ঢাকা   বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

স্বৈরাচারী সরকারের দোসর শাহাজালাল সেন্ডিকেট বহাল তবিয়তে



স্বৈরাচারী সরকারের দোসর শাহাজালাল সেন্ডিকেট বহাল তবিয়তে

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ  গোদনাইলের বাগপাড়ার দুলাল মিয়া, মাসুম, মারুফ, অনুপ, ম্যানেজার আরিফ ও নৌকার সর্দার আনোয়ার পদ্মা ডিপোর তেল চোর সিন্ডিকেট শামীম ওসমান বাহিনী এখনো বহাল তবিয়তে আছে। ফ্যাসিস্টের দোসর শামীম ওসমানের পার্টনার গোদনাইলেন বাগপাড়ার শাহজালাল ৫ আগষ্টের পর থেকে পলাতক ছিল। বর্তমানে সে বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত তার শশুর বাড়িতে অবস্থান করছে এবং তার সমস্ত অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনা করছে তার বড় ভাই দুলাল শেখ, মাসুম শেখ, মারুফ শেখ ও অনুপ শেখ ও তাদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। ২০১০ সালেও এদের দৃশ্যমান কোন সম্পদ ছিল না। ফ্যাসিস্টের আমলে জাহাজ থেকে জ্বালানী তেল চুরি ও মাদক ব্যবসা করে তারা অল্প সময়ে বিপুল পরিমান বিত্ত ও বৈভবের মালিক হয়েছে। শামীম ওসমানের পার্টনার শাহজালাল মিয়া বাংলা তেলের ক্যারিং এবং কেরোসিন এ.টি.এফ ও বাংলা তেলের সাথে ক্যামিকেল মিশিয়ে অকটেনে পরিনত করে তা বিক্রি ও মাদক ব্যবসা করে আজ ৩ হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। ঢাকা শহরে এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় শাহজালালের ২৮-৩০ টি তেলের পাম্প রয়েছে। পদ্মা ডিপোতে ট্যাংক লরি ভাউচার গাড়ী রয়েছে ৩৫ টি। শীতলক্ষ্যা নদীতে তেলের ট্যাংকার ও বালুর ট্রলার রয়েছে ২০-২২ টি। জালকুড়ি বিলে তার জমির পরিমান প্রায় ১০০ বিঘার উপরে। তার এই অবৈধভাবে গড়ে তোলা বিশাল সাম্রাজ্য বর্তমানে পরিচালনা করছে তারই বড় ভাই এর সিন্ডিকেট। বর্তমানে শাহজালাল, দুলাল শেখ, মারুফ, মাসুম ও আনুপ শেখের সিন্ডিকেট ৫৪ টি তেলের ট্যাংকার নিয়ে তাদের চোরাই তেলের সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। ডিপোর দক্ষিণ দিকের দেওয়ালের পাশে নারায়াণগঞ্জ সিটি করর্পোরেশনের সড়কের উপর একটি ছোট দোকান নির্মান করে এই চোরাই তেল সিন্ডিকেট। এর পাশেই জিন্দা লাশের বাড়িতে আরেকটি ছোট গোডাউন রয়েছে। এ ছাড়াও বাগবাড়ী গ্রামের ভিতরে শাহাজালালের অফিসের কাছে আরও একটি বড় গোডাউন রয়েছে। তেল চুরির পর এসব গোডাউনে মজুত করা হয়। কিন্তু বর্তমানে সাংবাদিকগন তাদের এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখালিখির কারনে চোরাই তেলের সিন্ডিকেটআরও সোচ্চার হয়ে উঠে। ফলে বর্তমানে তারা চোরাই তেলগওলো পূর্বের গোডাউন গুলোতে না রেখে। নদীতে বিন দাউদ নামে একটি জাহাজ ২ টি বালুর ট্রলার ও ১ টি বালুর পাম্পে মজুত করে সে গুলো একই সাথে অবস্থিত। বর্তমান পরিস্থিতি আরও বেগতি হাওয়ার কারনে তারা তাদের চোরাই কৃত মাল গুলো বাগপাড়া গ্রামের ভিতরে বারেক ভূইয়ার একটি পরিত্যাক্ত মিল ভাড়ায় নিয়ে সেখানে চোরাই মাল মজুত করে। এবং প্রতিদিন ভোরে সকাল ৯ টার পূর্বেই কভার ভ্যানের সাহায্যে বিভিন্ন এলাকায় ও পাম্পে এই চোরাই মাল পাচার করে কক্সবাজার থেকে নদী পথে মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে ইয়াবা ও কেমিডিলের বড় বড় চালান আসে। সেখান থেকে এই দেশ ১ জাহাজে করে এই বিশাল মাদকের চালান সরাসরি অনুপ অনুদান শে শেখের নিকট আসে। অনুপ শেখ এম, টি নোমেল, এম, টি জলকুমারী জাহাজের মাধ্যমে নারায়াণগঞ্জ থেকে শুরু করে ঘোড়াশাল পর্যন্ত এ মাদক ছড়িয়ে দেয়। ২০০৯ সালে দুলাল শেখ রেব ১১ এর হাতে ১৩২০০ (তের হাজার দুইশত) লিটার এ,টি, এফ তেল নিয়ে ধরা পরে। সে মামলার কর্যক্রম এখন ও চলমান। দুলাল শেখের ২য় পুত্র মারুফ শেখ একেতো চোরাই তেলের সিন্ডিকেটের সদস্য ছিলই তার উপর ও সে অন্তঃ জেলা ডাকাত দলেন সদস্য ও ছিল। ডাকাতি করা চাউলের ট্রাক, রডের ট্রাক, কপাড়ের ট্রাক তার নিকট আসতো। সে এগুলো বিক্রির সময়ে সোনামিয়া মার্কেটে চাউলের ট্রাক সহ মারুফ শেখ নারায়াণগঞ্জ সি.আই.ডি এর নিকট ধরা পরে। পরবর্তীতে সে মারা যাওয়ার পর এসকল মামলা স্থগিত হয়ে যায়। অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে অনুপ শেখ এসপি, ডিবি। সি. আই. ডি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, কাচঁপুর নৌ ফাড়ি পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের মাসোয়ারা প্রদান করা হয়। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ও দেওয়া হয় টাকা। ঘুষের বিনিময়ে প্রশাসন ও নেতাদের ম্যানেজ করে অনুপ শেখ গর্ব করেই বলে বেড়ায়।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


স্বৈরাচারী সরকারের দোসর শাহাজালাল সেন্ডিকেট বহাল তবিয়তে

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ  গোদনাইলের বাগপাড়ার দুলাল মিয়া, মাসুম, মারুফ, অনুপ, ম্যানেজার আরিফ ও নৌকার সর্দার আনোয়ার পদ্মা ডিপোর তেল চোর সিন্ডিকেট শামীম ওসমান বাহিনী এখনো বহাল তবিয়তে আছে। ফ্যাসিস্টের দোসর শামীম ওসমানের পার্টনার গোদনাইলেন বাগপাড়ার শাহজালাল ৫ আগষ্টের পর থেকে পলাতক ছিল। বর্তমানে সে বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত তার শশুর বাড়িতে অবস্থান করছে এবং তার সমস্ত অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনা করছে তার বড় ভাই দুলাল শেখ, মাসুম শেখ, মারুফ শেখ ও অনুপ শেখ ও তাদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। ২০১০ সালেও এদের দৃশ্যমান কোন সম্পদ ছিল না। ফ্যাসিস্টের আমলে জাহাজ থেকে জ্বালানী তেল চুরি ও মাদক ব্যবসা করে তারা অল্প সময়ে বিপুল পরিমান বিত্ত ও বৈভবের মালিক হয়েছে। শামীম ওসমানের পার্টনার শাহজালাল মিয়া বাংলা তেলের ক্যারিং এবং কেরোসিন এ.টি.এফ ও বাংলা তেলের সাথে ক্যামিকেল মিশিয়ে অকটেনে পরিনত করে তা বিক্রি ও মাদক ব্যবসা করে আজ ৩ হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। ঢাকা শহরে এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় শাহজালালের ২৮-৩০ টি তেলের পাম্প রয়েছে। পদ্মা ডিপোতে ট্যাংক লরি ভাউচার গাড়ী রয়েছে ৩৫ টি। শীতলক্ষ্যা নদীতে তেলের ট্যাংকার ও বালুর ট্রলার রয়েছে ২০-২২ টি। জালকুড়ি বিলে তার জমির পরিমান প্রায় ১০০ বিঘার উপরে। তার এই অবৈধভাবে গড়ে তোলা বিশাল সাম্রাজ্য বর্তমানে পরিচালনা করছে তারই বড় ভাই এর সিন্ডিকেট। বর্তমানে শাহজালাল, দুলাল শেখ, মারুফ, মাসুম ও আনুপ শেখের সিন্ডিকেট ৫৪ টি তেলের ট্যাংকার নিয়ে তাদের চোরাই তেলের সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। ডিপোর দক্ষিণ দিকের দেওয়ালের পাশে নারায়াণগঞ্জ সিটি করর্পোরেশনের সড়কের উপর একটি ছোট দোকান নির্মান করে এই চোরাই তেল সিন্ডিকেট। এর পাশেই জিন্দা লাশের বাড়িতে আরেকটি ছোট গোডাউন রয়েছে। এ ছাড়াও বাগবাড়ী গ্রামের ভিতরে শাহাজালালের অফিসের কাছে আরও একটি বড় গোডাউন রয়েছে। তেল চুরির পর এসব গোডাউনে মজুত করা হয়। কিন্তু বর্তমানে সাংবাদিকগন তাদের এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখালিখির কারনে চোরাই তেলের সিন্ডিকেটআরও সোচ্চার হয়ে উঠে। ফলে বর্তমানে তারা চোরাই তেলগওলো পূর্বের গোডাউন গুলোতে না রেখে। নদীতে বিন দাউদ নামে একটি জাহাজ ২ টি বালুর ট্রলার ও ১ টি বালুর পাম্পে মজুত করে সে গুলো একই সাথে অবস্থিত। বর্তমান পরিস্থিতি আরও বেগতি হাওয়ার কারনে তারা তাদের চোরাই কৃত মাল গুলো বাগপাড়া গ্রামের ভিতরে বারেক ভূইয়ার একটি পরিত্যাক্ত মিল ভাড়ায় নিয়ে সেখানে চোরাই মাল মজুত করে। এবং প্রতিদিন ভোরে সকাল ৯ টার পূর্বেই কভার ভ্যানের সাহায্যে বিভিন্ন এলাকায় ও পাম্পে এই চোরাই মাল পাচার করে কক্সবাজার থেকে নদী পথে মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে ইয়াবা ও কেমিডিলের বড় বড় চালান আসে। সেখান থেকে এই দেশ ১ জাহাজে করে এই বিশাল মাদকের চালান সরাসরি অনুপ অনুদান শে শেখের নিকট আসে। অনুপ শেখ এম, টি নোমেল, এম, টি জলকুমারী জাহাজের মাধ্যমে নারায়াণগঞ্জ থেকে শুরু করে ঘোড়াশাল পর্যন্ত এ মাদক ছড়িয়ে দেয়। ২০০৯ সালে দুলাল শেখ রেব ১১ এর হাতে ১৩২০০ (তের হাজার দুইশত) লিটার এ,টি, এফ তেল নিয়ে ধরা পরে। সে মামলার কর্যক্রম এখন ও চলমান। দুলাল শেখের ২য় পুত্র মারুফ শেখ একেতো চোরাই তেলের সিন্ডিকেটের সদস্য ছিলই তার উপর ও সে অন্তঃ জেলা ডাকাত দলেন সদস্য ও ছিল। ডাকাতি করা চাউলের ট্রাক, রডের ট্রাক, কপাড়ের ট্রাক তার নিকট আসতো। সে এগুলো বিক্রির সময়ে সোনামিয়া মার্কেটে চাউলের ট্রাক সহ মারুফ শেখ নারায়াণগঞ্জ সি.আই.ডি এর নিকট ধরা পরে। পরবর্তীতে সে মারা যাওয়ার পর এসকল মামলা স্থগিত হয়ে যায়। অবৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে অনুপ শেখ এসপি, ডিবি। সি. আই. ডি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, কাচঁপুর নৌ ফাড়ি পুলিশকে প্রতি মাসে মোটা অংকের মাসোয়ারা প্রদান করা হয়। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ও দেওয়া হয় টাকা। ঘুষের বিনিময়ে প্রশাসন ও নেতাদের ম্যানেজ করে অনুপ শেখ গর্ব করেই বলে বেড়ায়।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত