মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়ির সামনে অনশনে বসে অবশেষে প্রেমিকাকে ফিরে পেয়েছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮)। টানা কয়েকদিনের অনশন ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাধানে এগিয়ে আসেন।
বিশ্বজিতের দাবি ছিল, প্রায় ১০ বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক এবং চার বছর আগে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেন। তবে সম্প্রতি পারিবারিক কারণে অনুশীলা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
অন্যদিকে, অনুশীলা প্রথমদিকে সম্পর্ক অস্বীকার করে ডিভোর্সের কথা বললেও পরে পারিবারিক ও সামাজিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আলোচনা শেষে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং অনুশীলা বাড়ৈ বিশ্বজিৎকে স্বামী হিসেবে মেনে নেন। পরে অনশন ভেঙে দেন বিশ্বজিৎ।
এলাকাবাসী জানান, “দীর্ঘদিনের সম্পর্কের একটি সমাধান হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।”
ডাসার থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হওয়ায় কোনো আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হয়নি।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়ির সামনে অনশনে বসে অবশেষে প্রেমিকাকে ফিরে পেয়েছেন বিশ্বজিৎ বাড়ৈ (২৮)। টানা কয়েকদিনের অনশন ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাধানে এগিয়ে আসেন।
বিশ্বজিতের দাবি ছিল, প্রায় ১০ বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক এবং চার বছর আগে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেন। তবে সম্প্রতি পারিবারিক কারণে অনুশীলা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
অন্যদিকে, অনুশীলা প্রথমদিকে সম্পর্ক অস্বীকার করে ডিভোর্সের কথা বললেও পরে পারিবারিক ও সামাজিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আলোচনা শেষে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং অনুশীলা বাড়ৈ বিশ্বজিৎকে স্বামী হিসেবে মেনে নেন। পরে অনশন ভেঙে দেন বিশ্বজিৎ।
এলাকাবাসী জানান, “দীর্ঘদিনের সম্পর্কের একটি সমাধান হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।”
ডাসার থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হওয়ায় কোনো আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন