বাংলার শিরোনাম
সুশিক্ষিত জাতি গঠনের পেছনে সুশিক্ষিত মায়ের বিকল্প নেই -প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া
সামাজিক, মানবিক ও সেবামূলক সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ৮ মে, শুক্রবার, বিকাল ৪ টায় নগরীর মোমিন রোডের চট্টগ্রাম একাডেমি ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে বৈশাখী আড্ডা ও বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে সফল রত্নগর্ভা মা সম্মাননা অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্পাহানী স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক, রাষ্ট্রীয় বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া বেলা। সংগঠনের আয়োজনে এবারের সফল মা হিসেবে ‘রত্নাগর্ভা মা সম্মাননা’ পেলেন চট্টগ্রামের গর্বিত দু’জন সফল মা বীণাপাণি বড়ুয়া ও মমতাজ বেগম।অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে সিলেট থেকে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম। ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক এম.এ সবুরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব স.ম জিয়াউর রহমান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারহানা আফরোজ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন উপ মহাব্যবস্থাপক ও সংগঠনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য একরাম হোসেন, সংগঠনের সহ সভাপতি মো. মুছা আলম খান চৌধুরী, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম।অনুষ্ঠানে প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া বলেন, মা দিবসের দিনটি মাতৃত্ব ও মাতৃসত্ত্বার গুরুত্ব, তাৎপর্য ও পৃথিবীতে আমাদের পদচারণার মূল কাণ্ডারিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। মাকে ভালোবাসার জন্য বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন অনেকেই। কারণ প্রতিটি দিনই মাকে ভালোবাসার জন্য হওয়া উচিত। তবে প্রতিদিনের ভালোবাসাকে আরেকটু বাড়িয়ে বিশেষ করতে এই দিনটির গুরুত্বকে কোনোভাবেই অস্বীকার করার উপায় নেই।শিক্ষাবিদ হাসিনা জাকারিয়া বেলা বলেন, একটি আদর্শিক পরিবার গড়ে উঠে মা-বাবা উভয়ের পরিশ্রমের ফলেই। বাবার যেমন অবদান রয়েছে, তেমনি মায়েরও অবদান রয়েছে। অনেকক্ষেত্রে অনেকভাবে আমরা মা-বাবার অবদানকে আলাদা করে ফেলি, একটি পরিবারের গড়ে উঠার পেছনে উভয়ের অবদানই অনস্বীকার্য।তিনি আরো বলেন, সুশিক্ষিত জাতি গঠনের পেছনে সুশিক্ষিত মায়ের বিকল্প নেই। তাই একটি সফল মাকে সম্মাননা জানানো মানে, একটা জাতির নিজেকেই সম্মান জানানো।এ সময় বক্তারা বলেন, বর্তমানে পারিবারিক বন্ধন শিথিল হয়ে পড়ায় পশ্চিমা বৃদ্ধাশ্রম-কালচার এদেশেও আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে, যা আমাদের মোটেও কাম্য নয়। আমরা চাই, আমাদের পারিবারিক বন্ধনগুলো আগের মতো দৃঢ় হয়ে উঠুক; মা যেমন ছেলেমেয়েদের আগলে রাখে, বৃদ্ধ মা-বাবাকেও যেন সন্তানরা একই ভালোবাসা নিয়ে আগলে রাখে।এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি রোটারিয়ান এস এম আজিজ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন নিজামী, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সদস্য আবু হানিফ জনি, মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মোসলেম উদ্দিন, প্রকৌশলী মৃণাল কান্তি বড়ুয়া, হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন সাজেদা বেগম, নজিব চৌধুরী, আসিফ ইকবাল প্রমুখ।আলোচনা সভা শেষে রত্নগর্ভা পুরস্কার প্রাপ্ত সফল মাদের হাতে প্রধান অতিথি হাসিনা জাকারিয়া বেলা ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য তুলে দেন। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
ভারতের বিজেপি জয়ী হওয়ায় গেরুয়া বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে- নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী
বাউল শিল্পীদের নিয়ে দেয়া বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন বাউলশিল্পী হাসিনা সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি। এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন―নারী বাউলশিল্পীরা কুপ্রস্তাবের শিকার হয়ে থাকেন। কেউ বিছানায় না গেলে অনেক সময় অনুষ্ঠানও পাওয়া যায় না।এ বাউলশিল্পী ওই সময় অভিযোগ করলেও কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি। কিন্তু তার বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে বাউল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য আসতে থাকে। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন এ গায়িকা।হাসিনা সরকার সব বাউল শিল্পীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জানান, আগের মতো সবাই যেন আগলে রাখেন তাকে। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমার বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।তিনি আরও জানান, রাজধানীর মিরপুরে তার একটি অফিস কিছু লোক এসে বন্ধ করে দেয়। এমনকি ‘হাসিনা সরকার’ নাম থাকার জন্য বিভিন্ন মঞ্চ থেকেও নামিয়ে দেয়া হয়েছে তাকে।এ বাউল শিল্পী বলেন, অনেক জায়গায় বলা হয়েছে, হাসিনা সরকার নামে কোনো শিল্পী গান গাইতে পারবে না। শিল্পীদের ক্লাব থেকে গানের প্রস্তাব দেয়া হলেও সেটি অন্য শিল্পীদের দেয়া হয়েছে। এ জন্য কষ্ট পেয়েছিলাম।এসব কারণে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে আগের ওই মন্তব্য করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্যমতে―কথাটি রাগের মাথায় বলেছিলাম, যার সঙ্গে যার লিংক থাকে, তাদের অনুষ্ঠানে ডাকা হয়। আমার সঙ্গে কারও সেভাবে সম্পর্ক না থাকায় আমাকে ডাকা হয় না। কথাটি বলা ভুল হয়েছে আমার।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে তা হবে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী- আকন্দ
বাউল শিল্পীদের নিয়ে দেয়া বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন বাউলশিল্পী হাসিনা সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি। এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন―নারী বাউলশিল্পীরা কুপ্রস্তাবের শিকার হয়ে থাকেন। কেউ বিছানায় না গেলে অনেক সময় অনুষ্ঠানও পাওয়া যায় না।এ বাউলশিল্পী ওই সময় অভিযোগ করলেও কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি। কিন্তু তার বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে বাউল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য আসতে থাকে। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন এ গায়িকা।হাসিনা সরকার সব বাউল শিল্পীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জানান, আগের মতো সবাই যেন আগলে রাখেন তাকে। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমার বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।তিনি আরও জানান, রাজধানীর মিরপুরে তার একটি অফিস কিছু লোক এসে বন্ধ করে দেয়। এমনকি ‘হাসিনা সরকার’ নাম থাকার জন্য বিভিন্ন মঞ্চ থেকেও নামিয়ে দেয়া হয়েছে তাকে।এ বাউল শিল্পী বলেন, অনেক জায়গায় বলা হয়েছে, হাসিনা সরকার নামে কোনো শিল্পী গান গাইতে পারবে না। শিল্পীদের ক্লাব থেকে গানের প্রস্তাব দেয়া হলেও সেটি অন্য শিল্পীদের দেয়া হয়েছে। এ জন্য কষ্ট পেয়েছিলাম।এসব কারণে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে আগের ওই মন্তব্য করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্যমতে―কথাটি রাগের মাথায় বলেছিলাম, যার সঙ্গে যার লিংক থাকে, তাদের অনুষ্ঠানে ডাকা হয়। আমার সঙ্গে কারও সেভাবে সম্পর্ক না থাকায় আমাকে ডাকা হয় না। কথাটি বলা ভুল হয়েছে আমার।
বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানিয়ারচর সেনা জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ
বাউল শিল্পীদের নিয়ে দেয়া বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন বাউলশিল্পী হাসিনা সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি। এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন―নারী বাউলশিল্পীরা কুপ্রস্তাবের শিকার হয়ে থাকেন। কেউ বিছানায় না গেলে অনেক সময় অনুষ্ঠানও পাওয়া যায় না।এ বাউলশিল্পী ওই সময় অভিযোগ করলেও কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি। কিন্তু তার বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে বাউল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য আসতে থাকে। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন এ গায়িকা।হাসিনা সরকার সব বাউল শিল্পীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জানান, আগের মতো সবাই যেন আগলে রাখেন তাকে। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমার বক্তব্যে কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।তিনি আরও জানান, রাজধানীর মিরপুরে তার একটি অফিস কিছু লোক এসে বন্ধ করে দেয়। এমনকি ‘হাসিনা সরকার’ নাম থাকার জন্য বিভিন্ন মঞ্চ থেকেও নামিয়ে দেয়া হয়েছে তাকে।এ বাউল শিল্পী বলেন, অনেক জায়গায় বলা হয়েছে, হাসিনা সরকার নামে কোনো শিল্পী গান গাইতে পারবে না। শিল্পীদের ক্লাব থেকে গানের প্রস্তাব দেয়া হলেও সেটি অন্য শিল্পীদের দেয়া হয়েছে। এ জন্য কষ্ট পেয়েছিলাম।এসব কারণে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে আগের ওই মন্তব্য করেছিলেন বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্যমতে―কথাটি রাগের মাথায় বলেছিলাম, যার সঙ্গে যার লিংক থাকে, তাদের অনুষ্ঠানে ডাকা হয়। আমার সঙ্গে কারও সেভাবে সম্পর্ক না থাকায় আমাকে ডাকা হয় না। কথাটি বলা ভুল হয়েছে আমার।
বাংলার শিরোনাম
সিদ্ধিরগঞ্জের আখির হানি ট্র্যাপের ফাঁদে তরুনরা
জুলাইয়ের শহীদদের যারা চেনে না, জনগণ তাদেরকেও চিনবে না: মাওলানা আবদুল জব্বার
সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেন শাজাহান
যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম
এনায়েত নগর ইউপি নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ নাসির উদ্দিন খোকন
বন্দরে আওয়ামীলীগ নেতা রকি প্রকাশ্যে: জনমনে আতঙ্ক
ঈদের মধ্যেও সরকারি দলের খুনোখুনি জনগণকে আতংকের মাঝে নিক্ষেপ করেছে : মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান
ভারতে কারাভোগ শেষে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী
দুমকিতে গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতি দাবিতে বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি
বন্দরে টিকটকে প্রেম থেকে কিশোরী গণধর্ষণ
সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে ফুটপাত ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রী সন্তানকে মারধর
সুশিক্ষিত জাতি গঠনের পেছনে সুশিক্ষিত মায়ের বিকল্প নেই -প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া
সিদ্ধিরগঞ্জে পাওনা টাকা না পেয়ে বৃদ্ধ মহিলাকে মারধরের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে
ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা সংস্কার ও সোলার লাইট স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন
পটুয়াখালীতে দুই মাদকসম্রাটের আস্তানা থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও নগদ টাকা উদ্ধার
শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচারের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল
ভারতের বিজেপি জয়ী হওয়ায় গেরুয়া বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে- নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে তা হবে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী- আকন্দ
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে আবারো ফ্যাসিবাদের উত্থান হবে- আবদুল জব্বার
বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানিয়ারচর সেনা জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ
লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা ঘোষণা
কবি মামুন মুস্তাফা সম্পাদিত মন ও মননের ছোটকাগজ ‘লেখমালা’ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বারো বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর অনুষ্ঠিত হবে ‘লেখমালা যুগপূর্তি উৎসব’। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার ও সম্মাননা-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে।সাহিত্যে ‘লেখমালা যুগপূর্তি পুরস্কার-২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন দুই বিশিষ্টজন। তাঁরা হলেন-বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ভিন্নমাত্রিক স্বতন্ত্র স্বর সৃষ্টিকারী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ রিয়াজুর রশীদ এবং ছোটকাগজ আন্দোলনের পুরোধা ও ‘নিসর্গ’-এর সম্পাদক সরকার আশরাফ।এছাড়া ‘লেখমালা সম্মাননা-২০২৬’ পাচ্ছেন অপেক্ষাকৃত তরুণ তিন প্রতিভা। কবিতায় সম্মাননা দেওয়া হয়েছে শূন্য দশকের নিভৃতচারী উজ্জ্বল কবি মামুন রশীদকে। কথাসাহিত্যে আটপৌরে ও ঘরোয়া গদ্যভাষার স্বকীয় কথাকার শ্রাবণী প্রামানিক এবং প্রবন্ধ ও গবেষণায় সাম্প্রতিক সময়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লোকসাহিত্য বিষয়ক লেখক বঙ্গ রাখালকে। একই সঙ্গে লেখমালা কর্তৃক প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে ‘গোলাম রসূল স্মৃতিপদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হুসাইন।
সিদ্ধিরগঞ্জে পাওনা টাকা না পেয়ে বৃদ্ধ মহিলাকে মারধরের অভিযোগ আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে
ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা সংস্কার ও সোলার লাইট স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন
পটুয়াখালীতে দুই মাদকসম্রাটের আস্তানা থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও নগদ টাকা উদ্ধার