বক্তাবলীর ঘটনা নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি নেতার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বক্তাবলী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে সংঘটিত আফসানা ধর্ষণ ও গণপিটুনিতে হিরো হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধানের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা।
১১ জুন (বৃহস্পতিবার) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বক্তাবলী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর প্রচার বিভাগের এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শভিত্তিক, গণমুখী ও আইন-শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল রাজনৈতিক সংগঠন। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সংগঠনটি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। এমন একটি জঘন্য অপরাধের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী বা এর কোনো নেতাকর্মীকে সম্পৃক্ত করার অপচেষ্টা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক বিদ্বেষপ্রসূত।
নেতৃবৃন্দ স্পষ্টভাবে বলেন, "ধর্ষণ, হত্যা, সন্ত্রাস ও সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান সবসময়ই কঠোর। বক্তাবলীতে সংঘটিত উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।"
বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলা হয়, প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার উদ্দেশ্যে কিংবা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম প্রধানের এ ধরনের বক্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
জামায়াত নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তার বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানান। অন্যথায় অবিলম্বে জাতির সামনে উক্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করার দাবি জানান।
একই সাথে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, কেউ যেন কোনো অপপ্রচার, গুজব কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন।
আপনার মতামত লিখুন