ঢাকা   রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বন্দরে ক্রয়কৃত জমির সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলার অভিযোগ, তীব্র প্রতিবাদ



বন্দরে ক্রয়কৃত জমির সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলার অভিযোগ, তীব্র প্রতিবাদ

বন্দরের ফরাজীকান্দা এলাকায় ক্রয়কৃত সম্পত্তির মালিকানার সাইনবোর্ড রাতের আঁধারে বারবার উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কে বা কাহাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জমি মালিক মো. শামসুদ্দিন। বর্তমানে জায়গাটি তার বৈধ দখলে রয়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, মাধবপাশা মৌজার সিএস ও এসএ-৩৬ এবং আরএস-৪১ দাগের ১৪.১০ শতাংশ জমি নিয়ে বন্দর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতির আদালতে মিসকেস মামলা চলছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয় এবং মোক্তার হোসেন গং ও মুসলিম উদ্দিন গং জমিটির অনুকূলে রায় পান।

​পরবর্তীতে জমির রায়প্রাপ্ত মালিকরা জায়গাটি বিক্রির উদ্যোগ নিলে সোনাকান্দা এলাকার বাসিন্দা মো. শামসুদ্দিন ওই ১৪.১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর তিনি নিয়মানুযায়ী নামজারি (মিউটেশন নং: ৯৩/৮৬) সম্পন্ন করেন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত সরকারের যাবতীয় ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেন। এরপর তিনি ফরাজীকান্দা দেলোয়ার প্রধানের পেট্রোল পাম্পের সামনের ওই জমিতে নিজের নাম ও মালিকানা সংবলিত একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।

​ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন জানান, সাইনবোর্ড স্থাপনের পর রাতের আঁধারে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা তা উপড়ে ফেলে দেয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বন্দর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতিকে জানানো হলে তিনি সরজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জমিতে সাইনবোর্ড না থাকার সত্যতা পান।

​পরিদর্শন শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পুনরায় সাইনবোর্ড স্থাপনের দিকনির্দেশনা দেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন জমিতে আবারও মালিকানার সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। আদালতের রায়, নামজারি ও হালনাগাদ খাজনা পরিশোধের সব বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জমি সুরক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


বন্দরে ক্রয়কৃত জমির সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলার অভিযোগ, তীব্র প্রতিবাদ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বন্দরের ফরাজীকান্দা এলাকায় ক্রয়কৃত সম্পত্তির মালিকানার সাইনবোর্ড রাতের আঁধারে বারবার উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কে বা কাহাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জমি মালিক মো. শামসুদ্দিন। বর্তমানে জায়গাটি তার বৈধ দখলে রয়েছে।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, মাধবপাশা মৌজার সিএস ও এসএ-৩৬ এবং আরএস-৪১ দাগের ১৪.১০ শতাংশ জমি নিয়ে বন্দর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতির আদালতে মিসকেস মামলা চলছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয় এবং মোক্তার হোসেন গং ও মুসলিম উদ্দিন গং জমিটির অনুকূলে রায় পান।

​পরবর্তীতে জমির রায়প্রাপ্ত মালিকরা জায়গাটি বিক্রির উদ্যোগ নিলে সোনাকান্দা এলাকার বাসিন্দা মো. শামসুদ্দিন ওই ১৪.১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর তিনি নিয়মানুযায়ী নামজারি (মিউটেশন নং: ৯৩/৮৬) সম্পন্ন করেন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত সরকারের যাবতীয় ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেন। এরপর তিনি ফরাজীকান্দা দেলোয়ার প্রধানের পেট্রোল পাম্পের সামনের ওই জমিতে নিজের নাম ও মালিকানা সংবলিত একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।

​ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন জানান, সাইনবোর্ড স্থাপনের পর রাতের আঁধারে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা তা উপড়ে ফেলে দেয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বন্দর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতিকে জানানো হলে তিনি সরজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জমিতে সাইনবোর্ড না থাকার সত্যতা পান।

​পরিদর্শন শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পুনরায় সাইনবোর্ড স্থাপনের দিকনির্দেশনা দেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন জমিতে আবারও মালিকানার সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। আদালতের রায়, নামজারি ও হালনাগাদ খাজনা পরিশোধের সব বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জমি সুরক্ষায় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত