ঢাকা   শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা



বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

‎​নারায়ণগঞ্জের বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর অন্যতম সহযোগী ও ‘সেনাপতি’ হিসেবে পরিচিত লিজার বিরুদ্ধে উঠেছে নানা গুরুতর অভিযোগ। সন্ত্রাসী বাহিনীকে অর্থায়ন, অস্ত্রধারীদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের নিয়মিত দেখাশোনা করার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন এই লিজা। শুধু সিফাতই নয়, স্বামী ইমনসহ পুরো সন্ত্রাসী বাহিনী বর্তমানে লিজার ছত্রছায়ায় রয়েছে বলে জানা গেছে। 

‎​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে, কুপিয়ে শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাতকে নিরাপদ আশ্রয় দেন লিজা। ঘটনার পর টানা ১০ থেকে ১২ দিন সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় লিজার তত্ত্বাবধানেই আত্মগোপনে ছিল সিফাত।

‎​সেখান থেকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিফাতকে ৪ দিনের জন্য চট্টগ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পর সর্বশেষ বন্দর উপজেলার চিতাশাল এলাকায় লিজা তার নিজের ভাইয়ের বাসায় শেখ সিফাতকে লুকিয়ে রাখে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

‎​মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট

‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু সন্ত্রাসী বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়াই নয়, লিজার বিরুদ্ধে এলাকায় গড়ে উঠেছে বিশাল এক অপরাধ সাম্রাজ্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। সিফাত ও ইমনের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের পেশীশক্তিকে ব্যবহার করে লিজা এলাকায় নিজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎​এদিকে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের মতো চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের আশ্রয় দেওয়া এবং লিজা বাহিনীর এমন প্রকাশ্য অপতৎপরতায় ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বন্দর এলাকাবাসীর মনে। তারা দ্রুত এই চক্রের মূল হোতা শেখ সিফাত, তার সহযোগী ইমন এবং তাদের আশ্রয়দাত্রী লিজাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


বন্দরে সন্ত্রাসী সিফাতের আশ্রয়দাত্রী লিজা: পুলিশ কুপিয়ে অস্ত্র ছিনতাইয়ের পরও দিয়েছেন পাহারা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

‎​নারায়ণগঞ্জের বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর অন্যতম সহযোগী ও ‘সেনাপতি’ হিসেবে পরিচিত লিজার বিরুদ্ধে উঠেছে নানা গুরুতর অভিযোগ। সন্ত্রাসী বাহিনীকে অর্থায়ন, অস্ত্রধারীদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের নিয়মিত দেখাশোনা করার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন এই লিজা। শুধু সিফাতই নয়, স্বামী ইমনসহ পুরো সন্ত্রাসী বাহিনী বর্তমানে লিজার ছত্রছায়ায় রয়েছে বলে জানা গেছে। 

‎​অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে, কুপিয়ে শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ সিফাতকে নিরাপদ আশ্রয় দেন লিজা। ঘটনার পর টানা ১০ থেকে ১২ দিন সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় লিজার তত্ত্বাবধানেই আত্মগোপনে ছিল সিফাত।

‎​সেখান থেকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিফাতকে ৪ দিনের জন্য চট্টগ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পর সর্বশেষ বন্দর উপজেলার চিতাশাল এলাকায় লিজা তার নিজের ভাইয়ের বাসায় শেখ সিফাতকে লুকিয়ে রাখে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

‎​মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট

‎​স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু সন্ত্রাসী বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়াই নয়, লিজার বিরুদ্ধে এলাকায় গড়ে উঠেছে বিশাল এক অপরাধ সাম্রাজ্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। সিফাত ও ইমনের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের পেশীশক্তিকে ব্যবহার করে লিজা এলাকায় নিজের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎​এদিকে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাইয়ের মতো চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের আশ্রয় দেওয়া এবং লিজা বাহিনীর এমন প্রকাশ্য অপতৎপরতায় ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বন্দর এলাকাবাসীর মনে। তারা দ্রুত এই চক্রের মূল হোতা শেখ সিফাত, তার সহযোগী ইমন এবং তাদের আশ্রয়দাত্রী লিজাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত