ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এবং ১০ বছর বয়সী মাদরাসা শিক্ষার্থী ইমরান গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সেক্রেটারি বলেন, "রাজনীতির নামে পেশিশক্তির মহড়া এবং তুচ্ছ আধিপত্য বিস্তারের বলি হতে হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের। ফতুল্লায় সংঘর্ষের ঘটনায় মাদরাসা ছাত্র ইমরানের গুলিবিদ্ধ হওয়া কেবল ন্যাক্কারজনকই নয়, বরং চরম অমানবিক। একটি সুস্থ ও গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের সংঘাত কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।"
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "রাজনৈতিক পরিচয়ে যারা সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে এবং আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করছে, তারা সমাজের শত্রু। শিশু ইমরানের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক, যা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, "জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে ফতুল্লাসহ পুরো জেলায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।"
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আহত শিক্ষার্থী ইমরানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
ফতুল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এবং ১০ বছর বয়সী মাদরাসা শিক্ষার্থী ইমরান গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সেক্রেটারি বলেন, "রাজনীতির নামে পেশিশক্তির মহড়া এবং তুচ্ছ আধিপত্য বিস্তারের বলি হতে হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের। ফতুল্লায় সংঘর্ষের ঘটনায় মাদরাসা ছাত্র ইমরানের গুলিবিদ্ধ হওয়া কেবল ন্যাক্কারজনকই নয়, বরং চরম অমানবিক। একটি সুস্থ ও গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের সংঘাত কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।"
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "রাজনৈতিক পরিচয়ে যারা সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে এবং আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করছে, তারা সমাজের শত্রু। শিশু ইমরানের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক, যা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আমরা অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, "জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে ফতুল্লাসহ পুরো জেলায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।"
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আহত শিক্ষার্থী ইমরানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন