ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বন্দরে নবীগঞ্জে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান



বন্দরে নবীগঞ্জে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান

বন্দরে বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে  উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

ঢাকা বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা  মো: এরশাদ উদ্দিনের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: সাদরুল আলম। এছাড়া যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বন্দর থানা পুলিশের বড় একটি টিম আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানান, উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় তিন থেকে চারশত দোকানপাট, ঘরবাড়ি এবং নবীগঞ্জের ‘এসান চেয়ারম্যান মার্কেট’ সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট এস্কেভেটর (বেকু) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তারা

 বহু বছর ধরে রেলওয়ে জায়গা দখল করে  ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছিল।

 নাম প্রকাশে না করার শর্তে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নোটিশ দেওয়া রেলওয়ের নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও এভাবে হঠাৎ এসে সবকিছু গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে তা ভাবিনি। আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল।

ঢাকা বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা  মো: এরশাদ উদ্দিন জানান, রেলওয়ের জমিতে কোনো অবৈধ দখলদারকে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারি জমি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে।”

তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকজন দোকানদারকে নিজ দায়িত্বে সরে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা নিজ খরচে সরিয়ে না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জেল-জরিমানা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


বন্দরে নবীগঞ্জে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বন্দরে বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পত্তি উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে  উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনব্যাপী বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।


ঢাকা বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা  মো: এরশাদ উদ্দিনের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: সাদরুল আলম। এছাড়া যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বন্দর থানা পুলিশের বড় একটি টিম আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে।


রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানান, উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় তিন থেকে চারশত দোকানপাট, ঘরবাড়ি এবং নবীগঞ্জের ‘এসান চেয়ারম্যান মার্কেট’ সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট এস্কেভেটর (বেকু) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তারা


 বহু বছর ধরে রেলওয়ে জায়গা দখল করে  ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছিল।


 নাম প্রকাশে না করার শর্তে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নোটিশ দেওয়া রেলওয়ের নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও এভাবে হঠাৎ এসে সবকিছু গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে তা ভাবিনি। আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল।


ঢাকা বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা  মো: এরশাদ উদ্দিন জানান, রেলওয়ের জমিতে কোনো অবৈধ দখলদারকে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারি জমি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে।”


তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকজন দোকানদারকে নিজ দায়িত্বে সরে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা নিজ খরচে সরিয়ে না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জেল-জরিমানা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত