নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ বন্দরে দীর্ঘদিনের আত্মগোপন ভেঙে প্রকাশ্যে এসেছেন বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা মেহদী হাসান রকি। তার আকস্মিক উপস্থিতি এবং এলাকায় পুনরায় বেপরোয়া আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে রকি এলাকাছাড়া থাকলেও সম্প্রতি তাকে প্রকাশ্যে মহড়া দিতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় ফিরেই তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে পুনরায় শক্তিমত্তা প্রদর্শন শুরু করেছেন, যা সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে
প্রকাশ্য মহড়া: বন্দরে নিজের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে নিয়মিত যাতায়াত এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন।চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব: পুনরায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি: তার উপস্থিতির কারণে এলাকায় যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
রকির এই 'বেপরোয়া' প্রত্যাবর্তনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বন্দরবাসী। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা থাকলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ বন্দরে দীর্ঘদিনের আত্মগোপন ভেঙে প্রকাশ্যে এসেছেন বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতা মেহদী হাসান রকি। তার আকস্মিক উপস্থিতি এবং এলাকায় পুনরায় বেপরোয়া আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে রকি এলাকাছাড়া থাকলেও সম্প্রতি তাকে প্রকাশ্যে মহড়া দিতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় ফিরেই তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে পুনরায় শক্তিমত্তা প্রদর্শন শুরু করেছেন, যা সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে
প্রকাশ্য মহড়া: বন্দরে নিজের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে নিয়মিত যাতায়াত এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন।চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব: পুনরায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খাতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি: তার উপস্থিতির কারণে এলাকায় যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
রকির এই 'বেপরোয়া' প্রত্যাবর্তনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বন্দরবাসী। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা থাকলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন