ঢাকা   শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা   শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

অনশনে বসে অবশেষে প্রেমিকাকে ফিরে পেলেন বিশ্বজিৎ

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়ির সামনে অনশনে বসে অবশেষে প্রেমিকাকে ফিরে পেয়েছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮)। টানা কয়েকদিনের অনশন ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়েছে।জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাধানে এগিয়ে আসেন।বিশ্বজিতের দাবি ছিল, প্রায় ১০ বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক এবং চার বছর আগে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেন। তবে সম্প্রতি পারিবারিক কারণে অনুশীলা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।অন্যদিকে, অনুশীলা প্রথমদিকে সম্পর্ক অস্বীকার করে ডিভোর্সের কথা বললেও পরে পারিবারিক ও সামাজিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আলোচনা শেষে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং অনুশীলা বাড়ৈ বিশ্বজিৎকে স্বামী হিসেবে মেনে নেন। পরে অনশন ভেঙে দেন বিশ্বজিৎ।এলাকাবাসী জানান, “দীর্ঘদিনের সম্পর্কের একটি সমাধান হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।”ডাসার থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হওয়ায় কোনো আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হয়নি।

রূপগঞ্জের ‎আন্ডার রফিকের রংধনু বিল্ডার্স ঋণখেলাপির শীর্ষ তালিকায় ‎

নড়াইলে জ্বালানি তেল না পেয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার পর একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরেকজনকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।গতকাল শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকায় তানভীর ফিলিং স্টেশনটির সামনে ঢাকা-বেনাপোল মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাহিদ নড়াইল সদর উপজেলার পেড়লি গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে এবং আহত নাহিদের মোটরসাইকেলে থাকা বন্ধু জিহাদুল মোল্যা তুলারামপুর এলাকার জহুরুল মোল্যার ছেলে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাকবিতণ্ডার পরও ওই ট্রাকচালক পাম্পেই অবস্থান করেন। রাত ২টা ১০ মিনিটে ফিলিং স্টেশনের কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশে মোটরসাইকেলযোগে সহকর্মী জিহাদকে নিয়ে পাম্প থেকে বের হন নাহিদ। এসময় দ্রুত গতিতে তাদের পেছনে ধাওয়া করতে দেখা যায় ট্রাকটিকে। পরে ট্রাকের চাপায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার বন্ধু জিহাদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা হাসাপাতালে নিলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ব্যাপারে নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী মুঠোফোনে বলেন, নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুম হওয়া শুভ'র লাশ উদ্ধার, বিএনপি নেতা রানা পলাতক

নড়াইলে জ্বালানি তেল না পেয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার পর একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরেকজনকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।গতকাল শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকায় তানভীর ফিলিং স্টেশনটির সামনে ঢাকা-বেনাপোল মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাহিদ নড়াইল সদর উপজেলার পেড়লি গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে এবং আহত নাহিদের মোটরসাইকেলে থাকা বন্ধু জিহাদুল মোল্যা তুলারামপুর এলাকার জহুরুল মোল্যার ছেলে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাকবিতণ্ডার পরও ওই ট্রাকচালক পাম্পেই অবস্থান করেন। রাত ২টা ১০ মিনিটে ফিলিং স্টেশনের কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশে মোটরসাইকেলযোগে সহকর্মী জিহাদকে নিয়ে পাম্প থেকে বের হন নাহিদ। এসময় দ্রুত গতিতে তাদের পেছনে ধাওয়া করতে দেখা যায় ট্রাকটিকে। পরে ট্রাকের চাপায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার বন্ধু জিহাদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা হাসাপাতালে নিলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ব্যাপারে নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী মুঠোফোনে বলেন, নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপগঞ্জে ভূমিদস্যু আন্ডা রফিকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা

নড়াইলে জ্বালানি তেল না পেয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার পর একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরেকজনকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।গতকাল শনিবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকায় তানভীর ফিলিং স্টেশনটির সামনে ঢাকা-বেনাপোল মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাহিদ নড়াইল সদর উপজেলার পেড়লি গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে এবং আহত নাহিদের মোটরসাইকেলে থাকা বন্ধু জিহাদুল মোল্যা তুলারামপুর এলাকার জহুরুল মোল্যার ছেলে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাকবিতণ্ডার পরও ওই ট্রাকচালক পাম্পেই অবস্থান করেন। রাত ২টা ১০ মিনিটে ফিলিং স্টেশনের কাজ শেষ করে নিজ বাড়ির উদ্দেশে মোটরসাইকেলযোগে সহকর্মী জিহাদকে নিয়ে পাম্প থেকে বের হন নাহিদ। এসময় দ্রুত গতিতে তাদের পেছনে ধাওয়া করতে দেখা যায় ট্রাকটিকে। পরে ট্রাকের চাপায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার বন্ধু জিহাদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা হাসাপাতালে নিলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ব্যাপারে নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী মুঠোফোনে বলেন, নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক

​নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ বন্দরে দীর্ঘদিনের আত্মগোপন ভেঙে প্রকাশ্যে এসেছেন বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা মেহদী হাসান রকি। তার আকস্মিক উপস্থিতি এবং এলাকায় পুনরায় বেপরোয়া আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।​৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে রকি এলাকাছাড়া থাকলেও সম্প্রতি তাকে প্রকাশ্যে মহড়া দিতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় ফিরেই তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে পুনরায় শক্তিমত্তা প্রদর্শন শুরু করেছেন, যা সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে​প্রকাশ্য মহড়া: বন্দরে নিজের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে নিয়মিত যাতায়াত এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন।​চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব: পুনরায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা। ​আইন-শৃঙ্খলার অবনতি: তার উপস্থিতির কারণে এলাকায় যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।​রকির এই 'বেপরোয়া' প্রত্যাবর্তনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বন্দরবাসী। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা থাকলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব বিভাগের খবর

পবিপ্রবিতে গুচ্ছের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

পবিপ্রবিতে গুচ্ছের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(পবিপ্রবি) জিএসটি গুচ্ছ বি ইউনিটের ২০২৫-২৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আহ্বায়ক মোঃ নিজাম উদ্দিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও চেয়ারম্যান।পরীক্ষার ফল পরিদর্শন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম "বাংলার শিরোনাম'কে" জানান, ভর্তি পরীক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ক্যাম্পাসে পুলিশ, আনসার, বিএনসিসি ও রোবার স্কাউট মোতায়েন করা হয়েছে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ছিলো সন্তোষজনক।

বন্দরে স্কুল এন্ড কলেজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বন্দরে স্কুল এন্ড কলেজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাথের অভিযোগ পাওয়া গেছে।তবে এসব অভিযোগের অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান। বিদ্যালয় জানা গেছে, বন্দর উপজেলার চুনাভূড়া এলাকায় অবিস্থত আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সহকারি শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ আলম। তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে আলহাজ¦ ফজলুল হক এর অনুদানের টাকা ঋণ দেখিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ও বিভিন্ন অনুদান ব্যাংকে জনা দেননি, হাজার হাজার টাকা হাতে রেখে অনুমোদন বিহীন ব্যয় করা, এফডিআর ভাঙানো ৭৭ হাজার টাকা কোনো রেজুলেশন পাওয়া যায়নি এবং ব্যয় করার কোন প্রকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, ৯০ হাজার টাকা ছাত্রী উপবৃত্তির ভাউচারও পাওয়া যায়নি, ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে দোকানের কোন ভাউচারও নেই। এছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানের আয় এর সমূদয় টাকা ব্যাংকে জমা না করেই নিজের কাছে রেখে খরচ করেছেন। এমনকি ক্যাশ বহি কাটাকাটি করে ফ্লুইড ব্যবহার করে হিসাব মিলানোর চেষ্টা করেছেন। এদিকে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শাহ আলম বিদ্যালয়ের পেইডে নিজ লিখিত জবান বন্ধীতে স্বীকার করেছেন ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৫০ টাকা প্রতিষ্ঠানের আয় থেকে নিয়েছেন। যার প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন মোঃ হামিসদুল্লাহ, সদস্য আফসার উদ্দিন ও সানজিদা জামান। ক্যাশ বহি, রেজুলেশন বহি এবং বিভিন্ন তারিখের ভাউচার যাচাই-বাচাই করে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮২ হাজার টাকা অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান থেকে করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে।  অপর দিকে আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিষয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পরও বিদ্যালয়ের টাকা ফিরত না দিয়ে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দ্বারস্থ হয় ওই শিক্ষক। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পূনরায় ইউএনও বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান, সদস্য হিসেবে ছিলেন মোঃ হামিসদুল্লাহ ও ইমাম উদ্দিন। তারা ক্যাশ বহি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও বেতন আদায়ের রশিদ বই যাচাই-বাচাই করেন এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলম প্রশাসনি ও আর্থিক কোন প্রশিক্ষণ না থাকায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুসরণ করেননি। তার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। তদন্ত কমিটি সর্বসম্মতভাবে সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহ আলম আর্থিক অনিয়ম করেছেন তার প্রমাণ পান। এবং তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান। প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এসব ঘটনায় আদালতে সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ড আপলি এন্ড আরবি স্ট্রেশনে বিচার চলমান রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব দাউদ মিয়া

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব দাউদ মিয়া

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব দাউদ মিয়াকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।দাউদ মিয়া এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। গত বছরের ২ মার্চ তাকে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।এদিকে দাউদ মিয়ার পূর্বসূরি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি-এনএপিডির মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবারই এ বিষয়ে পৃথক আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারি, ব্যাংক লেনদেন ৩টা পর্যন্ত

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারি, ব্যাংক লেনদেন ৩টা পর্যন্ত

রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে ব্যাংক লেনদেন হবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য এই নতুন অফিস ও লেনদেন সময়সূচি ঘোষণা করেছে।দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশে জারি হওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৫ এপ্রিল থেকে ব্যাংকগুলো সপ্তাহের পাঁচ দিন অর্থাৎ রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করবে। আর লেনদেন করা যাবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। শুক্রবার ও শনিবার ব্যাংকগুলো সাপ্তাহিক ছুটিতে থাকবে।তবে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন খোলা থাকবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. আবদুল মান্নান বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধীনে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ায় ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

গাড়িতে উঠলেই কেন ঘন ঘন বমি হয় জানেন?

এমন অনেকেই আছেন, গাড়িতে ওঠার পরই শুরু হয় অস্বস্তি। কেউ কেউ দীর্ঘযাত্রার পর বমি বমি ভাবে ভোগেন। উঁচু-নিচু সড়ক, পাহাড়ি পথ, যানবাহনে ক্রমাগত ঝাঁকুনি এবং যানবাহনের ভেতরে থাকা বাজে গন্ধ এ সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।যদিও গাড়িতে চলার সময়ে বমি হওয়া খুব পরিচিত একটি সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে মোশন সিকনেস বলা হয়ে থাকে। ভ্রমণ করার সময়ে এমনটি কেন হয়? মন, চোখ ও শরীরের ভারসাম্যের মধ্যে সম্পর্ক কী? এটি কী প্রতিরোধ করা সম্ভব?আমাদের মস্তিষ্কে ফ্লুইড রয়েছে। ভ্রমণের সময়ে এই ফ্লুইড যখন নাড়া খায়, তখন এটিতে কম্পন তৈরি হয়, যা গলায় পৌঁছায়। গলা নড়াচড়ার ফলে সেই কম্পনগুলো চলে যায় মাথার খুলিতে। এ প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ব্যালেন্স বাধাগ্রস্ত করে এবং এর ফলে বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা তৈরি করে। যখন তা সহ্য করার মতো থাকে না, তখন বমি হয়।এ বিষয়ে দিল্লির স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মহসিন ওয়ালি বলেন, ভ্রমণের সময়ে পাকস্থলীর অবস্থাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা খালি পেটে বা কিছু না খেয়ে ভ্রমণ করেন, পাকস্থলীতে থাকা ভেগাস নার্ভ (যেটি হৃৎপিণ্ড ও গলার নার্ভের সঙ্গে সম্পৃক্ত) আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভারি খাবারের পর যারা ভ্রমণ করেন, তাদের বমি হতে পারে। তিনি বলেন, মোশন সিকনেস সব সময় কেবল ভ্রমণ সম্পর্ককৃত সমস্যা নয়। কখনো কখনো এটি হতে পারে মস্তিষ্কের কোনো ব্যাধির একটি উপসর্গ কিংবা ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো ব্রেন টিউমারের উপসর্গ পর্যন্ত হতে পারে মোশন সিকনেস।মোশন সিকনেস হলো এক ধরনের শারীরিক সমস্যা, যেখানে গাড়ি বা অন্য পরিবহনে ভ্রমণের সময় মাথা ঘোরা, মাথাব্যাথা, অস্থিরতা এবং বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীলতা, যেমন দেহের দিকনির্দেশনা ও সামঞ্জস্যতা, পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। বিশেষ করে গাড়ি, বাস, ট্রেন, জাহাজ বা আকাশপথে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, এবং পাহাড়ি রাস্তায় বা সাগর ও আকাশে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা আরও গুরুতর হতে পারে।

সাভারে ত্রাস সৃষ্টি করা সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট এর মৃত্যু

ঢাকার সাভারের জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ (আসল নাম সবুজ শেখ) মারা গেছেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাভারের অপরাধ জগতের এক বীভৎস ও অন্ধকার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।​কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাট হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​যেভাবে আলোচনায় আসে ‘সাইকো সম্রাট’সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত করেছিল এই খুনি।গত ১৮ জানুয়ারি সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের পর তার নৃশংসতার চিত্র সামনে আসে। এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি এবং মডেল মসজিদের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে নিজের কাঁধে করে মরদেহ বহন করতে দেখা যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্রাট একে একে ৬টি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি আদালতে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিল।​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ, বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায়। ২০১৪ সালে সাভারের তেঁতুলঝোরায় প্রথম খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। এরপর বিভিন্ন সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি হত্যা ও ২টি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সে ধারাবাহিকভাবে নারী ও পুরুষদের শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করত।​সম্রাটের হাতে নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল তরুণী তানিয়া আক্তারের হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে একটি মরদেহ নিয়ে যেতে দেখা গেলেও শুরুতে তানিয়ার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে রাজধানীর উত্তরখান থেকে তার পরিবার সাভারে এসে মরদেহ শনাক্ত করে। মেয়ের শেষ পরিণতি জানতে পেরে ও খুনি শনাক্ত হওয়ায় তানিয়ার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।​খুনি সম্রাটের মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত তানিয়ার মা জুলেখা বেগম ও বোন নাসরিন আক্তার ফারিয়া।তারা জানান, খুনি বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও কারো বুক খালি করত, সৃষ্টিকর্তা তার বিচার করেছেন।​ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ এন্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাটের মৃত্যুতে আইন অনুযায়ী তাকে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত থাকবে।