ঢাকা   বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

সাশ্রয় হবে সময় ও দূরত্ব: একনেকে অনুমোদন পেল বহুল প্রতীক্ষিত পিএবি-টইটং মহাসড়ক



সাশ্রয় হবে সময় ও দূরত্ব: একনেকে অনুমোদন পেল বহুল প্রতীক্ষিত পিএবি-টইটং মহাসড়ক
ছবি সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে বহুল আলোচিত ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া’ আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। প্রায় ১ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ:

  • দূরত্ব ও সময় সাশ্রয়: নতুন এই রুটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ও মাতারবাড়ী যেতে দূরত্ব কমবে প্রায় ৪০ কিলোমিটার। এতে যাতায়াতের সময় বাঁচবে অন্তত এক ঘণ্টা।

  • সড়ক প্রশস্তকরণ: প্রকল্পের আওতায় কালাবিবির দীঘি থেকে মাতামুহুরী পর্যন্ত প্রায় ৫৮ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানের ১৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। এতে দীর্ঘদিনের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে।

  • অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ফলে এই রুটটি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে গড়ে উঠবে। এটি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও টানেলকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপনে বড় ভূমিকা রাখবে।

  • টানেলের ব্যবহার বৃদ্ধি: যোগাযোগ সহজ হওয়ায় কর্ণফুলী টানেলে যানবাহনের চাপ বাড়বে, যা টানেলের রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়তা করবে।

লক্ষ্যমাত্রা: মঙ্গলবার (৯ জুন) একনেক সভায় অনুমোদিত এই প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারা, বাঁশখালী, চকরিয়া ও মহেশখালী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের ফাইলবন্দী এই প্রকল্পটির অনুমোদনে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের মাঝে বইছে স্বস্তির হাওয়া।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


সাশ্রয় হবে সময় ও দূরত্ব: একনেকে অনুমোদন পেল বহুল প্রতীক্ষিত পিএবি-টইটং মহাসড়ক

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে বহুল আলোচিত ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া’ আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। প্রায় ১ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ:

  • দূরত্ব ও সময় সাশ্রয়: নতুন এই রুটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ও মাতারবাড়ী যেতে দূরত্ব কমবে প্রায় ৪০ কিলোমিটার। এতে যাতায়াতের সময় বাঁচবে অন্তত এক ঘণ্টা।

  • সড়ক প্রশস্তকরণ: প্রকল্পের আওতায় কালাবিবির দীঘি থেকে মাতামুহুরী পর্যন্ত প্রায় ৫৮ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানের ১৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। এতে দীর্ঘদিনের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে।

  • অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ফলে এই রুটটি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে গড়ে উঠবে। এটি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও টানেলকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপনে বড় ভূমিকা রাখবে।

  • টানেলের ব্যবহার বৃদ্ধি: যোগাযোগ সহজ হওয়ায় কর্ণফুলী টানেলে যানবাহনের চাপ বাড়বে, যা টানেলের রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়তা করবে।

লক্ষ্যমাত্রা: মঙ্গলবার (৯ জুন) একনেক সভায় অনুমোদিত এই প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারা, বাঁশখালী, চকরিয়া ও মহেশখালী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের ফাইলবন্দী এই প্রকল্পটির অনুমোদনে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের মাঝে বইছে স্বস্তির হাওয়া।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত