল হক দুলাল, কামাল হোসেন, জাকির মাহমুদ খান, সৈয়দ হুমায়ুন জাকির মিলন, আফরোজা সুলতানা রনি এবং মো. ওসমান।দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। পরে ভেন্যুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, গীতা পাঠ, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।অনুষ্ঠানে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় নৃত্যানুষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ গান ও কৌতুক পরিবেশনা। পরে মধ্যাহ্নভোজ, বিভিন্ন রাইড ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দঘন সময় কাটায়। বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, বন্ধু, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে এমন আয়োজন তাদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিদ্যালয়ের বাইরে একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পেয়ে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।আয়োজকরা জানান, বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও বিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা আরও দৃঢ় করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ ধরনের শিক্ষা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

বাউফলে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষার হলে সাবেক এমপিপুত্রের অবৈধ উপস্থিতি

পটুয়াখালীর বাউফলে ফ্যামিলি কার্ড তথ্যসংগ্রহকারী (সুপারভাইজার) নিয়োগের এমসিকিউ পরীক্ষার হলে সাবেক বিএনপি সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারের ছেলে আকাশ তালুকদারের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি মোবাইল ফোন হাতে প্রায় ৩০ মিনিট পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে অবস্থান করেন। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।শনিবার (২৫ জুলাই) বাউফল উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।একাধিক পরীক্ষার্থীর দাবি, পরীক্ষা চলাকালে আকাশ তালুকদার মোবাইল ফোন হাতে হলরুমে অবস্থান করেন।তাদের অভিযোগ, একজন বহিরাগত হিসেবে তাঁর পরীক্ষার হলে অবস্থান করা এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস তথা ফোন বহন করা পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।পরীক্ষার্থী জসিম উদ্দীন অন্তু বলেন, “পরীক্ষার হলে বহিরাগত ব্যক্তির উপস্থিতি আমাদের হতবাক করেছে। এর ওপর মোবাইল ফোন হাতে আকাশ তালুকদার পুরো সময় পরীক্ষার হলে ছিলেন, যা পরীক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।”তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ পরীক্ষার হলের বাইরে থেকে ভিডিও ধারণ করেছেন। এতে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।আরেক পরীক্ষার্থী জাফর ইকবাল বলেন, “পরীক্ষার হলে প্রভাব খাটিয়ে বহিরাগত কারও মোবাইল ফোন হাতে অবস্থান করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা পুরো সময় তাঁকে মোবাইল ফোন হাতে দেখেছি।পরীক্ষার্থী মো. মহিউদ্দীন বলেন, “সরকারি একটি নিয়োগ পরীক্ষায় এমন ঘটনা দুঃখজনক। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।”অভিযোগের বিষয়ে আকাশ তালুকদার বলেন, পরীক্ষার সময় আমি হলে উপস্থিত ছিলাম। তবে বেশিক্ষন থাকিনি। অল্প সময় ছিলাম।বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, “অবৈধভাবে কারও পরীক্ষার হলে থাকার সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। যদি সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর উপস্থিতির সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্তু-বাবুলের মাদকবিরোধী মিছিল!

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্তু-বাবুলের মাদকবিরোধী মিছিল!

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসায়ীদেরকে সাথে নিয়ে মাদকবিরোধী মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি  হয়েছে। আর এ ধরনের আয়োজন দেখে ৮ নং ওয়ার্ড বাসীদের দাবি, কমিশনার পদপ্রার্থী মমতাজ উদ্দিন মন্তু, তার সহযোগীদের নিয়ে মাদক বিরোধী মিছিল করেন এলাকাবাসীর অভিযোগ এটা মাদকবিরোধী মিছিল ছিল না। এই মিছিল থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের আরো উৎসাহিত করা হয়েছে মিছিলের সামনের কাতারে মন্তুর বাম পাশে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী দেলুকে দেখতে পায়  এলাকাবাসী।নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক আহবায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তু ,৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডি এস বাবুল ,সাধারন সম্পাদকজাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, মাসুম প্রধান,ডালিম প্রধানসহ অনেক বিএনপি নেতৃবৃন্দ এ মাদক বিরোধী মিছিল বের করে। কিন্তু মিছিলে থাকা অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দেলুকে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই দেলোয়ার হোসেন দেলুর বিরুদ্ধে। দেলুসহ অনেক মাদক ব্যবসায়ী কে দেখা যায় এই মিছিলে।মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মাদক বিরোধী মিছিল নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অনেক অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এ ঘটনায় এলাকাবাসীর একাংশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং অনেকেই বিষয়টিকে পরস্পরবিরোধী বলে মন্তব্য করছেন। তাদের দাবি, ৮ নং ওয়ার্ডে মাদক ও অস্ত্রের বিস্তারের কারণে যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এ অবস্থায় অভিযোগের মুখে থাকা ব্যক্তিদের মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর প্রতিটি অলিগলিই চলছে মাদকের ব্যাপক ছড়াছড়ি। আর মাদকের এ ভয়াল ছোবলে পড়ে সমাজের বিভিন্ন বয়সী ছেলে-মেয়েদের পাশপাশি বয়স্করাও আসক্ত হয়ে পড়ছে মাদক সেবনে। জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন শীর্ষ নেতৃবৃন্দরাও যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছেন মাদককে নির্মূল কিংবা নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য সেখানে খোদ মাদক বিক্রেতাদেরকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী মিছিল করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক আহবায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তু , ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডি এস বাবুল ,সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, মাসুম প্রধান,ডালিম প্রধানগংরা। এতে করে জেলা প্রশাসন কিংবা পুলিশ প্রশাসন অথবা বিএনপির নেতৃবৃন্দদেরকে কি বার্তা দিলো ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দরা ? এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মাঝে।তারা অনেকে বলেন,মন্তু-ডিএস বাবুলরা মাদক বিরোধী কোন মিছিল করেনি বরং চিহিৃত মাদক বিক্রেতাদেরকে পাশে মাদক বিরোধী মিছিল করা মানে তারা ছাড়া অন্যকেউ এখানে মাদক বিক্রি করতে পারবেনা এমনটাই কি বুঝাতে চেয়েছে তারা।এ অবস্থায় ৮ নং ওয়ার্ডবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে সফল শিক্ষা সফর ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে সফল শিক্ষা সফর ২০২৬

জ্ঞানের অন্বেষণ, ইতিহাসের অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিক চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানার উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘শিক্ষা সফর ২০২৬’। ‘স্মৃতির পাতায় অমলিন’ শিরোনামের এই সফরে অর্ধশতাধিক তরুণ নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।সফরের বিবরণ: নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জামাল হোসাইনের গতিশীল নেতৃত্বে সফরকারী দলটি বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করে। সফরের অংশ হিসেবে তারা বাগেরহাটের ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও ইসলাম প্রচারক হযরত খান জাহান আলী (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তরুণরা প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী ও ইসলামের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর প্রতিনিধি দলটি পিরোজপুর জেলায় অবস্থিত ‘আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ফাউন্ডেশন’ পরিদর্শন করে।সমাপনী ও লক্ষ্য: সফরের শেষ পর্যায়ে সমাপনী বক্তব্যে সিদ্ধিরগঞ্জ পশ্চিম থানা জামায়াতের আমির মাহবুব আলম বলেন, “এই সফর কেবল চিত্তবিনোদনের জন্য নয়, বরং নিজের শেকড় ও ইতিহাসকে জানার জন্য। তরুণ সমাজকে আগামী দিনে দেশ, সমাজ ও ইসলামের কল্যাণে যোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে।” অনুষ্ঠানে তার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করা হয়, যেখানে সফরের লক্ষ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।অংশগ্রহণকারীদের প্রতিক্রিয়া: সফরে অংশগ্রহণকারী তরুণ নেতাকর্মীদের মতে, এই সফর তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও নৈতিক মানদণ্ড সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। ইতিহাসকে কাছ থেকে জানার এই সুযোগ তাদের দেশপ্রেম ও আদর্শিক দৃঢ়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা সত্যিই তাদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্তু-বাবুলের মাদকবিরোধী মিছিল!

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মন্তু-বাবুলের মাদকবিরোধী মিছিল!

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসায়ীদেরকে সাথে নিয়ে মাদকবিরোধী মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি  হয়েছে। আর এ ধরনের আয়োজন দেখে ৮ নং ওয়ার্ড বাসীদের দাবি, কমিশনার পদপ্রার্থী মমতাজ উদ্দিন মন্তু, তার সহযোগীদের নিয়ে মাদক বিরোধী মিছিল করেন এলাকাবাসীর অভিযোগ এটা মাদকবিরোধী মিছিল ছিল না। এই মিছিল থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের আরো উৎসাহিত করা হয়েছে মিছিলের সামনের কাতারে মন্তুর বাম পাশে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী দেলুকে দেখতে পায়  এলাকাবাসী।নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক আহবায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তু ,৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডি এস বাবুল ,সাধারন সম্পাদকজাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, মাসুম প্রধান,ডালিম প্রধানসহ অনেক বিএনপি নেতৃবৃন্দ এ মাদক বিরোধী মিছিল বের করে। কিন্তু মিছিলে থাকা অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন দেলুকে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই দেলোয়ার হোসেন দেলুর বিরুদ্ধে। দেলুসহ অনেক মাদক ব্যবসায়ী কে দেখা যায় এই মিছিলে।মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে মাদক বিরোধী মিছিল নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অনেক অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এ ঘটনায় এলাকাবাসীর একাংশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং অনেকেই বিষয়টিকে পরস্পরবিরোধী বলে মন্তব্য করছেন। তাদের দাবি, ৮ নং ওয়ার্ডে মাদক ও অস্ত্রের বিস্তারের কারণে যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এ অবস্থায় অভিযোগের মুখে থাকা ব্যক্তিদের মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নারায়ণগঞ্জ শহর ও শহরতলীর প্রতিটি অলিগলিই চলছে মাদকের ব্যাপক ছড়াছড়ি। আর মাদকের এ ভয়াল ছোবলে পড়ে সমাজের বিভিন্ন বয়সী ছেলে-মেয়েদের পাশপাশি বয়স্করাও আসক্ত হয়ে পড়ছে মাদক সেবনে। জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন শীর্ষ নেতৃবৃন্দরাও যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছেন মাদককে নির্মূল কিংবা নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য সেখানে খোদ মাদক বিক্রেতাদেরকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী মিছিল করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক আহবায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তু , ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ডি এস বাবুল ,সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, মাসুম প্রধান,ডালিম প্রধানগংরা। এতে করে জেলা প্রশাসন কিংবা পুলিশ প্রশাসন অথবা বিএনপির নেতৃবৃন্দদেরকে কি বার্তা দিলো ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দরা ? এমনটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মাঝে।তারা অনেকে বলেন,মন্তু-ডিএস বাবুলরা মাদক বিরোধী কোন মিছিল করেনি বরং চিহিৃত মাদক বিক্রেতাদেরকে পাশে মাদক বিরোধী মিছিল করা মানে তারা ছাড়া অন্যকেউ এখানে মাদক বিক্রি করতে পারবেনা এমনটাই কি বুঝাতে চেয়েছে তারা।এ অবস্থায় ৮ নং ওয়ার্ডবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার সুনিশ্চিত করা হবে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার সুনিশ্চিত করা হবে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও জনপ্রত্যাশিত গণতন্ত্রকে রক্ষা করার দায়িত্ব দেশের সর্বস্তরের জনগণের। ফ্যাসিবাদের যেকোনো ধরনের প্রত্যাবর্তন এবং ষড়যন্ত্র রুখতে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় ও অটুট রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী আজ বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত "গণঅভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন" শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যেে এ আহ্বান জানান। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের প্রথমদিকের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “১৫ জুলাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তুমি কে আমি কে? রাজাকার রাজাকার’ এবং ‘কে বলেছে কে বলেছে? স্বৈরাচার স্বৈরাচার’ স্লোগানে ইতিহাসের গতিপথ বদলে যাচ্ছিল, তখন আমি নির্বাসনে থাকলেও আমার পূর্ণ মনোযোগ ও সহযোগিতা ছিল এই আন্দোলনের সাথে।" দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “স্বাধীনতা অর্জন করা সহজ, কিন্তু রক্ষা করা কঠিন। স্বৈরাচারী শক্তি যেন আর কখনো এ দেশের গণতন্ত্রকে পদদলিত করতে না পারে, সেজন্য আমরা রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই। এই লক্ষ্যে আমাদের প্রণীত ৩১ দফার আলোকেই নির্বাচনী ইশতেহার সাজানো হয়েছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘জাতীয় জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর করেছে। এই সনদ অনুযায়ী সংবিধান ও অন্যান্য আইন-কানুনের প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করা আমাদের অঙ্গীকার।”বিগত স্বৈরাচারী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারের ব্যাপারে সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, “গতকাল পার্লামেন্টেও আমি স্পষ্টভাবে বলেছি— শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই। এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠানো হয়েছে। দেশে ফিরিয়ে এনেই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।” তিনি বলেন, বিদেশে পলাতক ফ্যাসিবাদী সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে এবং এরই প্রেক্ষিতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ বা বিচারের মুখোমুখি করার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “আমরা কোনো প্রশাসনিক আদেশে বা এক্সিকিউটিভ অর্ডারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নই। আমরা চাই সম্পূর্ণ আইনানুগ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার (Judicial Process) মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসর এই সংগঠনের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) অ্যাক্ট এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে, যার ফলে ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে দল হিসেবেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সংগঠন হিসেবেও বিচারের স্পষ্ট বিধান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যেভাবে হিটলারের নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোকে নিষিদ্ধ ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি বাংলাদেশেও রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে আসমান থেকে গুলি করে শিশু ও গৃহিণী হত্যার মতো যে নজিরবিহীন গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না।”সালাহউদ্দিন আহমদ দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এত বড় ম্যাসাকার বা হত্যাকাণ্ডের পরেও আওয়ামী লীগ ও তার নেত্রীর মনে কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার বালাই নেই, উল্টো তারা জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের ‘জঙ্গিবাদী’ আখ্যা দিয়ে পুনরায় রাজনীতিতে ফেরার ঘৃণ্য স্বপ্ন দেখছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানেই রক্ষীবাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, ধর্ষণের সেঞ্চুরি, একদলীয় বাকশাল কায়েম এবং ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করার ইতিহাস।জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা ব্যবসা না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই জুলাই বিপ্লবের কৃতিত্ব কারো একার নয়। এ দেশের সাধারণ মানুষ বুক পেতে দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, কৃতিত্ব কেবলই তাদের।” তিনি বলেন, স্বৈরাচারের পরিণতি কেমন হয় তা ভবিষ্যৎ সরকারগুলোর শিক্ষা নেওয়ার জন্য গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ রূপান্তরিত করা হচ্ছে।মন্ত্রী '৭১ ও '২৪-এর শহীদদের স্বপ্নের একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিএনপি'র যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অসুস্থ সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টুর খোঁজ নিলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ: আরোগ্য কামনায় দোয়া

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য এবং দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. হাফিজুর রহমান মিন্টুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর নেতৃবৃন্দ।​২০ জুলাই (সোমবার) সকালে অসুস্থ এই প্রবীণ সাংবাদিককে দেখতে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে  যান নেতৃবৃন্দ। সেখানে তাঁরা তাঁর চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাঁর শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রবীণ এই সাংবাদিকের আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।​সাংবাদিক মিন্টুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ​মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ​মাওলানা আবদুল জব্বার। নারায়ণগঞ্জ মহানগরী প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বশীল ​হাফেজ আবদুল মোমিন। ​এছাড়াও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।​এসময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টুর সহযোগী ও ডাক্তারদের সাথেও কথা বলেন এবং তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী খোঁজখবর নেন। নেতৃবৃন্দ তাঁর ডাক্তারদের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।​সবশেষে, মহান আল্লাহর দরবারে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল

রোগীসেবার মান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা এবং অবকাঠামো আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের দুটি প্রধান সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খানপুর ৩০০ শয্যা সরকারি হাসপাতাল এবং নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে পৃথকভাবে এই সভা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং দুই হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।সভায় হাসপাতাল দুটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জরুরি বিভাগের সেবা, ওষুধ সরবরাহ, জনবল সংকট এবং পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভাপতির বক্তব্যে এমপি আবুল কালাম বলেন, নারায়ণগঞ্জের এই দুটি সরকারি হাসপাতাল লাখো মানুষের ভরসার স্থান। এখানে আসা প্রতিটি রোগী যেন দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা পায় সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ডাক্তার-নার্সদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, জরুরি বিভাগে ওষুধের ঘাটতি না রাখা এবং হাসপাতালের অবকাঠামো আধুনিকায়নে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগও কাজে লাগানো হবে।জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, একটি হাসপাতালের আসল সৌন্দর্য হলো এর সেবা এবং পরিবেশ। রোগীরা যাতে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসা পায় সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রোগীদের মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টয়লেট ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা প্রতিদিন মনিটরিং করতে হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাসপাতালের নিরাপত্তা, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।দালালমুক্ত সেবা  নিশ্চিত করতে হবে । জনগণের টাকায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানকে জনবান্ধব করে তুলতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।সভায়  ডাক্তার ও অন্যান্য জনবল সংকট নিরসন, আউটডোরে রোগীর ভিড় কমানো, টিকিট ফি প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং হাসপাতাল চত্বরকে দালালমুক্ত রাখার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে সভাপতি ও অতিথিরা দুই হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এসময় তারা ভর্তি থাকা রোগীদের সাথে কথা বলেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে  গুরুত্ব সহকারে কাজ করা হবে।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে আজ ১৯ জুলাই, ২০২৬ (রবিবার) এক বৃহৎ বিনামূল্যে (ফ্রী) চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের হাজী আবেদ আলী আইডিয়াল হাই স্কুল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।​উক্ত চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মাওলানা আবদুল জব্বার।​৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি  মোঃ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন এবং সিদ্ধিরগঞ্জ দক্ষিণ শাখার নায়েবে আমীর মোঃ আব্দুল গফুরসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন "মানবসেবা ইসলামের অন্যতম মূল শিক্ষা। সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের এই মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ সমাজের অন্ধকার দূর করতে এবং মানুষের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।"​উক্ত ফ্রী চক্ষু শিবিরে এলাকার শত শত চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চোখ পরীক্ষা, পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চশমা প্রদান করা হয়।​আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ৭নং ওয়ার্ড উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন জানান, এলাকার সাধারণ ও দুস্থ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং তাদের কল্যাণে আগামীতেও এ ধরনের ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

রূপগঞ্জে ৫০০ রোগীর মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস সেবা

রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভায় মানবসেবার এক অনন্য উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা, ওষুধ এবং চশমা প্রদান করা হয়েছে। হাজী মানিক ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন এবং ইসলামী পাঠাগার ও সমাজকল্যাণ পরিষদ, তারাব পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে এবং ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সরাসরি অংশগ্রহণে বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ গ্লোরিয়াস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই সেবামূলক চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলা এ ক্যাম্পে প্রায় ৫০০ রোগীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয়। রোগীদের বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ও চক্ষু পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চশমা প্রদান করা হয়। পরীক্ষায় ৭৫ জন রোগীর চোখে ছানি শনাক্ত হয়। তাদের বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মো. হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন রূপগঞ্জ থানা দক্ষিণের আমীর মাওলানা সাইফুল ইসলাম সিরাজী, রূপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মোতালেব ভূঁইয়া, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ইসরাফিল হোসেন, তারাব পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী খন্দকার মো. আল-আমিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি মো. তানভীর হাসান মিলন এবং বাংলাদেশ গ্লোরিয়াস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল অ্যাডভোকেট রাসেদুল ইসলাম।মো. নজরুল ইসলাম বাদলের সঞ্চালনায় এবং হাজী মানিক ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সিইও মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।বক্তারা মানবসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মেয়র পদপ্রার্থী খন্দকার মো. আল-আমিন তারাব পৌরসভার জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, মাদক,  সন্ত্রাস  ও কর ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট ইসরাফিল হোসেন মাদক, সন্ত্রাস ও সুদভিত্তিক অনিয়মের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি মো. হাফিজুর রহমান ন্যায়, ইনসাফ ও আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মোতালেব ভূঁইয়া, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে  কথা বলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন, ডাক্তার মোবারক উল্লাহ, মো:  কাউসার, মো: আবুল খায়ের সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা। সভাপতির বক্তব্যে মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বাবুল বলেন, মানুষের কল্যাণে হাজী মানিক ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বৃহৎ পরিসরে পরিচালিত হবে।দিনব্যাপী এ চিকিৎসা ক্যাম্পে সেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন আগত রোগী ও তাদের স্বজনরা।