বন্দরে মামলাবাজ কুদ্দুসের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আব্দুল কুদ্দুস নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও নিরীহ মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তিনি কখনো সাংবাদিক, আবার কখনো উকিল পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস ২৭ নং ওয়ার্ড বন্দরের মুরাদপুর এলাকার মৃত জমত আলীর ছেলে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নয়ন আলী ভূঁইয়া বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতারক আব্দুল কুদ্দুস নিজেকে কখনো সাংবাদিক, আবার কখনো আইনজীবী (উকিল) পরিচয়ে এলাকার সহজ সরল মানুষদের ধোকা দিচ্ছেন । ভুয়া পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে তিনি স্থানীয় ভূমি অফিসসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব বিস্তার করে অনৈতিক সুবিধা আদায় করে আসছেন। সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী নয়ন আলী জানান, তিনি তার নিজের আপন ভাই তোফাজ্জল হোসেনের কাছ থেকে একটি জমি ক্রয় করেন। জমিটি নামজারি বা খারিজ (মিউটেশন) করার জন্য আব্দুল কুদ্দুস তার কাছ থেকে ২৫ (পঁচিশ( হাজার টাকা নেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর এক বছর পার হয়ে গেলেও তিনি জমি খারিজ করে দেননি। উল্টো নানা আইনি ও দাপ্তরিক জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে নয়ন আলীর কাছে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন কুদ্দুস।পরবর্তীতে কুদ্দুসকে অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে নয়ন আলী নিজেই জমি খারিজের কাজ সম্পন্ন করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কুদ্দুস নয়ন আলীর আপন ভাই তোফাজ্জল হোসেনকে ফুসলিয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা প্রতারণা মামলা দায়ের করান।নয়ন আলী আরও অভিযোগ করে বলেন, "প্রতারক ও ভুয়া পরিচয়ধারী কুদ্দুসের খপ্পরে পড়ে বন্দরের মুরাদপুর এলাকার বহু নিরীহ মানুষ আজ সর্বস্বান্ত ও দিশেহারা। আমি এই প্রতারক ও চাঁদাবাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও যথোপযুক্ত বিচার দাবি করছি। এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। প্রতারক কুদ্দুসের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
আপনার মতামত লিখুন