ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

বাউফলে ‘জনতার কল সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন ড. মাসুদ

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বাউফলে ‘জনতার কল সেন্টার’-এর শুভ উদ্বোধন করেছেন।সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় বাউফল উপজেলা জামায়াত অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ কল সেন্টারের উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি বলেন, জনগণের সমস্যা দ্রুত শোনা এবং কার্যকর সমাধানের লক্ষ্যে ‘জনতার কল সেন্টার’ চালু করা হয়েছে।এ উদ্যোগের মাধ্যমে উপজেলার সাধারণ মানুষ সরাসরি তাদের অভিযোগ, সমস্যা ও প্রয়োজনীয়তা জানাতে পারবেন। এতে জনপ্রতিনিধি ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ ও গতিশীল হবে এবং সেবার মান উন্নত হবে।তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ জনসেবাকে আরও মানবিক ও জবাবদিহিমূলক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, একটি দক্ষ টিম ২৪ ঘণ্টা এ কল সেন্টারের মাধ্যমে উপজেলার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট শুনবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ সময় তিনি দুটি মোবাইল নম্বর—০১৭১৩৪৯৯৬৬১ এবং ০১৭১৩৪৯৯৬৬২—উল্লেখ করে বলেন, এ নম্বরগুলোতে কল করে যে কেউ তাদের সমস্যা জানাতে পারবেন।তবে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, যেন কেউ প্রাঙ্ক কল বা মিথ্যা ও প্রতারণামূলক কল না করেন। এতে জনসেবার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাস্টার রেদোয়ান উল্লাহ, উপজেলা শিবির সভাপতি আরিফ হোসাইন, পটুয়াখালী জেলার সাবেক শিবির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নুর, জামায়াতকর্মী হেলাল মুন্সিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তাবলীতে নাগরিক সেবা সচল করতে প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

​ নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়।​সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার খুব খারাপ অবস্থা আমরা লক্ষ্য করছি। মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত করে ছাত্রদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই; দেশ যেন আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"​জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশ তিতুমীর ও অলি-আউলিয়াদের দেশ। মুসলমানদের এই দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। ​সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন ওয়াদা ও অঙ্গীকার রক্ষায় কোনো প্রকার শিরক করা যাবে না।একজন রুকনের জীবনে কোনোভাবেই হারামের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। সমাজ পরিবর্তনের আগে নিজেদের পরিবারকে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে জনগণকে আদরের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠনে নিয়ে আসতে হবে। জামায়াতের পাল্লা ভারী করতে মানুষের হতাশা দূর করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিতে হবে।​নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ​মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর ​মমিনুল হক সরকার, মহানগরী নায়েবে আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  ​মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।​মহানগরী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন। মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইনউদ্দিন মিয়া, ডক্টরস ফোরামের জেলা সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান এবং মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।​সম্মেলন শেষে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পটুয়াখালীতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল

​ নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়।​সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার খুব খারাপ অবস্থা আমরা লক্ষ্য করছি। মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত করে ছাত্রদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই; দেশ যেন আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"​জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশ তিতুমীর ও অলি-আউলিয়াদের দেশ। মুসলমানদের এই দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। ​সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন ওয়াদা ও অঙ্গীকার রক্ষায় কোনো প্রকার শিরক করা যাবে না।একজন রুকনের জীবনে কোনোভাবেই হারামের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। সমাজ পরিবর্তনের আগে নিজেদের পরিবারকে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে জনগণকে আদরের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠনে নিয়ে আসতে হবে। জামায়াতের পাল্লা ভারী করতে মানুষের হতাশা দূর করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিতে হবে।​নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ​মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর ​মমিনুল হক সরকার, মহানগরী নায়েবে আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  ​মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।​মহানগরী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন। মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইনউদ্দিন মিয়া, ডক্টরস ফোরামের জেলা সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান এবং মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।​সম্মেলন শেষে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ফতুল্লায় চাঁদনী হাউজিংয়ে সংঘর্ষ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা

​ নারায়ণগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখার রুকন (সদস্য) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সম্মেলন সম্পন্ন হয়।​সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থার খুব খারাপ অবস্থা আমরা লক্ষ্য করছি। মোবাইল ও ইন্টারনেটে আসক্ত করে ছাত্রদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই; দেশ যেন আবারও আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"​জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন দেশ পেয়েছি, সেই শহীদের রক্তের মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশ তিতুমীর ও অলি-আউলিয়াদের দেশ। মুসলমানদের এই দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। ​সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) চারিত্রিক দৃঢ়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন ওয়াদা ও অঙ্গীকার রক্ষায় কোনো প্রকার শিরক করা যাবে না।একজন রুকনের জীবনে কোনোভাবেই হারামের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারবে না। সমাজ পরিবর্তনের আগে নিজেদের পরিবারকে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাড়াহুড়ো করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার না করে জনগণকে আদরের সাথে সুশৃঙ্খলভাবে সংগঠনে নিয়ে আসতে হবে। জামায়াতের পাল্লা ভারী করতে মানুষের হতাশা দূর করে উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিতে হবে।​নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ​মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর ​মমিনুল হক সরকার, মহানগরী নায়েবে আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  ​মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।​মহানগরী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য  ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন। মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইনউদ্দিন মিয়া, ডক্টরস ফোরামের জেলা সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান এবং মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।​সম্মেলন শেষে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ

বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ

গণঅধিকার নেতা রাকিব মাহমুদ কালামের ঈদ পূর্নমিলনী

গণঅধিকার নেতা রাকিব মাহমুদ কালামের ঈদ পূর্নমিলনী

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম" অতঃপর প্রতারণা

দুমকিতে গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতি দাবিতে বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি

দুমকিতে গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতি দাবিতে বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি

সাংবাদিক নির্যাতনে অভিযুক্ত এসিল্যান্ডকে পদোন্নতি ও বদলি

সাংবাদিক নির্যাতনে অভিযুক্ত এসিল্যান্ডকে পদোন্নতি ও বদলি

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মডেল গ্রুপের শীতলক্ষ্যা নদীর মাটি খনন

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মডেল গ্রুপের শীতলক্ষ্যা নদীর মাটি খনন

বাউফলে ‘জনতার কল সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন ড. মাসুদ

বাউফলে ‘জনতার কল সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন ড. মাসুদ

রং বদলে আওয়ামী দোসর আলী হোসেন এখন বিএনপি নেতাদের দরবারে

রং বদলে আওয়ামী দোসর আলী হোসেন এখন বিএনপি নেতাদের দরবারে

বক্তাবলীতে নাগরিক সেবা সচল করতে প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

বক্তাবলীতে নাগরিক সেবা সচল করতে প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

কাশীপুর ৭ নং ওয়ার্ডে আল আমিনকে মেম্বার হিসেবে চায় জনগণ

কাশীপুর ৭ নং ওয়ার্ডে আল আমিনকে মেম্বার হিসেবে চায় জনগণ

পটুয়াখালীতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল

পটুয়াখালীতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল

ফতুল্লায় চাঁদনী হাউজিংয়ে সংঘর্ষ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ফতুল্লায় চাঁদনী হাউজিংয়ে সংঘর্ষ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা

বিএনপি নেতার নাম ভাঙিয়ে ফের জমি দখলের চেষ্টা

বিএনপি নেতার নাম ভাঙিয়ে ফের জমি দখলের চেষ্টা

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবীতে নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবীতে নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে গত ৭ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ক্রেন দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক নিহত ও অপর এক শ্রমিক আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত।সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে তিনি নিহত শ্রমিকের পরিবারের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪ বস্তা চাল, ডাল ও তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। একই সঙ্গে আহত শ্রমিকের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা এবং খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন।এ সময় আবু তাহের ভারত বলেন, একসময় বেনাপোল বন্দর একটি ছোট বন্দর ছিল, কিন্তু শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ এটি দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দরে পরিণত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হওয়া সত্ত্বেও এখানকার মানুষের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বিশেষ করে একটি আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসন ব্যবস্থার অভাব প্রকট।তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের যশোরে নেওয়ার পথে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তাই বেনাপোলে একটি আন্তর্জাতিক মানের জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান তিনি।আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর উলাশী খাল খনন কর্মসূচিতে আগমনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বেনাপোলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও সমস্যাগুলো সরকারের নজরে আসবে এবং সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ, বিএনপি নেতা আতিয়ার মল্লিক, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসহাক, সাদীপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এছাড়া বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সব বিভাগের খবর

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

বন্দর গার্লস স্কুল নামে নয়, গুণগতে সেরা বিদ্যাপীঠ- ইফাত আরা

এমপি পুত্রবধু ইফাত আরা বলেন,​ আজকের এই চমৎকার আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার শ্বশুর মহোদয়ের ঐকান্তিক ইচ্ছায় এই সুন্দর পরিবেশে আপনাদের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়েছে। আবুল কাউছার বিশেষ ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি, তাই ওনার পক্ষ থেকেও আপনাদের সকলের প্রতি আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা।গত ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে বন্দর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন,​আমি বরাবরই শুনে এসেছি যে বন্দর গার্লস স্কুল কেবল নামেই নয়, বরং গুণগত মান, সৃজনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। আজ আপনাদের উদ্দীপনা দেখে সেই বিশ্বাসের পূর্ণ প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।​শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,তোমরা শুধু এই স্কুলের ছাত্রই নও, তোমরা এই দেশের ভবিষ্যৎ। বিশেষ করে যারা আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছ, তাদের প্রতি রইলো আমার হৃদয় নিংড়ানো দোয়া এবং ভালোবাসা। তোমরা মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দেবে এবং তোমাদের অর্জিত সাফল্যের মধ্য দিয়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও মর্যাদা আরও উচ্চ শিখরে নিয়ে যাবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।​শিক্ষকদের প্রতি ইফাত আরা বলেন,আপনারাই জাতি গড়ার কারিগর। অতীতে আপনারা যেভাবে ধৈর্য ও মমতার সাথে এই শিক্ষার্থীদের আলোকবর্তিকা হিসেবে পথ দেখিয়েছেন, আগামীতেও সেই দায়িত্বশীলতার ধারা বজায় রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আপনাদের হাত ধরেই আমাদের মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে বড় হবে।​পরিশেষে, এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনারা সবাই আমার এবং আমার শ্বশুর মহোদয়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করবেন।

​নৈতিকতাসম্পন্ন নাগরিক দিয়েই সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব- মইনুদ্দিন আহমাদ  ​

​নৈতিকতাসম্পন্ন নাগরিক দিয়েই সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব- মইনুদ্দিন আহমাদ ​

নারায়ণগঞ্জ আদর্শ স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেছেন, কেবল নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ নাগরিকের মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। আজ (৯ এপ্রিল) সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আবেগঘন পরিবেশে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের দিকনির্দেশনা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।​মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ তার বক্তব্যে নৈতিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন, "চোর-বাটপার দিয়ে এদেশের পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। দেশকে প্রকৃত অর্থে পরিবর্তন করতে হলে নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ নাগরিকের কোনো বিকল্প নেই।" আদর্শ স্কুলের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, "আদর্শ স্কুল শুধু একটি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি মূলত একটি মানুষ গড়ার কারখানা।" এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে পথ দেখাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।​আদর্শ স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়টির শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সিনিয়র শিক্ষক মনিরুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ​শহিদুল ইসলাম বাঙালী, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক ​ইকবাল হোসেন শ্যামল,  আদর্শ স্কুল উপাধ্যক্ষ ​মাইনউদ্দিন আহমেদ, আদর্শ মহিলা মাদরাসার সভাপতি ​ডা. আলী আশরাফ খান, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মহানগর সভাপতি ​মাওলানা ওমর ফারুক।​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ জাহাঙ্গীর কবির পোকন, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা নুরুল ইসলাম, আবদুর রশিদ শেখ, রবিউল আলম খান প্রমুখ।​অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সততার পথে অবিচল থাকার আহ্বান জানানো হয়। বিদায় বেলায় শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতের সময় স্কুল প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা মাদরাসার নতুন কমিটি গঠন

