ঢাকা   বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক রচিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে চসিক। গত ২৯ জুন (সোমবার) দুপুরে নগরীর টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশাল অংকের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।নতুন মাইলফলক: চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এটি চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি: মেয়র জানান, আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক সংস্কার এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এই রাজস্ব প্রাপ্তি চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেক্ষাপট: চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা এই রাজস্ব আদায়ে চসিক কর্তৃপক্ষ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক সমন্বয় সভা ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল। সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এবার বিশাল অংকের এই বকেয়া পরিশোধ করা হলো।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

না ফেরার দেশে উমারপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মতিন মন্ডল: এলাকায় শোকের ছায়া

ঢাকার প্রবেশমুখ কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। টার্মিনালটি চালু হলে ঢাকা-সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের চাপ কমবে এবং রাজধানীর যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করছে সরকার।বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে নির্মাণাধীন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকাকে সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের অতিরিক্ত চাপ কমাতে কিছু অংশ কেরানীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে স্থানান্তরের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”তিনি জানান, কাঁচপুর টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই যাত্রী নামাতে পারবে। এটি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।প্রতিমন্ত্রী বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চারটি বাস টার্মিনালকে যত্রতত্র ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। যার খেসারত দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে তীব্র যানজটের ভোগান্তির মাধ্যমে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষকে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।”যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ ইতোমধ্যে ৪৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। দেশের সব সড়ক ও মহাসড়কের চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঢাকার সব সিগনাল পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে সড়কে শতভাগ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”টার্মিনাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ ময়নুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সাহিত্যে স্বাধীন চিন্তার প্রতীক আহমদ ছফার ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ

ঢাকার প্রবেশমুখ কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। টার্মিনালটি চালু হলে ঢাকা-সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের চাপ কমবে এবং রাজধানীর যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করছে সরকার।বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে নির্মাণাধীন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকাকে সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের অতিরিক্ত চাপ কমাতে কিছু অংশ কেরানীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে স্থানান্তরের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”তিনি জানান, কাঁচপুর টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই যাত্রী নামাতে পারবে। এটি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।প্রতিমন্ত্রী বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চারটি বাস টার্মিনালকে যত্রতত্র ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। যার খেসারত দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে তীব্র যানজটের ভোগান্তির মাধ্যমে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষকে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।”যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ ইতোমধ্যে ৪৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। দেশের সব সড়ক ও মহাসড়কের চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঢাকার সব সিগনাল পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে সড়কে শতভাগ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”টার্মিনাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ ময়নুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে যুবদলের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকার প্রবেশমুখ কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। টার্মিনালটি চালু হলে ঢাকা-সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের চাপ কমবে এবং রাজধানীর যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করছে সরকার।বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে নির্মাণাধীন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকাকে সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের অতিরিক্ত চাপ কমাতে কিছু অংশ কেরানীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে স্থানান্তরের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”তিনি জানান, কাঁচপুর টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই যাত্রী নামাতে পারবে। এটি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।প্রতিমন্ত্রী বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চারটি বাস টার্মিনালকে যত্রতত্র ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। যার খেসারত দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে তীব্র যানজটের ভোগান্তির মাধ্যমে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষকে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।”যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ ইতোমধ্যে ৪৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। দেশের সব সড়ক ও মহাসড়কের চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঢাকার সব সিগনাল পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে সড়কে শতভাগ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”টার্মিনাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ ময়নুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

নারায়ণগঞ্জে নজরুলের ‘অভিযান’ শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজন

নারায়ণগঞ্জে নজরুলের ‘অভিযান’ শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজন

শহীদদের স্মরণে জুলাই কর্মসূচি শুরু করল ছাত্র-শক্তি

শহীদদের স্মরণে জুলাই কর্মসূচি শুরু করল ছাত্র-শক্তি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা মহানগরী জামায়াতের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা মহানগরী জামায়াতের

টেকনাফে জামায়াতের যুব বিভাগের নতুন কমিটি, নেতৃত্বে শিবিরের তিন সাবেক জেলা সভাপতি

টেকনাফে জামায়াতের যুব বিভাগের নতুন কমিটি, নেতৃত্বে শিবিরের তিন সাবেক জেলা সভাপতি

তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"

তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"

এনায়েতনগরে জামায়াতের উদ্যোগে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি ঔষধ বিতরণ

এনায়েতনগরে জামায়াতের উদ্যোগে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি ঔষধ বিতরণ

দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার: ডিসি রায়হান কবির

দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার: ডিসি রায়হান কবির

শিশুদের সুপ্ত মেধা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে ঐতিহ্য সাংস্কৃতিক সংসদ

শিশুদের সুপ্ত মেধা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে ঐতিহ্য সাংস্কৃতিক সংসদ

সিদ্ধিরগঞ্জে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মামলার স্বীকার পিতার সংবাদ সম্মেলনে

সিদ্ধিরগঞ্জে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মামলার স্বীকার পিতার সংবাদ সম্মেলনে

না ফেরার দেশে উমারপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মতিন মন্ডল: এলাকায় শোকের ছায়া

না ফেরার দেশে উমারপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মতিন মন্ডল: এলাকায় শোকের ছায়া

নারায়ণগঞ্জে নজরুলের ‘অভিযান’ শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘অভিযান’ কবিতার জন্মশতবর্ষ, কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কবি ও নজরুল গবেষক মো. হুমায়ুন কবীরের ৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৯২৬ সালের ২ জুলাই কবি কাজী নজরুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ সফর করেন এবং সেই সফরকে ঘিরেই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অভিযান’ রচিত হয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশব্যাপী কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আবৃত্তি ও নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় আবৃত্তি বিভাগে তিনটি গ্রুপ রাখা হয়েছে।‘ক’ গ্রুপে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীরা কবি নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি করতে পারবে। ‘খ’ গ্রুপে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কবির ‘অভিযান’ কবিতা আবৃত্তি করবে। আর ‘গ’ গ্রুপে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সর্বসাধারণের অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে ‘অভিযান’ কবিতা।আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী ভবানী শংকর রায় ও অ্যাডভোকেট জিয়াউর ইসলাম।এছাড়া নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতাও ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’—এই তিন গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় যেকোনো নজরুল সংগীত পরিবেশনের সুযোগ থাকবে। বিচারক হিসেবে থাকবেন সংগীতশিল্পী সুমন এবং শাহজাহান সাধু।প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার, পদক প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আগামী ১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শেখ রেজাউদ্দিন আহামেদ স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।এদিন ঢাকা ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় শিল্পীরাও সংগীত পরিবেশন করবেন।যৌথভাবে আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ‘আমরা বাঁশরী—একটি নজরুল চর্চাকেন্দ্র’ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি সংসদ।আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাহিত্যপ্রেমী, সংস্কৃতিকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

শহীদদের স্মরণে জুলাই কর্মসূচি শুরু করল ছাত্র-শক্তি

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, শহীদ আদিলের বাসভবনে খোঁজখবর নেওয়া এবং শহীদদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে জুলাই মাসের প্রথম দিনের কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় ছাত্র-শক্তি নারায়ণগঞ্জ।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলাইকে তারা আত্মত্যাগ, সাহস এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনার মাস হিসেবে স্মরণ করছে। শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।এ উপলক্ষে সংগঠনের নেতারা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে লেখা ইতিহাস ন্যায়, ইনসাফ এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন প্রেরণা জোগায়। সেই চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে জাতীয় ছাত্র-শক্তি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব তামজিদ জোবাইর, জাতীয় ছাত্র-শক্তি নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম, ছাত্র-শক্তি নারায়ণগঞ্জ জেলার মুখ্য সংগঠক নাজমুল ইসলামসহ ফতুল্লা থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সব বিভাগের খবর

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

ভারতে আশঙ্কাজনক হারে মুসলিম নির্যাতন বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে দোআর মাধ্যমে শেষ হয়।​সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ-এর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ।​মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, "পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, তা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না। অন্যদিকে, সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, ভারতের এই আগ্রাসী মনোভাব ও মুসলিম বিদ্বেষ বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকেও শক্ত অবস্থানে থেকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"​সভাপতির বক্তব্যে কামরুল হাসান মিরাজ বলেন, "সীমান্তে রক্ত ঝরবে আর আমরা চুপ থাকব, তা হবে না। অবিলম্বে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে হবে এবং ভারতে মুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় ছাত্র সমাজ রাজপথে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।"​ফতুল্লা থানা সভাপতি নূর নবী ইসলাম নাঈম-এর পরিচালনায় মিছিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মুফতি তৌফিক বিন হারিস, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ মুজ্জাম্মিল, সরকারি তোলারাম কলেজ সভাপতি আমির মুহাম্মদ সিয়াম, ফতুল্লা থানা সেক্রেটারি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ মুরসালিন, নাজিম হাসান স্বপ্ন, আবু সাঈদ, খাজা ফাহিম সরকার, প্রমুখ। 

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

বন্দরে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বন্দরে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

বন্দরের নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার সকালে নাসিক ২৩ নং ওর্য়াডস্থ কলেজের এইচ এস সি পরির্ক্ষাথীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গভনিং বডির সভাপতি আলহাজ্ব সাইফুদ্দিন আহমেদ আনিস। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ নিতাই মজুমদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন হাজী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইফফাত আরা ইতি, শিক্ষানুরাগী ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন, অভিভাবক প্রতিনিধি মোঃ রাজিব সরদার,বিদায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণকান্ত মন্ডল ( সহকারী প্রধান শিক্ষক), উম্মে সালমা ( শিক্ষক প্রতিনিধি), সহকারী শিক্ষক মুক্তি বেগম, সহকারী শিক্ষক কামরুল হাসান, সহকারী শিক্ষক রহিমা আক্তার, সহকারী শিক্ষক মুহাম্মদ শাহাদাদ হোসেন, প্রভাষক তরিকুল ইসলাম, সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রভাষক মাহবুবুল হক সহ শিক্ষক ও কর্মচারী বৃন্দ।

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি স্লোগানে বৃক্ষরোপণ

বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি স্লোগানে বৃক্ষরোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিবি মরিয়ম গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।​২৯ জুন ২০২৬, সোমবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।​এবারের কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ও স্লোগান ছিল ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ (One Child, One Tree)। এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ নেন।​অনুষ্ঠানে মহানগর যুবদলের আহবায়ক মনিরুল ইসলাম সজল সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিবেশ রক্ষায় গাছের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং সেটির যত্ন নেওয়া উচিত।​বৃক্ষরোপণ শেষে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে আরও সবুজ করে গড়ে তোলার শপথ নেয়। এ সময় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

হ্নীলা বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন তারেক রহমান রাসেল

হ্নীলা বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন তারেক রহমান রাসেল

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী তারেক রহমান রাসেল।তিনি হ্নীলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুস সালাম কোম্পানির সুযোগ্য নাতি এবং হোয়াকিয়া পাড়া রাইজিং স্টারের সম্মানিত চেয়ারম্যান। ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত তারেক রহমান রাসেলের এ নির্বাচনে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গনের ব্যক্তিরা তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সার্বিক শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে।প্রতিক্রিয়ায় শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, “আমরা আপনার নেতৃত্বে গর্বিত। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার অগ্রযাত্রায় আপনার সফলতা কামনা করছি।”

দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার: ডিসি রায়হান কবির

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মৌলিক দক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার নারায়ণগঞ্জে সম্পন্ন হয়েছে। ​নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির। কোর্সটি পরিচালনা করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাসুদুল হাসান ভূঁইয়া।​​সমাপনী বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন: ​"বর্তমান সরকার অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কল্যাণমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আপনারা নিজেরা স্বাবলম্বী হবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। মনে রাখবেন, দক্ষতাই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার।"​তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, সরকারের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলো সঠিকভাবে গ্রহণ করে নিজেদের জীবনমান ও সামাজিক মর্যাদার উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।​​জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাসুদুল হাসান ভূঁইয়া তাঁর বক্তব্যে কর্মসূচির মূল লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এই মৌলিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে ক্ষুদ্র উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবে এবং নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে।​​অনুষ্ঠানের শেষভাগে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা অংশগ্রহণকারীদের হাতে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র তুলে দেন জেলা প্রশাসকসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"

তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"

আজ ২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ" সফলভাবে দুই বছর অতিক্রম করে গৌরবের সঙ্গে তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে।প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই "উজ্জ্বল বাংলাদেশ" বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ, দ্রুত ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকমহলে আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, সমসাময়িক ঘটনা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, খেলাধুলা, বিনোদন, অর্থনীতি এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে সংবাদমাধ্যমটি।এ উপলক্ষে "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মো: রাজিবুল করিম রোমিও গণমাধ্যমে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন,"উজ্জ্বল বাংলাদেশের এই পথচলা সম্ভব হয়েছে আমাদের সম্মানিত পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষী, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনগুলোতেও সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমূলক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।"তিনি আরও বলেন, "ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে 'উজ্জ্বল বাংলাদেশ'কে দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য।"তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে "উজ্জ্বল বাংলাদেশ" পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল পাঠক, শুভানুধ্যায়ী, সংবাদদাতা, বিজ্ঞাপনদাতা এবং সহযোগীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতেও সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের এই অঙ্গীকার অব্যাহত রাখা যায়।

নারায়ণগঞ্জে নজরুলের ‘অভিযান’ শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজন

নারায়ণগঞ্জে নজরুলের ‘অভিযান’ শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘অভিযান’ কবিতার জন্মশতবর্ষ, কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কবি ও নজরুল গবেষক মো. হুমায়ুন কবীরের ৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৯২৬ সালের ২ জুলাই কবি কাজী নজরুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ সফর করেন এবং সেই সফরকে ঘিরেই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অভিযান’ রচিত হয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশব্যাপী কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।আগামী ১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আবৃত্তি ও নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় আবৃত্তি বিভাগে তিনটি গ্রুপ রাখা হয়েছে।‘ক’ গ্রুপে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীরা কবি নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি করতে পারবে। ‘খ’ গ্রুপে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কবির ‘অভিযান’ কবিতা আবৃত্তি করবে। আর ‘গ’ গ্রুপে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সর্বসাধারণের অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে ‘অভিযান’ কবিতা।আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী ভবানী শংকর রায় ও অ্যাডভোকেট জিয়াউর ইসলাম।এছাড়া নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতাও ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’—এই তিন গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় যেকোনো নজরুল সংগীত পরিবেশনের সুযোগ থাকবে। বিচারক হিসেবে থাকবেন সংগীতশিল্পী সুমন এবং শাহজাহান সাধু।প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার, পদক প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আগামী ১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শেখ রেজাউদ্দিন আহামেদ স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।এদিন ঢাকা ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় শিল্পীরাও সংগীত পরিবেশন করবেন।যৌথভাবে আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ‘আমরা বাঁশরী—একটি নজরুল চর্চাকেন্দ্র’ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি সংসদ।আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাহিত্যপ্রেমী, সংস্কৃতিকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
এনায়েতনগরে জামায়াতের উদ্যোগে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি ঔষধ বিতরণ

এনায়েতনগরে জামায়াতের উদ্যোগে হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি ঔষধ বিতরণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে হাম ও ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকালে বৃহত্তর মাসদাইর বেকারি মোড় এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন। কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মেম্বার পদপ্রার্থী মো. রিদওয়ানুল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডক্টরস ফোরামের মহানগর নেতা ডা. নুরুল ইসলাম। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুরুব্বিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোমিন বলেন, বর্তমানে দেশে হাম ও ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও দাবি করেন, বিতরণকৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সুস্থ ব্যক্তিরা প্রতিরোধমূলকভাবে গ্রহণ করতে পারবেন এবং আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এটি সেবন করতে পারবেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিটি প্যাকেটে ডোজ ও সেবনবিধি উল্লেখ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বক্তব্যে তিনি এলাকার উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি একটি মাদক, কিশোর গ্যাং এবং জলাবদ্ধতামুক্ত মডেল ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সুবিধাভোগীদের মাঝে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বিতরণ করা হয়। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত উপায় হলো টিকাদান কর্মসূচি। অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

কোন পোস্ট নেই !
তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"

তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"

আজ ২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "উজ্জ্বল বাংলাদেশ" সফলভাবে দুই বছর অতিক্রম করে গৌরবের সঙ্গে তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে।প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই "উজ্জ্বল বাংলাদেশ" বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ, দ্রুত ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকমহলে আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, সমসাময়িক ঘটনা, শিক্ষা, প্রযুক্তি, খেলাধুলা, বিনোদন, অর্থনীতি এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে সংবাদমাধ্যমটি।এ উপলক্ষে "উজ্জ্বল বাংলাদেশ"-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মো: রাজিবুল করিম রোমিও গণমাধ্যমে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন,"উজ্জ্বল বাংলাদেশের এই পথচলা সম্ভব হয়েছে আমাদের সম্মানিত পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষী, সংবাদকর্মী, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনগুলোতেও সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমূলক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।"তিনি আরও বলেন, "ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে 'উজ্জ্বল বাংলাদেশ'কে দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য।"তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে "উজ্জ্বল বাংলাদেশ" পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল পাঠক, শুভানুধ্যায়ী, সংবাদদাতা, বিজ্ঞাপনদাতা এবং সহযোগীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতেও সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের এই অঙ্গীকার অব্যাহত রাখা যায়।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।