ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সর্বশেষ

কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

ঢাকার প্রবেশমুখ কাঁচপুরে নির্মাণাধীন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। টার্মিনালটি চালু হলে ঢাকা-সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের চাপ কমবে এবং রাজধানীর যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করছে সরকার।বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে নির্মাণাধীন বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকাকে সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত ও আধুনিক শহরে রূপান্তরের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের অতিরিক্ত চাপ কমাতে কিছু অংশ কেরানীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে স্থানান্তরের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”তিনি জানান, কাঁচপুর টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ থেকে আসা দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই যাত্রী নামাতে পারবে। এটি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।প্রতিমন্ত্রী বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চারটি বাস টার্মিনালকে যত্রতত্র ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। যার খেসারত দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে তীব্র যানজটের ভোগান্তির মাধ্যমে। বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষকে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্যেই প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হচ্ছে।”যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ ইতোমধ্যে ৪৮ শতাংশ শেষ হয়েছে। দেশের সব সড়ক ও মহাসড়কের চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।সড়ক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঢাকার সব সিগনাল পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে সড়কে শতভাগ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”টার্মিনাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ ময়নুল হাসান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

যৌতুক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গৃহবধূ গ্রেফতার

পটুয়াখালীর দুমকিতে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে । শুক্রবার  বিকেল কয়েক হাজার  ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে এমন আনন্দমুখর আয়োজন উপভোগ করেন উপজেলার ফুটবলপ্রেমীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার  বিকেলে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে  উপজেলার সরকারি জনতা কলেজ মাঠে জড়ো হন ব্রাজিল সমর্থকেরা। সবার পরনে ছিল হলুদ জার্সি, সঙ্গে ব্রাজিলের পতাকা ও বাঁশি। এরপর শুরু হয় শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রার প্রথমে একটি পিকআপের সামনে ছিল সমর্থকদের ব্যানার। পুরো আয়োজনে ব্রাজিলের পক্ষে স্লোগান ও বাঁশি বাজিয়ে সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। শোভাযাত্রাটি প্রায় আধা ঘণ্টা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর দিয়ে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্রাজিল সমর্থক আকাশ   বলেন, ‘আমরা ফুটবল ভালোবাসি। ফুটবল শুধু খেলা নয়, এটি আবেগেরও নাম। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ ও সমর্থকদের একত্র করতেই আমরা এই আয়োজন করেছি।’আরেক ব্রাজিল সমর্থক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শহরে একটি আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এই শোভাযাত্রার আয়োজন। নিজেদের অবস্থান জানান দিতেও এটি করা। আমরা সবার মধ্যেই উৎসবে রং ছড়িয়ে দিতে চাই।উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  সাইফুল আলম মৃধা বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে সবার মধ্যে যে আনন্দ-উল্লাস আমরা দেখি, সেটি ইতিবাচক। বিশেষ করে তরুণেরা যেভাবে নিজেদের আবেগ ও সমর্থন প্রকাশ করেন, তা সমাজে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বাড়ায়।

নারায়ণগঞ্জে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’: কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে নতুন দিগন্ত

পটুয়াখালীর দুমকিতে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে । শুক্রবার  বিকেল কয়েক হাজার  ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে এমন আনন্দমুখর আয়োজন উপভোগ করেন উপজেলার ফুটবলপ্রেমীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার  বিকেলে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে  উপজেলার সরকারি জনতা কলেজ মাঠে জড়ো হন ব্রাজিল সমর্থকেরা। সবার পরনে ছিল হলুদ জার্সি, সঙ্গে ব্রাজিলের পতাকা ও বাঁশি। এরপর শুরু হয় শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রার প্রথমে একটি পিকআপের সামনে ছিল সমর্থকদের ব্যানার। পুরো আয়োজনে ব্রাজিলের পক্ষে স্লোগান ও বাঁশি বাজিয়ে সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। শোভাযাত্রাটি প্রায় আধা ঘণ্টা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর দিয়ে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্রাজিল সমর্থক আকাশ   বলেন, ‘আমরা ফুটবল ভালোবাসি। ফুটবল শুধু খেলা নয়, এটি আবেগেরও নাম। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ ও সমর্থকদের একত্র করতেই আমরা এই আয়োজন করেছি।’আরেক ব্রাজিল সমর্থক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শহরে একটি আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এই শোভাযাত্রার আয়োজন। নিজেদের অবস্থান জানান দিতেও এটি করা। আমরা সবার মধ্যেই উৎসবে রং ছড়িয়ে দিতে চাই।উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  সাইফুল আলম মৃধা বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে সবার মধ্যে যে আনন্দ-উল্লাস আমরা দেখি, সেটি ইতিবাচক। বিশেষ করে তরুণেরা যেভাবে নিজেদের আবেগ ও সমর্থন প্রকাশ করেন, তা সমাজে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বাড়ায়।

বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ফল উৎসব

পটুয়াখালীর দুমকিতে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে । শুক্রবার  বিকেল কয়েক হাজার  ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে এমন আনন্দমুখর আয়োজন উপভোগ করেন উপজেলার ফুটবলপ্রেমীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার  বিকেলে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে  উপজেলার সরকারি জনতা কলেজ মাঠে জড়ো হন ব্রাজিল সমর্থকেরা। সবার পরনে ছিল হলুদ জার্সি, সঙ্গে ব্রাজিলের পতাকা ও বাঁশি। এরপর শুরু হয় শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রার প্রথমে একটি পিকআপের সামনে ছিল সমর্থকদের ব্যানার। পুরো আয়োজনে ব্রাজিলের পক্ষে স্লোগান ও বাঁশি বাজিয়ে সমর্থকেরা আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। শোভাযাত্রাটি প্রায় আধা ঘণ্টা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর দিয়ে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্রাজিল সমর্থক আকাশ   বলেন, ‘আমরা ফুটবল ভালোবাসি। ফুটবল শুধু খেলা নয়, এটি আবেগেরও নাম। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ ও সমর্থকদের একত্র করতেই আমরা এই আয়োজন করেছি।’আরেক ব্রাজিল সমর্থক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শহরে একটি আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এই শোভাযাত্রার আয়োজন। নিজেদের অবস্থান জানান দিতেও এটি করা। আমরা সবার মধ্যেই উৎসবে রং ছড়িয়ে দিতে চাই।উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  সাইফুল আলম মৃধা বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে সবার মধ্যে যে আনন্দ-উল্লাস আমরা দেখি, সেটি ইতিবাচক। বিশেষ করে তরুণেরা যেভাবে নিজেদের আবেগ ও সমর্থন প্রকাশ করেন, তা সমাজে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বাড়ায়।

বাংলার শিরোনাম

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

সিদ্ধিরগঞ্জে পশুর হাটের ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে! মন্তুর অস্বীকার

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নতুন একাডেমিক ভবনের যাত্রা শুরু

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

মটরসাইকেল চালক থেকে রাতারাতি সাংবাদিক! মঠবাড়িয়ায় শাহজাহানের চাঁদাবাজির চালচিত্র

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার  ​

জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার ​

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

ফতুল্লার এনায়েতনগরে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

পটুয়াখালীর দুমকিতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭,৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

পটুয়াখালীর দুমকিতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭,৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

হ্নীলা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন, সভাপতি প্রবাল শর্মা

হ্নীলা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন, সভাপতি প্রবাল শর্মা

যৌতুক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গৃহবধূ গ্রেফতার

যৌতুক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গৃহবধূ গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’: কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে নতুন দিগন্ত

নারায়ণগঞ্জে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’: কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে নতুন দিগন্ত

বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ফল উৎসব

বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ফল উৎসব

কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত

ডিএনডি খাল দূষণের দায়ে আকবর ডাইংকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ডিএনডি খাল দূষণের দায়ে আকবর ডাইংকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জে মাদরাসার ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা: এলাকায় চরম উত্তেজনা

নারায়ণগঞ্জে মাদরাসার ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা: এলাকায় চরম উত্তেজনা

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফসল বর্তমান সরকার চব্বিশের চেতনাকে ভুলিয়ে দেওয়ার এক আত্মঘাতী অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১:৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সরকারের বিরুদ্ধে ডা. শফিকুর রহমানের কঠোর হুঁশিয়ারিসভার উদ্বোধনী বক্তব্যে আমীরে জামায়াত বলেন, “সরকার গণভোটের রায়কে পদদলিত করে জাতির সাথে প্রতারণা শুরু করেছে। এই সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য বুমেরাং হবে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গত সাড়ে তিন মাসে শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে গাইবান্ধায় ইসলামী ছাত্রশিবির নেতাসহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় হামলার ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানান।অর্থনীতি ও প্রশাসনিক সংকটে গভীর উদ্বেগদেশের ব্যাংকিং খাতের সংকট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদী আমলে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, তখন সরকার এটিকে পুনরায় ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাতে তুলে দেওয়ার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি দেশের অর্থনীতিকে সমূলে ধ্বংস করে দেবে।”তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে নগ্ন দলীয়করণ করছে। নতুন সংসদেও সরকারি বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে, যা সরকারপ্রধানকে ক্রমান্বয়ে একদলীয় শাসনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।তরুণ সমাজ ও আলেমদের প্রতি আহ্বানসভাপতির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত তরুণ প্রজন্ম ও আলেম সমাজের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমাদের সচেতন তরুণ ও যুবসমাজকে দেশপ্রেমিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে; এরাই হবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। বরেণ্য আলেম সমাজের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের দেশ গঠনে আরও ইতিবাচক ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।”সভার অন্যান্য বিষয়বস্তু:সভার সঞ্চালনা: সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার সভার সঞ্চালনা করেন।দারসুল কুরআন: সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে পাঠ করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএ মা’ছুম।আলোচ্য বিষয়: সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পুশইন ইস্যু এবং আগামী ২৬ জুন অনুষ্ঠিতব্য সংগঠনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।পরিশেষে, ডা. শফিকুর রহমান চব্বিশের শহীদদের স্বপ্ন পূরণে এবং একটি বৈষম্যমুক্ত ও মর্যাদাপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গঠনে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সব বিভাগের খবর

ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে ‘সরস্বতী মন্দির’ ঘোষণা করল হাইকোর্ট

ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ভোজশালা কমপ্লেক্সকে ‘সরস্বতীর মন্দির’ হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্যের হাইকোর্ট।শুক্রবার (১৫ মে) হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়ে বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির দ্বৈত বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। একই সাথে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের আবেদন জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণরায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ মিলেছে।আদালত উল্লেখ করে, "আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।"বিরোধের পটভূমি ও পূর্বের নিয়মদীর্ঘদিন ধরে হিন্দু সম্প্রদায় ধার জেলার এই ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতী মন্দির বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষ দাবি করে আসছিল যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে ‘কামাল মওলা মসজিদ’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) ২০০৩ সালের একটি চুক্তি অনুসারে, এতদিন হিন্দুরা প্রতি মঙ্গলবার এবং মুসলমানরা প্রতি শুক্রবার এই কমপ্লেক্সে নিজ নিজ ধর্মীয় প্রার্থনা বা উপাসনা করে আসছিলেন। পরবর্তীতে হিন্দু পক্ষ এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং পুরো কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।রায়ের ভিত্তি এএসআই (ASI) এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা২০২৪ সালের ১১ মার্চ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এএসআই-কে এই কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী, ওই বছরের ২২ মার্চ থেকে শুরু করে টানা ৯৮ দিনব্যাপী বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় সংস্থাটি।এএসআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো বর্তমান এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বিতর্কিত কাঠামোটি মূলত মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত প্রাচীন মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপিই প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।মুসলিম পক্ষের আপত্তিতবে আদালতের এই রায়ের বিপরীতে মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। আদালতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতদুষ্ট এবং এটি কেবল হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল।হাইকোর্টের এই রায়ের পর অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

​পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালে বসবাসরত নারায়ণগঞ্জের প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। "শক্তি, ঐক্য, সেবা"—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে 'নারায়ণগঞ্জ কমিউনিটি ইন পর্তুগাল'-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।​গত রোববার লিসবনের বৈচিত্র্যময় এলাকা বেরফামোসোর স্থানীয় 'নবাব জি' (Nawab G) রেস্টুরেন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা মুহূর্তেই এক খণ্ড নারায়ণগঞ্জের মিলনমেলায় পরিণত হয়।​সংগঠনের সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাব্বির আহাম্মেদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধি এস এম গোলাম সারোয়ার।​আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি প্রবাসে এমন ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গড়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রবাসীদের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাসের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।​সভাপতির বক্তব্যে আব্দুর রহমান সংগঠনের প্রথম বছরের সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমরা পর্তুগালে নারায়ণগঞ্জের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে চাই এবং আমাদের এই ঐক্য প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।"​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলাম ও রমজান মিয়া,সাধারণ সম্পাদক: সাইদুল হক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: নাজিম,সদস্য শাহরিয়ার, শিহাব, আক্তার হোসেনসহ স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।​আলোচনা সভা শেষে এক প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ফাঁকে প্রবাসীরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নিজেদের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করেন। আয়োজকরা মনে করেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনে নিজেদের শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকতে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।​পরিশেষে, সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ইসরায়েলি বাহিনী ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সেনাপ্রধান

ইরান ও লেবাননের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে একাধিক সম্মুখসারিতে যুদ্ধ করছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে করে বাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ভেঙে’ পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।ইসরায়েলের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার (২৫ মার্চ) ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইয়াল জামির। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঙ্গে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। সেনা সংকটের কারণে খুব শিগগিরই সেনাবাহিনী সাধারণ অভিযানও চালাতে অক্ষম হয়ে পড়বে।’এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সেনা নিয়োগ আইন, প্রাক্তন সেনাদের দায়িত্বে ফেরানো সংক্রান্ত আইন এবং সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্বের সময়সীমা বাড়ানো সংক্রান্ত আইনের প্রয়োজন।

হ্নীলা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন, সভাপতি প্রবাল শর্মা

হ্নীলা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠন, সভাপতি প্রবাল শর্মা

টেকনাফের হ্নীলা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন উপলক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কামাল আহমদের সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সভার কার্যক্রম ও আলোচনাসভায় বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনার প্রেক্ষিতে সরকারি বিধি মোতাবেক বিদ্যালয়ের নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রবাল শর্মাকে সভাপতি ও মনিরুল ইসলামকে সহ-সভাপতি মনোনীত করা হয়। এছাড়া প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিনকে কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবগঠিত কমিটির তালিকাসর্বসম্মতিক্রমে গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন:সভাপতি: প্রবাল শর্মাসহ-সভাপতি: মনিরুল ইসলামসদস্য সচিব: কুতুব উদ্দিন (প্রধান শিক্ষক)সদস্যবৃন্দ: কামাল আহমদ, মারুফা সোলতানা, মো. রফিকুল ইসলাম, মর্জিয়া খানম, উম্মে সালমা, হুমায়ুন রশিদ, দিলারা বেগম ও ফাতেমা বেগম।প্রতিক্রিয়াকমিটি গঠনের পর নবনির্বাচিত সভাপতি প্রবাল শর্মা তাঁর বক্তব্যে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। সভা শেষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতিকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

নারায়ণগঞ্জে মাদরাসার ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা: এলাকায় চরম উত্তেজনা

নারায়ণগঞ্জে মাদরাসার ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা: এলাকায় চরম উত্তেজনা

নারায়ণগঞ্জের কাশিপুরের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘জামিয়া কাসিমুল উলূম মাদানিয়া’ আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের শায়খুল হাদীস ও মুহতামিম মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী হাফিযাহুল্লাহকে নিয়ে বিতর্কিত চিঠির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মাদরাসার চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়েরের ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাজির শিকদারের উদ্যোগে দায়ের করা এই মামলাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।কী ঘটেছিল?দীর্ঘদিন ধরে ইলম, আমল ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে পরিচিত ব্যক্তিত্ব মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী। প্রতিষ্ঠানের সাবেক মুহতামিমের ইন্তেকালের পর সবার অনুরোধে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তাকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিতে ‘মাদরাসার জন্য অপ্রয়োজনীয়’ উল্লেখ করার ঘটনায় দ্বীনি অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। সেই বিতর্কের রেশ না কাটতেই সম্প্রতি চারজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।সচেতন মহলের প্রতিক্রিয়াস্থানীয় আলেম-ওলামা ও সচেতন মহলের মতে, দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণ ও শরীয়াহ সংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ আলেমদের মতামতের গুরুত্ব থাকা আবশ্যক। পরিচালনা পর্ষদে সাধারণ মানুষ থাকলেও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মামলা-মোকদ্দমা কাম্য নয় বলে মনে করছেন তারা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, “মাদরাসা কেবল সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি দ্বীন ও আখলাক গঠনের কেন্দ্র। এখানে বিদ্যমান সংকট নিরসনে মামলা নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও শূরার (পরামর্শ) মাধ্যমে সমাধান প্রয়োজন।”মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষার দাবিএলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের আশঙ্কা, এই বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম, শিক্ষার পরিবেশ এবং সামগ্রিক দ্বীনি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্রুত এই সংঘাতময় পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে মাদরাসায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও ইলমী পরিবেশ অটুট রাখতে পরিচালনা কমিটি ও আলেম সমাজ দ্রুত আলোচনায় বসে সংকটের একটি সম্মানজনক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করবেন।

বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল

বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল

আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর আবেগঘন পরিবেশে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার বি এম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে আজ মঙ্গলবার একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং এইচএসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল আলম খান পাভেল। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। নবীনরা, তোমরা জ্ঞান, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা নিয়ে এগিয়ে যাবে। আর বিদায়ী শিক্ষার্থীরা, পরীক্ষার হলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লিখবে, সততা নিয়ে ভালো ফল করবে। তোমাদের সাফল্যই আমাদের গর্ব।”বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডহক কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি মেহেদী হাসান সজীব। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা, মন ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনও বলেন, “ভালো ফলাফলের পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ হওয়াটাই বড় অর্জন।”অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. লিয়াকত হোসেন এবং অধ্যক্ষ ও এডহক কমিটির সদস্য সচিব মো. আজিজুর রহমান। অধ্যক্ষ তার বক্তব্যে পরীক্ষার্থীদের প্রতি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন এবং নবীনদের কলেজের ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক শ্রী পার্থ শারদী দাস, কলেজের প্রভাষক নাজমুল হুদা, সুমাইয়া আক্তার, তানিয়া আক্তার, তানিয়া সুলতানা ও প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ।নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও ব্যাজ পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।পুরো আয়োজনজুড়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইথান আহমেদ (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ইথান ওই বিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।ঘটনার প্রেক্ষাপটস্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপ’-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জেরে বুধবার রাত থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।বুধবার রাতের ঘটনার প্রতিবাদে ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে, মানববন্ধন শেষে দুপুরে অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি হামলা চালায়, যা দ্রুত সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণে রূপ নেয়।যেভাবে আহত হলো ইথানপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্কুলের টিফিন বিরতিতে বাইরে বের হওয়া ইথান আহমেদ পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।আহত ইথানের মা সোনিয়া আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার ছেলে কোনো দোষ করেনি। সে শুধু স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাইরে বের হয়েছিল, তখনই তার পিঠে গুলি লাগে।”প্রশাসনের বক্তব্যঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:"মাদক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।"বর্তমানে পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইথান আহমেদ (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ইথান ওই বিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।ঘটনার প্রেক্ষাপটস্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপ’-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জেরে বুধবার রাত থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।বুধবার রাতের ঘটনার প্রতিবাদে ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে, মানববন্ধন শেষে দুপুরে অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি হামলা চালায়, যা দ্রুত সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণে রূপ নেয়।যেভাবে আহত হলো ইথানপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্কুলের টিফিন বিরতিতে বাইরে বের হওয়া ইথান আহমেদ পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।আহত ইথানের মা সোনিয়া আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার ছেলে কোনো দোষ করেনি। সে শুধু স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাইরে বের হয়েছিল, তখনই তার পিঠে গুলি লাগে।”প্রশাসনের বক্তব্যঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:"মাদক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।"বর্তমানে পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হলো উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞান অর্জনের অন্যতম সহজ মাধ্যম হলো বইপড়া। আর বইপড়ার জন্য প্রয়োজন নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ, যা একটি পাবলিক লাইব্রেরিই নিশ্চিত করতে পারে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২০ সালে তৎকালীন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন।তবে উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন লাইব্রেরিটি কার্যক্রমহীন অবস্থায় পড়ে থাকে। বিগত সরকারের আমলে অবহেলা ও অযত্নের কারণে লাইব্রেরির অনেক মূল্যবান সম্পদ চুরি ও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন সাংবাদিক ও কবি সিরাজুল কবির বুলবুল। এ কাজে সহযোগিতা করেন কলামিস্ট কালাম আজাদ, জাসাস নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরীর নজরে এলে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে লাইব্রেরিটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই তাঁর বদলি হওয়ায় কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।পরবর্তীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। এ সময় কবি মোহাম্মদ হাসান, শিল্পী এস. এম. জসীম, সামাজিক সংগঠক মাহবুব কাউসার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাশেম এবং সাংবাদিক কামরুন তানিয়াসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক উদ্যোগের ফলস্বরূপ শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য ও গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লাইব্রেরির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্কাউট সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় সচেতন মহল আশা প্রকাশ করেছেন, উখিয়া উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞানচর্চা, সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশ এবং পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছ কাটতেই সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি গাছের ডালপালা কাটার পর সেটি আবার নিজে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামের এই অলৌকিক দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে হৈচৈ। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন এবং কেউ কেউ একে ‘পবিত্র’ মনে করে মানত পর্যন্ত করছেন। অলৌকিক বিশ্বাসে উথাল-পাথাল এলাকাবৃহস্পতিবার (৪ জুন) সরেজমিনে বচিয়ারা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ডালপালাহীন গাছের একটি অংশ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নিচের অংশ কাটা এবং চারপাশে লাল কাপড় বেঁধে নিশানা টানানো হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই বিশ্বাস, এটি সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইশারা।গ্রামের মুন্সী বাড়ির সদস্য শারমীন সুলতানা দাবি করেন, তিনি নিজ চোখে গাছটি দাঁড়িয়ে যেতে দেখেছেন। তিনি বলেন:"প্রায় দেড় মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে গিয়েছিল। সেদিন গাছ কাটতে গিয়ে যখনই ডালপালাগুলো আলাদা করা হলো, ঠিক তখনই গাছটি হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।"গাছের মালিক মাহবুব মুন্সী জানান, গাছটি ঝড়ে পড়ার পর তারা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ এটি দেখতে আসছেন। কেউ আগরবাতি-মোমবাতি জ্বালাচ্ছেন, আবার কেউ রোগবালাই মুক্তির ‘ওষুধি’ আশায় গাছের শিকড় ও ছাল কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। আসল রহস্য কী? বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিলেন কাঠুরিয়াগাছটিকে ঘিরে যখন অলৌকিকতার গুঞ্জন তুঙ্গে, তখন ঘটনার পেছনের আসল বিজ্ঞান ও যুক্তি তুলে ধরেছেন গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা কাঠুরিয়া মো. আমিন মিয়া।তার মতে, এর পেছনে কোনো জিন-ভূত বা অলৌকিক কিছু নেই, বরং এটি সম্পূর্ণ ভারসাম্যের (Center of Gravity) খেলা। আমিন মিয়া ব্যাখ্যা করে বলেন:"গাছটি যখন ঝড়ে পড়েছিল, তখন এর শিকড় পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, মাটির সাথে আটকে ছিল। গাছের ভারী ডালপালাগুলো যখন কেটে ফেলা হয়, তখন মাথার দিকের ওজন কমে যায় এবং গোড়ার দিকের টানের কারণে গাছটি তার আগের ভারসাম্যে ফিরে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এখন গোড়ার আর কয়েক ইঞ্চি অংশ কেটে দিলেই এটি আবার পড়ে যাবে। মানুষ স্রেফ কৌতূহলবশত এখানে ভিড় করছে।"

কোন পোস্ট নেই !
নারায়ণগঞ্জে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’: কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে নতুন দিগন্ত

নারায়ণগঞ্জে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’: কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে নতুন দিগন্ত

দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ও যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত হয়েছে দিনব্যাপী “জব ফেয়ার ২০২৬”। বুধবার (২৪ জুন) নগরীর চাষাঢ়া এলাকার হীরা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এই কর্মমেলায় তরুণদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং চাকরির সুযোগকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়েছে।পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর কারিগরি সহায়তায় এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর ‘রেইজ’ (RAISE) প্রকল্পের বাস্তবায়নে এই মেলার আয়োজন করা হয়।কর্মসংস্থান অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি: জেলা প্রশাসকমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “কর্মসংস্থান একটি জাতির অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি। সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত যুবক যেন নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।”জেলা প্রশাসক তরুণদের শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসংস্থানমুখী সব উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।কোভিড-পরবর্তী ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়াই লক্ষ্যঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসকে’র যুগ্ম পরিচালক (ঋণ কার্যক্রম) মো. আলাউদ্দিন। তিনি জানান, ‘রিকভারিং অ্যান্ড অ্যাডভান্সিং ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট’ (রেইজ) প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো কোভিড-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত তরুণদের দক্ষ করে কর্মবাজারে পুনঃসংযোজন করা। এই জব ফেয়ার সেই লক্ষ্য অর্জনেরই একটি অন্যতম অংশ।এক নজরে মেলা:অংশগ্রহণকারী: দেশের শীর্ষস্থানীয় গার্মেন্টস, আইটি ও সেবা খাতের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান।সুযোগ: চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সাথে আলোচনার পাশাপাশি সিভি জমা দেওয়া ও তাৎক্ষণিক ইন্টারভিউ দেওয়ার সুযোগ পান।উদ্দেশ্য: দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তিকে কর্মবাজারের চাহিদার সাথে সরাসরি সংযুক্ত করা।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেইজ প্রকল্প (পিকেএসএফ)-এর পরিবেশ বিশেষজ্ঞ শাহীনুর রহমান। এছাড়া পিকেএসএফ, ডিএসকে ও রেইজ প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক এবং বিপুল সংখ্যক চাকরিপ্রার্থী কর্মমেলায় অংশগ্রহণ করেন।এই আয়োজনের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস এবং যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কোন পোস্ট নেই !
কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পিঠে গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী

কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইথান আহমেদ (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ইথান ওই বিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।ঘটনার প্রেক্ষাপটস্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপ’-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জেরে বুধবার রাত থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।বুধবার রাতের ঘটনার প্রতিবাদে ও এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে, মানববন্ধন শেষে দুপুরে অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি হামলা চালায়, যা দ্রুত সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণে রূপ নেয়।যেভাবে আহত হলো ইথানপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্কুলের টিফিন বিরতিতে বাইরে বের হওয়া ইথান আহমেদ পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।আহত ইথানের মা সোনিয়া আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার ছেলে কোনো দোষ করেনি। সে শুধু স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাইরে বের হয়েছিল, তখনই তার পিঠে গুলি লাগে।”প্রশাসনের বক্তব্যঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:"মাদক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।"বর্তমানে পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিঙ্গাপুর বা কানাডার অনুকরণে নয়, বরং “একটু বেটার বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রায়ই শুনতাম বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানো হবে, কানাডা বানানো হবে। আমি বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না। আমি বাংলাদেশকে একটু বেটার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা যদি দেশটাকে একটু ভালো করতে পারি, সেটাই হবে আমাদের বড় অর্জন।”তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কক্সবাজারকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর হিসেবে কক্সবাজারের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, “আপনারা কক্সবাজারকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটিকে একটি সুন্দর ও শৃঙ্খল শহরেও পরিণত করতে পারেন, যেখানে যানবাহন নিয়ম মেনে চলবে, সঠিকভাবে পার্কিং করবে এবং মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।”গত ১৭ বছরে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “গত সাড়ে চার মাসে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আমার মনে হয়েছে, অনেক কাজ বহু আগেই সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো হয়নি। ফলে এখন আমাদের সামনে অনেক কাজ জমে আছে।”দেশকে এগিয়ে নিতে অবকাঠামো, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং একটি মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান।সুধী সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক পরিদর্শন করেন। পরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির বৈজ্ঞানিক সেমিনার

​নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটি (FDS)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো এক বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সাইনবোর্ড মোড়স্থ গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—"অ্যালার্জিক রাইনাইটিস এর কার্যকর ব্যবস্থাপনা"।সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মার্শিয়া রহমান মিতু (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি)। তিনি অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রোগ নির্ণয় ও এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বর্তমান সময়ে অ্যালার্জিজনিত সমস্যার প্রকোপ এবং এর সঠিক নিরাময়ে চিকিৎসকদের করণীয় সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে পরিচালনা করেন মহাখালী  ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন। মডারেটর হিসেবে তিনি অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে দেন।সেমিনারে নারায়ণগঞ্জের চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এফডিএস-এর উপদেষ্টা ডা. আলী আশরাফ খান তার বক্তব্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা ও নিজস্ব হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকদের একটি স্থায়ী ঠিকানা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দ রয়েছেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানসম্মত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা হবে একটি সদকায়ে জারিয়া।” তিনি সব চিকিৎসককে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।​ফতুল্লা ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা.এম এ সালাম তার বক্তব্যে সংগঠনের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে থাকবো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখবো।”সেমিনারে বৈজ্ঞানিক পার্টনার হিসেবে এসকে+এফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালস ওষুধ সম্পর্কিত একটি তথ্যবহুল প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে। আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের জন্য এসকে+এফ-কে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন এসকে+এফ-এর সিনিয়র ডেপুটি সেলস ম্যানেজার একেএম ফজলুল্লাহ।এফডিএস এর সাধারণ সম্পাদক  ডা. মোহাম্মদ আরশাদ এর সঞ্চালনায় ​অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  এলাইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বদরুদ্দোজা,এফডিএস এর সহ-সভাপতি  ডা. সাজ্জাদুল ইসলাম দিপু, এফডিএস-এর অর্থ সম্পাদক ডা. রবিউল হাসান।এছাড়া সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. আবদুন নূর সায়েম, ডা. সাজ্জাত উল ইসলাম,ডা. কামরুন নাহার পলি এফসিপিএস (গাইনি),  ডা. ফারজানা ইয়াসমিন তুলি ডিএ (ডিপ্লোমা ইন অ্যানেস্থেশিয়া), ডা. রেহনুমা মেহনাজ হোসেন এফসিপিএস পার্ট-১ (কমিউনিটি মেডিসিন) ,ডা. আবদুল্লাহ আল পাভেল এফসিপিএস পার্ট-১ (অর্থো সার্জারি)  পাস করায়,ডা. সাকিব আহমেদ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ায়,,ফাতেমা কাজী৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা(বিডিএস) ও  সিজান মাহমুদ ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষা (এমবিবিএস), পাশ করায়  চিকিৎসকদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিয়মিত এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

নারায়ণগঞ্জে হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তিন দিনের আল্টিমেটাম

দেশে নারীদের জন্য পৃথকভাবে দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে ৮০ হাজারই হবেন নারী।রোববার (১৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৯টি জেলার সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে ২০টি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল শুধু নারীদের জন্য হবে। এসব হাসপাতালে স্তন ও জরায়ু ক্যানসারের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, কিডনি ডায়ালাইসিস, পুনর্বাসন ও সাধারণ চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করা হবে।তিনি জানান, বাকি ১৮টি হাসপাতাল হবে এক হাজার শয্যার। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালে পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টারও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন।তার ভাষ্য, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে অপরিচ্ছন্নতা, ময়লা-আবর্জনা এবং রান্নাঘরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ সময় তিনি জেলা সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। আগামী তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়টি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: গোপালগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণে সরকারি বিধিমালা না মানায় গোপালগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম ফয়জুল বারী। এ সময় তার সাথে গোপালগঞ্জ আনসার ব্যাটালিয়ন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অভিযানের বিবরণভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযান চলাকালে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অনিয়ম ধরা পড়ে। ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী বর্জ্য উৎপাদনের স্থানেই তা পৃথক করা, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত নিয়মে লেবেলিং করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি এসব নিয়ম তোয়াক্কা করেনি।জরিমানা ও আইনানুগ ব্যবস্থানিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)’ এবং ‘চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী:মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মনিরুজ্জামান শেখ।প্রশাসনের সতর্কবার্তাঅভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও সংরক্ষণ না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এতে সংক্রামক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি থেকে যায়।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার প্রয়োগে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

চট্টগ্রামে হামের প্রকোপ: ২,৩১৩ আক্রান্ত, মৃত ১৩

চট্টগ্রামে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩১৩ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং এতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নগরীর ৯টি এলাকাকে হামের 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।চমেক হাসপাতালে শয্যা সংকট ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:রোগীর অস্বাভাবিক চাপে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার হাম ওয়ার্ডে বর্তমানে ৮০ জনের বেশি শিশু ভর্তি থাকায় একটি শয্যায় দুই শিশুকে চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। ১১৬ জন রোগী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যার মধ্যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকও রয়েছেন। গাদাগাদি করে থাকার ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।পরীক্ষায় ধীরগতি:চট্টগ্রামে হাম শনাক্তের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ফলে রিপোর্ট পেতে ২-৩ দিন সময় ব্যয় হচ্ছে। যদিও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু কিট সংকট ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের অভাবে সেখানে পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ:জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইতিমধ্যে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।চিহ্নিত ৯টি 'হটস্পট' ওয়ার্ড:জালালাবাদ, চান্দগাঁও, উত্তর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পূর্ব বাকলিয়া, আলকরণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর ও উত্তর পতেঙ্গা।