খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে অবৈধ বলে সংসদে তা উত্থাপন করা হয়নি। অথচ তারা জুলাই সনদে সাক্ষর ও গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে যে রায় এসেছে তা বাস্তবায়নে সরকারি দলের নীতিগত দায় রয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদের যে ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল নির্বাচিত সংসদকে সেগুলো নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করতে হবে। গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
দেশের স্বাস্থ্যখাতে ভয়াবহ অরাজকতা বিরাজ করছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জাম সংকটে চিকিৎসা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। হাম প্রাদুর্ভাবে অনেক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। মশার উৎপাত বেড়েছে। জ্বালানী তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩দিন অনলাইন ক্লাস চালু অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত। এতে আর্থিক ও নৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের বহুমুখী ক্ষতির শিকার হতে হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় সরকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ও আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। পাবলিক পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসার জন্য সরকারকে আহ্বান করছি।
৭ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত আটটায় মহানগর মজলিস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ সদর থানা শাখার মজলিসে শূরার বার্ষিক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা শাখার সহ-সভাপতি আলমগীর হুসাইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হাফেজ আওলাদের পরিচালনায় উক্ত অধিবেশনে নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শরীফ মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, প্রমুখ।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে অবৈধ বলে সংসদে তা উত্থাপন করা হয়নি। অথচ তারা জুলাই সনদে সাক্ষর ও গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে যে রায় এসেছে তা বাস্তবায়নে সরকারি দলের নীতিগত দায় রয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদের যে ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল নির্বাচিত সংসদকে সেগুলো নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করতে হবে। গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
দেশের স্বাস্থ্যখাতে ভয়াবহ অরাজকতা বিরাজ করছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জাম সংকটে চিকিৎসা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। হাম প্রাদুর্ভাবে অনেক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। মশার উৎপাত বেড়েছে। জ্বালানী তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩দিন অনলাইন ক্লাস চালু অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত। এতে আর্থিক ও নৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের বহুমুখী ক্ষতির শিকার হতে হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় সরকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ও আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। পাবলিক পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসার জন্য সরকারকে আহ্বান করছি।
৭ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত আটটায় মহানগর মজলিস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ সদর থানা শাখার মজলিসে শূরার বার্ষিক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা শাখার সহ-সভাপতি আলমগীর হুসাইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হাফেজ আওলাদের পরিচালনায় উক্ত অধিবেশনে নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শরীফ মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন