ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বন্দরে প্রতারক রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ



বন্দরে প্রতারক রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নে জমি বিক্রির নামে প্রতারণা ও জালিয়াতির মহোৎসবে মেতে উঠেছেন রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই প্রতারকের বিরুদ্ধে আদালত ও থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক জালিয়াতির অভিযোগ থাকলেও রহস্যজনকভাবে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সদর থানার মৃত আবু মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন ধামগড় মৌজাস্থিত আর এস খতিয়ান নং- ২২৯৬ এবং সিএস নং- ৯৬৭ ভুক্তভোগীর নিকট বিক্রির প্রস্তাব দেন। মোট ১১ শতাংশ জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

​চুক্তি অনুযায়ী, যমুনা ব্যাংকের একটি চেকের মাধ্যমে (নং- jcanob8881024) দুই লক্ষ টাকা বায়না গ্রহণ করে ৫৪৮৮ নং দলিলের মাধ্যমে বায়না রেজিস্ট্রি করা হয়। সমস্ত টাকা পেমেন্ট হওয়ার পরে চুক্তিনামায় ৩ মাসের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না রুহুল আমিন। উল্টো পাওনাদার ও ক্রেতারা জমির দাবি করলে তিনি নানা ধরনের টালবাহানা ও হুমকি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, রুহুল আমিনের প্রতারণার জাল শুধু এই একটি জমির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধামগড় ইউনিয়নের মনারবাড়ী এলাকায় তার বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত একাধিক জালিয়াতি, ভুয়া দলিল তৈরি এবং সাধারণ মানুষকে ঠকানোর অভিযোগ রয়েছে।  ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া জানান​"রুহুল আমিন একজন পেশাদার প্রতারক। তিনি একই জমি কয়েকবার বায়না করেন এবং প্রভাবশালী মহলের দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেন।" শুধু তাই নয় রুহুল আমিন ধর্ম মন্ত্রনালয়ের ইসলামি ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ শাখার তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হয়ে কোটি পতি বনে যান।  ঢাকা নারায়ণগঞ্জে গড়ে তোলেন ফ্লাট ও আলিশান বাড়ি। ভোক্তভোগীর অভিযোগ দুদুক কর্মকর্তা সঠিক অনুসন্ধান করলে বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল।

​প্রতারক রুহুল আমিন বর্তমানে রংপুর বিভাগে কর্মরত থাকলেও তার অত্যাচারে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তারা নিজেদের টাকা ও জমি উদ্ধারে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন, বন্দর থানা পুলিশ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

​ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নিলে এই প্রতারক আরও অনেক মানুষের সর্বস্ব লুটে নেবে।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


বন্দরে প্রতারক রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নে জমি বিক্রির নামে প্রতারণা ও জালিয়াতির মহোৎসবে মেতে উঠেছেন রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই প্রতারকের বিরুদ্ধে আদালত ও থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক জালিয়াতির অভিযোগ থাকলেও রহস্যজনকভাবে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।


​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সদর থানার মৃত আবু মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন ধামগড় মৌজাস্থিত আর এস খতিয়ান নং- ২২৯৬ এবং সিএস নং- ৯৬৭ ভুক্তভোগীর নিকট বিক্রির প্রস্তাব দেন। মোট ১১ শতাংশ জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।


​চুক্তি অনুযায়ী, যমুনা ব্যাংকের একটি চেকের মাধ্যমে (নং- jcanob8881024) দুই লক্ষ টাকা বায়না গ্রহণ করে ৫৪৮৮ নং দলিলের মাধ্যমে বায়না রেজিস্ট্রি করা হয়। সমস্ত টাকা পেমেন্ট হওয়ার পরে চুক্তিনামায় ৩ মাসের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না রুহুল আমিন। উল্টো পাওনাদার ও ক্রেতারা জমির দাবি করলে তিনি নানা ধরনের টালবাহানা ও হুমকি প্রদর্শন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।


​অনুসন্ধানে জানা গেছে, রুহুল আমিনের প্রতারণার জাল শুধু এই একটি জমির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধামগড় ইউনিয়নের মনারবাড়ী এলাকায় তার বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত একাধিক জালিয়াতি, ভুয়া দলিল তৈরি এবং সাধারণ মানুষকে ঠকানোর অভিযোগ রয়েছে।  ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া জানান​"রুহুল আমিন একজন পেশাদার প্রতারক। তিনি একই জমি কয়েকবার বায়না করেন এবং প্রভাবশালী মহলের দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেন।" শুধু তাই নয় রুহুল আমিন ধর্ম মন্ত্রনালয়ের ইসলামি ফাউন্ডেশনের নারায়ণগঞ্জ শাখার তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হয়ে কোটি পতি বনে যান।  ঢাকা নারায়ণগঞ্জে গড়ে তোলেন ফ্লাট ও আলিশান বাড়ি। ভোক্তভোগীর অভিযোগ দুদুক কর্মকর্তা সঠিক অনুসন্ধান করলে বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল।


​প্রতারক রুহুল আমিন বর্তমানে রংপুর বিভাগে কর্মরত থাকলেও তার অত্যাচারে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তারা নিজেদের টাকা ও জমি উদ্ধারে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন, বন্দর থানা পুলিশ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।


​ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নিলে এই প্রতারক আরও অনেক মানুষের সর্বস্ব লুটে নেবে।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত