ঢাকা   রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

আবুল কাউসার আশার নির্দেশে মুছাপুরে মাদকবিরোধী অভিযান, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিশের বিশেষ অভিযান দাবি



আবুল কাউসার আশার নির্দেশে মুছাপুরে মাদকবিরোধী অভিযান, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিশের বিশেষ অভিযান দাবি

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আবুল কাউসার আশার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী ইকবাল, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার লাভলী আক্তার এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয়রা এ কার্যক্রমে অংশ নেন বলে জানা গেছে।

মুছাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাকসরাইল গ্রাম ও তাজপুর ঋষিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সতর্ক করার পরও মাদক বিক্রি বন্ধ হয়নি, অভিযোগ এলাকাবাসীর

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে মাদক বিক্রি বন্ধে এর আগেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। এমনকি মাইকিং করেও মাদক বিক্রি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। তবে এসব উদ্যোগের পরও মাদক বিক্রি বন্ধ হয়নি বলে দাবি তাঁদের।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন ব্যক্তিদের বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কয়েকজন আটক হলেও পরবর্তী সময়ে জামিনে বেরিয়ে এসে কেউ কেউ আবার একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। আটক ব্যক্তিদের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগে সাজুনি, হাফেজ, শাকিল, লিটন, ডালিম, সাকিব, জোহরা, হানিফ ও হামিজাসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা যায় না।

৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ অভিযান চান এলাকাবাসী

স্থানীয়দের দাবি, মুছাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাকসরাইল ও তাজপুর ঋষিপাড়াসহ মাদক বিক্রির অভিযোগ ওঠা এলাকাগুলোতে দ্রুত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হোক।

এ জন্য বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন ও নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।

এলাকাবাসীর মতে, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুনরায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সমস্যা থাকায় এলাকার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা চান তাঁরা।

এলাকার বাসিন্দা পরান, ফেরদৌস, বিএনপি নেতা তাজুল, শফিকুল, মেছাল, সিরাজউদ্দিন, শাহাবুদ্দিন, লকত আলী, জামাল ও মতিনসহ স্থানীয়রা মুছাপুর ইউনিয়নে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মাদক বিক্রি বন্ধ হবে এবং মুছাপুর ইউনিয়নে স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


আবুল কাউসার আশার নির্দেশে মুছাপুরে মাদকবিরোধী অভিযান, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিশের বিশেষ অভিযান দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আবুল কাউসার আশার নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী ইকবাল, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার লাভলী আক্তার এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয়রা এ কার্যক্রমে অংশ নেন বলে জানা গেছে।


মুছাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাকসরাইল গ্রাম ও তাজপুর ঋষিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


সতর্ক করার পরও মাদক বিক্রি বন্ধ হয়নি, অভিযোগ এলাকাবাসীর


স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে মাদক বিক্রি বন্ধে এর আগেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। এমনকি মাইকিং করেও মাদক বিক্রি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। তবে এসব উদ্যোগের পরও মাদক বিক্রি বন্ধ হয়নি বলে দাবি তাঁদের।


এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন ব্যক্তিদের বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কয়েকজন আটক হলেও পরবর্তী সময়ে জামিনে বেরিয়ে এসে কেউ কেউ আবার একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। আটক ব্যক্তিদের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


স্থানীয়দের অভিযোগে সাজুনি, হাফেজ, শাকিল, লিটন, ডালিম, সাকিব, জোহরা, হানিফ ও হামিজাসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা যায় না।


৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ অভিযান চান এলাকাবাসী


স্থানীয়দের দাবি, মুছাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাকসরাইল ও তাজপুর ঋষিপাড়াসহ মাদক বিক্রির অভিযোগ ওঠা এলাকাগুলোতে দ্রুত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হোক।


এ জন্য বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন ও নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।


এলাকাবাসীর মতে, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুনরায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।


স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সমস্যা থাকায় এলাকার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা চান তাঁরা।


এলাকার বাসিন্দা পরান, ফেরদৌস, বিএনপি নেতা তাজুল, শফিকুল, মেছাল, সিরাজউদ্দিন, শাহাবুদ্দিন, লকত আলী, জামাল ও মতিনসহ স্থানীয়রা মুছাপুর ইউনিয়নে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।


এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মাদক বিক্রি বন্ধ হবে এবং মুছাপুর ইউনিয়নে স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসবে।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত