ঢাকা   রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

ফতুল্লায় স্বামীর বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার



ফতুল্লায় স্বামীর বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার স্বামীর বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের স্নাতক ২০১৯-২০ ও স্নাতকোত্তর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার সাইনবোর্ড এলাকার স্বামীর বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার স্বামী নাজমুল ইসলাম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে একই বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলামের সঙ্গে ফারজানা বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হতো। নাজমুল প্রথমে বেকার ছিলেন। পরে চাকরি পাওয়ার পর তার অর্থের চাহিদা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে অর্থের জন্য চাপ দেওয়ার পাশাপাশি ফারজানার ওপর নির্যাতনও চলতে থাকে।

তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ফারজানার সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। তখন তার কথাবার্তায় অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়নি। এরপর রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তাকে কল করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘পারিবারিক কলহ থেকে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি। এই ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে ফতুল্লা থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


ফতুল্লায় স্বামীর বাসা থেকে কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার স্বামীর বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের স্নাতক ২০১৯-২০ ও স্নাতকোত্তর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার সাইনবোর্ড এলাকার স্বামীর বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তার স্বামী নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার স্বামী নাজমুল ইসলাম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে একই বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলামের সঙ্গে ফারজানা বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হতো। নাজমুল প্রথমে বেকার ছিলেন। পরে চাকরি পাওয়ার পর তার অর্থের চাহিদা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে অর্থের জন্য চাপ দেওয়ার পাশাপাশি ফারজানার ওপর নির্যাতনও চলতে থাকে।

তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ফারজানার সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। তখন তার কথাবার্তায় অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়নি। এরপর রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তাকে কল করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘পারিবারিক কলহ থেকে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি। এই ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে ফতুল্লা থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা প্রক্রিয়াধীন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত