পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় জমকালো আয়োজনে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর উদ্বোধন করা নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর ও নামফলকটি রহস্যজনকভাবে ‘উধাও’ হয়ে গেছে।
উদ্বোধনের ১৫ দিন যেতে না যেতেই বুধবার (১ এপ্রিল) থেকে সেখানে আর কোনো ফলক দেখা যাচ্ছে না। নামফলকের জায়গায় এখন শুধু ভাঙা টাইলস ও বালু-ইটের উচ্ছিষ্টাংশ পড়ে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত রোববার সন্ধ্যার দিকে একটি ট্রাকে করে ৭-৮ জন অপরিচিত ব্যক্তি এসে নিজেদের সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের লোক পরিচয় দিয়ে ফলকটি খুলে নিয়ে যান। কোনো নোটিশ বা ঘোষণা ছাড়াই এমন আকস্মিক ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে নামফলকটি ছিল, সেটি এখন পুরোপুরি ফাঁকা।
স্থানীয় জেলেপাড়ার বাসিন্দারা এ প্রতিবেদক'কে জানান, ট্রাক নিয়ে আসা ব্যক্তিরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করে ফলকটি নিয়ে চলে যান। সেতু নির্মাণের স্থান পরিবর্তন নাকি প্রশাসনিক কোনো জটিলতায় এটি সরানো হয়েছে, তা নিয়ে কেউ নিশ্চিত নন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল হোসেন "বাংলার শিরোনাম'কে" বলেন, ‘সেতুর নামফলক সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কারা এটি সরিয়েছে, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তার এমন ‘অজ্ঞতা’ সাধারণ মানুষের মধ্যে রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
চলতি বছরের ১৭ মার্চ বিকেলে দুমকি-বাউফল সড়কের সংযোগস্থল রাজাখালী এলাকায় এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হোসেন খানসহ প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা।
সওজ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পাণ্ডব ও পায়রা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ১৩৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০২১ সালের জুনে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পায়। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় জমকালো আয়োজনে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর উদ্বোধন করা নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর ও নামফলকটি রহস্যজনকভাবে ‘উধাও’ হয়ে গেছে।
উদ্বোধনের ১৫ দিন যেতে না যেতেই বুধবার (১ এপ্রিল) থেকে সেখানে আর কোনো ফলক দেখা যাচ্ছে না। নামফলকের জায়গায় এখন শুধু ভাঙা টাইলস ও বালু-ইটের উচ্ছিষ্টাংশ পড়ে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত রোববার সন্ধ্যার দিকে একটি ট্রাকে করে ৭-৮ জন অপরিচিত ব্যক্তি এসে নিজেদের সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের লোক পরিচয় দিয়ে ফলকটি খুলে নিয়ে যান। কোনো নোটিশ বা ঘোষণা ছাড়াই এমন আকস্মিক ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা গ্রামে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে নামফলকটি ছিল, সেটি এখন পুরোপুরি ফাঁকা।
স্থানীয় জেলেপাড়ার বাসিন্দারা এ প্রতিবেদক'কে জানান, ট্রাক নিয়ে আসা ব্যক্তিরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করে ফলকটি নিয়ে চলে যান। সেতু নির্মাণের স্থান পরিবর্তন নাকি প্রশাসনিক কোনো জটিলতায় এটি সরানো হয়েছে, তা নিয়ে কেউ নিশ্চিত নন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল হোসেন "বাংলার শিরোনাম'কে" বলেন, ‘সেতুর নামফলক সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কারা এটি সরিয়েছে, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তার এমন ‘অজ্ঞতা’ সাধারণ মানুষের মধ্যে রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
চলতি বছরের ১৭ মার্চ বিকেলে দুমকি-বাউফল সড়কের সংযোগস্থল রাজাখালী এলাকায় এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হোসেন খানসহ প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা।
সওজ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পাণ্ডব ও পায়রা নদীর ওপর নির্মাণাধীন ১৩৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০২১ সালের জুনে প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পায়। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

আপনার মতামত লিখুন