নারায়ণগঞ্জ আদর্শ মহিলা মাদরাসার নতুন কমিটি গঠন

নারায়ণগঞ্জ শহরের নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ ‘আদর্শ মহিলা মাদরাসা’র নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠিত হয়েছে। ৯ এপ্রিল সকালে মাদরাসা মিলনায়তনে আয়োজিত মাদরাসা বোর্ড কর্তৃক গঠিত পরিচিতি সভায় এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভায় ডা. আলী আশরাফকে সভাপতি এবং মোছা. মাহামুদা আক্তারকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করে মোট ৮ সদস্যের এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।​কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ। তিনি তার বক্তব্যে মাদরাসার শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে নতুন কমিটিকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আদর্শ মহিলা মাদরাসা সাবেক সভাপতি ইকবাল আহমেদ শ্যামল, বিশিষ্ট সমাজসেবক ​শহিদুল ইসলাম বাঙালী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান, গোলাম সারোয়ার সাঈদ, সমাজকর্মী ​খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আবদুল জলিল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​সভায় বক্তারা বিদায়ী কমিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নবগঠিত কমিটিকে মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নারী শিক্ষার প্রসারে জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। নতুন কমিটির সভাপতি ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে মাদরাসাটিকে একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে গত ৭ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ক্রেন দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক নিহত ও অপর এক শ্রমিক আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত।সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে তিনি নিহত শ্রমিকের পরিবারের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪ বস্তা চাল, ডাল ও তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। একই সঙ্গে আহত শ্রমিকের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা এবং খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন।এ সময় আবু তাহের ভারত বলেন, একসময় বেনাপোল বন্দর একটি ছোট বন্দর ছিল, কিন্তু শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ এটি দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দরে পরিণত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হওয়া সত্ত্বেও এখানকার মানুষের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বিশেষ করে একটি আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসন ব্যবস্থার অভাব প্রকট।তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের যশোরে নেওয়ার পথে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তাই বেনাপোলে একটি আন্তর্জাতিক মানের জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান তিনি।আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর উলাশী খাল খনন কর্মসূচিতে আগমনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বেনাপোলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও সমস্যাগুলো সরকারের নজরে আসবে এবং সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ, বিএনপি নেতা আতিয়ার মল্লিক, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসহাক, সাদীপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এছাড়া বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে গত ৭ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ক্রেন দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক নিহত ও অপর এক শ্রমিক আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত।সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে তিনি নিহত শ্রমিকের পরিবারের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪ বস্তা চাল, ডাল ও তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। একই সঙ্গে আহত শ্রমিকের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা এবং খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন।এ সময় আবু তাহের ভারত বলেন, একসময় বেনাপোল বন্দর একটি ছোট বন্দর ছিল, কিন্তু শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ এটি দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দরে পরিণত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হওয়া সত্ত্বেও এখানকার মানুষের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বিশেষ করে একটি আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসন ব্যবস্থার অভাব প্রকট।তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের যশোরে নেওয়ার পথে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তাই বেনাপোলে একটি আন্তর্জাতিক মানের জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান তিনি।আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর উলাশী খাল খনন কর্মসূচিতে আগমনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বেনাপোলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও সমস্যাগুলো সরকারের নজরে আসবে এবং সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ, বিএনপি নেতা আতিয়ার মল্লিক, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসহাক, সাদীপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এছাড়া বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

বেনাপোলে ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক পরিবারের পাশে আবু তাহের ভারত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে গত ৭ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ক্রেন দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক নিহত ও অপর এক শ্রমিক আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত।সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে তিনি নিহত শ্রমিকের পরিবারের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪ বস্তা চাল, ডাল ও তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। একই সঙ্গে আহত শ্রমিকের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা এবং খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন।এ সময় আবু তাহের ভারত বলেন, একসময় বেনাপোল বন্দর একটি ছোট বন্দর ছিল, কিন্তু শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ এটি দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দরে পরিণত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হওয়া সত্ত্বেও এখানকার মানুষের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বিশেষ করে একটি আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসন ব্যবস্থার অভাব প্রকট।তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের যশোরে নেওয়ার পথে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তাই বেনাপোলে একটি আন্তর্জাতিক মানের জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের দাবি জানান তিনি।আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর উলাশী খাল খনন কর্মসূচিতে আগমনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বেনাপোলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও সমস্যাগুলো সরকারের নজরে আসবে এবং সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ, বিএনপি নেতা আতিয়ার মল্লিক, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসহাক, সাদীপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এছাড়া বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বক্তাবলীতে নাগরিক সেবা সচল করতে প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

বক্তাবলীতে নাগরিক সেবা সচল করতে প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সকল কার্যক্রম দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এই অচলাবস্থা নিরসন ও নাগরিক সেবা দ্রুত সচল করার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছে এলাকাবাসী। সোমবার (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) বক্তাবলী সমাজ কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে এই আবেদন জমা দেওয়া হয়।​বক্তাবলী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক এলাকাবাসীর পক্ষে এই স্মারক লিপি প্রদান করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাধারণ জনগণ জন্মনিবন্ধন, চারিত্রিক সনদপত্র, ট্রেড লাইসেন্স, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডসহ সকল প্রকার নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে পুরো ইউনিয়নের প্রশাসনিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে।​আবেদন পরবর্তী সময়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক জানান, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের উচ্চ আদালতে করা একটি রিট পিটিশনের কারণে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে।​জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন,​"জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাদের জানিয়েছেন যে বিষয়টি আদালত দেখছেন এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল এ বিষয়ে অবগত আছেন। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, যিনি রিট করেছেন তিনি যদি তা প্রত্যাহার করে নেন, তবে প্রশাসন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সচল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।"​দীর্ঘদিন পরিষদ তালাবদ্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মনিবন্ধন ও জরুরি কাগজপত্রের প্রয়োজনে জেলা শহরে দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক রেষারেষির ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে অতি দ্রুত পরিষদের দুয়ার খুলে দেওয়া হোক।​স্মারক লিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বক্তাবলী ইউনিয়ন সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, নাসির উদ্দিন, আবু সাইদ, এডভোকেট মজিবুর রহমান, আবু সাইদ, হাফেজ আসাদুল্লাহ, রাসেল আহাম্মেদ, আব্দুর রহিম, নুরুল ইসলাম সহ বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের সচেতন নাগরিক ও সমাজ কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

গাড়িতে উঠলেই কেন ঘন ঘন বমি হয় জানেন?

এমন অনেকেই আছেন, গাড়িতে ওঠার পরই শুরু হয় অস্বস্তি। কেউ কেউ দীর্ঘযাত্রার পর বমি বমি ভাবে ভোগেন। উঁচু-নিচু সড়ক, পাহাড়ি পথ, যানবাহনে ক্রমাগত ঝাঁকুনি এবং যানবাহনের ভেতরে থাকা বাজে গন্ধ এ সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।যদিও গাড়িতে চলার সময়ে বমি হওয়া খুব পরিচিত একটি সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে মোশন সিকনেস বলা হয়ে থাকে। ভ্রমণ করার সময়ে এমনটি কেন হয়? মন, চোখ ও শরীরের ভারসাম্যের মধ্যে সম্পর্ক কী? এটি কী প্রতিরোধ করা সম্ভব?আমাদের মস্তিষ্কে ফ্লুইড রয়েছে। ভ্রমণের সময়ে এই ফ্লুইড যখন নাড়া খায়, তখন এটিতে কম্পন তৈরি হয়, যা গলায় পৌঁছায়। গলা নড়াচড়ার ফলে সেই কম্পনগুলো চলে যায় মাথার খুলিতে। এ প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ব্যালেন্স বাধাগ্রস্ত করে এবং এর ফলে বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা তৈরি করে। যখন তা সহ্য করার মতো থাকে না, তখন বমি হয়।এ বিষয়ে দিল্লির স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মহসিন ওয়ালি বলেন, ভ্রমণের সময়ে পাকস্থলীর অবস্থাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা খালি পেটে বা কিছু না খেয়ে ভ্রমণ করেন, পাকস্থলীতে থাকা ভেগাস নার্ভ (যেটি হৃৎপিণ্ড ও গলার নার্ভের সঙ্গে সম্পৃক্ত) আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভারি খাবারের পর যারা ভ্রমণ করেন, তাদের বমি হতে পারে। তিনি বলেন, মোশন সিকনেস সব সময় কেবল ভ্রমণ সম্পর্ককৃত সমস্যা নয়। কখনো কখনো এটি হতে পারে মস্তিষ্কের কোনো ব্যাধির একটি উপসর্গ কিংবা ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো ব্রেন টিউমারের উপসর্গ পর্যন্ত হতে পারে মোশন সিকনেস।মোশন সিকনেস হলো এক ধরনের শারীরিক সমস্যা, যেখানে গাড়ি বা অন্য পরিবহনে ভ্রমণের সময় মাথা ঘোরা, মাথাব্যাথা, অস্থিরতা এবং বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীলতা, যেমন দেহের দিকনির্দেশনা ও সামঞ্জস্যতা, পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। বিশেষ করে গাড়ি, বাস, ট্রেন, জাহাজ বা আকাশপথে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, এবং পাহাড়ি রাস্তায় বা সাগর ও আকাশে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা আরও গুরুতর হতে পারে।

সাভারে ত্রাস সৃষ্টি করা সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট এর মৃত্যু

ঢাকার সাভারের জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ (আসল নাম সবুজ শেখ) মারা গেছেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাভারের অপরাধ জগতের এক বীভৎস ও অন্ধকার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।​কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাট হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​যেভাবে আলোচনায় আসে ‘সাইকো সম্রাট’সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত করেছিল এই খুনি।গত ১৮ জানুয়ারি সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের পর তার নৃশংসতার চিত্র সামনে আসে। এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি এবং মডেল মসজিদের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে নিজের কাঁধে করে মরদেহ বহন করতে দেখা যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্রাট একে একে ৬টি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি আদালতে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিল।​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ, বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায়। ২০১৪ সালে সাভারের তেঁতুলঝোরায় প্রথম খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। এরপর বিভিন্ন সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি হত্যা ও ২টি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সে ধারাবাহিকভাবে নারী ও পুরুষদের শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করত।​সম্রাটের হাতে নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল তরুণী তানিয়া আক্তারের হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে একটি মরদেহ নিয়ে যেতে দেখা গেলেও শুরুতে তানিয়ার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে রাজধানীর উত্তরখান থেকে তার পরিবার সাভারে এসে মরদেহ শনাক্ত করে। মেয়ের শেষ পরিণতি জানতে পেরে ও খুনি শনাক্ত হওয়ায় তানিয়ার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।​খুনি সম্রাটের মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত তানিয়ার মা জুলেখা বেগম ও বোন নাসরিন আক্তার ফারিয়া।তারা জানান, খুনি বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও কারো বুক খালি করত, সৃষ্টিকর্তা তার বিচার করেছেন।​ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ এন্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাটের মৃত্যুতে আইন অনুযায়ী তাকে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত থাকবে।