নিরাপত্তা চেয়ে নারায়ণগঞ্জ নতুনধারার সংবাদ সম্মেলন
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি নারায়ণগঞ্জ শাখার যুগ্ম আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সদস্য জামান সরকারের উপর হামলা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামানসহ সারাদেশে নেতাকর্মীদেরকে হুমকি প্রদান করার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জুলাই বেলা ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, আজ জুলাইর কাঁধের উপর বন্দুক রেখে, সেই বন্দুক দিয়ে একের পর এক খুন-ধর্ষণ-চাঁদাবাজী ও মবে মেতে উঠেছে ছাত্র-যুব-জনতা বিরোধী- দেশ বিরোধী যুদ্ধাপরাধী ও তাদের সমর্থক গোষ্ঠী। তারই ধারাবাহিকতায় তারা নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি নারায়ণগঞ্জ শাখার যুগ্ম আহবায়ক জামান সরকারের উপর হামলা চালিয়েছে, অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে হুমকি দিচ্ছে। অথচ পুলিশ-প্রশাসন নিরবে সেই হামলা-হুমকি সহ্য করার পরামর্শ দিয়ে বলছে- ‘ক্ষমতাসীনদের একটু আধটু হামলা-মামলা সহ্য করতে হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার গাজী মনসুর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মন্ডল, হাশেম মোল্লা, মো. ওয়াসিম, তাসরিফুল ইসলাম রাজন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জামান সরকারসহ অনেককেই নতুনধারার রাজনীতি না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছিলেন ফতুল্লার টাগারপাড়েরর একজন নেতা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। তাতে কর্ণপাত না করে নতুনধারার রাজনীতিতে সক্রিয় থাকাকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুলাই বেলা ১১ টার দিকে জামান সরদারের উপর হামলা চালান অভিযুক্ত নেতা, এসময় স্থানিয় লোকজন তাকে সরিয়ে দিলে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করার সময় তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন জনৈক নেতা।’ এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হলেও নিরাপত্তার অভাবে হামলাকারী ও তার সহযোগিদের নাম উল্লেখ করেননি বলে জামান সরকার। নির্মম হলেও সত্য বাক স্বাধীনতা, বৈষম্য আর কোটামুক্ত দেশ গড়ার কথা বলে যে জুলাই হয়েছিলো, সেই জুলাই আজ জাতির কন্ঠরোধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক দল, সরকার, পুলিশ-প্রশাসন নিরব নিপীড়নের শিকার করছে ছাত্র-যুব-জনতাকে। তার সর্বশেষ প্রমাণ নতুনধারার নেতাকর্মীদের উপর হামলা-হুমকি। গত ১৩ বছর রাজপথে তারা গণ মানুষের দাবিতে থেকেছে। এখন নতুনধারাকে বিশেষ কোনো একটি দলের নামের সাথে ট্যাগ দিয়ে মবের শিকার বানাতে চাইছে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান ও রাষ্ট্রের নীতি বিরুদ্ধ। হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে তারেক রহমান সরকারের উচিৎ হবে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ধর্ম-মত-বর্ণ-দল নির্বিশেষে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।
আপনার মতামত লিখুন