ক্রেতার অপেক্ষায় কুড়িগ্রামের খামারিরা
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠেছে কেনাবেচা। দেশীয় জাতের গরু, মহিষ ও ছাগলের ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা সংকটে কিছুটা হতাশ খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। জেলাজুড়ে জমে উঠেছে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনা। স্থানীয় খামারি ও চরঞ্চলের পশুর সমাহারে হাট পূর্ণ হয়ে থাকলেও, ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ক্রেতাদের মতামত মিশ্র। কেউ বলছেন গত বছরের তুলনায় পশুর দাম কিছুটা বেশি। আবার কেউ বলছেন ছোট ও মাঝারি পশুর দাম এখন নাগালের মধ্যেই রয়েছে। এদিকে, পশু ব্যবসায়ীদের দাবি, গো-খাদ্যের দাম অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় গরু লালন-পালনে খরচ বেড়েছে, যা বর্তমান বাজার দর দিয়ে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেকেই লোকসানের আশঙ্কায় চিন্তিত।
পশুর হাটে জাল টাকা প্রতিরোধ ও চুরি-ছিনতাই রোধে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে প্রশাসন। কুড়িগ্রাম জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জানান, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে পশুর হাটে ক্রেতার উপস্থিতি ততই বাড়বে। জেলাজুড়ে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ রয়েছে, তাই কোনো সংকট নেই। জেলার ৯টি উপজেলা জুড়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী মোট ২৯টি পশুর হাটে জমজমাট কেনাবেচা চলছে।
আপনার মতামত লিখুন