বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) আবারও অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে এবার পুরোপুরি অনলাইন নির্ভরতা নয়, বরং অনলাইন ও সশরীরে পাঠদানের সমন্বয়ে ‘ব্লেন্ডেড’ বা মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আনুষ্ঠানকিভাবে অনলাইন ক্লাসের বিষয়টি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হবে। আপাতত সপ্তাহে ছয় দিনই ক্লাস হবে। তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন হবে অফলাইনে। শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস নেবেন। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে হবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস।
এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে এই দুই ব্যবস্থার সমন্বয়ে ক্লাস চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, রোজার ছুটি, বিভিন্ন আন্দোলনসহ নানা কারণে কিছু ক্লাস আওয়ার মিস করেছি। সেই কারণে সপ্তাহে ৬ দিন স্কুল করা হচ্ছে। এর মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে (অফলাইন) এ দুই ব্যবস্থার সমন্বয়ে ক্লাস বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে জরিপ করে দেখেছি, ৫৫ শতাংশ চাচ্ছেন যেন অনলাইনে যাওয়া হয়। তবে পুরোপুরি অনলাইন হয়ে গেলে আনসোশ্যাল হয়ে যাব।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) আবারও অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে এবার পুরোপুরি অনলাইন নির্ভরতা নয়, বরং অনলাইন ও সশরীরে পাঠদানের সমন্বয়ে ‘ব্লেন্ডেড’ বা মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আনুষ্ঠানকিভাবে অনলাইন ক্লাসের বিষয়টি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হবে। আপাতত সপ্তাহে ছয় দিনই ক্লাস হবে। তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন হবে অফলাইনে। শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস নেবেন। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে হবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস।
এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে এই দুই ব্যবস্থার সমন্বয়ে ক্লাস চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, রোজার ছুটি, বিভিন্ন আন্দোলনসহ নানা কারণে কিছু ক্লাস আওয়ার মিস করেছি। সেই কারণে সপ্তাহে ৬ দিন স্কুল করা হচ্ছে। এর মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুলপর্যায়ে অনলাইন-সশরীরে (অফলাইন) এ দুই ব্যবস্থার সমন্বয়ে ক্লাস বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে জরিপ করে দেখেছি, ৫৫ শতাংশ চাচ্ছেন যেন অনলাইনে যাওয়া হয়। তবে পুরোপুরি অনলাইন হয়ে গেলে আনসোশ্যাল হয়ে যাব।

আপনার মতামত লিখুন