কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের জনবহুল এলাকা থেকে সরিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপযুক্ত স্থান নির্বাচনের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, কারাগার স্থানান্তরের জন্য নির্ভুল জায়গা নির্বাচনের লক্ষ্যে অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হবে।সচিবালয়ে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকমঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এই তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কুমিল্লা সদরের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কুমিল্লার রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রতিনিধি দলে যারা ছিলেনবৈঠকে কুমিল্লার বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা কারাগারের সামনের প্রাচীর নির্মাণের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন:মনিরুল হক চৌধুরী (সংসদ সদস্য, কুমিল্লা সদর)আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম (সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা বিএনপি)মাসুক আলতাফ চৌধুরী (সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা প্রেস ক্লাব)আবুল কাশেম হৃদয় (সম্পাদক, দৈনিক কুমিল্লার কাগজ)নাসির উদ্দিন (সদস্যসচিব, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চ)বাহার উদ্দিন রায়হান (সাংবাদিক, সময় টিভি)মাইনুল হাসান রিপন (ব্যবসায়ী)মাসুমুল বারী কাউসার (এনসিপি নেতা)এছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।স্থানান্তরের গুরুত্ব ও প্রযুক্তিগত পদক্ষেপকুমিল্লা শহরের বর্তমান কারাগারটি শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় প্রায়ই নানা ধরনের জটিলতা ও নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। তাই পরিকল্পিত উপায়ে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কারাগারটি শহরের বাইরে স্থানান্তর করা এখন সময়ের দাবি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইট নির্বাচনের এই সিদ্ধান্তকে কুমিল্লার সচেতন মহল ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আশা প্রকাশ করছেন যে, ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কারাগারের জন্য এমন একটি স্থান নির্বাচন করা সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদে জনস্বার্থ ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।