ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বন্দরে স্বামীর অবহেলায় স্ত্রী'র মৃত্যুর অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি



বন্দরে স্বামীর অবহেলায় স্ত্রী'র মৃত্যুর অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় জামাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক বৃদ্ধা মা। তিনি অভিযোগ করেছেন, পরিকল্পিতভাবে অবহেলা ও নির্যাতনের মাধ্যমে তার মেয়েকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারী সেতারা বেগম (৬৬) বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ১৫ বছর আগে তার মেয়ে ফাতেমা আক্তার নিলার সঙ্গে মো. পলাশের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। পরবর্তীতে পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করলে তার মেয়ের প্রতি অবহেলা আরও বৃদ্ধি পায়।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর মাসে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিলা মায়ের বাসায় অবস্থান করছিলেন। পরে স্বামী তাকে আবার নিয়ে যান। এরপর তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেও যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে বাসায় ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, মৃত নিলার কাছে থাকা প্রায় ৭ থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি। এসব ফেরত চাইলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

সেতারা বেগম অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, তার মেয়ের মৃত্যুর পেছনে রহস্য রয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


বন্দরে স্বামীর অবহেলায় স্ত্রী'র মৃত্যুর অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় জামাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক বৃদ্ধা মা। তিনি অভিযোগ করেছেন, পরিকল্পিতভাবে অবহেলা ও নির্যাতনের মাধ্যমে তার মেয়েকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।


অভিযোগকারী সেতারা বেগম (৬৬) বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ১৫ বছর আগে তার মেয়ে ফাতেমা আক্তার নিলার সঙ্গে মো. পলাশের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। পরবর্তীতে পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করলে তার মেয়ের প্রতি অবহেলা আরও বৃদ্ধি পায়।


লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর মাসে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিলা মায়ের বাসায় অবস্থান করছিলেন। পরে স্বামী তাকে আবার নিয়ে যান। এরপর তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেও যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে বাসায় ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।


এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, মৃত নিলার কাছে থাকা প্রায় ৭ থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি। এসব ফেরত চাইলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।


সেতারা বেগম অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, তার মেয়ের মৃত্যুর পেছনে রহস্য রয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত