ঢাকা   শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

মাদকসেবীদের আটক করে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের বক্তারমুন্সী বাজারের মাঝখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরা একটি পুকুর পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের ডাকবাংলা সংলগ্ন জসিম ব্রিকস ফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক দুজন হলেন—সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের বগাদানা গ্রামের কালা সর্দার বাড়ির দুলাল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সাকিব (৪০) এবং আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহাম্মদপুর গ্রামের আব্দুল হাদির ছেলে জাহেদ আলম (৩৮)।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় তারা মাদক সেবন করছিলেন। খবর পেয়ে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনারের নেতৃত্বে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন। পরে তাদের বক্তারমুন্সী বাজার এলাকায় নিয়ে আসা হয়।সেখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরা একটি পুকুর পরিষ্কারের কাজে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, পুকুরটিতে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে থাকায় পরিবেশও নষ্ট হচ্ছিল। মাদকবিরোধী সামাজিক বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনার বলেন, “দুই ব্যক্তি ব্রিক ফিল্ডে গাঁজা সেবন করছেন—এমন খবর পেয়ে স্থানীয়দের নিয়ে সেখানে যাই। পরে তাদের আটক করা হয়। স্থানীয়দের পরামর্শে বক্তারমুন্সী বাজারের দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনায় ভরা পুকুরটি পরিষ্কার করানো হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আগেও মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা রয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। জামিনে বের হওয়ার পর পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে স্থানীয়দের পরামর্শে এবার তাদের দিয়ে পুকুর পরিষ্কার করানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে মাদক সেবন না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক সেবন, মাদক কেনাবেচা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। তবে আটক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার বলে তারা মনে করেন।এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দুই যুবককে পুকুর পরিষ্কার করার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।তবে মাদক সেবনের অভিযোগের বিষয়টি আইনগতভাবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না। স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার আইনগত দিকটি আরও স্পষ্ট হবে।

দালালমুক্ত ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তৎপর নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা ম্যাচ মানেই ইতিহাস, আবেগ, বিতর্ক এবং প্রতিশোধের এক রোমাঞ্চকর গল্প। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ১৬ জুলাই (বাংলাদেশ সময় রাত) আবারও মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই ফুটবল পরাশক্তি। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন এই ঐতিহাসিক মহারণের দিকে।বিশ্বকাপ মুখোমুখির ইতিহাসবিশ্বকাপের মঞ্চে এখন পর্যন্ত ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। যেখানে পরিসংখ্যানে ইংল্যান্ড কিছুটা এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বের স্মরণীয় লড়াইগুলোতে আর্জেন্টিনার সাফল্য বেশি আলোচিত:১৯৬২ (গ্রুপ পর্ব): ইংল্যান্ড ৩-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারায়।১৯৬৬ (কোয়ার্টার ফাইনাল): ১-০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে ওঠে ইংলিশরা (ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাত্তিনের লাল কার্ড দুই দেশের ফুটবল সম্পর্ক উত্তপ্ত করে তোলে)।১৯৮৬ (কোয়ার্টার ফাইনাল): দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’-র সুবাদে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয় পায়।১৯৯৮ (রাউন্ড অব ১৬): নির্ধারিত সময়ে ২-২ সমতার পর টাইব্রেকারে জিতে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আর্জেন্টিনা (এই ম্যাচে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড আজও আলোচিত)।২০০২ (গ্রুপ পর্ব): ডেভিড বেকহ্যামের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দীর্ঘদিনের হতাশা কিছুটা ঘোচায় ইংল্যান্ড।২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল লড়াইবর্তমান ফর্ম: ২০২৬ বিশ্বকাপে দুই দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। ইংল্যান্ড নকআউট পর্বে ধারাবাহিক জয়ে সেমিফাইনালে এসেছে, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।বিশ্লেষণ: কাগজে-কলমে ইতিহাস ইংল্যান্ডের পক্ষে থাকলেও বর্তমান ফর্ম, স্কোয়াডের ভারসাম্য এবং বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতার বিচারে দুই দলই সমান শক্তিশালী। ফলে নির্দিষ্ট কোনো দলকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রাখা কঠিন।১৬ জুলাইয়ের এই সেমিফাইনাল কেবল ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়; এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের আরেকটি স্মরণীয় ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা অধ্যায় রচনার মঞ্চ হতে যাচ্ছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দেবে এক অবিস্মরণীয় ম্যাচ।

মুছাপুরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অতিথি ফ্যাসিস্ট: এমপি পূত্র আশা'র ফ্যাসিস্ট বিরোধী বক্তব্যে বিব্রত জনগন

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা ম্যাচ মানেই ইতিহাস, আবেগ, বিতর্ক এবং প্রতিশোধের এক রোমাঞ্চকর গল্প। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ১৬ জুলাই (বাংলাদেশ সময় রাত) আবারও মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই ফুটবল পরাশক্তি। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন এই ঐতিহাসিক মহারণের দিকে।বিশ্বকাপ মুখোমুখির ইতিহাসবিশ্বকাপের মঞ্চে এখন পর্যন্ত ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। যেখানে পরিসংখ্যানে ইংল্যান্ড কিছুটা এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বের স্মরণীয় লড়াইগুলোতে আর্জেন্টিনার সাফল্য বেশি আলোচিত:১৯৬২ (গ্রুপ পর্ব): ইংল্যান্ড ৩-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারায়।১৯৬৬ (কোয়ার্টার ফাইনাল): ১-০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে ওঠে ইংলিশরা (ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাত্তিনের লাল কার্ড দুই দেশের ফুটবল সম্পর্ক উত্তপ্ত করে তোলে)।১৯৮৬ (কোয়ার্টার ফাইনাল): দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’-র সুবাদে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয় পায়।১৯৯৮ (রাউন্ড অব ১৬): নির্ধারিত সময়ে ২-২ সমতার পর টাইব্রেকারে জিতে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আর্জেন্টিনা (এই ম্যাচে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড আজও আলোচিত)।২০০২ (গ্রুপ পর্ব): ডেভিড বেকহ্যামের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দীর্ঘদিনের হতাশা কিছুটা ঘোচায় ইংল্যান্ড।২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল লড়াইবর্তমান ফর্ম: ২০২৬ বিশ্বকাপে দুই দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। ইংল্যান্ড নকআউট পর্বে ধারাবাহিক জয়ে সেমিফাইনালে এসেছে, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।বিশ্লেষণ: কাগজে-কলমে ইতিহাস ইংল্যান্ডের পক্ষে থাকলেও বর্তমান ফর্ম, স্কোয়াডের ভারসাম্য এবং বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতার বিচারে দুই দলই সমান শক্তিশালী। ফলে নির্দিষ্ট কোনো দলকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রাখা কঠিন।১৬ জুলাইয়ের এই সেমিফাইনাল কেবল ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়; এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের আরেকটি স্মরণীয় ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা অধ্যায় রচনার মঞ্চ হতে যাচ্ছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দেবে এক অবিস্মরণীয় ম্যাচ।

অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব- আবদুল জব্বার

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা ম্যাচ মানেই ইতিহাস, আবেগ, বিতর্ক এবং প্রতিশোধের এক রোমাঞ্চকর গল্প। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ১৬ জুলাই (বাংলাদেশ সময় রাত) আবারও মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই ফুটবল পরাশক্তি। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন এই ঐতিহাসিক মহারণের দিকে।বিশ্বকাপ মুখোমুখির ইতিহাসবিশ্বকাপের মঞ্চে এখন পর্যন্ত ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। যেখানে পরিসংখ্যানে ইংল্যান্ড কিছুটা এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বের স্মরণীয় লড়াইগুলোতে আর্জেন্টিনার সাফল্য বেশি আলোচিত:১৯৬২ (গ্রুপ পর্ব): ইংল্যান্ড ৩-১ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারায়।১৯৬৬ (কোয়ার্টার ফাইনাল): ১-০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে ওঠে ইংলিশরা (ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক আন্তোনিও রাত্তিনের লাল কার্ড দুই দেশের ফুটবল সম্পর্ক উত্তপ্ত করে তোলে)।১৯৮৬ (কোয়ার্টার ফাইনাল): দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’-র সুবাদে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয় পায়।১৯৯৮ (রাউন্ড অব ১৬): নির্ধারিত সময়ে ২-২ সমতার পর টাইব্রেকারে জিতে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আর্জেন্টিনা (এই ম্যাচে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড আজও আলোচিত)।২০০২ (গ্রুপ পর্ব): ডেভিড বেকহ্যামের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দীর্ঘদিনের হতাশা কিছুটা ঘোচায় ইংল্যান্ড।২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল লড়াইবর্তমান ফর্ম: ২০২৬ বিশ্বকাপে দুই দলই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। ইংল্যান্ড নকআউট পর্বে ধারাবাহিক জয়ে সেমিফাইনালে এসেছে, অন্যদিকে আর্জেন্টিনা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।বিশ্লেষণ: কাগজে-কলমে ইতিহাস ইংল্যান্ডের পক্ষে থাকলেও বর্তমান ফর্ম, স্কোয়াডের ভারসাম্য এবং বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতার বিচারে দুই দলই সমান শক্তিশালী। ফলে নির্দিষ্ট কোনো দলকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রাখা কঠিন।১৬ জুলাইয়ের এই সেমিফাইনাল কেবল ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়; এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের আরেকটি স্মরণীয় ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা অধ্যায় রচনার মঞ্চ হতে যাচ্ছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দেবে এক অবিস্মরণীয় ম্যাচ।

বাংলার শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বান্টির নানা অপকর্মের আমল নামা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

কাশিমপুর ভূমি অফিসের তহসিলদারসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত করলেন ডিসি

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ ‎

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

তেঁতুলতলা বাজারে ৬ নং ডাকুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান বাবু মল্লিকের গণসংযোগ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ বরাদ্দসহ ১৩ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জ ছাত্র মজলিসের বিশাল মিছিল

শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ বরাদ্দসহ ১৩ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জ ছাত্র মজলিসের বিশাল মিছিল

স্বামীর পছন্দকে মেনে সতীনকে ঘরে তুললেন প্রথম স্ত্রী, কালিয়াকৈরে চাঞ্চল্য

স্বামীর পছন্দকে মেনে সতীনকে ঘরে তুললেন প্রথম স্ত্রী, কালিয়াকৈরে চাঞ্চল্য

বন্দরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খাঁনের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

বন্দরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খাঁনের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

সোনারগাঁয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘টেল প্লাস্টিক রচনা প্রতিযোগিতা’র পুরস্কার বিতরণ

সোনারগাঁয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘টেল প্লাস্টিক রচনা প্রতিযোগিতা’র পুরস্কার বিতরণ

সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডাব্লিউএফ কসমেটিকস ব্যবসায়ী কমিটি গঠন: সভাপতি হাবিবুল্লাহ, সেক্রেটারি আলাফ

সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডাব্লিউএফ কসমেটিকস ব্যবসায়ী কমিটি গঠন: সভাপতি হাবিবুল্লাহ, সেক্রেটারি আলাফ

ফতুল্লায় হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি আহাম্মদ জামিনে বেরিয়ে বেপরোয়া, প্রকাশ্য হুমকি: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী

ফতুল্লায় হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি আহাম্মদ জামিনে বেরিয়ে বেপরোয়া, প্রকাশ্য হুমকি: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন নারায়ণগঞ্জের শাহ পরান জয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন নারায়ণগঞ্জের শাহ পরান জয়

মাদকসেবীদের আটক করে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা

মাদকসেবীদের আটক করে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা

বন্দরে খেয়াঘাটে হোটেল মালিককে অর্থদণ্ড

বন্দরে খেয়াঘাটে হোটেল মালিককে অর্থদণ্ড

কবি আজিজুর রহমান এর কবিতা "শব্দের পরকীয়া"

কবি আজিজুর রহমান এর কবিতা "শব্দের পরকীয়া"

কবি আজিজুর রহমান এর কবিতা "শব্দের পরকীয়া"

শব্দের পরকীয়া আজিজুর রহমান শব্দের সংসারে হঠাৎ ছন্দপতন—কবিকে করেছে বিষণ্ন, করেছে হতাশ।ছন্দের এই ব্যত্যয়ের নেপথ্যেকোন অদৃশ্য অভিমান, কোন গোপন ষড়যন্ত্র—কারণ খুঁজতে বিজ্ঞ আদালতদিয়েছে তদন্তের নির্দেশ।শব্দেরা কি অভিমানী?নাকি জমে আছে দীর্ঘদিনের মনোমালিন্য?কবির দায়ের করা মামলায়একে একে আদালতে হাজির হলো শব্দেরা—জিজ্ঞাসাবাদে বসেছে তদন্ত কমিটি।কত মিথ্যে অজুহাত,কত বাহানা, কত ছলনার আশ্রয়!এমন সব মিথ্যে তারা সাজিয়ে এনেছে—দুগ্ধপোষ্য শিশুওযার একটুকু বিশ্বাস করবে না।অথচ শব্দের অবয়বেস্পষ্ট ভেসে উঠেছে মিথ্যার চাপ;ঠোঁটের কোণে নীরবতা,চোখের পাতায় অপরাধের ছায়া—তবু পাপ-পুণ্যের হিসাব কষছে না কেউ।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ—নীরবতায় ভারী হয়ে উঠল আদালতকক্ষ।প্রতিবেদন হাতে নিয়েবিচারপতির চোখে বিস্ময়ের ঝড়।তদন্তে উঠে এলো—শব্দের সংসারে আদরে লালিত শব্দগুলোকখন যে আপন ঠিকানা ভুলেঅন্য কোনো বর্ণমালার উঠোনে গিয়েমোহের জালে জড়িয়ে পড়েছে!কিসের প্রলোভনে?কোন অদৃশ্য আকর্ষণে?কোন নিষিদ্ধ মায়ার টানে—শব্দেরা আজ পরকীয়ার নিষিদ্ধ নেশায় লিপ্ত?

শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ বরাদ্দসহ ১৩ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জ ছাত্র মজলিসের বিশাল মিছিল

​শিক্ষাখাতে মোট জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ এবং কওমি সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নসহ ১৩ দফা শিক্ষা দাবি আদায়ে অনুষ্ঠিত "জাতীয় ছাত্র কনভেনশন ২০২৬" সফল করার লক্ষ্যে বিশাল মিছিল করেছে ইসলামী ছাত্র মজলিস।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার শাহবাগ চত্বরের উদ্দেশ্যে এই মিছিল ও যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।​মিছিলে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা শাখার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মিছিলটি নারায়ণগঞ্জের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে শাহবাগে আয়োজিত জাতীয় ছাত্র কনভেনশনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।​মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ছাত্রনেতারা বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আসন্ন বাজেটে শিক্ষাখাতে মোট জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কওমি সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নসহ ১৩ দফা শিক্ষা দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন নারায়ণগঞ্জের শাহ পরান জয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন নারায়ণগঞ্জের শাহ পরান জয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন নারায়ণগঞ্জের শাহ পরান জয়অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ ও শিক্ষাবৃত্তি অর্জন করেছেন নারায়ণগঞ্জের কৃতী সন্তান শাহ পরান জয়। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাকে এই গৌরবময় সম্মানে ভূষিত করা হয়।গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের উদ্যোগে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব আবদেল খালেক।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।​উচ্চশিক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখে জাতীয় পর্যায়ে নারায়ণগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করায় শাহ পরান জয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন তার পরিবার, শিক্ষক ও স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান- মুহাম্মদ জামাল হোসাইন

মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান- মুহাম্মদ জামাল হোসাইন

যোগ্য ও সৎ নাগরিক তৈরির মাধ্যমেই দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন । বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার উদ্যোগে ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে আয়োজিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।​সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, "আজকের এই অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের অগণিত স্বপ্ন জড়িয়ে রয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ। সন্তানকে নিয়ে একজন পিতা হিসেবে আমি যেভাবে স্বপ্ন দেখি, এখানে উপস্থিত প্রতিটি বাবা-মা-ই তাঁদের সন্তানকে নিয়ে একই স্বপ্ন বুনছেন। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সন্তানরা জীবনে বড় কিছু হবে—এটাই সকল অভিভাবকের প্রত্যাশা।"​দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রতিদিন খবরের কাগজে আমরা দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও জুলুমের ভয়াবহ চিত্র দেখতে পাই। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো দেশে যোগ্য ও সৎ নাগরিকের অভাব। আজ যারা মেধার স্বাক্ষর রেখে সংবর্ধিত হচ্ছে, তোমরাই আগামী দিনের ডিসি, এসপি, সচিবসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে।"​তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যদি মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে বিশ্বাসী নেতৃত্ব আসীন হয়, তবেই লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। মেধাবীদের মাধ্যমে সে স্বপ্ন বাস্তবে প্রতিফলিত হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।"​বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের কেবল ফলাফলেই সীমাবদ্ধ না থেকে সৎ মানসিকভাবে গড়ে ওঠা, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়া এবং অর্জিত যোগ্যতাকে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর উদাত্ত আহ্বান জানান। পরিশেষে তিনি সকল কৃতী শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন।

নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ছাত্রশিবিরের উদ্যাগে ৪০০ প্লাস মেধাবী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ছাত্রশিবিরের উদ্যাগে ৪০০ প্লাস মেধাবী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

"মেধা সততা দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ" স্লোগানকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের এ+ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে শহরের জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এস এস সি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মান জানাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, "মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কাণ্ডারি। কেবল জিপিএ-৫ অর্জনের মধ্য দিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না; বরং মেধা, সততা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি ইনসাফভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।"তিনি বলেন দেশের রাজনীতি করে, নিজে, ছেলেকে দেশে পড়ায় না। একটু কাশি হইলেও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা দিতে নিয়ে যায়। দেশের মন্ত্রীরা, এমপিরা যখন ঢাকা মেডিকেল কলেজে, নারায়ণগঞ্জের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবে, সেদিনই এই দেশটায় কেবলমাত্র উন্নত হবে বলে ধরে নেয়া যায়।কিছু হলে—শেখ হাসিনা বলে ডিসেম্বরে দেশে আসবে, ভাওতাবাজ একটা রাজনৈতিক দল ছিল এটা। যার ছেলে, মেয়ে, আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, তার চাচতো ভাই, খালতো ভাই, তালতো ভাই যা আছে—একটারও ছেলে-মেয়ে এই দেশে থাকতো না। সবগুলোকে বিদেশে, বিদেশী পাসপোর্ট দিয়ে দিছে। দেশে আনার কোনো দরকার নাই।​কিন্তু দেশের রাজনীতি করে মানুষের ঘাড় মটকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ১৫ বছরে পাচার করেছে! দেশে কত টাকা লুটপাট করেছে, কত ব্যাংক ডাকাতি করেছে—এগুলোর হিসাব বাদ, শুধু ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে, যা দিয়ে বাংলাদেশের পদ্মা সেতুর মতো ১০ থেকে ১২টা পদ্মা সেতু বানানো সম্ভব ছিল!"তিনি আরো বলেন সুতরাং আমরা বলতে চাই, আমাদের ভেতরে যেন সেই সততাগুলো গ্রো-আপ করে। ইসলামী ছাত্রশিবির তার জন্মলগ্ন থেকে, ১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি থেকে যে মানুষগুলোকে তৈরি করেছে, সেই মানুষদেরকে আমরা বলতে পারি বুকে হাত দিয়ে—তারা দুর্নীতির সাথে জড়িত না, স্বজনপ্রীতির সাথে জড়িত না। এই মানুষগুলো সরকারি যে দপ্তরেই কাজ করুক না কেন, বেসরকারি যেখানেই চাকরি করুক না কেন, তারা সততার সাথে, তাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে জাতিকে উন্নত করার জন্য তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে।​নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার এবং সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর আবদুল জব্বার বলেন এই অর্জনকে কাজে লাগিয়ে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা অর্জন করতে হবে। শুধু দরকার নৈতিকতার পরিবর্তন।  ​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জামাল হোসাইন, মহানগরী জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হাফেজ আব্দুল মোমিন, সাবেক মহানগর শিবির সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম সাঈদ সারোয়ারসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।​আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত ৪০০ প্লাস জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

মাদকসেবীদের আটক করে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের বক্তারমুন্সী বাজারের মাঝখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরা একটি পুকুর পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের ডাকবাংলা সংলগ্ন জসিম ব্রিকস ফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক দুজন হলেন—সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের বগাদানা গ্রামের কালা সর্দার বাড়ির দুলাল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সাকিব (৪০) এবং আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহাম্মদপুর গ্রামের আব্দুল হাদির ছেলে জাহেদ আলম (৩৮)।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় তারা মাদক সেবন করছিলেন। খবর পেয়ে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনারের নেতৃত্বে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন। পরে তাদের বক্তারমুন্সী বাজার এলাকায় নিয়ে আসা হয়।সেখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরা একটি পুকুর পরিষ্কারের কাজে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, পুকুরটিতে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে থাকায় পরিবেশও নষ্ট হচ্ছিল। মাদকবিরোধী সামাজিক বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনার বলেন, “দুই ব্যক্তি ব্রিক ফিল্ডে গাঁজা সেবন করছেন—এমন খবর পেয়ে স্থানীয়দের নিয়ে সেখানে যাই। পরে তাদের আটক করা হয়। স্থানীয়দের পরামর্শে বক্তারমুন্সী বাজারের দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনায় ভরা পুকুরটি পরিষ্কার করানো হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আগেও মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা রয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। জামিনে বের হওয়ার পর পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে স্থানীয়দের পরামর্শে এবার তাদের দিয়ে পুকুর পরিষ্কার করানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে মাদক সেবন না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক সেবন, মাদক কেনাবেচা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। তবে আটক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার বলে তারা মনে করেন।এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দুই যুবককে পুকুর পরিষ্কার করার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।তবে মাদক সেবনের অভিযোগের বিষয়টি আইনগতভাবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না। স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার আইনগত দিকটি আরও স্পষ্ট হবে।

স্বামীর পছন্দকে মেনে সতীনকে ঘরে তুললেন প্রথম স্ত্রী, কালিয়াকৈরে চাঞ্চল্য

স্বামীর পছন্দকে মেনে সতীনকে ঘরে তুললেন প্রথম স্ত্রী, কালিয়াকৈরে চাঞ্চল্য

স্বামীর অন্য নারীর প্রতি ভালো লাগার কথা জানতে পারলে সাধারণত বহু সংসারে নেমে আসে অশান্তির কালো ছায়া। তবে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেখা গেছে একেবারেই ভিন্ন ও বিরল চিত্র। স্বামীর পছন্দকে সানন্দে মেনে নিয়ে নিজ হাতে সেই নারীকে সতীন বানিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন প্রথম স্ত্রী।​ঘটনাটি কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা হরিনহাটি এলাকার। বর্তমানে আব্দুর রহমান তাঁর দুই স্ত্রীকে নিয়ে একই ছাদের নিচে সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন।​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর আগে পারিবারিকভাবে চন্দ্রা হরিনহাটি এলাকার আব্দুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় রুমা আক্তারের। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে। সংসার জীবন ভালোই কাটছিল, তবে চার বছর আগে আব্দুর রহমান স্ত্রী রুমাকে জানান, নাজনীন সুলতানা নামের এক নারীকে তাঁর ভালো লাগে।​স্বামীর মুখ থেকে এমন কথা শুনে ক্ষুব্ধ না হয়ে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন রুমা আক্তার। স্বামীর ভালো লাগাকে সম্মান জানিয়ে তিনি নিজেই উদ্যোগ নেন সেই বিয়ের। আব্দুর রহমানের সঙ্গে নাজনীন সুলতানার বিয়ে সম্পন্ন করিয়ে সতীন হিসেবে তাঁকে ঘরে তোলেন রুমা।​বর্তমানে সেই পরিবারে নেই কোনো সতীনের কোন্দল। রান্নাবান্না ও সংসারের যাবতীয় কাজ দুজন মিলে একসঙ্গে করছেন। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে বাইরে ঘোরাঘুরি—সবকিছুতেই রয়েছে দুই সতীনের চমৎকার মেলবন্ধন। ​রুমা আক্তারের এই উদারতা এবং একই ছাদের নিচে দুই স্ত্রীর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান এখন এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কবি আজিজুর রহমান এর কবিতা "শব্দের পরকীয়া"

কবি আজিজুর রহমান এর কবিতা "শব্দের পরকীয়া"

শব্দের পরকীয়া আজিজুর রহমান শব্দের সংসারে হঠাৎ ছন্দপতন—কবিকে করেছে বিষণ্ন, করেছে হতাশ।ছন্দের এই ব্যত্যয়ের নেপথ্যেকোন অদৃশ্য অভিমান, কোন গোপন ষড়যন্ত্র—কারণ খুঁজতে বিজ্ঞ আদালতদিয়েছে তদন্তের নির্দেশ।শব্দেরা কি অভিমানী?নাকি জমে আছে দীর্ঘদিনের মনোমালিন্য?কবির দায়ের করা মামলায়একে একে আদালতে হাজির হলো শব্দেরা—জিজ্ঞাসাবাদে বসেছে তদন্ত কমিটি।কত মিথ্যে অজুহাত,কত বাহানা, কত ছলনার আশ্রয়!এমন সব মিথ্যে তারা সাজিয়ে এনেছে—দুগ্ধপোষ্য শিশুওযার একটুকু বিশ্বাস করবে না।অথচ শব্দের অবয়বেস্পষ্ট ভেসে উঠেছে মিথ্যার চাপ;ঠোঁটের কোণে নীরবতা,চোখের পাতায় অপরাধের ছায়া—তবু পাপ-পুণ্যের হিসাব কষছে না কেউ।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ—নীরবতায় ভারী হয়ে উঠল আদালতকক্ষ।প্রতিবেদন হাতে নিয়েবিচারপতির চোখে বিস্ময়ের ঝড়।তদন্তে উঠে এলো—শব্দের সংসারে আদরে লালিত শব্দগুলোকখন যে আপন ঠিকানা ভুলেঅন্য কোনো বর্ণমালার উঠোনে গিয়েমোহের জালে জড়িয়ে পড়েছে!কিসের প্রলোভনে?কোন অদৃশ্য আকর্ষণে?কোন নিষিদ্ধ মায়ার টানে—শব্দেরা আজ পরকীয়ার নিষিদ্ধ নেশায় লিপ্ত?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দ্বায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালীর তুহিন ফরাজী

রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব সানেশ্বরের আবু বকর ছিদ্দিক ওরফে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন তুহিন ফরাজী। প্রতিষ্ঠার পর তিনি কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্ধারিত ছয় মাসের মেয়াদজুড়েও তিনি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তীতে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে তুহিন ফরাজীকে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।একই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তুহিন ফরাজী তার অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সংগঠনের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।

মাদকসেবীদের আটক করে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা

মাদকসেবীদের আটক করে পুকুর পরিষ্কার করালেন স্থানীয়রা

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের বক্তারমুন্সী বাজারের মাঝখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরা একটি পুকুর পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের ডাকবাংলা সংলগ্ন জসিম ব্রিকস ফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক দুজন হলেন—সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের বগাদানা গ্রামের কালা সর্দার বাড়ির দুলাল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ সাকিব (৪০) এবং আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহাম্মদপুর গ্রামের আব্দুল হাদির ছেলে জাহেদ আলম (৩৮)।স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় তারা মাদক সেবন করছিলেন। খবর পেয়ে মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনারের নেতৃত্বে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করেন। পরে তাদের বক্তারমুন্সী বাজার এলাকায় নিয়ে আসা হয়।সেখানে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভরা একটি পুকুর পরিষ্কারের কাজে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, পুকুরটিতে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে থাকায় পরিবেশও নষ্ট হচ্ছিল। মাদকবিরোধী সামাজিক বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি পুকুরটি পরিষ্কারের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দাউদুল ইসলাম মিনার বলেন, “দুই ব্যক্তি ব্রিক ফিল্ডে গাঁজা সেবন করছেন—এমন খবর পেয়ে স্থানীয়দের নিয়ে সেখানে যাই। পরে তাদের আটক করা হয়। স্থানীয়দের পরামর্শে বক্তারমুন্সী বাজারের দীর্ঘদিনের ময়লা-আবর্জনায় ভরা পুকুরটি পরিষ্কার করানো হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, তাদের বিরুদ্ধে আগেও মাদকসংক্রান্ত অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা রয়েছে বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। জামিনে বের হওয়ার পর পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে স্থানীয়দের পরামর্শে এবার তাদের দিয়ে পুকুর পরিষ্কার করানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে মাদক সেবন না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক সেবন, মাদক কেনাবেচা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। তবে আটক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার বলে তারা মনে করেন।এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দুই যুবককে পুকুর পরিষ্কার করার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।তবে মাদক সেবনের অভিযোগের বিষয়টি আইনগতভাবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না। স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার আইনগত দিকটি আরও স্পষ্ট হবে।

স্বামীর পছন্দকে মেনে সতীনকে ঘরে তুললেন প্রথম স্ত্রী, কালিয়াকৈরে চাঞ্চল্য

স্বামীর পছন্দকে মেনে সতীনকে ঘরে তুললেন প্রথম স্ত্রী, কালিয়াকৈরে চাঞ্চল্য

স্বামীর অন্য নারীর প্রতি ভালো লাগার কথা জানতে পারলে সাধারণত বহু সংসারে নেমে আসে অশান্তির কালো ছায়া। তবে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেখা গেছে একেবারেই ভিন্ন ও বিরল চিত্র। স্বামীর পছন্দকে সানন্দে মেনে নিয়ে নিজ হাতে সেই নারীকে সতীন বানিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন প্রথম স্ত্রী।​ঘটনাটি কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা হরিনহাটি এলাকার। বর্তমানে আব্দুর রহমান তাঁর দুই স্ত্রীকে নিয়ে একই ছাদের নিচে সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন।​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর আগে পারিবারিকভাবে চন্দ্রা হরিনহাটি এলাকার আব্দুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় রুমা আক্তারের। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে। সংসার জীবন ভালোই কাটছিল, তবে চার বছর আগে আব্দুর রহমান স্ত্রী রুমাকে জানান, নাজনীন সুলতানা নামের এক নারীকে তাঁর ভালো লাগে।​স্বামীর মুখ থেকে এমন কথা শুনে ক্ষুব্ধ না হয়ে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন রুমা আক্তার। স্বামীর ভালো লাগাকে সম্মান জানিয়ে তিনি নিজেই উদ্যোগ নেন সেই বিয়ের। আব্দুর রহমানের সঙ্গে নাজনীন সুলতানার বিয়ে সম্পন্ন করিয়ে সতীন হিসেবে তাঁকে ঘরে তোলেন রুমা।​বর্তমানে সেই পরিবারে নেই কোনো সতীনের কোন্দল। রান্নাবান্না ও সংসারের যাবতীয় কাজ দুজন মিলে একসঙ্গে করছেন। খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে বাইরে ঘোরাঘুরি—সবকিছুতেই রয়েছে দুই সতীনের চমৎকার মেলবন্ধন। ​রুমা আক্তারের এই উদারতা এবং একই ছাদের নিচে দুই স্ত্রীর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান এখন এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দুমকিতে ভিজিডি চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ৬০ কেজির বরাদ্দ, মিলছে ৫৫ কেজি

দুমকিতে ভিজিডি চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ৬০ কেজির বরাদ্দ, মিলছে ৫৫ কেজি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫-৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই-আগস্ট দুই মাসের জন্য ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মাঝে চাল বিতরণের কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিদর্শনের সময় সরকারি খালি বস্তার স্তুপ দেখা যায় এবং কয়েকজনের চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া গেছে।কেন নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়া হচ্ছে-এ প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির বস্তা খুলে নিজস্ব বস্তায় চাল নিতে বাধ্য করা হয়। পরে বালতি দিয়ে মাপ দেওয়ায় ৪-৬ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি উপস্থিতি দেখিয়ে বাইরে ছিলেন এবং গণমাধ্যম আসার পর ঘটনাস্থলে আসেন।সুবিধাভোগী রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ অনেকে জানান, তারা নিয়মিত কম চাল পাচ্ছেন। কয়েকজনকে সামনে ঠিকমতো দেওয়া হলেও পরে আবার কম দেওয়া শুরু হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।তবে লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি, সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমার আসার আগে কী হয়েছে জানি না, তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে চাল মাপার বিষয়ে তিনি বলেন, বাইরের মাপ আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, সেখানে কমবেশি হতে পারে।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে "বাংলার শিরোনামের" একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সিদ্ধিরগঞ্জে যুবদলের মশক নিধন ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবসান ও এডিস মশার প্রজনন ধ্বংস করতে ব্যাপক মশক নিধন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, অলিগলি, জমে থাকা পানি ও ড্রেনসমূহে ফগিং ও মশক নিধন ওষুধ স্প্রে করা হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য শহিদুল ইসলামের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।কর্মসূচিকালে যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম বলেন,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল ও সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদের নির্দেশে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গুর হাত থেকে রক্ষা করতেই তাদের এই মাঠপর্যায়ের উদ্যোগ। জনস্বার্থে এই মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি ব্যক্ত করেন।নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও এক নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের বিভিন্ন পার্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন এবং স্থানীয়দের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন।

বন্দর মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।আজ মদনপুর বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে এ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় পথচারী, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় ও সচেতনতার বিভিন্ন বার্তা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।কার্যক্রমে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইন সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ খলিলুর রহমান মেম্বার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমজম হোমিও হলের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মোঃ ইছহাক, পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম, সোসাইটির সহ-সভাপতি মাসুম আকন। এছাড়াও সোসাইটির সদস্য উজ্জ্বল, জসিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাড়ির আশপাশ, ছাদ, বারান্দা, নির্মাণাধীন ভবন, ড্রেন, পরিত্যক্ত পাত্র, টব ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কোথাও যেন দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথাসহ ডেঙ্গুর সম্ভাব্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করলেই হবে না; প্রতিটি বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।তিনি মদনপুর বাসস্ট্যান্ডসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানোর আহ্ব

হাফসার মৃত্যু: মোস্তাফিজুর ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে চিকিৎসা বিল পরিশোধের ব্যবস্থা করলেন টিপু

মাত্র ১০ মাস বয়সী শিশু হাফসার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার পরিবারে। অসহায় তন্ময়ের মেয়ে হাফসা নারায়ণগঞ্জের প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ সেপ্টেম্বর রাতে মারা যায়।সন্তান হারানোর শোকের সঙ্গে হাসপাতালের বকেয়া বিল পরিশোধের দুশ্চিন্তায় পরিবারটি যখন অসহায় হয়ে পড়ে, তখন তাদের পাশে দাঁড়ান নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু।জানা গেছে, হাফসার চিকিৎসা বাবদ প্রায় ১ লাখ টাকা বিল বকেয়া ছিল। শিশুটির পরিবারের অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে টিপু ভাই মরহুম মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ওই ১ লাখ টাকা বিল পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন। একই সঙ্গে শিশুটির দাফন-কাফনের ব্যবস্থাও করা হয়।মানবিক সহায়তার পাশাপাশি পথশিশু, অনাথ ও অসহায় শিশুদের খাদ্য ও শিক্ষা সহায়তা প্রদানেও আবু আল ইউসুফ খান টিপুর ভূমিকা রয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের খাবার ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।একটি শিশুকে হারানোর শোক কোনো সহায়তায় পূরণ হওয়ার নয়। তবে এমন কঠিন সময়ে শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে হাসপাতালের বকেয়া বিল পরিশোধ এবং দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা মানবিকতার একটি দৃষ্টান্ত।হাফসার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আল্লাহ তাআলা ছোট্ট হাফসাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন এবং তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন ।

ফতুল্লায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত জামায়াত কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাইয়ুমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী জসিম উদ্দিনের শারীরিক অবস্থার ও চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ।​রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব নারায়ণগঞ্জ শহরের মেডিস্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত জসিম উদ্দিনের শয্যাপাশে যান তিনি। এসময় তিনি তার চিকিৎসার খোঁজ নেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে শারীরিক অবস্থার বিবরণ শোনেন।​পরিদর্শনকালে মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও উদ্বেগজনক। অপরাধিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রশাসনের দায়িত্ব।" একই সাথে তিনি আহত জসিম উদ্দিনের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেন।​এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন এবং জামায়াত নেতা শফিউর রহমান অপুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীবৃন্দ।