নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক যুবকের মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় এই দুর্ধর্ষ ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আহসান হাবীব ওমর (২৫) এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২:৩০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাতনামা হ্যাকাররা অত্যন্ত কৌশলে ওমরের ব্যক্তিগত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনটি হ্যাক করে। ফোনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই হ্যাকাররা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (নং- ২০৫০৩৪০০২০১২৭১৯১৫) থেকে টাকা সরানো শুরু করে। দুপুর ২:৫৬ মিনিটে ২০,০০০ টাকা একটি বিকাশ নাম্বারে (০১৬৩১৪৭১২০০) ট্রান্সফার করা হয়।দুপুর ৩:০৫ মিনিটে একই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে আরও ৬,৫০০ টাকা ওই একই বিকাশ নাম্বারে সরিয়ে নেয় হ্যাকাররা।
ভুক্তভোগী ওমর জানান, টাকা চলে যাওয়ার মেসেজ দেখে তিনি তাৎক্ষণিক ওই বিকাশ নাম্বারে কল করলে সেটি বন্ধ পান। হ্যাকাররা শুধুমাত্র টাকাই নেয়নি, বরং তার মোবাইলে থাকা জিমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, বিকাশ ও নগদসহ সকল ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এমনকি ফোন থেকে ব্যক্তিগত ছবি ও পরিচিতজনদের কন্টাক্ট নাম্বারও সংগ্রহ করেছে চক্রটি। এতে বড় ধরনের সামাজিক সম্মানহানি বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আলোচনা করে এবং হ্যাকারদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে থানায় হাজির হন। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে তিনি দ্রুত এই চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তা মনির হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক যুবকের মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় এই দুর্ধর্ষ ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আহসান হাবীব ওমর (২৫) এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২:৩০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাতনামা হ্যাকাররা অত্যন্ত কৌশলে ওমরের ব্যক্তিগত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনটি হ্যাক করে। ফোনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই হ্যাকাররা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (নং- ২০৫০৩৪০০২০১২৭১৯১৫) থেকে টাকা সরানো শুরু করে। দুপুর ২:৫৬ মিনিটে ২০,০০০ টাকা একটি বিকাশ নাম্বারে (০১৬৩১৪৭১২০০) ট্রান্সফার করা হয়।দুপুর ৩:০৫ মিনিটে একই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে আরও ৬,৫০০ টাকা ওই একই বিকাশ নাম্বারে সরিয়ে নেয় হ্যাকাররা।
ভুক্তভোগী ওমর জানান, টাকা চলে যাওয়ার মেসেজ দেখে তিনি তাৎক্ষণিক ওই বিকাশ নাম্বারে কল করলে সেটি বন্ধ পান। হ্যাকাররা শুধুমাত্র টাকাই নেয়নি, বরং তার মোবাইলে থাকা জিমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, বিকাশ ও নগদসহ সকল ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এমনকি ফোন থেকে ব্যক্তিগত ছবি ও পরিচিতজনদের কন্টাক্ট নাম্বারও সংগ্রহ করেছে চক্রটি। এতে বড় ধরনের সামাজিক সম্মানহানি বা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আলোচনা করে এবং হ্যাকারদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে থানায় হাজির হন। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে তিনি দ্রুত এই চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তা মনির হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন