ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।

প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট আগামীকাল

ভারতে এক বছর কারাভোগ শেষে পাচারের শিকার বাংলাদেশি ৪ নারীকে বিশেষ ট্রাভেল পারপমিটের মাধ্যমে ফেরত আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তাদের ফেরত আনা হয়।ফেরত আসা বাংলাদেশি ৪ নারী গাইবান্ধা, যশোর,মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেরত আসারা বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সাজাভোগ শেষে মুম্বাইয়ের নবজীবন নামে একটি সেফ হোমের হেফাজতে ছিলেন তারা। পরে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হয়। ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে পাচার করা হয়েছিল। দীর্ঘ কষ্টের পর দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আসতে পেরে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর এফ ও শফিকুল ইসলাম জানান, এক বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর সাজা শেষে নবজীবন নামে একটি শেল্টার হোমে ঠাঁই হয়।সেখান থেকে আজ তাদের দেশে আনা হয়েছে।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা হোসেন জানান, ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি এনজিও সংস্থা ফেরত আসা এসব বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ থেকে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে।

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

ভারতে এক বছর কারাভোগ শেষে পাচারের শিকার বাংলাদেশি ৪ নারীকে বিশেষ ট্রাভেল পারপমিটের মাধ্যমে ফেরত আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তাদের ফেরত আনা হয়।ফেরত আসা বাংলাদেশি ৪ নারী গাইবান্ধা, যশোর,মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেরত আসারা বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সাজাভোগ শেষে মুম্বাইয়ের নবজীবন নামে একটি সেফ হোমের হেফাজতে ছিলেন তারা। পরে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হয়। ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে পাচার করা হয়েছিল। দীর্ঘ কষ্টের পর দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আসতে পেরে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর এফ ও শফিকুল ইসলাম জানান, এক বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর সাজা শেষে নবজীবন নামে একটি শেল্টার হোমে ঠাঁই হয়।সেখান থেকে আজ তাদের দেশে আনা হয়েছে।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা হোসেন জানান, ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি এনজিও সংস্থা ফেরত আসা এসব বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ থেকে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে।

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে এক বছর কারাভোগ শেষে পাচারের শিকার বাংলাদেশি ৪ নারীকে বিশেষ ট্রাভেল পারপমিটের মাধ্যমে ফেরত আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তাদের ফেরত আনা হয়।ফেরত আসা বাংলাদেশি ৪ নারী গাইবান্ধা, যশোর,মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেরত আসারা বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সাজাভোগ শেষে মুম্বাইয়ের নবজীবন নামে একটি সেফ হোমের হেফাজতে ছিলেন তারা। পরে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হয়। ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে পাচার করা হয়েছিল। দীর্ঘ কষ্টের পর দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আসতে পেরে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর এফ ও শফিকুল ইসলাম জানান, এক বছর আগে উন্নত জীবনের আশায় সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর সাজা শেষে নবজীবন নামে একটি শেল্টার হোমে ঠাঁই হয়।সেখান থেকে আজ তাদের দেশে আনা হয়েছে।বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা হোসেন জানান, ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি এনজিও সংস্থা ফেরত আসা এসব বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ থেকে নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেছে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম ও লুটপাট

ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম ও লুটপাট

হাসিনার ফাঁসির রায় দেওয়া বিচারকের সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট হ্যাক

হাসিনার ফাঁসির রায় দেওয়া বিচারকের সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট হ্যাক

ঈদে সরকারি বরাদ্দ খরচের তালিকা প্রকাশ করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

ঈদে সরকারি বরাদ্দ খরচের তালিকা প্রকাশ করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

জুলাই সনদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না - মাওলানা আবদুল জব্বার

জুলাই সনদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না - মাওলানা আবদুল জব্বার

নড়াইলের কালিয়ায় মাংস ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫

নড়াইলের কালিয়ায় মাংস ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫

মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী

মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী

কোন পোস্ট নেই !

জুলাই সনদের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না - মাওলানা আবদুল জব্বার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বার বলেছেন, "চব্বিশের গণআন্দোলনের পর ছাত্ররা 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস' স্লোগান দিয়েছে, কিন্তু আজ থেকে ১৪শ বছর আগেই আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ন্যায় ও ইনসাফের কথা বলে গেছেন। ছাত্র-জনতার সেই আকাঙ্ক্ষা আর ইসলামের ইনসাফ আজ এক সুতায় গাঁথা।"​বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে বন্দরের লালখারবাগ মাদরাসা এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।​মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, "২৬-এর নির্বাচনে আমরা বিজয়ী হয়েছি—এটা জনগণই বলছে। অনেক ক্ষেত্রে আমরা ছাড় দিলেও, গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের পক্ষে যে রায় এসেছে, তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মুক্তিকামী তরুণ সমাজই আগামীর বাংলাদেশ। কেউ কেউ বলছেন আবেগ দিয়ে রাষ্ট্র চলে না, কিন্তু এই আবেগ দিয়েই ভোট হয়েছে। জনগণের সেই রায়কে সম্মান জানাতেই হবে।"​মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে তিনি বলেন, "মাদকের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকার থেকে কোথায় কত টাকা আসছে তা এখন আর গোপন নেই, তাই দুর্নীতির কোনো অবকাশ থাকবে না। তেঁতুল গাছ লাগিয়ে কমলা আশা করা বোকামি; তেমনি সৎ নেতৃত্ব ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়।"​অনুষ্ঠানে মাওলানা জব্বার আসন্ন সিটি কর্পোরেশন ও ওয়ার্ড নির্বাচন উপলক্ষে ২৭ নং ওয়ার্ডে জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মহিউদ্দিনকে সকলের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তার জন্য দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে মানুষের কল্যাণে ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে হবে। মিথ্যা মামলা দেওয়া হলে থানায় গিয়ে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করবেন। তবে মনে রাখবেন, অপরাধী যেই হোক—সে যদি জামায়াতেরও হয়, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।"​বন্দর উত্তর থানা সাংগঠনিক আমীর মুফতী আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উত্তর থানা সেক্রেটারি মোঃ জহুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন।​এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বন্দর উপজেলা জামায়াত আমীর মাওলানা খোরশেদ আলম ফারুকী। উত্তর থানা নায়েবে আমীর মো রফিকুল ইসলাম। উত্তর থানা কর্মপরিষদ সদস্য ও ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মহিউদ্দিন, ২৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি জহিরুল ইসলাম।​অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সব বিভাগের খবর

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর সমাধিস্থলে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার কাশীপুর গ্রামে অবস্থিত তার সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সোহেল আল মুজাহিদ।এর আগে সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এদিন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান তার সন্তান এস এম গোলাম মোস্তফা কামাল, মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরাও।অনুষ্ঠান শেষে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ। পরবর্তীতে তাকে শার্শা উপজেলার কাশীপুর গ্রামে সমাহিত করা হয়।

সাভারে ত্রাস সৃষ্টি করা সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট এর মৃত্যু

ঢাকার সাভারের জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ (আসল নাম সবুজ শেখ) মারা গেছেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাভারের অপরাধ জগতের এক বীভৎস ও অন্ধকার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।​কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাট হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​যেভাবে আলোচনায় আসে ‘সাইকো সম্রাট’সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত করেছিল এই খুনি।গত ১৮ জানুয়ারি সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের পর তার নৃশংসতার চিত্র সামনে আসে। এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি এবং মডেল মসজিদের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে নিজের কাঁধে করে মরদেহ বহন করতে দেখা যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্রাট একে একে ৬টি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি আদালতে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিল।​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ, বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায়। ২০১৪ সালে সাভারের তেঁতুলঝোরায় প্রথম খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। এরপর বিভিন্ন সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি হত্যা ও ২টি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সে ধারাবাহিকভাবে নারী ও পুরুষদের শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করত।​সম্রাটের হাতে নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল তরুণী তানিয়া আক্তারের হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে একটি মরদেহ নিয়ে যেতে দেখা গেলেও শুরুতে তানিয়ার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে রাজধানীর উত্তরখান থেকে তার পরিবার সাভারে এসে মরদেহ শনাক্ত করে। মেয়ের শেষ পরিণতি জানতে পেরে ও খুনি শনাক্ত হওয়ায় তানিয়ার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।​খুনি সম্রাটের মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত তানিয়ার মা জুলেখা বেগম ও বোন নাসরিন আক্তার ফারিয়া।তারা জানান, খুনি বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও কারো বুক খালি করত, সৃষ্টিকর্তা তার বিচার করেছেন।​ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ এন্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাটের মৃত্যুতে আইন অনুযায়ী তাকে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত থাকবে।