কলাপাড়ায় একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের চালিতা বুনিয়া গ্রামে একাদশ শ্রেণীর এক কলেজ ছাত্রীকে ঘরে ঢুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ:
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে পরিবারের সদস্যরা নদীতে মাছ শিকারে গিয়েছিলেন। গভীর রাতে ওই শিক্ষার্থী ঘরে একা থাকার সুযোগে দুই যুবক ঘরের সিঁধ (শীক) কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে দেশীয় অস্ত্র (দা-বটি) দিয়ে কেটে নদীতে ফেলে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেয় অভিযুক্তরা।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর চিৎকার ও আকুতি শুনতে পেয়ে পাশের ঘরের লোকজন ছুটে আসলে অভিযুক্ত দুই যুবক দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। মাছ শিকার শেষে পরিবার বাড়িতে ফিরলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তাদের বিস্তারিত জানায়।
প্রশাসনের ভূমিকা:
ঘটনাটি জানার পরপরই ভুক্তভোগীর পরিবার কলাপাড়া থানা পুলিশকে অবহিত করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করেছে।
কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
"আমরা এই ঘটনায় তিন জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ডাক্তারি পরীক্ষার (Medical Test) জন্য পটুয়াখালী সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট আসার পর এবং তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
আপনার মতামত লিখুন