ঢাকা   শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

পারস্পারিক সহযোগিতায় দেশের শিল্পখাতকে টেকসই করার আহ্বান বিকেএমইএ সভাপতির

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) নগর ভবনে আয়োজিত ফগার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা সফলভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানের মূল দিকসমূহ:জবাবদিহিতা নিশ্চিত: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক নজরদারি ও কার্যক্রমের পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।অনিয়মে জিরো টলারেন্স: মশক নিধনের ওষুধে অন্য উপাদান মিশিয়ে জালিয়াতি করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরঞ্জাম বিতরণ: প্রথম ধাপে ১৬টি এবং আজ আরও ১৬টিসহ মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ডগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।সতর্কবার্তা: বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত ফগিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতিত্ব করেন নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমানের আগমনে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের বিশাল স্বাগত র‍্যালী

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) নগর ভবনে আয়োজিত ফগার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা সফলভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানের মূল দিকসমূহ:জবাবদিহিতা নিশ্চিত: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক নজরদারি ও কার্যক্রমের পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।অনিয়মে জিরো টলারেন্স: মশক নিধনের ওষুধে অন্য উপাদান মিশিয়ে জালিয়াতি করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরঞ্জাম বিতরণ: প্রথম ধাপে ১৬টি এবং আজ আরও ১৬টিসহ মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ডগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।সতর্কবার্তা: বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত ফগিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতিত্ব করেন নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামীকাল ​নারায়ণগঞ্জ আসছেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. সাখাওয়াত হোসেন খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) নগর ভবনে আয়োজিত ফগার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, যে ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি থাকবে, সেই ওয়ার্ডের সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা সফলভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।অনুষ্ঠানের মূল দিকসমূহ:জবাবদিহিতা নিশ্চিত: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডভিত্তিক নজরদারি ও কার্যক্রমের পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।অনিয়মে জিরো টলারেন্স: মশক নিধনের ওষুধে অন্য উপাদান মিশিয়ে জালিয়াতি করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরঞ্জাম বিতরণ: প্রথম ধাপে ১৬টি এবং আজ আরও ১৬টিসহ মোট ৩২টি ফগার মেশিন ওয়ার্ডগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।সতর্কবার্তা: বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত ফগিংয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতিত্ব করেন নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম। অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ওয়ার্ড সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক টিকে থাকতে পারে না - ডা. শফিকুর রহমান

জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক টিকে থাকতে পারে না - ডা. শফিকুর রহমান

ফতুল্লায় গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ আহত -১৫

ফতুল্লায় গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ আহত -১৫

নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

নাসিকের কদমরসুল কার্যালয়ে কাজের গতি নেই মুখ থুবড়ে পড়েছে সার্বিক কার্যক্রম

নাসিকের কদমরসুল কার্যালয়ে কাজের গতি নেই মুখ থুবড়ে পড়েছে সার্বিক কার্যক্রম

যেখানে ক্ষমতা- সেখানেই শামসুজ্জোহা

যেখানে ক্ষমতা- সেখানেই শামসুজ্জোহা

নারায়ণগঞ্জে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান

নারায়ণগঞ্জে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান

লিংক রোডে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় সিএনজি উল্টে শিশুর মৃত্যু আহত ৪

লিংক রোডে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় সিএনজি উল্টে শিশুর মৃত্যু আহত ৪

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

সাংবাদিক গ্রেপ্তারে উদ্বেগ প্রকাশ  নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির

সাংবাদিক গ্রেপ্তারে উদ্বেগ প্রকাশ নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির

বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান অবস্থায়  ৭ বছরের শিশু হাসানের মৃতদেহ উদ্ধার

বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান অবস্থায় ৭ বছরের শিশু হাসানের মৃতদেহ উদ্ধার

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক টিকে থাকতে পারে না - ডা. শফিকুর রহমান

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আজ ২০ জুন শনিবার দুপুর ২টায় খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক।এছাড়া সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, বিডিপির চেয়ারম্যান এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জনাব মোবারক হোসাইন, মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, খুলনা জেলা আমীর মাওলানা ইমরান হোসাইন, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, ঝিনাইদহ জেলা আমীর আলী আযম মো. আবু বকর এমপি, যশোর জেলা আমীর অধ্যাপক গোলাম রসূল এমপি, মেহেরপুর জেলা আমীর মাওলানা তাজউদ্দিন খান এমপি, নড়াইল জেলা আমীর আতাউর রহমান বাচ্চু এমপি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির খুলনা মহানগরী সভাপতি অধ্যক্ষ এসএএম সাইফুদ্দোহা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের খুলনা মহানগরী সভাপতি মুফতি শরীফ সাইদুর রহমান, আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব আবু বক্কর সিদ্দিক মোড়ল। এ সময় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতের সংসদ সদস্যগণ হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। দেশের সর্বস্তরের মানুষ—যুবক, শিশু, নারী ও প্রবীণ—একসাথে দাঁড়িয়েছেন। এই জনজাগরণকে আর থামানো যাবে না। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে। যারা জনরায়কে অগ্রাহ্য করে, তাদের পরিণতি ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে ভবিষ্যতেও সেই ভুলের মাশুল দিতে হবে।তিনি বলেন, আমরা বিএনপিকে বলছি, আপনারা ভুল পথে এগোচ্ছেন। ভুল সংশোধন করে জনগণের কাতারে ফিরে আসুন। জনগণকে সম্মান করুন, জনরায়কে সম্মান করুন। জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক শক্তি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।আওয়ামী লীগের পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-যুব সমাজের আন্দোলনকে সরকার দমন করার চেষ্টা করেছিল, নির্বিচারে মানুষ খুন ও পঙ্গু করা হয়েছিল। অবশেষে জনস্রোতের মুখে তৎকালীন বেহায়া ও নির্লজ্জ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অপমানজনকভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়। তিনি মানুষ খুন, পঙ্গু করা, রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, ব্যাংক-বিমা-শেয়ারবাজার লুণ্ঠন এবং অর্থ পাচার করেছেন, এবং শেষে তার 'সেবাদাসী' হিসেবে কাজ করা প্রভুদের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন।খুলনাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, খুলনাবাসী, আমরা আপনাদের কাছে একটি অঙ্গীকার নিয়ে এসেছিলাম। আপনারা যে রায় দিয়েছেন, আমরা সেই রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সংসদে গিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সংগ্রাম চালিয়ে যাব। আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও কৌশলের মাধ্যমে ভোট কেড়ে নেওয়া হলেও আমরা পিছিয়ে যাব না। সংসদে যতটুকু শক্তি আছে, তা নিয়েই সিংহের মতো লড়াই করব, ইনশাআল্লাহ।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জানি, অনেক সময় ক্ষমতাসীনদের কানে জনগণের কথা পৌঁছায় না। সংসদে যদি জনগণের দাবি ও ন্যায়বিচারের সমাধান না হয়, তাহলে দেশের মাঠ-ঘাট, জনপদ ও জনসমাবেশ থেকেই জনগণ তাদের শক্তির প্রকাশ ঘটাবে। খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়াসহ সারাদেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে, বলেন তিনি।১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি। কিন্তু কেউ যেন মনে না করেন যে আমরা অন্যায়কে মেনে নিয়েছি। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি না হোক, সে কারণেই আমরা ধৈর্য ধারণ করেছি। কিন্তু অন্যায়ের কাছে আমরা মাথা নত করব না।জামায়াত নেতৃবৃন্দের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের নেতৃবৃন্দ জাতির স্বার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তারা আমাদের শিখিয়েছেন, দেশের প্রয়োজনে হাসিমুখে কষ্ট ও সংগ্রামকে বরণ করে নিতে হয়। বাংলার ইতিহাসও সেই ত্যাগ ও সাহসিকতার শিক্ষা দেয়। জনগণ প্রয়োজনে সেই আদর্শ ধারণ করেই এগিয়ে যাবে।বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো ধরনের আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করব না। সরকারকে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, যদি দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বিদেশি প্রভুদের কাছে নতি স্বীকার করা হয়, তবে জনগণ তা মেনে নেবে না। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। দেশের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে জনগণ সর্বদা সচেতন ও প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো প্রতিবেশী দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে চাই না। একইভাবে, আমাদের দেশেও যেন কোনো ধরনের অন্যায় হস্তক্ষেপ না হয়, সেটাও আমরা প্রত্যাশা করি। আমরা শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক প্রতিবেশীর সম্পর্ক চাই। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ এলে, জনগণ তার জবাব দিতে প্রস্তুত থাকবে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মনে হচ্ছে দেশকে একটি নতুন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। এই পরিবর্তন কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়। এটি হবে একটি স্বাধীন, মর্যাদাবান, শক্তিশালী ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলন।তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি শোষণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজমুক্ত এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত বাংলাদেশ গড়া। আমরা এমন একটি মানবিক রাষ্ট্র চাই, যেখানে সাধারণ মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে। আমি বাংলাদেশের যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—দেশের কল্যাণে প্রস্তুত হোন। শুধু তরুণরাই নয়, জাতির প্রয়োজনে প্রবীণরাও নিজেদের যুবকের মতো প্রস্তুত রেখেছেন। অন্যায়, শোষণ, আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে একসাথে লড়াই করতে হবে। সবাই মিলে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করার আহ্বান জানান আমীরে জামায়াত।কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমরা ১১ দলীয় জোট চেয়েছিলাম বৈষম্যমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক নীতি-নৈতিকতাভিত্তিক বাংলাদেশ। আমাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করা, যেখানে মানুষের মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন নিশ্চিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে আমরা মনে করি, প্রকৃত ন্যায়বিচার ও মানবিক আচরণ সব মানুষের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। আমরা কখনও অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি অবিচার, নির্যাতন বা অসম্মানের পক্ষে নই।তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি দেশের নেতৃত্বে আসবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ফলে জনগণের সামনে এখনও অনেক জাতীয় সমস্যা রয়ে গেছে। আজও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা প্রশ্নে জনগণের উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো দয়া বা অনুগ্রহের ফল নয়। এটি বহু মানুষের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম এবং রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। তাই জাতীয় মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।তিনি আরও বলেন, দেশে কিছু মৌলিক সংস্কার প্রয়োজন। এই সংস্কার কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সুবিধার জন্য নয়; বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী ও টেকসই রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলার জন্য। আমরা চাই— ভবিষ্যতে যেন কোনো স্বৈরাচার জন্ম নিতে না পারে; রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ হয়; বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে; আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করতে হবে। যারা জনরায়কে অগ্রাহ্য করে, তাদের পরিণতি ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে ভবিষ্যতেও সেই ভুলের মাশুল দিতে হবে। আমরা বিএনপিকে বলছি, দেশ ও জাতির স্বার্থে আপনারা ভুল পথে এগোচ্ছেন। ভুল সংশোধন করে জনগণের কাতারে ফিরে আসুন। জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো রাজনৈতিক শক্তি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ক্ষমতাসীনদের কানে জনগণের কথা পৌঁছায় না। সংসদে যদি জনগণের দাবি ও ন্যায়বিচারের সমাধান না হয়, তাহলে দেশের মাঠ-ঘাট, জনপদ ও জনসমাবেশ থেকেই জনগণ তাদের শক্তির প্রকাশ ঘটাবে। খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়াসহ সারাদেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে। আমরা কোনো ধরনের আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করব না। সরকার যদি দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বিদেশি প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করে, তবে জনগণ তা মেনে নেবে না। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। দেশের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে জনগণ সর্বদা সচেতন ও প্রস্তুত।ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও বিতর্ক ছিল। আমাদের বিশ্বাস, জনগণের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও অনেক জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থী সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাননি। সুতরাং আমরা সেইসব অনিয়ম ও বিতর্কিত প্রক্রিয়ার সমালোচনা করি এবং জনগণের প্রকৃত রায়ের প্রতিফলন নিশ্চিত করার দাবি জানাই। আমরা বলতে চাই, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, সেই রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা। তাই জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করার সুযোগ কারও নেই।তিনি বলেন, খুলনা অঞ্চলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, মুসলমান এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের শক্তি তার বহুত্ববাদী ঐতিহ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতির মধ্যে নিহিত। ধর্ম, বর্ণ বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন সৃষ্টি করার যেকোনো প্রচেষ্টা জাতীয় ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর।এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দুই বছর পরও সেই আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে- রাষ্ট্র সংস্কারের বাস্তবায়ন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না। সংস্কার ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমরা রাজপথে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও তেমনি থাকব।সভাপতির বক্তব্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটে জনগণ স্পষ্টভাবে কিছু মৌলিক সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। সেই সংস্কারের মধ্যে ছিল— প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস; গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব হ্রাস; জবাবদিহিমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন; উচ্চকক্ষে পিআরসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক সংস্কার কার্যকর করা। গণভোটে জনগণের বিপুল সমর্থন এই সংস্কারগুলোর প্রতি জাতীয় ঐকমত্যের প্রতিফলন। গণভোটে যেসব সংস্কার নিয়ে জনগণের সমর্থন ছিল, সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনীহা ও বিলম্ব জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য মনে করে, জুলাই সনদের মূল লক্ষ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংসদের ভেতরে এবং বাইরে-উভয় ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আমাদের সংগ্রাম কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয়; এটি জনগণের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম। জনগণের প্রত্যাশা হলো—তাদের মতামত, অধিকার এবং উন্নয়নের দাবি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হবে এবং কোনো ধরনের বৈষম্যের শিকার হতে হবে না।তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনগণের উদ্বেগ রয়েছে। খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং সামাজিক অস্থিরতার বিভিন্ন ঘটনা মানুষের নিরাপত্তাবোধকে দুর্বল করছে। বাগেরহাট থেকে সমাবেশে আসার পথে কিছু ভাইয়ের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। দুজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই সরকার জনগণের সরকার নয়, কর্তৃত্ববাদী সরকারের দিকে ধাবিত হয়েছে। গণভোটের গণরায়কে বাস্তবায়নে এই সরকারকে বাধ্য করতে হবে।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

নারায়ণগঞ্জে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান

নারায়ণগঞ্জে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান

“যুক্তির সমীরণে, প্রাচ্যের ডান্ডি”—এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জলবায়ু সহনশীল ক্যাম্পাস উদ্যোগের আওতায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৮ দিনব্যাপী ‘নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিতর্ক উৎসব’ এর সেমিফাইনাল বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।উৎসবে উপজেলার ৬০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা যুক্তির লড়াইয়ে অংশ নেয়। রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনাল শেষে চূড়ান্ত পর্বে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২২ জুন জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ফাইনালে মুখোমুখি হবে।প্রাথমিক বিভাগের ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ১০ নং বাতানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৭৪ নং কুতুব আইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।মাধ্যমিক বিভাগের ফাইনালে লড়বে মর্গ্যান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।৮ দিনব্যাপী এই বিতর্ক উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য ‘জলবায়ু সহনশীল ক্যাম্পাস’। আয়োজকরা জানান, ক্ষুদে বিতার্কিকদের যুক্তির চর্চার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, টেকসই পরিবেশ ও সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার ধারণা ছড়িয়ে দিতেই এমন আয়োজন।বিতর্ক উৎসব উপলক্ষে  এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, “যুক্তি ও জ্ঞানের চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। জলবায়ু সহনশীল ক্যাম্পাসের বার্তা তাদের মাধ্যমেই সমাজে ছড়িয়ে পড়বে।”উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে সেমিফাইনাল পর্বে ছিল তুমুল যুক্তিতর্ক। ফাইনাল ঘিরে ইতোমধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়েছে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

দুমকি উপজেলা শিক্ষক পরিবারের আয়োজনে দক্ষিণবঙ্গ কৃষি ও কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ উপজেলা শিক্ষক পরিবারের সন্তান প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন সুমনকে উপজেলা শিক্ষক পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও বর্নিল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।শনিবার (২০জুন) দুপুরে উপজেলা বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, দুমকি নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান। দুমকি টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জামাল হোসেন এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন লেবুখালী সরকারি হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান আশ্রাফ, সাতানী আমির উদ্দিন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ জব্বার হাওলাদার, সরকারি জনতা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (অব:) শহিদুল ইসলাম, সৃজনী বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস, দুমকি একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহামুদা আক্তার হেপী, মমতাজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা বেগম, এবিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান। প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এইচএম মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আতিকুর রহমান, আইসিটি সম্পাদক রাজিবুল রাজ, সাংবাদিক বাহাদুর হোসেন।সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন, চড়বয়ড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন, জলিশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম চন্দ্র হালদার, আঙ্গারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ, সাংবাদিক এবাদুল হক ও জায়েদ বিন আলী সুজন  প্রমুখ। এসময় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ প্রধান ও শিক্ষক শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিভাবক মতবিনিময় সভা

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিভাবক মতবিনিময় সভা

ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমির ফার্স্ট সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা এবং অভিভাবক মতবিনিময় সভা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফ পাটওয়ারী। সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুফতি নজরুল ইসলামের চমৎকার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নাসিক (নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন) ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন।​এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ এনায়েতুল্লাহ, মাওলানা মোঃ শাহ আলম এবং জনাব মোঃ সাইফুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, "ইসলামিক এডুকেয়ার একাডেমি প্রায় এক দশক ধরে অত্র এলাকায় অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রেখে চলছে। এখানকার শিক্ষকরা অত্যন্ত যোগ্য এবং পরিশ্রমী। তারা তাদের নিপুণ দক্ষতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।"​শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে অভিভাবকদের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন- সচেতন অভিভাবকদের উচিত প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।  শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি মজবুত সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে।  দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্য করে তুলবে এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব দিতে সদা প্রস্তুত থাকবে।​আলোচনা ও মতবিনিময় সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে এক আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। বিগত সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে গৌরব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি মুহাম্মদ জামাল হোসাইনসহ আমন্ত্রিত অন্যান্য মেহমানবৃন্দ।​অভিভাবকদের সক্রিয় উপস্থিতি ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজ শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘বৃক্ষ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬’ পালন করা হয়েছে।​গতকাল (১৯জুন ) কলেজ প্রাঙ্গণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।​বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এ সময় তিনি কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করেন।​কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি অমিত হাসান এবং মহানগরী সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন।​এ সময় কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ছাত্রসমাজকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে এবং প্রত্যককে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে হবে।"​অনুষ্ঠানে তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ মহানগরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সমাপনী বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ সচেতন হওয়ার এবং বৃক্ষরোপণ অভিযানকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।

কোন পোস্ট নেই !
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’-এর ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশন’।গত ১৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাতে এসোসিয়েশনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বিরোধীদলীয় নেতাকে এই অভিনন্দন ও সম্মাননা জানান। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গসাক্ষাতকালে হোসিয়ারী এসোসিয়েশন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম: আলহাজ্ব বদিউজ্জামান বদু – সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। দুলাল মল্লিক – সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **আব্দুস সবুর খান সেন্টু** – পরিচালক, বাংলাদেশ হোশিয়ারি এসোসিয়েশন। * **গোলাম সাঈদ সারোয়ার** – পরিচালক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। * **বিকাশ চন্দ্র সাহা** – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা। * **শংকর সাহা** – নেতা, পূজা উদযাপন পরিষদ।এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।### আলোচনার মূল বিষয়বস্তুসৌজন্য সাক্ষাৎ চলাকালীন হোসিয়ারী শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি, বর্তমান বাজার অবস্থা এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।> **ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা):**> তিনি হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের প্রসারে সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।> **ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা:**আলোচনা শেষে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও অগ্রগতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‎রূপগঞ্জে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে সভা

‎‎সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে  আলোচনা সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারের একতারা রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ প্রাইভেট হসপিটাল মালিক সমিতির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাহবুব। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড নেক সার্জন ডাঃ নাসির আহম্মেদ।  মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সানিউল হাসান,  স্ত্রী রোগ/ গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন,  ভূলতা জেনারেল হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার মোঃ নয়ন এবং মার্কেটিং ম্যানেজার মেহেদী হাসান।‎অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  মোঃ মাহাবুব রহমান বলেন, মানুষের কাঁছে ও ঘরে ঘরে   উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পল্লী চিকিৎসকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকে আধুনিক চিকিৎসা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সাথে সম্পৃক্ত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এই সেমিনারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।‎এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, পল্লী চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।