ঢাকা   সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

হানিট্র্যাপ ও ব্যবসায়িক বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা



হানিট্র্যাপ ও ব্যবসায়িক বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা
হানিট্র্যাপ ও ব্যবসায়িক বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা,-আশংকাজনক গুরুতর আহত ইকবাল।

বরগুনার বামনা উপজেলায় হানিট্র্যাপে ফাঁসানোর অভিযোগ ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে মোঃ ইকবাল হোসেন (৪০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ২নং বামনা সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সফিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইকবাল হোসেন পশ্চিম সফিপুর গ্রামের মৃত কাসেম আলী হাং-এর ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ইকবাল হোসেন বামনা বাজার থেকে একটি রিকশাযোগে লঞ্চঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথে বেগম ফায়জুন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজ সড়কে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেল তার রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় অভিযুক্ত বাদল ও পলাশসহ কয়েকজন তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় বাসিন্দা শামিম হোসেন মোল্লা আহত অবস্থায় ইকবালকে উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,অভিযুক্তদের সঙ্গে ইকবালের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। বিশেষ করে অভিযুক্ত বাদলের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ও পরবর্তীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আহত ইকবাল হোসেনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তার কাছে থাকা প্রায় সাত লাখ টাকা ও গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়েছে। তিনি আরও জানান, পূর্বের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব ও চাঁদা দাবির বিরোধ থেকেই এ হামলার সূত্রপাত।

তবে অভিযুক্ত বাদলের স্ত্রী রোজিনা বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ইকবাল আমাদের আত্মীয়, এর বাইরে আমি কিছু জানি না।”

অভিযুক্ত বাদল ও পলাশের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, ইকবালের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬


হানিট্র্যাপ ও ব্যবসায়িক বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বরগুনার বামনা উপজেলায় হানিট্র্যাপে ফাঁসানোর অভিযোগ ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে মোঃ ইকবাল হোসেন (৪০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ২নং বামনা সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সফিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ইকবাল হোসেন পশ্চিম সফিপুর গ্রামের মৃত কাসেম আলী হাং-এর ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ইকবাল হোসেন বামনা বাজার থেকে একটি রিকশাযোগে লঞ্চঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথে বেগম ফায়জুন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজ সড়কে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেল তার রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় অভিযুক্ত বাদল ও পলাশসহ কয়েকজন তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় বাসিন্দা শামিম হোসেন মোল্লা আহত অবস্থায় ইকবালকে উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,অভিযুক্তদের সঙ্গে ইকবালের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। বিশেষ করে অভিযুক্ত বাদলের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ও পরবর্তীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

আহত ইকবাল হোসেনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তার কাছে থাকা প্রায় সাত লাখ টাকা ও গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়েছে। তিনি আরও জানান, পূর্বের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব ও চাঁদা দাবির বিরোধ থেকেই এ হামলার সূত্রপাত।

তবে অভিযুক্ত বাদলের স্ত্রী রোজিনা বেগম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ইকবাল আমাদের আত্মীয়, এর বাইরে আমি কিছু জানি না।”

অভিযুক্ত বাদল ও পলাশের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, ইকবালের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম "বাংলার শিরোনামের এ প্রতিবেদক'কে" বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত