বন্দর মুছাপুরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণদের পছন্দ মাহমুদুল হাসান শুভ
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লা ও চা-স্টলগুলোতে এখন বইছে আগাম নির্বাচনের বাতাস। প্র প্রার্থীদের সম্ভাবনা, অতীত কর্মকাণ্ড এবং নানা রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা-সমালোচনায় সরগরম পুরো এলাকা। তবে মুছাপুরের দাসেরগাঁ থেকে শুরু করে নাঙ্গলবন্ধ বাজার পর্যন্ত সাধারণ ভোটার—বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের পছন্দের শীর্ষে উঠে এসেছেন মাহমুদুল হাসান শুভ।
সরেজমিনে নাঙ্গলবন্ধ বাজারে গিয়ে জানা যায় সাধারণ মানুষের ইতিবাচক ভাবনার কথা। স্থানীয় মুদি দোকানদার মো. সালেহ অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "ক্ষমতায় গেলে অনেকেই বদলে যায়। কিন্তু এই পরিবারটি বিগত দিনে ক্ষমতায় থাকলেও কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল না। শুভ ভাই একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের মানুষ। আশা করি, জনগণ তাঁদের মূল্যবান ভোটে তাঁকে নির্বাচিত করবে।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সমীকরণে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনে বর্তমান শাসক দল বিএনপির দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একাধিক সতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে পারেন। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী থেকে একক প্রার্থী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই)-ও দীর্ঘদিন ধরে এ ইউনিয়নে তাদের নিজস্ব প্রার্থী দিয়ে আসছে।
তবে সব দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের টানাপোড়েনের মধ্যেও ভোটের মাঠে মূল নির্ণায়ক শক্তি হয়ে উঠতে পারেন এলাকার উদীয়মান তরুণ সমাজ। আর তরুণ ভোটারদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান শুভর গ্রহণযোগ্যতা ও ব্যাপক জনপ্রিয়তাই তাঁকে নির্বাচনের দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আপনার মতামত লিখুন