ঢাকা   রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

বিবাহিত নারীকে উত্ত্যক্ত ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতা উসমান গনির বিরুদ্ধে


নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
| ফটো কার্ড

বিবাহিত নারীকে উত্ত্যক্ত ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতা উসমান গনির বিরুদ্ধে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে এক বিবাহিত নারীকে উত্ত্যক্ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে উসমান গনি (২৮) নামে এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না এমন শর্তে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

উসমান গনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক নারী গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় উসমান গনির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে ওই নারী দাবি করেন, উসমান গনি তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তার ছবি ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি সম্পাদনা করে তার দেবরের মেসেঞ্জারে পাঠানো হয়। এতে তার সামাজিক ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ছাড়া উসমান গনি তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন এবং বিয়ে না করলে ছবি সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই নারীর মায়ের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়া হলে তাকে আর উত্ত্যক্ত করা হবে না বলেও জানানো হয়। একই সঙ্গে স্বামীকে ছেড়ে তাকে বিয়ে না করলে সুযোগ পেলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে জানানো হলেও উসমান গনি তাতে কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরে ওই নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ উসমান গনিকে থানায় নিয়ে আসে। এরপর বিএনপির কয়েকজন নেতাও থানায় গিয়ে বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন বলে জানা গেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না এমন শর্তে মুচলেকা নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “ইভটিজিং, সাইবার বুলিং ও নারীদের হয়রানির বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করি। এ ধরনের ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিবাহিত নারীকে উত্ত্যক্ত ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ছাত্রদল নেতা উসমান গনির বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে এক বিবাহিত নারীকে উত্ত্যক্ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে উসমান গনি (২৮) নামে এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না এমন শর্তে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

উসমান গনি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক নারী গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় উসমান গনির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে ওই নারী দাবি করেন, উসমান গনি তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তার ছবি ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি সম্পাদনা করে তার দেবরের মেসেঞ্জারে পাঠানো হয়। এতে তার সামাজিক ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


এ ছাড়া উসমান গনি তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন এবং বিয়ে না করলে ছবি সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।


অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই নারীর মায়ের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়া হলে তাকে আর উত্ত্যক্ত করা হবে না বলেও জানানো হয়। একই সঙ্গে স্বামীকে ছেড়ে তাকে বিয়ে না করলে সুযোগ পেলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে জানানো হলেও উসমান গনি তাতে কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।


পরে ওই নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ উসমান গনিকে থানায় নিয়ে আসে। এরপর বিএনপির কয়েকজন নেতাও থানায় গিয়ে বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন বলে জানা গেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না এমন শর্তে মুচলেকা নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “ইভটিজিং, সাইবার বুলিং ও নারীদের হয়রানির বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করি। এ ধরনের ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত