নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের চিহ্নিত ভূমিদস্যু আয়নাল হক সরকারী খাল সংলগ্ন জমি হতে মাটি কেটে নিজ ইটভাটায় নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান,প্রতি বছর বর্ষা আসার আগে সরকারী খাল ও খাল সংলগ্ন জমি হতে মধ্যনগর ব্রীজের উত্তর পাশ্বস্থ নিজ ইটভাটা মেসার্স আয়নাল হক ব্রীক ফিল্ডে কয়েক লাখ টাকার মাটি কেটে নেয় আয়নাল হক ও তার সহযোগীরা।
কেউ বাঁধা দিলে আয়নাল হক হুমকি দিয়ে বলে বক্তাবলী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও সহকারী কমিশনার ভূমি( ফতুল্লা) সার্কেল অফিসকে ম্যানেজ করে মাটি কেটে থাকি।সাংবাদিকরা লিখে আমার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবেনা।বরং গনমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাজে মন্তব্য করেন বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়।
একটি সুত্র হতে জানা যায়,এর আগে একবার সরকারী জমি হতে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগে আয়নাল হককে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ আটক করে ছিল।তখন পুলিশকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিল।
ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই।নেই টেক্স দেয়ার রেকর্ড। সম্পূর্ন অবৈধ পন্থায় চলছে পরিবেশ দূষন করে ইটভাটা।
আওয়ামী লীগের দোসর আয়নাল হক বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব বিস্তার করে নিরীহ মানুষের জমি দখল করে ও পার্টনারদের কোন ধরনের টাকা পয়সা না দিয়ে এককভাবে ইটভাটা দখল করে নেন।তার বিরুদ্ধে সরকারী বিভিন্ন দফতরে আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে ফতুল্লা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর প্রভাব বিস্তার করে ইটভাটার অংশীদারদের হুমকি- ধামকি মামলার ভয় দেখিয়ে হক পাওনা হতে বঞ্চিত করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট শওকত চেয়ারম্যান সহ তার অনুসারীরা পালিয়ে গেলে শওকত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র - জনতা হত্যা মামলা হলেও আয়নাল হকের বিরুদ্ধে কোন মামলা না হওয়ায় হতবাক বনে যায় ভূক্তভোগী মহল।
স্থানীয় বিএনপির কিছু অর্থলোভী নেতাকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে এলাকায় অবস্থান করে দিব্যি ব্যবসা বানিজ্য চালিয়ে আসছে।
আয়নাল হক কর্তৃক নির্যাতিতদের দাবী ভূমিদস্যু আয়নাল হককে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা হত্যা মামলায় আটক করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসা বাদ করা হলে আওয়ামী লীগের অনেক অপকর্মের তথ্য বেড়িয়ে আসবে।
এ ব্যাপারে আয়নাল হক মুঠোফোনে বলেন,আমি সরকারী জমির মাটি কাটছিনা।আপনি সরাসরি এসে দেখে যান ও দুরে আছি বলে সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
এ ব্যাপারে বক্তাবলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার ইয়া নবী মুঠোফোনে বলেন,এ বিষয়ে আমি জানিনা।ম্যানেজ করে মাটি কাটছে ভূয়া ও মিথ্যা কথা।খাস জমি হতে মাটি কাটতে পারেনা।বিষয়টি আমি দেখছি।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের চিহ্নিত ভূমিদস্যু আয়নাল হক সরকারী খাল সংলগ্ন জমি হতে মাটি কেটে নিজ ইটভাটায় নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান,প্রতি বছর বর্ষা আসার আগে সরকারী খাল ও খাল সংলগ্ন জমি হতে মধ্যনগর ব্রীজের উত্তর পাশ্বস্থ নিজ ইটভাটা মেসার্স আয়নাল হক ব্রীক ফিল্ডে কয়েক লাখ টাকার মাটি কেটে নেয় আয়নাল হক ও তার সহযোগীরা।
কেউ বাঁধা দিলে আয়নাল হক হুমকি দিয়ে বলে বক্তাবলী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও সহকারী কমিশনার ভূমি( ফতুল্লা) সার্কেল অফিসকে ম্যানেজ করে মাটি কেটে থাকি।সাংবাদিকরা লিখে আমার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবেনা।বরং গনমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বাজে মন্তব্য করেন বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়।
একটি সুত্র হতে জানা যায়,এর আগে একবার সরকারী জমি হতে মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগে আয়নাল হককে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ আটক করে ছিল।তখন পুলিশকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিল।
ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই।নেই টেক্স দেয়ার রেকর্ড। সম্পূর্ন অবৈধ পন্থায় চলছে পরিবেশ দূষন করে ইটভাটা।
আওয়ামী লীগের দোসর আয়নাল হক বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব বিস্তার করে নিরীহ মানুষের জমি দখল করে ও পার্টনারদের কোন ধরনের টাকা পয়সা না দিয়ে এককভাবে ইটভাটা দখল করে নেন।তার বিরুদ্ধে সরকারী বিভিন্ন দফতরে আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে ফতুল্লা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর প্রভাব বিস্তার করে ইটভাটার অংশীদারদের হুমকি- ধামকি মামলার ভয় দেখিয়ে হক পাওনা হতে বঞ্চিত করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট শওকত চেয়ারম্যান সহ তার অনুসারীরা পালিয়ে গেলে শওকত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র - জনতা হত্যা মামলা হলেও আয়নাল হকের বিরুদ্ধে কোন মামলা না হওয়ায় হতবাক বনে যায় ভূক্তভোগী মহল।
স্থানীয় বিএনপির কিছু অর্থলোভী নেতাকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে এলাকায় অবস্থান করে দিব্যি ব্যবসা বানিজ্য চালিয়ে আসছে।
আয়নাল হক কর্তৃক নির্যাতিতদের দাবী ভূমিদস্যু আয়নাল হককে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা হত্যা মামলায় আটক করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসা বাদ করা হলে আওয়ামী লীগের অনেক অপকর্মের তথ্য বেড়িয়ে আসবে।
এ ব্যাপারে আয়নাল হক মুঠোফোনে বলেন,আমি সরকারী জমির মাটি কাটছিনা।আপনি সরাসরি এসে দেখে যান ও দুরে আছি বলে সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
এ ব্যাপারে বক্তাবলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার ইয়া নবী মুঠোফোনে বলেন,এ বিষয়ে আমি জানিনা।ম্যানেজ করে মাটি কাটছে ভূয়া ও মিথ্যা কথা।খাস জমি হতে মাটি কাটতে পারেনা।বিষয়টি আমি দেখছি।

আপনার মতামত লিখুন