নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব ১১০ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসীর একটি হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করেছে। তালিকায় জেলার বিভিন্ন থানা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সক্রিয় শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও অস্ত্রধারী অপরাধীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, তালিকাটি প্রস্তুত করতে গোয়েন্দা তথ্য, পূর্বের মামলা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন সংস্থার তথ্য সমন্বয় করা হয়েছে। তালিকাভুক্তদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এবং এলাকাভিত্তিক গ্রুপ তৈরি করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।
বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা, বন্দর, আড়াইহাজার ও শহর এলাকার কয়েকটি স্পটকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা ও টেন্ডারবাজির ঘটনা বেশি ঘটে। এসব এলাকায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, তালিকাভুক্তদের অনেকেই ইতোমধ্যে আত্মগোপনে রয়েছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, মোবাইল ট্র্যাকিং ও গোপন সূত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাদের সহযোগী ও অর্থের উৎস চিহ্নিত করতেও কাজ চলছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, শিগগিরই তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। গ্রেফতারের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন বলছে, র্যাবের এই উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা গেলে নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব ১১০ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসীর একটি হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করেছে। তালিকায় জেলার বিভিন্ন থানা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সক্রিয় শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও অস্ত্রধারী অপরাধীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, তালিকাটি প্রস্তুত করতে গোয়েন্দা তথ্য, পূর্বের মামলা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন সংস্থার তথ্য সমন্বয় করা হয়েছে। তালিকাভুক্তদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে গডফাদারদের ছত্রছায়ায় থেকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এবং এলাকাভিত্তিক গ্রুপ তৈরি করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।
বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা, বন্দর, আড়াইহাজার ও শহর এলাকার কয়েকটি স্পটকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা ও টেন্ডারবাজির ঘটনা বেশি ঘটে। এসব এলাকায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, তালিকাভুক্তদের অনেকেই ইতোমধ্যে আত্মগোপনে রয়েছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, মোবাইল ট্র্যাকিং ও গোপন সূত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তাদের সহযোগী ও অর্থের উৎস চিহ্নিত করতেও কাজ চলছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, শিগগিরই তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। গ্রেফতারের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন বলছে, র্যাবের এই উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা গেলে নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন