ঢাকা   বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

দৌলোদিয়ার ক্ষত না শুকাতেই বগায় মরন খেলা, শেকল ছাড়াই চলছে ফেরী



দৌলোদিয়ার ক্ষত না শুকাতেই বগায় মরন খেলা, শেকল ছাড়াই চলছে ফেরী
বগা ফেরী

দৌলতদিয়ায় মর্মান্তিক দূর্ঘটনার পরেও টনক নড়েনি পটুয়াখালীর বগা ফেরী কতৃপক্ষের। নিরাপত্তাজনিত রশি না লাগিয়ে ফেরী পারাপার করতে দেখা গেছে।

গতকাল বুধবার (১'লা এপ্রিল)  সকালে সরেজমিন পরিদর্শনে এমন চিত্রের দেখা মিলছে। ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর তিনটি উপজেলা বাউফল,গলাচিপা ও দশমিনার জনসাধারণের সড়কপথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষকে পার হতে হয় বগা ফেরী দিয়ে। ঈদ ও ঈদ পরবর্তী সময়ে এখানে ব্যাপক ভীড় লক্ষ করা গেছে। কখনো কখনো মাত্রারিক্ত গাড়ি লোড করে পারপার করতে দেখা গেছে।

গত শুক্রবার এ বিষয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখাগেছে ফেরী পারাপারের সময় একটি পরিবহনের একচতুর্থাংশ ফেরীর বাইরে ছিলো। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। রোববার এ প্রতিবেদককে পারাপারের দৃশ্য ভিডিও ধারন করতে দেখে ঘাটে নোঙর করার পর নিরাপত্তাজনিত রশিটি লাগানোর চেষ্টা করেন । নিরাপত্তাজনিত রশিটি এত্তো ঢিলেঢালা যেকোনো পরিবহন রশিটি ছাড়িয়ে পড়ে যেতে পারে নদীতে।

ফেরী চালক মো. শহিদুল ইসলাম এ প্রতিবেদক'কে বলেন, "ফেরীর সেফটি রশিটি লাগানোর কথা। কেন যে দেয়নি আমি বলতে পারবো না। গাড়ি লোড হলে উপর থেকে সামনের রশিটি দেখতে পাইনা।"

ফেরিতে অবস্থানরত সড়ক ও জনপথ বিভাগের কার্য সহকারী ( ওয়ার্ক অ্যাসিষ্ট্যান্ট) মো. হাসান মিয়া জানান,  উর্ধতন কতৃপক্ষ এ বিষয়ে বলেছেন। মালামাল আনা হয়েছে। আগামীকাল থেকে লাগানো হবে।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আহম্মেদ "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" জানান,তিনি ছুটিতে রয়েছেন,নিরাপত্তাজনিত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া আছে।খোঁজ নিয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


দৌলোদিয়ার ক্ষত না শুকাতেই বগায় মরন খেলা, শেকল ছাড়াই চলছে ফেরী

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দৌলতদিয়ায় মর্মান্তিক দূর্ঘটনার পরেও টনক নড়েনি পটুয়াখালীর বগা ফেরী কতৃপক্ষের। নিরাপত্তাজনিত রশি না লাগিয়ে ফেরী পারাপার করতে দেখা গেছে।

গতকাল বুধবার (১'লা এপ্রিল)  সকালে সরেজমিন পরিদর্শনে এমন চিত্রের দেখা মিলছে। ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর তিনটি উপজেলা বাউফল,গলাচিপা ও দশমিনার জনসাধারণের সড়কপথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষকে পার হতে হয় বগা ফেরী দিয়ে। ঈদ ও ঈদ পরবর্তী সময়ে এখানে ব্যাপক ভীড় লক্ষ করা গেছে। কখনো কখনো মাত্রারিক্ত গাড়ি লোড করে পারপার করতে দেখা গেছে।

গত শুক্রবার এ বিষয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখাগেছে ফেরী পারাপারের সময় একটি পরিবহনের একচতুর্থাংশ ফেরীর বাইরে ছিলো। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। রোববার এ প্রতিবেদককে পারাপারের দৃশ্য ভিডিও ধারন করতে দেখে ঘাটে নোঙর করার পর নিরাপত্তাজনিত রশিটি লাগানোর চেষ্টা করেন । নিরাপত্তাজনিত রশিটি এত্তো ঢিলেঢালা যেকোনো পরিবহন রশিটি ছাড়িয়ে পড়ে যেতে পারে নদীতে।

ফেরী চালক মো. শহিদুল ইসলাম এ প্রতিবেদক'কে বলেন, "ফেরীর সেফটি রশিটি লাগানোর কথা। কেন যে দেয়নি আমি বলতে পারবো না। গাড়ি লোড হলে উপর থেকে সামনের রশিটি দেখতে পাইনা।"

ফেরিতে অবস্থানরত সড়ক ও জনপথ বিভাগের কার্য সহকারী ( ওয়ার্ক অ্যাসিষ্ট্যান্ট) মো. হাসান মিয়া জানান,  উর্ধতন কতৃপক্ষ এ বিষয়ে বলেছেন। মালামাল আনা হয়েছে। আগামীকাল থেকে লাগানো হবে।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আহম্মেদ "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" জানান,তিনি ছুটিতে রয়েছেন,নিরাপত্তাজনিত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া আছে।খোঁজ নিয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত