পটুয়াখালীতে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদ বাড়িয়া ইউনিয়নে জেলেদের চাল বিতরণের অভিযোগ উঠেছে।
৩০ অক্টোবর রোজ শুক্রবার সরেজমিনে উক্ত ইউনিয়নে গেলে এমন চিত্র উঠে এসেছে, ইউনিয়নে মোট ৩০১ জনের তালিকার মধ্যে ৫০ জনের একটি তালিকা পাওয়া যায় তারা কোন জেলে নয় ক্ষমতাসীন দলের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির নেতা ও কর্মী।
এর বিপরীতে ৩৫-৪০ জন প্রকৃত জেলেদের এ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয় বর্তমান জেলে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোন জেলে না হলেও ক্ষমতার দাপটে এরা কমিটির নেতা বনে গেছে। এদিকে শুশিল সমাজের অভিযোগ জেলে চাল বিতরণ ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রণোদনা হিসেবে এ চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও তা অবরোধ শেষ হওয়ার পরে চাল বিতরণ করা হয় যা জেলেদের জন্য পরিপূরক নয়। এ বিষয় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দিকে আঙুল তুলে বলেন, তালিকায় কিছু অনিয়ম থাকলেও সেগুলো ইউপি চেয়ারম্যান ও পরিষদের সদস্যরা জরিত। এর সাথে কোন ভাবেই উপজেলা ও জেলা মৎস্য দপ্তর দায়ী নয়। এ বিষয় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ফোর রিসিভ করার কারনে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি। এ বিষয় একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, বিগত দিনে জেলে প্রনোদনার চাল নিয়মিত পেলেও বর্তমানে তারা কোন প্রনোদনার চাল কেন পাচ্ছে না কেন তালিকায় তাদের নাম নেই সেটা অজানা। তারা আরও বলেন জেলে সমাজ নিতান্তই গরিব হওয়া তাদেরকে যেনো কোন ভাবেই দলিয় বিবেচনা না করে প্রকৃত জেলেদেরকে প্রনোদনার মাধ্যমে শাবলম্বি করা হোক। শুশিল সমাজ বলছে অবোধ চলাকালীন সঠিক সময় জেলেদের প্রনোদনা দেয়া না হলে ইলিশ উৎপাদনে সরকারের নেয়া পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার সম্বাভনা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন