সাশ্রয় হবে সময় ও দূরত্ব: একনেকে অনুমোদন পেল বহুল প্রতীক্ষিত পিএবি-টইটং মহাসড়ক
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে বহুল আলোচিত ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া’ আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। প্রায় ১ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
প্রকল্পের মূল সুবিধাসমূহ:
দূরত্ব ও সময় সাশ্রয়: নতুন এই রুটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ও মাতারবাড়ী যেতে দূরত্ব কমবে প্রায় ৪০ কিলোমিটার। এতে যাতায়াতের সময় বাঁচবে অন্তত এক ঘণ্টা।
সড়ক প্রশস্তকরণ: প্রকল্পের আওতায় কালাবিবির দীঘি থেকে মাতামুহুরী পর্যন্ত প্রায় ৫৮ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানের ১৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। এতে দীর্ঘদিনের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে।
অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ফলে এই রুটটি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে গড়ে উঠবে। এটি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও টানেলকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপনে বড় ভূমিকা রাখবে।
টানেলের ব্যবহার বৃদ্ধি: যোগাযোগ সহজ হওয়ায় কর্ণফুলী টানেলে যানবাহনের চাপ বাড়বে, যা টানেলের রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়তা করবে।
লক্ষ্যমাত্রা: মঙ্গলবার (৯ জুন) একনেক সভায় অনুমোদিত এই প্রকল্পের কাজ ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারা, বাঁশখালী, চকরিয়া ও মহেশখালী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিনের ফাইলবন্দী এই প্রকল্পটির অনুমোদনে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের মাঝে বইছে স্বস্তির হাওয়া।
আপনার মতামত লিখুন