ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

একতা সুপার মার্কেট অবৈধ দখল আশা, হিরন ও আওয়ামী সন্ত্রাসী খলিলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে অভিযোগ



একতা সুপার মার্কেট অবৈধ দখল আশা, হিরন ও আওয়ামী সন্ত্রাসী খলিলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মদনপুরে একতা সুপার মার্কেট দখলের ঘটনায় এবার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একতা সুপার মার্কেটের দোকান মালিক ও মদনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাবিল মিয়া।

বুধবার ৭ অক্টোবর সকালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এর ছেলে ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরন ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী খলিল মেম্বারের নামে মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মো. কাবিল প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্যালয়ে এ অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।

‎অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সমিতির কতিপয় বিপদগামী সদস্য আওয়ামী সন্ত্রাসী খলিল মেম্বার ও বিএনপি বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরন এর নেতত্বে প্রায় ২০০ শতাধিক সশস্ত্র বহিরাগত লোকদের নিয়ে সমিতির অফিস ও মার্কেট অবৈধ পন্থায় দখল করেন। আর তাদেরকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের ছেলে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। তারা সমিতির নির্বাচিত কমিটির সম্পাদক, সদস্য, মার্কেটের ম্যানেজার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত গার্ডদেরকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। এ সময় সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর, তহবিলের নগদ টাকা আত্মসাৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বিনষ্ট করা হয়।

এছাড়াও মার্কেটের নিচতলার ‘মেসার্স ময়মুনা আক্তার ড্রাগ হাউজ’ নামক একটি ওষুধের দোকান জোরপূর্বক বন্ধ রাখা হয়েছে। সমবায় আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে মার্কেট থেকে ভাড়া ও সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে। মার্কেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এলিট ফোর্স কোম্পানির গার্ডদের বের করে দিয়ে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জবরদখল বজায় রাখা হয়েছে। এতে মার্কেটের মালিক ও ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

‎‎জানা যায়, ১৯৯৭ সালে ১০১ জন সদস্যের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১১৪ শতাংশ জমি কিনে ২০০০ সালে ‘একতা সুপার মার্কেট মালিক বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড গঠিত হয় যার নিবন্ধন নম্বর-৩৩৬, তারিখ- ১৬/১১/২০০০ইং। সমবায় আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে নির্বাচিত বর্তমান কমিটির মেয়াদ ২০২৭ সালের ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল রয়েছে।

‎উল্লেখিতরা আইনগতভাবে বৈধ কমিটিকে পাশ কাটিয়ে পেশিশক্তি খাটিয়ে মার্কেটটি দখল নেওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষদের মানে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

দ্রুত মার্কেটটি অবৈধ দখলমুক্ত করে বৈধ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর এবং বন্ধ দোকানগুলো অবিলম্বে খুলে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।‎

‎এর আগে জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এছাড়া গত ২৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিটি প্রেস ক্লাবে সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকেও বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


একতা সুপার মার্কেট অবৈধ দখল আশা, হিরন ও আওয়ামী সন্ত্রাসী খলিলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মদনপুরে একতা সুপার মার্কেট দখলের ঘটনায় এবার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একতা সুপার মার্কেটের দোকান মালিক ও মদনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাবিল মিয়া।

বুধবার ৭ অক্টোবর সকালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এর ছেলে ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরন ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী খলিল মেম্বারের নামে মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মো. কাবিল প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্যালয়ে এ অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।

‎অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সমিতির কতিপয় বিপদগামী সদস্য আওয়ামী সন্ত্রাসী খলিল মেম্বার ও বিএনপি বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম হিরন এর নেতত্বে প্রায় ২০০ শতাধিক সশস্ত্র বহিরাগত লোকদের নিয়ে সমিতির অফিস ও মার্কেট অবৈধ পন্থায় দখল করেন। আর তাদেরকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের ছেলে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। তারা সমিতির নির্বাচিত কমিটির সম্পাদক, সদস্য, মার্কেটের ম্যানেজার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত গার্ডদেরকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। এ সময় সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর, তহবিলের নগদ টাকা আত্মসাৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বিনষ্ট করা হয়।

এছাড়াও মার্কেটের নিচতলার ‘মেসার্স ময়মুনা আক্তার ড্রাগ হাউজ’ নামক একটি ওষুধের দোকান জোরপূর্বক বন্ধ রাখা হয়েছে। সমবায় আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে মার্কেট থেকে ভাড়া ও সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে। মার্কেটের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত এলিট ফোর্স কোম্পানির গার্ডদের বের করে দিয়ে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জবরদখল বজায় রাখা হয়েছে। এতে মার্কেটের মালিক ও ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

‎‎জানা যায়, ১৯৯৭ সালে ১০১ জন সদস্যের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১১৪ শতাংশ জমি কিনে ২০০০ সালে ‘একতা সুপার মার্কেট মালিক বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড গঠিত হয় যার নিবন্ধন নম্বর-৩৩৬, তারিখ- ১৬/১১/২০০০ইং। সমবায় আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে নির্বাচিত বর্তমান কমিটির মেয়াদ ২০২৭ সালের ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল রয়েছে।

‎উল্লেখিতরা আইনগতভাবে বৈধ কমিটিকে পাশ কাটিয়ে পেশিশক্তি খাটিয়ে মার্কেটটি দখল নেওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষদের মানে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

দ্রুত মার্কেটটি অবৈধ দখলমুক্ত করে বৈধ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর এবং বন্ধ দোকানগুলো অবিলম্বে খুলে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।‎

‎এর আগে জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এছাড়া গত ২৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিটি প্রেস ক্লাবে সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকেও বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছিল।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত