হিজাব নিয়ে কটাক্ষ বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধুরীকে সংসদ থেকে বহিষ্কার দাবি
আওয়ামীলীগ আমলে লতীফ সিদ্দিকী হজ্ব নিয়ে কটাক্ষ করলে আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকার তৎক্ষনাৎ তাকে মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়, দল থেকে বহিষ্কার করে। এমনকি সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগে তাকে বাধ্য করা হয়। কারণ, নব্বই শতাংশ মুসলমানের এই দেশে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার পর কারোরই পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
আজ বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জাতীয় সংসদে ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান 'পর্দা' নিয়ে যেভাবে কটাক্ষ করেছেন, তা লতীফ সিদ্দিকীর সেই ঔদ্ধত্য থেকে কোনো অংশেই কম নয়।
একটি মুসলিমপ্রধান দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে ইসলামের শরিয়াহসম্মত ও ফরজ বিধান নিয়ে এমন অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অগ্রহণযোগ্য।
রাজনীতি বা বাকস্বাধীনতার নামে ইসলামের মৌলিক স্তরের ওপর এমন আঘাত কোনো সচেতন নাগরিক মেনে নিতে পারে না। লতীফ সিদ্দিকীর ক্ষেত্রে আওয়ামিলীগ যদি দল ও সংসদে কঠোর অবস্থান নিতে পারে, তবে মনিরুল হক চৌধুরীর এই ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধেও সমান ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবি।
জনগণের ধর্মীয় আবেগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর কারণে আমরা আশা করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের সংসদ সদস্যের এই আপত্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে এবং তাকে জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাবে।
বিএনপি যদি যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে তাহলে, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় ধর্মীয় অবমাননাকারীদের পরিণতি এ দেশের সাধারণ মানুষ কখনোই ভালো হতে দেয়নি।
আপনার মতামত লিখুন