ঢাকা   বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অভিযান

ঢাকা-৪ সংসদীয় এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কদমতলী জোনের উদ্যোগে সোমবার (২২ জুন) সকালে বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য ও কদমতলী জোনের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জীবনের সভাপতিত্বে এবং মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও শ্যামপুর জোনের সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দিনের পরিচালনায় জুরাইন রেলগেট সংলগ্ন বিক্রমপুর প্লাজার সামনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান।এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, মাওলানা জাকির হোসাইন, মাওলানা জুনাইদ আহমেদ, মো. কবিরুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ শেখ, আশরাফুল আলম সুমন, মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ প্রমুখ।

কুমিল্লায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা ও হয়রানি: থানায় জিডি

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

প্রেসক্লাব দুমকির নবনির্বাচিত সভাপতি জসিম উদ্দিনকে শিক্ষক পরিবারের সংবর্ধনা

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেটে প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার আসর: সর্বস্ব হারাচ্ছেন পথচারীরা

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত

ডিএনডি খাল দূষণের দায়ে আকবর ডাইং-কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ডিএনডি খাল দূষণের দায়ে আকবর ডাইং-কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কাশিপুর জামিয়ায় অস্থিরতা চরমে: চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

কাশিপুর জামিয়ায় অস্থিরতা চরমে: চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

​নারায়ণগঞ্জে মহানগর যুবদলের বিশাল প্রতিবাদ মিছিল

​নারায়ণগঞ্জে মহানগর যুবদলের বিশাল প্রতিবাদ মিছিল

বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল

বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল

খারাংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত আলম মেম্বার

খারাংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত আলম মেম্বার

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংর্বধনা

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংর্বধনা

বন্দরে বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায়: চারদিন পর লাইনম্যানের মৃত্যু

বন্দরে বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায়: চারদিন পর লাইনম্যানের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জে পলাশী দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জে পলাশী দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত

 ২৪ জুন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঞ্চালনায় এ সভাটি সম্পন্ন হয়। সভার শুরুতে দারসুল কুরআন পেশ করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএ মা’ছুম। সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন সভায় উপস্থাপন করেন।রাজধানীর মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে বুধবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১:৩০ মিনিট পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের (পুরুষ ও মহিলা) সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পুশইন ইস্যুসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশদ আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। এ ছাড়া আগামী ২৬ জুন অনুষ্ঠিতব্য সংগঠনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার আসন্ন অধিবেশন এবং অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক বিবিধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জামায়াতে ইসলামী জন্মলগ্ন থেকে ৩-দফা দাওয়াত ও ৪-দফা কর্মসূচি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এ দীর্ঘ যাত্রাপথে জামায়াতে ইসলামীকে নানা চড়াই-উতরাই পার হতে হয়েছে এবং এখনো অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে পথ চলতে হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর এই পথচলায় আল্লাহর অনেক প্রিয় বান্দাকে হাজারো জেল-জুলুম, হামলা-মামলাসহ অবর্ণনীয় হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। অনেককে শাহাদাতের পিয়ালা পান করতে হয়েছে। শাহাদাতের সিঁড়ি বেয়ে রক্তাক্ত এই পথেই আমাদের এগিয়ে যেতে হচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইসলামী নীতির আলোকে নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পন্থায় রাজনীতি করে আসছে। বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সংগঠনের মর্যাদাপূর্ণ অবদান রয়েছে। জাতীয় সংসদের অংশীদারিত্বমূলক সকল নির্বাচনেই জামায়াতের প্রতিনিধি ছিল। জামায়াতে ইসলামীর দুইজন মন্ত্রী তিনটি মন্ত্রণালয়ে দেশ ও জাতি গঠনে তাদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকার মাধ্যমে দেশবাসীর প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বর্তমান জাতীয় সংসদেও জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বৈষম্য, দারিদ্র্যমুক্ত এবং মর্যাদাপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছে।”আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সাথে নিয়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ২০২৪ এর আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফসল বর্তমান সরকার চব্বিশের চেতনাকে ভুলিয়ে দেওয়ার এক আত্মঘাতী ও অপরিণামদর্শী অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালিয়ে পরবর্তীতে সেই গণভোটের রায়কে পদদলিত করে জাতির সাথে এক প্রকার প্রতারণা শুরু করেছেন। এই সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য বুমেরাং হবে।” মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “বর্তমানে সরকারি দলের লোকদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলবাণিজ্য মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ঘুষ-দুর্নীতি চলছে অবাধে। সরকারি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই মাত্র সাড়ে তিন মাসে তাদের শতাধিক নেতাকর্মী খুন হয়েছেন। তাছাড়া বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলায় জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে শেরপুরে জামায়াতের একজন নেতা, নির্বাচনের পরে চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতে ইসলামীর দুই জন নেতাকর্মী এবং অতি সম্প্রতি গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক নেতা নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দেশে হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ জ্যামিতিক হারে বাড়ছে, যার ফলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে।” ব্যাংকিং খাতের সংকট তুলে ধরে তিনি বলেন, “সরকারের কিছু ভুল ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আমলে ধ্বংসপ্রায় ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’ যখন মাত্র ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে সরকার ব্যাংকটিকে পুনরায় ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাতে তুলে দেওয়ার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা মনে করি, সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতিকে সমূলে ধ্বংস করে দেবে। দেশবাসী আশা করে, সরকার এই ক্ষেত্রে দ্রুত শুভবুদ্ধির পরিচয় দেবে।”তিনি আরও বলেন, “সরকার দেশের শিক্ষা, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে নগ্ন দলীয়করণ করছে। এমনকি নবগঠিত সংসদেও চরম বৈষম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। এভাবে সরকার ক্রমান্বয়ে একদলীয় শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা জাতির জন্য চরম হতাশাজনক।”সভার সমাপনী ভাষণে আমীরে জামায়াত বলেন, “দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ জাতির সামনে দৃশ্যমান। পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি ও তাদের দোসররা দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে আমাদের উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করবে। এই ক্ষেত্রে আমাদের অত্যন্ত ধৈর্য ও সতর্কতার সাথে পথ চলতে হবে এবং কারো পাতা ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।”তরুণ সমাজ ও আলেমদের গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “দেশের বিরুদ্ধে নানামুখী চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র চলা সত্ত্বেও আমরা আশাবাদী। কারণ আমাদের রয়েছে একটি সচেতন তরুণ ও যুবসমাজ। তাদেরকে পিতা ও অভিভাবকের পরম মমতায় আগলে রাখতে হবে এবং ভালোবাসার সাথে বুকে টেনে নিতে হবে। তাদেরকে দেশপ্রেমিক ও আদর্শ ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে; এরাই হবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ও অতন্দ্র প্রহরী। একই সাথে সমাজের প্রতিটি স্তরে আলেম সমাজের বিরাট অবদান রয়েছে। দেশবাসী আলেমদের অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে। বরেণ্য আলেম সমাজের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের দেশ গঠনে আরও ইতিবাচক ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।”পরিশেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন আমরা সকলে মিলে দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা যেন জাতির সকল বাধা ও পিচ্ছিল পরিস্থিতি দূর করে দেন। হে মহান রব, জাতি হিসেবে আমাদেরকে এমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলবেন না, যা সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের নেই। চব্বিশের শহীদরা যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশের জন্য তাদের অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং হাজারো পঙ্গুত্ববরণকারী ভাই-বোনেরা যে কঠিন ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের সেই স্বপ্ন পূরণে একটি বৈষম্যমুক্ত ও মর্যাদাপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গঠনে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। আল্লাহ আমাদের সকল ত্যাগ ও কোরবানি কবুল করুন। আমীন।”

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

কাশিপুর জামিয়ায় অস্থিরতা চরমে: চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

কাশিপুর জামিয়ায় অস্থিরতা চরমে: চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

নারায়ণগঞ্জের কাশিপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া কাসিমুল উলূম মাদানিয়া আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। সম্প্রতি মাদরাসার স্বনামধন্য শায়খুল হাদীস ও মুহতামিম হযরত মাওলানা মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী হাফিযাহুল্লাহকে ঘিরে একটি বিতর্কিত ও অসম্মানজনক চিঠি প্রকাশের ঘটনায় যে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে চারজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়েরের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।জানা যায়, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাজির শিকদারের উদ্যোগে দায়েরকৃত এ মামলাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ ঘটনাকে একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে, মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী হাফিযাহুল্লাহর সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা দাবি করেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ইলম, আমল, আখলাক ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে একজন গ্রহণযোগ্য আলেম হিসেবে পরিচিত। সাবেক মুহতামিমের ইন্তেকালের পর শিক্ষকবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর অনুরোধে তিনি জামিয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং আন্তরিকতার সাথে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন।তাঁদের অভিযোগ, এর আগে তাঁকে "মাদরাসার জন্য অপ্রয়োজনীয়" বলে একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, যা একজন সম্মানিত আলেমের মর্যাদার পরিপন্থী এবং দ্বীনি অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। সেই বিতর্কের সমাপ্তি না হতেই চারজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সচেতন মহলের একাংশ মনে করেন, দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণ, ইলমী নেতৃত্ব এবং শরিয়তসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ আলেমদের মতামত ও পরামর্শকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাঁদের মতে, সাধারণ মানুষ পরিচালনা কমিটিতে থাকলেও দ্বীন ও শরিয়তের সূক্ষ্ম বিষয়গুলোতে আলেমদের সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনাই অধিক গ্রহণযোগ্য হওয়া প্রয়োজন।তাঁরা আরও বলেন, মাদরাসা কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি দ্বীনি ইলম, আখলাক ও আদর্শ গঠনের কেন্দ্র। তাই এখানে উদ্ভূত সংকটের সমাধান মামলা-মোকদ্দমা বা বিরোধ বৃদ্ধির মাধ্যমে নয়, বরং শূরা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং আলেমদের সমন্বিত পরামর্শের মাধ্যমে হওয়াই সমীচীন।এলাকাবাসীর অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, চলমান এ বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে মাদরাসার সুনাম, শিক্ষার পরিবেশ এবং দ্বীনি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাঁরা দ্রুত এ সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, সকল পক্ষের প্রজ্ঞা, সহনশীলতা ও দ্বীনি দায়িত্ববোধের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠান আবারও তার ইলমী ঐতিহ্য, সুনাম ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অটুট রাখতে সক্ষম হবে।

বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল

বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল

আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর আবেগঘন পরিবেশে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে আজ মঙ্গলবার একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং এইচএসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল আলম খান পাভেল। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। নবীনরা, তোমরা জ্ঞান, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা নিয়ে এগিয়ে যাবে। আর বিদায়ী শিক্ষার্থীরা, পরীক্ষার হলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লিখবে, সততা নিয়ে ভালো ফল করবে। তোমাদের সাফল্যই আমাদের গর্ব।”বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডহক কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি মেহেদী হাসান সজীব। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা, মন ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনও বলেন, “ভালো ফলাফলের পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ হওয়াটাই বড় অর্জন।”অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. লিয়াকত হোসেন এবং অধ্যক্ষ ও এডহক কমিটির সদস্য সচিব মো. আজিজুর রহমান। অধ্যক্ষ তার বক্তব্যে পরীক্ষার্থীদের প্রতি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন এবং নবীনদের কলেজের ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক শ্রী পার্থ শারদী দাস, কলেজের প্রভাষক নাজমুল হুদা, সুমাইয়া আক্তার, তানিয়া আক্তার, তানিয়া সুলতানা ও প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ।নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও ব্যাজ পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।পুরো আয়োজনজুড়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

খারাংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত আলম মেম্বার

খারাংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত আলম মেম্বার

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য আলম মেম্বার খারাংখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন।স্থানীয়ভাবে একজন সৎ, ভদ্র, শান্তশিষ্ট ও অমায়িক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত আলম মেম্বারের পুনর্নির্বাচনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।এলাকাবাসী জানান, আলম মেম্বার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার কারণে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সমাদৃত।পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। তারা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সমাজের কল্যাণে আরও বেশি অবদান রাখার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন

বাউফলে গাঁজাসহ আটক ২, কালাইয়া বেইলি ব্রিজের কাছে পুলিশের অভিযান

পটুয়াখালীর বাউফল থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে ১০০ গ্রাম অবৈধ গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।​গত রবিবার (২১ জুন) রাত ৯টা ১৫ মিনিটের সময় বাউফল থানাধীন কালাইয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বেইলি ব্রিজের দক্ষিণ পাশে কালাইয়া-দশমিনাগামী সড়কের ওপর অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ​গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়​গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলেন:​মো. নিজাম হাওলাদার (৩৮)​মো. মিলন মাহমুদ আরিফ (৩৫) ​অভিযান ও উদ্ধার অভিযান​বাউফল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালাইয়া টু দশমিনাগামী রাস্তায় মাদক কেনাবেচা হচ্ছে— এমন একটি সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল থানার একটি চৌকস অভিযানিক দল ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।​অভিযানকালে কালাইয়া বেইলি ব্রিজের দক্ষিণ পাশে সন্দেহভাজন হিসেবে নিজাম ও মিলনকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে মোট ১০০ (এক শত) গ্রাম অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ​আইনি ব্যবস্থা​গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বাউফল থানা এলাকাকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করতে পুলিশের এই ধরণের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে থানা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আজমেরী ওসমানের নির্দেশে সক্রিয় আলমগীর-সাজু

আজমেরী ওসমানের নির্দেশে সক্রিয় আলমগীর-সাজু

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আত্মগোপনে থাকা আজমেরী ওসমানের দুর্ধর্ষ ‘হোন্ডা বাহিনী’। একসময়কার নিষিদ্ধ সংগঠনের দাপুটে নেতা মহানগর সৈনিক লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর এবং যুবলীগ নেতা সাজু এখন নতুন কৌশলে বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছে। অভিযোগ উঠেছে, দিনের আলোতে তারা বন্দর উপজেলা বিএনপি নেতা মোমেনের সাথে সময় কাটিয়ে নিজেদের ‘নিরাপদ’ রাখছে, আর রাত গভীর হলেই আজমেরী ওসমানের নির্দেশে উত্তর অঞ্চলে গোপন বৈঠক করে নাশকতার নীল নকশা বুনছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলমগীর ও সাজু এই দুই সহোদর এক ভয়াবহ ‘ডাবল গেম’ খেলছে। দিনের বেলা তারা কৌশলে বন্দর উপজেলা বিএনপি নেতা মোমেনের সাথে অবস্থান করে জনমনে এমন ধারণা দিচ্ছে যে তারা বিএনপির আদর্শে মিশে গেছে। অথচ নেপথ্যের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫ আগস্টের পর কিছুটা আত্মগোপনে থাকলেও এখন তারা আজমেরী ওসমানের হাতকে শক্তিশালী করতে যুবলীগ ও সৈনিক লীগের ক্যাডারদের পুনরায় সুসংগঠিত করছে। মূলত আগামী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বন্দরে বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে এই চক্রটির।এই পুরো সিন্ডিকেটের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করছেন তাঁদেরই আরেক ভাই, ২৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শামসুজ্জোহা। তিনি বর্তমানে রাতারাতি নিজেকে ‘বিএনপি নেতা’ হিসেবে জাহির করে ক্ষমতাসীন বলয়ে ঢোকার মরণকামড় দিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, শামসুজ্জোহা বিএনপিতে নিজের অবস্থান পোক্ত করছেন মূলত তাঁর অন্য দুই ভাই আলমগীর ও সাজুকে সুরক্ষা দিতে। ভাইয়ের এই রাজনৈতিক ঢাল ব্যবহার করেই আলমগীর ও সাজু নির্বিঘ্নে ওসমানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে আজমেরী ওসমানের নির্দেশে আলমগীর ও সাজু তাদের ‘হোন্ডা বাহিনী’ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পৈশাচিক তান্ডব চালিয়েছে। রাজপথে অস্ত্র হাতে শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানো এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এখনো মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ানোয় ছাত্র-জনতার মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।বন্দরের উত্তর অঞ্চলসহ পুরো এলাকাকে নিরাপদ রাখতে এই ‘রাজনৈতিক গিরগিটি’ ও নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের এখনই রুখে দেওয়া প্রয়োজন। ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে আলমগীর, সাজু এবং ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শামসুজ্জোহাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। অন্যথায় বন্দরের শান্ত পরিবেশ যেকোনো সময় রক্তাক্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

ঢাকার প্রবেশমুখ কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। টার্মিনালটি চালু হলে ঢাকা-সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের চাপ কমবে এবং রাজধানীর যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করছে সরকার।বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে নির্মাণাধীন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকাকে সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের অতিরিক্ত চাপ কমাতে কিছু অংশ কেরানীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে স্থানান্তরের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”তিনি জানান, কাঁচপুর টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই যাত্রী নামাতে পারবে। এটি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।প্রতিমন্ত্রী বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চারটি বাস টার্মিনালকে যত্রতত্র ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। যার খেসারত দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে তীব্র যানজটের ভোগান্তির মাধ্যমে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষকে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।”যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ ইতোমধ্যে ৪৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। দেশের সব সড়ক ও মহাসড়কের চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঢাকার সব সিগনাল পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে সড়কে শতভাগ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”টার্মিনাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ ময়নুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

কোন পোস্ট নেই !
আজমেরী ওসমানের নির্দেশে সক্রিয় আলমগীর-সাজু

আজমেরী ওসমানের নির্দেশে সক্রিয় আলমগীর-সাজু

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে আত্মগোপনে থাকা আজমেরী ওসমানের দুর্ধর্ষ ‘হোন্ডা বাহিনী’। একসময়কার নিষিদ্ধ সংগঠনের দাপুটে নেতা মহানগর সৈনিক লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর এবং যুবলীগ নেতা সাজু এখন নতুন কৌশলে বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছে। অভিযোগ উঠেছে, দিনের আলোতে তারা বন্দর উপজেলা বিএনপি নেতা মোমেনের সাথে সময় কাটিয়ে নিজেদের ‘নিরাপদ’ রাখছে, আর রাত গভীর হলেই আজমেরী ওসমানের নির্দেশে উত্তর অঞ্চলে গোপন বৈঠক করে নাশকতার নীল নকশা বুনছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলমগীর ও সাজু এই দুই সহোদর এক ভয়াবহ ‘ডাবল গেম’ খেলছে। দিনের বেলা তারা কৌশলে বন্দর উপজেলা বিএনপি নেতা মোমেনের সাথে অবস্থান করে জনমনে এমন ধারণা দিচ্ছে যে তারা বিএনপির আদর্শে মিশে গেছে। অথচ নেপথ্যের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫ আগস্টের পর কিছুটা আত্মগোপনে থাকলেও এখন তারা আজমেরী ওসমানের হাতকে শক্তিশালী করতে যুবলীগ ও সৈনিক লীগের ক্যাডারদের পুনরায় সুসংগঠিত করছে। মূলত আগামী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বন্দরে বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে এই চক্রটির।এই পুরো সিন্ডিকেটের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করছেন তাঁদেরই আরেক ভাই, ২৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শামসুজ্জোহা। তিনি বর্তমানে রাতারাতি নিজেকে ‘বিএনপি নেতা’ হিসেবে জাহির করে ক্ষমতাসীন বলয়ে ঢোকার মরণকামড় দিচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, শামসুজ্জোহা বিএনপিতে নিজের অবস্থান পোক্ত করছেন মূলত তাঁর অন্য দুই ভাই আলমগীর ও সাজুকে সুরক্ষা দিতে। ভাইয়ের এই রাজনৈতিক ঢাল ব্যবহার করেই আলমগীর ও সাজু নির্বিঘ্নে ওসমানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে আজমেরী ওসমানের নির্দেশে আলমগীর ও সাজু তাদের ‘হোন্ডা বাহিনী’ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পৈশাচিক তান্ডব চালিয়েছে। রাজপথে অস্ত্র হাতে শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানো এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এখনো মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ানোয় ছাত্র-জনতার মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।বন্দরের উত্তর অঞ্চলসহ পুরো এলাকাকে নিরাপদ রাখতে এই ‘রাজনৈতিক গিরগিটি’ ও নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের এখনই রুখে দেওয়া প্রয়োজন। ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে আলমগীর, সাজু এবং ছাত্র হত্যা মামলার আসামি শামসুজ্জোহাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। অন্যথায় বন্দরের শান্ত পরিবেশ যেকোনো সময় রক্তাক্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির উদ্যাগে বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।