ঢাকা   বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

আওয়ামীলীগ থেকে ভাড়ায় আনিত সাখাওয়াতের ৪ কর্মী!



আওয়ামীলীগ থেকে ভাড়ায় আনিত সাখাওয়াতের ৪ কর্মী!

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের নব্য বিএনপির ৪ কর্মীর দাপুট এখন শীর্ষে। তবে ৫ আগস্টের পর আইন পেশার মাধ্যমে জুনিয়র হিসেবে সৃষ্টি হওয়া বিএনপিতে ঢুকে পড়া চার কর্মী এসেছে আওয়ামীলীগ থেকে। যে কারনে অনেকেই বলছেন, সাখাওয়াতের ৪ কর্মী আওয়ামীলীগ থেকে ভাড়ায় আনা হয়েছে। তবে নব্য এই ৪ কর্মী যেনো ক্ষমতার রসদ পেয়ে ধরা কে সরা জ্ঞান করার মত্ত হয়ে ওঠেছেন। ৪ জনের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ছবি ফেসবুকে শোভা পাচ্ছে বর্তমানে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সিদ্ধিরগঞ্জের ১০নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ কর্মী খোরশেদ আলম ৫ আগস্টের কিছুদিন পুর্বে সাখাওয়াতের সঙ্গে আইন পেশায় যুক্ত হয়। তখনও সে বিএনপির রাজনীতিতে পদার্পন করেনি। কারন ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে শামীম ওসমানের নির্বাচনী প্রচারণায় লিপি ওসমানের সঙ্গে নৌকার উঠান বৈঠক করেছেন খোরশেদ আলম। কিন্তু ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতন ঘটলে সাখাওয়াতের সুবাধে বিএনপি বনে যায় খোরশেদ। এখন ১০নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকি ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে সে। বিভিন্ন বৈধ অবৈধ সেক্টর নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা করছে। সাখাওয়াতের সুবাধে নব্য এই কর্মীকে সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।

আরেক ছাত্রলীগ নেতা ফজলে রাব্বী মহিউদ্দীন সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন মিল কারখানায় গিয়ে বিএনপি নেতা ও সাখাওয়াতের ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন। আদমজী ইপিজেজের ঝুট ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে নিতে ইপিজেডের গেটের সামনে বিরাট বড় ব্যানার সাটিয়েছে ফজলে রাব্বী মহিউদ্দীন। সেও আইন পেশার মাধ্যমে সাখাওয়াতের দ্বারস্থ হোন। যদিও সে আইনজীবী হতে পারেননি। এক সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়ার সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতো মহিউদ্দীন। এখন সে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জে সাখাওয়াতের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজিতে মত্ত। বিশেষ করে ৭নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায়।

ছাত্রলীগের আরেক কর্মী সাদ্দাম হোসেনও হাসিনার সরকার পতনের পর সাখাওয়াতের কাছে জুনিয়র হিসেবে দ্বারস্থ হয়। সেও আইনজীবী হতে পারেননি। সাখাওয়াতের দাপুটে সাদ্দামকে আইন কলেজ ছাত্র ছাত্রী সংসদের ভিপি বানানো হয়েছে। অথচ এক সময় ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সাদ্দাম হোসেন। ছাত্রলীগের আরেক কর্মী মেহেদী হাসান। সেও আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলো। সে মুলত সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতো। আইন পেশার মাধ্যমে সাখাওয়াতের দ্বারস্থ হয় সে। আইনজীবী হতে পারেননি এখনও। তবে মেহেদী হাসানকেও ২নং ওয়ার্ডের সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছেন সাখাওয়াত। অর্থাৎ আওয়ামীলীগ থেকে ডেকে এনে ৪ কর্মীকে বিএনপি বানিয়ে পুরষ্কৃত করলেন সাখাওয়াত। অথচ যারা ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন কিংবা সাখাওয়াতের খারাপ সময়ে পাশে থেকেছেন সেইসব যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মুল্যায়ন করেনি সাখাওয়াত।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


আওয়ামীলীগ থেকে ভাড়ায় আনিত সাখাওয়াতের ৪ কর্মী!

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের নব্য বিএনপির ৪ কর্মীর দাপুট এখন শীর্ষে। তবে ৫ আগস্টের পর আইন পেশার মাধ্যমে জুনিয়র হিসেবে সৃষ্টি হওয়া বিএনপিতে ঢুকে পড়া চার কর্মী এসেছে আওয়ামীলীগ থেকে। যে কারনে অনেকেই বলছেন, সাখাওয়াতের ৪ কর্মী আওয়ামীলীগ থেকে ভাড়ায় আনা হয়েছে। তবে নব্য এই ৪ কর্মী যেনো ক্ষমতার রসদ পেয়ে ধরা কে সরা জ্ঞান করার মত্ত হয়ে ওঠেছেন। ৪ জনের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ছবি ফেসবুকে শোভা পাচ্ছে বর্তমানে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, সিদ্ধিরগঞ্জের ১০নং ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ কর্মী খোরশেদ আলম ৫ আগস্টের কিছুদিন পুর্বে সাখাওয়াতের সঙ্গে আইন পেশায় যুক্ত হয়। তখনও সে বিএনপির রাজনীতিতে পদার্পন করেনি। কারন ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে শামীম ওসমানের নির্বাচনী প্রচারণায় লিপি ওসমানের সঙ্গে নৌকার উঠান বৈঠক করেছেন খোরশেদ আলম। কিন্তু ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতন ঘটলে সাখাওয়াতের সুবাধে বিএনপি বনে যায় খোরশেদ। এখন ১০নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকি ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে সে। বিভিন্ন বৈধ অবৈধ সেক্টর নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা করছে। সাখাওয়াতের সুবাধে নব্য এই কর্মীকে সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।


আরেক ছাত্রলীগ নেতা ফজলে রাব্বী মহিউদ্দীন সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন মিল কারখানায় গিয়ে বিএনপি নেতা ও সাখাওয়াতের ঘনিষ্ঠজন পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন। আদমজী ইপিজেজের ঝুট ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে নিতে ইপিজেডের গেটের সামনে বিরাট বড় ব্যানার সাটিয়েছে ফজলে রাব্বী মহিউদ্দীন। সেও আইন পেশার মাধ্যমে সাখাওয়াতের দ্বারস্থ হোন। যদিও সে আইনজীবী হতে পারেননি। এক সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মিয়ার সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতো মহিউদ্দীন। এখন সে পুরো সিদ্ধিরগঞ্জে সাখাওয়াতের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজিতে মত্ত। বিশেষ করে ৭নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায়।


ছাত্রলীগের আরেক কর্মী সাদ্দাম হোসেনও হাসিনার সরকার পতনের পর সাখাওয়াতের কাছে জুনিয়র হিসেবে দ্বারস্থ হয়। সেও আইনজীবী হতে পারেননি। সাখাওয়াতের দাপুটে সাদ্দামকে আইন কলেজ ছাত্র ছাত্রী সংসদের ভিপি বানানো হয়েছে। অথচ এক সময় ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সাদ্দাম হোসেন। ছাত্রলীগের আরেক কর্মী মেহেদী হাসান। সেও আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলো। সে মুলত সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতো। আইন পেশার মাধ্যমে সাখাওয়াতের দ্বারস্থ হয় সে। আইনজীবী হতে পারেননি এখনও। তবে মেহেদী হাসানকেও ২নং ওয়ার্ডের সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছেন সাখাওয়াত। অর্থাৎ আওয়ামীলীগ থেকে ডেকে এনে ৪ কর্মীকে বিএনপি বানিয়ে পুরষ্কৃত করলেন সাখাওয়াত। অথচ যারা ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন কিংবা সাখাওয়াতের খারাপ সময়ে পাশে থেকেছেন সেইসব যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মুল্যায়ন করেনি সাখাওয়াত।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত