গলাচিপায় সরকারি খাল দখল, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফসলি জমিতে সেচ কাজের প্রধান উৎস 'চিংগুরিয়া-বলইকাঠি-মথুরা শীল' নামক সরকারি খাস খালটি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে মোঃ বাবুল মৃধা ,পিতাঃইদ্রিস মৃধা,গ্রাম চিংগুরিয়া আমখোলা,গলাচিপার পটুয়াখালী,এ নিয়ে স্থানীয় দুটি গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালটি বহুকাল ধরে চিংগুরিয়া ও বলইকাঠি—এই দুই গ্রামের কৃষকদের ফসলি জমিতে সেচ প্রদানসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে সম্প্রতি স্থানীয় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা দাবি করছেন, সরকার নাকি খালের কার্ড বা ইজারা তাঁর নামে বরাদ্দ দিয়েছে।
এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে কৌতূহলী হয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, সরকারিভাবে কাউকে এমন কোনো কার্ড বা ইজারা প্রদান করা হয়নি। সম্পূর্ণ ভুয়া ও মনগড়া দাবি তুলে সরকারি এই জলাশয়টি গ্রাস করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ভুক্তভোগী গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরকারি খাস খাল কখনো ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হতে পারে না। জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই সরকার এসব জলাধার উন্মুক্ত রাখে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে মৌখিকভাবে ও লিখিতভাবে অবগত করা হলেও এখন পর্যন্ত অলৌকিকভাবে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় যেকোনো মূল্যে সরকারি খাল রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন দুই গ্রামের মানুষ। দখলদার ও ভূমিদস্যুদের যেকোনো হীন চেষ্টা শক্ত হাতে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
একই সাথে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। অতিদ্রুত 'চিংগুরিয়া-বলইকাঠি-মথুরা শীল' খালসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলে থাকা সরকারি খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আপনার মতামত লিখুন