ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বাংলার শিরোনাম

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে বাংলাদেশ

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম" অতঃপর প্রতারণা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা।​বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকালে শহরের চাষাঢ়া নূর মসজিদের পাশে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, "বাংলাদেশের সকল আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জের মানুষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোরআনের আইন বিজয়ের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে জামায়াতের বিরুদ্ধে নানা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে এবং মিথ্যা মামলায় আলী আহসান মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়, তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের বিজয়ের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।​নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে ও মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ।​সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, "৫৩ বছর ধরে এদেশের মানুষ নানা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মানুষ বৈষম্যমুক্ত সমাজের আশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও সনদকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিন,  মাওলানা সাইফুদ্দিন মনির, হাবিবুর রহমান মল্লিক, সাইদ তালুকদার এবং ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।​অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে অর্থসহ তেলাওয়াত করেন জামায়াতে নেতা হাফেজ আক্তার হোসাইন। সবশেষে প্রধান অতিথি মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনার মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফতুল্লার ওয়াপদারপুলে আনুর চাঁদাবাজি রুখবে কে?

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা।​বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকালে শহরের চাষাঢ়া নূর মসজিদের পাশে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, "বাংলাদেশের সকল আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জের মানুষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোরআনের আইন বিজয়ের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে জামায়াতের বিরুদ্ধে নানা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে এবং মিথ্যা মামলায় আলী আহসান মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়, তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের বিজয়ের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।​নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে ও মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ।​সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, "৫৩ বছর ধরে এদেশের মানুষ নানা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মানুষ বৈষম্যমুক্ত সমাজের আশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও সনদকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিন,  মাওলানা সাইফুদ্দিন মনির, হাবিবুর রহমান মল্লিক, সাইদ তালুকদার এবং ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।​অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে অর্থসহ তেলাওয়াত করেন জামায়াতে নেতা হাফেজ আক্তার হোসাইন। সবশেষে প্রধান অতিথি মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনার মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দুমকিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ গ্রেফতার-২

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শাখা।​বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকালে শহরের চাষাঢ়া নূর মসজিদের পাশে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, "বাংলাদেশের সকল আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জের মানুষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোরআনের আইন বিজয়ের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে জামায়াতের বিরুদ্ধে নানা প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে এবং মিথ্যা মামলায় আলী আহসান মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়, তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের বিজয়ের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।​নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে ও মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ।​সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, "৫৩ বছর ধরে এদেশের মানুষ নানা বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মানুষ বৈষম্যমুক্ত সমাজের আশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও সনদকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিন,  মাওলানা সাইফুদ্দিন মনির, হাবিবুর রহমান মল্লিক, সাইদ তালুকদার এবং ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।​অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে অর্থসহ তেলাওয়াত করেন জামায়াতে নেতা হাফেজ আক্তার হোসাইন। সবশেষে প্রধান অতিথি মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনার মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দৌলোদিয়ার ক্ষত না শুকাতেই বগায় মরন খেলা, শেকল ছাড়াই চলছে ফেরী

দৌলোদিয়ার ক্ষত না শুকাতেই বগায় মরন খেলা, শেকল ছাড়াই চলছে ফেরী

ফতুল্লায় মোবাইল হ্যাক করে ব্যাংক থেকে টাকা লুট: আতঙ্কে যুবক

ফতুল্লায় মোবাইল হ্যাক করে ব্যাংক থেকে টাকা লুট: আতঙ্কে যুবক

বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ

বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ

নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মামুন মাহমুদকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শ্যামলের শুভেচ্ছা

নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মামুন মাহমুদকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শ্যামলের শুভেচ্ছা

নাসিক ১৫ নং ওয়ার্ড জামায়াতের ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে

নাসিক ১৫ নং ওয়ার্ড জামায়াতের ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে

ফতুল্লার কাশীপুরে সন্ত্রাসী মুসলিম গংদের গ্রেফতারের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ফতুল্লার কাশীপুরে সন্ত্রাসী মুসলিম গংদের গ্রেফতারের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বন্দরে বিএনপি নেতা শহীদের অবৈধ গ্যাস সংযোগ জনমনে ক্ষোভ

বন্দরে বিএনপি নেতা শহীদের অবৈধ গ্যাস সংযোগ জনমনে ক্ষোভ

সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতা মিজান ইয়াবাসহ আটক

সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতা মিজান ইয়াবাসহ আটক

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম

বন্দরে ফেসবুকে পরিচয়ে প্রেম" অতঃপর প্রতারণা

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মামুন মাহমুদকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শ্যামলের শুভেচ্ছা

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ।​বুধবার (০১ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুল আলম শ্যামলের নেতৃত্বে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং তার দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহযোগিতা ও সফলতা কামনা করেন।​শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাসুদুর রহমান (মাকসু), মোঃ বাবু,মোঃ জজ মিয়া,শিবলী আহমেদ রানা এ ছাড়াও স্থানীয় বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ১১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।​উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার যে ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে, নারায়ণগঞ্জ তার মধ্যে অন্যতম।​শুভেচ্ছা গ্রহণকালে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, "নারায়ণগঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এই জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করতে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমি স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যেতে চাই।" তিনি জেলার সার্বিক উন্নয়নে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

সব বিভাগের খবর

বন্দরে স্কুল এন্ড কলেজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বন্দরে স্কুল এন্ড কলেজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাথের অভিযোগ পাওয়া গেছে।তবে এসব অভিযোগের অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান। বিদ্যালয় জানা গেছে, বন্দর উপজেলার চুনাভূড়া এলাকায় অবিস্থত আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সহকারি শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ আলম। তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে আলহাজ¦ ফজলুল হক এর অনুদানের টাকা ঋণ দেখিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ও বিভিন্ন অনুদান ব্যাংকে জনা দেননি, হাজার হাজার টাকা হাতে রেখে অনুমোদন বিহীন ব্যয় করা, এফডিআর ভাঙানো ৭৭ হাজার টাকা কোনো রেজুলেশন পাওয়া যায়নি এবং ব্যয় করার কোন প্রকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, ৯০ হাজার টাকা ছাত্রী উপবৃত্তির ভাউচারও পাওয়া যায়নি, ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে দোকানের কোন ভাউচারও নেই। এছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানের আয় এর সমূদয় টাকা ব্যাংকে জমা না করেই নিজের কাছে রেখে খরচ করেছেন। এমনকি ক্যাশ বহি কাটাকাটি করে ফ্লুইড ব্যবহার করে হিসাব মিলানোর চেষ্টা করেছেন। এদিকে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শাহ আলম বিদ্যালয়ের পেইডে নিজ লিখিত জবান বন্ধীতে স্বীকার করেছেন ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৫০ টাকা প্রতিষ্ঠানের আয় থেকে নিয়েছেন। যার প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন মোঃ হামিসদুল্লাহ, সদস্য আফসার উদ্দিন ও সানজিদা জামান। ক্যাশ বহি, রেজুলেশন বহি এবং বিভিন্ন তারিখের ভাউচার যাচাই-বাচাই করে ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮২ হাজার টাকা অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান থেকে করার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে।  অপর দিকে আলহাজ¦ ফজলুল হক গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিষয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পরও বিদ্যালয়ের টাকা ফিরত না দিয়ে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দ্বারস্থ হয় ওই শিক্ষক। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পূনরায় ইউএনও বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান, সদস্য হিসেবে ছিলেন মোঃ হামিসদুল্লাহ ও ইমাম উদ্দিন। তারা ক্যাশ বহি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও বেতন আদায়ের রশিদ বই যাচাই-বাচাই করেন এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলম প্রশাসনি ও আর্থিক কোন প্রশিক্ষণ না থাকায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুসরণ করেননি। তার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। তদন্ত কমিটি সর্বসম্মতভাবে সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহ আলম আর্থিক অনিয়ম করেছেন তার প্রমাণ পান। এবং তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল কাইয়ূম খান। প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এসব ঘটনায় আদালতে সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ড আপলি এন্ড আরবি স্ট্রেশনে বিচার চলমান রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব দাউদ মিয়া

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব দাউদ মিয়া

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব দাউদ মিয়াকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।দাউদ মিয়া এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। গত বছরের ২ মার্চ তাকে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।এদিকে দাউদ মিয়ার পূর্বসূরি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি-এনএপিডির মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবারই এ বিষয়ে পৃথক আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) আবারও অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে এবার পুরোপুরি অনলাইন নির্ভরতা নয়, বরং অনলাইন ও সশরীরে পাঠদানের সমন্বয়ে ‘ব্লেন্ডেড’ বা মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আনুষ্ঠানকিভাবে অনলাইন ক্লাসের বিষয়টি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হবে। আপাতত সপ্তাহে ছয় দিনই ক্লাস হবে। তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন হবে অফলাইনে। শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস নেবেন। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে হবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস।এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে এই দুই ব্যবস্থার সমন্বয়ে ক্লাস চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে।তিনি জানান, রোজার ছুটি, বিভিন্ন আন্দোলনসহ নানা কারণে কিছু ক্লাস আওয়ার মিস করেছি। সেই কারণে সপ্তাহে ৬ দিন স্কুল করা হচ্ছে। এর মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে (অফলাইন) এ দুই ব্যবস্থার সমন্বয়ে ক্লাস বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে জরিপ করে দেখেছি, ৫৫ শতাংশ চাচ্ছেন যেন অনলাইনে যাওয়া হয়। তবে পুরোপুরি অনলাইন হয়ে গেলে আনসোশ্যাল হয়ে যাব।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা

কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে বাংলাদেশ

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে বাংলাদেশ

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা সুযোগ পেয়ে প্রতিআক্রমণ থেকে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে।মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে একাদশে দুই পরিবর্তন রেখে মাঠে নামে বাংলাদেশ। মিতুল মারমা ও শেখ মোরসালিন শুরু থেকে খেলেছেন। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ ধাপ এগিয়ে থাকা স্বাগতিকদের শুরু থেকে চাপে রাখার চেষ্টা ছিল হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের। একাধিক আক্রমণ করে প্রতিপক্ষকে তটস্ত করে রাখেন মোরসালিন-হামজারা। তবে দুর্ভাগ্য স্বাগতিকদের গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলা যায়নি।৭ মিনিটে ফাহমিদুলের ডান প্রান্তের ক্রসে মোরসালিন এরপর ফাহিমের কেউই পা ছোঁয়াতে পারেননি। সিঙ্গাপুর ১১ মিনিটে সুযোগ পেলেও ফিনিশিং করতে ব্যর্থ হয়েছে। চার মিনিট পর সাদ উদ্দিনের ক্রসে ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি শমিত সোমও। বল চলে যায় ক্রস বারের ওপর দিয়ে।মাঝে তার পর সিঙ্গাপুর দাপট দেখায়। ১৯ মিনিটে হারিস স্টুয়ার্টের জোরালো শট হামজা কাধ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে ইকসান ফান্দির শট গোলকিপার জায়গায় দাঁড়িয়ে শরীর দিয়ে আটকে দেন। বাংলাদেশ আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৪ মিনিটে আক্রমণ করেও সফল হতে পারেনি। সোহেল রানার জোরালো শট ক্রস বারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।৩০ মিনিটে আবার ফাহিমের শট ঠিক একইভাবে ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। পরের মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। চোখের পলকেই যেন বদলে যায় সবকিছু। বাম প্রান্ত থেকে উঠে আসা গ্লেন কুয়ের শট বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা ফিরিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি শটই বিপদ ডেকে আনে। ইখসান ফান্দির পাস থেকে জাল খুঁজে নেন ডান প্রান্তে থাকা হ্যারিস স্টুয়ার্ট। তাকে আটকাতেই পারেননি তারিক কাজী ও শাকিল আহাদ তপু।৩৯ মিনিটে বাংলাদেশ সমতায় ফেরার ভলো সুযোগ নষ্ট করে। ফাহিমের পাসে বক্সে ঢুকে মোরসালিনের গড়ানো শট বাহার উদ্দিন রুখে দেন। ফিরতি বলে ফাহিম চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেননি।

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত, রোগীদের ভোগান্তি চরমে

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ ইত্যাদি সরঞ্জামাদি  বাইরের ফার্মেসী থেকেই কিনতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।হাসপাতালে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসা সেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।রোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিবেদক'কে বলেন, একটু কম খরচে চিকিৎসা নিব বলে সরকারি হাসপাতালে আসি। কিন্তু এখানে তুলা ও ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টকর। চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়। জানা গেছে, উপজেলার মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।হাসপাতালের করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান শাহীন "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে। তার এ বক্তব্য জেনে রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, তিনি ওভাবেই আশ্বস্ত করে আসছেন বিগত দিনগুলোতেও এখনো সেটাই বলে যাচ্ছেন,এ যেন আশায় গুরেবালি।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

গাড়িতে উঠলেই কেন ঘন ঘন বমি হয় জানেন?

এমন অনেকেই আছেন, গাড়িতে ওঠার পরই শুরু হয় অস্বস্তি। কেউ কেউ দীর্ঘযাত্রার পর বমি বমি ভাবে ভোগেন। উঁচু-নিচু সড়ক, পাহাড়ি পথ, যানবাহনে ক্রমাগত ঝাঁকুনি এবং যানবাহনের ভেতরে থাকা বাজে গন্ধ এ সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।যদিও গাড়িতে চলার সময়ে বমি হওয়া খুব পরিচিত একটি সমস্যা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এটিকে মোশন সিকনেস বলা হয়ে থাকে। ভ্রমণ করার সময়ে এমনটি কেন হয়? মন, চোখ ও শরীরের ভারসাম্যের মধ্যে সম্পর্ক কী? এটি কী প্রতিরোধ করা সম্ভব?আমাদের মস্তিষ্কে ফ্লুইড রয়েছে। ভ্রমণের সময়ে এই ফ্লুইড যখন নাড়া খায়, তখন এটিতে কম্পন তৈরি হয়, যা গলায় পৌঁছায়। গলা নড়াচড়ার ফলে সেই কম্পনগুলো চলে যায় মাথার খুলিতে। এ প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের ব্যালেন্স বাধাগ্রস্ত করে এবং এর ফলে বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা তৈরি করে। যখন তা সহ্য করার মতো থাকে না, তখন বমি হয়।এ বিষয়ে দিল্লির স্যার গঙ্গা রাম হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মহসিন ওয়ালি বলেন, ভ্রমণের সময়ে পাকস্থলীর অবস্থাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা খালি পেটে বা কিছু না খেয়ে ভ্রমণ করেন, পাকস্থলীতে থাকা ভেগাস নার্ভ (যেটি হৃৎপিণ্ড ও গলার নার্ভের সঙ্গে সম্পৃক্ত) আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ভারি খাবারের পর যারা ভ্রমণ করেন, তাদের বমি হতে পারে। তিনি বলেন, মোশন সিকনেস সব সময় কেবল ভ্রমণ সম্পর্ককৃত সমস্যা নয়। কখনো কখনো এটি হতে পারে মস্তিষ্কের কোনো ব্যাধির একটি উপসর্গ কিংবা ওষুধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো ব্রেন টিউমারের উপসর্গ পর্যন্ত হতে পারে মোশন সিকনেস।মোশন সিকনেস হলো এক ধরনের শারীরিক সমস্যা, যেখানে গাড়ি বা অন্য পরিবহনে ভ্রমণের সময় মাথা ঘোরা, মাথাব্যাথা, অস্থিরতা এবং বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীলতা, যেমন দেহের দিকনির্দেশনা ও সামঞ্জস্যতা, পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। বিশেষ করে গাড়ি, বাস, ট্রেন, জাহাজ বা আকাশপথে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, এবং পাহাড়ি রাস্তায় বা সাগর ও আকাশে ভ্রমণের সময় এ সমস্যা আরও গুরুতর হতে পারে।

সাভারে ত্রাস সৃষ্টি করা সিরিয়াল কিলার সাইকো সম্রাট এর মৃত্যু

ঢাকার সাভারের জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ (আসল নাম সবুজ শেখ) মারা গেছেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাভারের অপরাধ জগতের এক বীভৎস ও অন্ধকার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।​কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাট হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​যেভাবে আলোচনায় আসে ‘সাইকো সম্রাট’সাভার পৌর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত করেছিল এই খুনি।গত ১৮ জানুয়ারি সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধারের পর তার নৃশংসতার চিত্র সামনে আসে। এর আগে একই ভবন থেকে আরও তিনটি এবং মডেল মসজিদের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে নিজের কাঁধে করে মরদেহ বহন করতে দেখা যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্রাট একে একে ৬টি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। গত ১৯ জানুয়ারি আদালতে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিল।​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্রাটের আসল নাম সবুজ শেখ, বাড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায়। ২০১৪ সালে সাভারের তেঁতুলঝোরায় প্রথম খুনের মাধ্যমে তার অপরাধ জগতে হাতেখড়ি। এরপর বিভিন্ন সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি হত্যা ও ২টি মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশি তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সে ধারাবাহিকভাবে নারী ও পুরুষদের শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করত।​সম্রাটের হাতে নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল তরুণী তানিয়া আক্তারের হত্যাকাণ্ড। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটকে একটি মরদেহ নিয়ে যেতে দেখা গেলেও শুরুতে তানিয়ার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে রাজধানীর উত্তরখান থেকে তার পরিবার সাভারে এসে মরদেহ শনাক্ত করে। মেয়ের শেষ পরিণতি জানতে পেরে ও খুনি শনাক্ত হওয়ায় তানিয়ার পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।​খুনি সম্রাটের মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত তানিয়ার মা জুলেখা বেগম ও বোন নাসরিন আক্তার ফারিয়া।তারা জানান, খুনি বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও কারো বুক খালি করত, সৃষ্টিকর্তা তার বিচার করেছেন।​ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ এন্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম জানান, সম্রাটের মৃত্যুতে আইন অনুযায়ী তাকে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত থাকবে।