ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

দুমকিতে ভিজিডি চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ৬০ কেজির বরাদ্দ, মিলছে ৫৫ কেজি


মোঃ রাকিবুল হাসান
মোঃ রাকিবুল হাসান দুমকী
| ফটো কার্ড

দুমকিতে ভিজিডি চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ৬০ কেজির বরাদ্দ, মিলছে ৫৫ কেজি
দুমকিতে ভিজিডি চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ৬০ কেজির বরাদ্দ, মিলছে ৫৫ কেজি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫-৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই-আগস্ট দুই মাসের জন্য ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মাঝে চাল বিতরণের কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিদর্শনের সময় সরকারি খালি বস্তার স্তুপ দেখা যায় এবং কয়েকজনের চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া গেছে।

কেন নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়া হচ্ছে-এ প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির বস্তা খুলে নিজস্ব বস্তায় চাল নিতে বাধ্য করা হয়। পরে বালতি দিয়ে মাপ দেওয়ায় ৪-৬ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি উপস্থিতি দেখিয়ে বাইরে ছিলেন এবং গণমাধ্যম আসার পর ঘটনাস্থলে আসেন।

সুবিধাভোগী রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ অনেকে জানান, তারা নিয়মিত কম চাল পাচ্ছেন। কয়েকজনকে সামনে ঠিকমতো দেওয়া হলেও পরে আবার কম দেওয়া শুরু হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

তবে লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি, সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমার আসার আগে কী হয়েছে জানি না, তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে চাল মাপার বিষয়ে তিনি বলেন, বাইরের মাপ আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, সেখানে কমবেশি হতে পারে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে "বাংলার শিরোনামের" একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দুমকিতে ভিজিডি চাল কম দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ৬০ কেজির বরাদ্দ, মিলছে ৫৫ কেজি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত ৬০ কেজির পরিবর্তে সুবিধাভোগীদের ৫৫-৫৬ কেজি করে চাল দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জুলাই-আগস্ট দুই মাসের জন্য ৩৩৫ জন সুবিধাভোগীর মাঝে চাল বিতরণের কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিদর্শনের সময় সরকারি খালি বস্তার স্তুপ দেখা যায় এবং কয়েকজনের চাল মেপে ৫৫ থেকে ৫৬ কেজি পাওয়া গেছে।

কেন নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়া হচ্ছে-এ প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ৫০ কেজির বস্তা খুলে নিজস্ব বস্তায় চাল নিতে বাধ্য করা হয়। পরে বালতি দিয়ে মাপ দেওয়ায় ৪-৬ কেজি পর্যন্ত কম পড়ছে। ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি উপস্থিতি দেখিয়ে বাইরে ছিলেন এবং গণমাধ্যম আসার পর ঘটনাস্থলে আসেন।

সুবিধাভোগী রুজিনা, কোহিনুর, সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি, রাহিমা বেগম, কাকলি বেগম, ফাতিমা বেগম, খাদিজা আক্তার, মরিয়ম বেগম ও বিউটি বেগমসহ অনেকে জানান, তারা নিয়মিত কম চাল পাচ্ছেন। কয়েকজনকে সামনে ঠিকমতো দেওয়া হলেও পরে আবার কম দেওয়া শুরু হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

তবে লেবুখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাল কম দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি, সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমার আসার আগে কী হয়েছে জানি না, তবে আমি আসার পর কম দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে চাল মাপার বিষয়ে তিনি বলেন, বাইরের মাপ আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না, সেখানে কমবেশি হতে পারে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে "বাংলার শিরোনামের" একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত