ঢাকা   শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার



চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার
চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি অস্ত্র ছিনতাইসহ একাধিক মামলার দুর্ধর্ষ আসামি শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর দৌরাত্ম্য যেন থামছেই না। এবার তাদের গ্রেফতারকৃত ক্যাডারকে রক্ষা করতে এবং নিজেদের করা চাঁদাবাজির ঘটনা ধামাচাপা দিতে এক অসহায় নারীকে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজানোর গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এই সন্ত্রাসী চক্র। মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ

ভুক্তভোগী নাজমা বেগমের স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সিফাত বাহিনী কয়েক দফায় তাদের বাড়িতে বর্বরোচিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সর্বশেষ গত ১৪ জুন (রোববার) বিকেলে সিফাত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ইমন ও রাজুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ফের তাদের বাড়িতে হামলা করে।

গণধোলাইয়ের শিকার ক্যাডার রাজু

হামলার পর সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী ধাওয়া করে সিফাতের প্রধান সহযোগী রাজুকে পাকড়াও করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। মূলত জনরোষের মুখেই বাহিনীর বাকি সদস্যরা তখন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

মাদক কারবারি সাজানোর অপচেষ্টা

অভিযোগ উঠেছে, রাজু গ্রেফতার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে এবং মূল ঘটনা আড়াল করতে সিফাত বাহিনী এখন নাজমা বেগমকে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে প্রচার চালাচ্ছে। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে ঘটনাটিকে মাদক সংক্রান্ত বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “আমার স্ত্রী কোনো দিন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল না। মূলত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এবং রাজু ধরা পড়ায় তারা এখন আমাদের সামাজিকভাবে ধ্বংস করতে এই জঘন্য মিথ্যাচার করছে। রাজুর সাথে আমাদের কোনো লেনদেনও নেই। সিফাত তার ক্যাডারদের বাঁচাতে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ ছড়াচ্ছে।”

নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

সিফাত বাহিনীর অব্যাহত হুমকির মুখে পরিবারটি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শফিকুল ইসলাম বন্দর থানা পুলিশের প্রতি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলেন, “সন্ত্রাসীরা যাতে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে এবং আমরা যেন পরিবার নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারি, সেজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি অস্ত্র ছিনতাইসহ একাধিক মামলার দুর্ধর্ষ আসামি শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর দৌরাত্ম্য যেন থামছেই না। এবার তাদের গ্রেফতারকৃত ক্যাডারকে রক্ষা করতে এবং নিজেদের করা চাঁদাবাজির ঘটনা ধামাচাপা দিতে এক অসহায় নারীকে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ সাজানোর গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এই সন্ত্রাসী চক্র। মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ

ভুক্তভোগী নাজমা বেগমের স্বামী শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসী শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সিফাত বাহিনী কয়েক দফায় তাদের বাড়িতে বর্বরোচিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সর্বশেষ গত ১৪ জুন (রোববার) বিকেলে সিফাত বাহিনীর অন্যতম সদস্য ইমন ও রাজুর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ফের তাদের বাড়িতে হামলা করে।

গণধোলাইয়ের শিকার ক্যাডার রাজু

হামলার পর সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী ধাওয়া করে সিফাতের প্রধান সহযোগী রাজুকে পাকড়াও করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। মূলত জনরোষের মুখেই বাহিনীর বাকি সদস্যরা তখন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

মাদক কারবারি সাজানোর অপচেষ্টা

অভিযোগ উঠেছে, রাজু গ্রেফতার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে এবং মূল ঘটনা আড়াল করতে সিফাত বাহিনী এখন নাজমা বেগমকে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে প্রচার চালাচ্ছে। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে ঘটনাটিকে মাদক সংক্রান্ত বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “আমার স্ত্রী কোনো দিন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল না। মূলত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এবং রাজু ধরা পড়ায় তারা এখন আমাদের সামাজিকভাবে ধ্বংস করতে এই জঘন্য মিথ্যাচার করছে। রাজুর সাথে আমাদের কোনো লেনদেনও নেই। সিফাত তার ক্যাডারদের বাঁচাতে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ ছড়াচ্ছে।”

নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার

সিফাত বাহিনীর অব্যাহত হুমকির মুখে পরিবারটি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। শফিকুল ইসলাম বন্দর থানা পুলিশের প্রতি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলেন, “সন্ত্রাসীরা যাতে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে পার পেয়ে যেতে না পারে এবং আমরা যেন পরিবার নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারি, সেজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত