এমপি পুত্র আশার নির্দেশ অমান্য করে চলছে পাপ্পু ও কবিরের ১নং খেয়াঘাটের অবৈধ স্ট্যান্ড
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও তার পুত্র আবুল কাউছার আশার নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই বন্দর ১নং খেয়াঘাট এলাকার সিএনজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড যথারীতি পরিচালনা করছেন স্থানীয় শ্রমিক নেতারা। ১ দিনের দেওয়া আল্টিমেটাম পার হয়ে গেলেও রাস্তা থেকে সিএনজি ও অটো সরিয়ে না নেওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গতকাল বিকেলে বন্দর খেয়াঘাট সংলগ্ন একটি মন্দিরের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে তীব্র যানজট চোখে পড়ে আবুল কাউছার আশার। এ সময় বন্দরবাসীকে যানজটমুক্ত সড়ক উপহার দিতে গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে মাধবপাশা ও বালুচর লাইনের সিএনজি এবং অটোরিকশা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এর জন্য বন্দর ১নং খেয়াঘাট সিএনজি শ্রমিক কমিটিকে ১ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়।
তবে আশার বেঁধে দেওয়া সময় পার হয়ে গেলেও সেই নির্দেশনা বিন্দুমাত্র বাস্তবায়ন করেননি খেয়াঘাট সিএনজি শ্রমিক কমিটির সভাপতি পাপ্পু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির। স্ট্যান্ডের দায়িত্বে থাকা এসব নেতারা নির্দেশনা পুরোপুরি উপেক্ষা করে যথারীতি যানবাহন চলাচল অব্যাহত রেখেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও পবিত্র রমজান মাসের আগে বন্দরবাসীকে যানজটমুক্ত রাখতে বন্দর বাজার থেকে নবীগঞ্জ স্ট্যান্ডের গাড়িগুলো ঘাট এলাকা থেকে যাত্রী নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং মাধবপাশা ও বালুচর লাইনের অটো ও সিএনজি সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারও আগের অবস্থায় ফিরে আসে খেয়াঘাট এলাকা।
সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব প্রকাশ্যে নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও সিএনজি ও অটো শ্রমিক কমিটির নেতাদের এমন অবাধ্যতায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পথচারী ও যাত্রীরা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—সংসদ সদস্যের পুত্রের স্পষ্ট নির্দেশ যেখানে শ্রমিক নেতারা অমান্য করার সাহস দেখান, সেখানে বন্দরের এই দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসনে প্রকৃতপক্ষে কে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে?।
আপনার মতামত লিখুন