ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

দুমকিতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট: ১০টি অস্থায়ী হাটের অনুমোদন



দুমকিতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট: ১০টি অস্থায়ী হাটের অনুমোদন
দুমকিতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে ১০টি অস্থায়ী গবাদি পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের জনসাধারণের কোরবানির পশু (গরু, মহিষ, ছাগল) কেনাবেচার সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলায় একমাত্র স্থায়ী ‘মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজার’ ছাড়াও অতিরিক্ত আরও ১০টি স্থানে এই অস্থায়ী হাটের ইজারা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলার অস্থায়ী হাটগুলো হলো:

  • পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন: পাঙ্গাসিয়া মাদ্রাসা ব্রিজ সংলগ্ন হাট, ধোপার হাট ও হাজীর হাট।

  • লেবুখালী ইউনিয়ন: লেবুখালী নতুন বাজার (পায়রা সেতু সংলগ্ন) হাট ও ইউনিভার্সিটি স্কয়ার পায়রা পয়েন্টের দক্ষিণ পাশ।

  • আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন: দুমকি সাতানী কালভার্ট বাজার, বাহেরচর ফেরিঘাট ও জলিশা কদমতলা হাট।

  • শ্রীরামপুর ইউনিয়ন: দুমকি নতুন বাজার বালুর মাঠ ও তালুকদার বাজার।

হাট বসার সময়: সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই হাটগুলো সপ্তাহে দুই দিন, বিকেলের শিফটে বসছে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ও ব্যস্ততা

কোরবানি উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নতুন এই পশুর হাটগুলো চালুর ফলে কোরবানিদাতা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারি—উভয় পক্ষই দারুণ উপকৃত হবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। ইতোমধ্যে হাটগুলোতে পশু আসতে শুরু করেছে এবং ক্রমান্বয়ে তা জমজমাট হয়ে উঠছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, একদিকে বিক্রেতারা তাদের পশুর কাঙ্ক্ষিত দাম হাঁকছেন, অন্যদিকে ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পশুটি কিনতে দরদাম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর ফেরিঘাট হাটের ইজারাদার মো. মহিবুল্লাহ জানান, "এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতাদের যাতায়াত ও সুবিধার কথা মাথায় রেখেই মূলত এই হাট বসানো হয়েছে। সপ্তাহে প্রতি সোম ও শুক্রবার এখানে হাট বসছে। আমাদের এখানে পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেও প্রচুর ক্রেতা-বিক্রেতা আসছেন। আশা করছি, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, বেচাকেনা আরও কয়েকগুণ বাড়বে।"

হাটে আসা পাইকার জাফর খান বলেন, "ছোট-বড় সব ধরনের গরু সংগ্রহ করে উপজেলার বিভিন্ন হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছি। বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো। আশা করছি এবার লাভবান হতে পারব।"

জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা

এদিকে পশুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখছে প্রশাসন। আসন্ন কোরবানির এই হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে কেনাবেচা করতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে তৎপর রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


দুমকিতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট: ১০টি অস্থায়ী হাটের অনুমোদন

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে ১০টি অস্থায়ী গবাদি পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের জনসাধারণের কোরবানির পশু (গরু, মহিষ, ছাগল) কেনাবেচার সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলায় একমাত্র স্থায়ী ‘মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজার’ ছাড়াও অতিরিক্ত আরও ১০টি স্থানে এই অস্থায়ী হাটের ইজারা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলার অস্থায়ী হাটগুলো হলো:

  • পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন: পাঙ্গাসিয়া মাদ্রাসা ব্রিজ সংলগ্ন হাট, ধোপার হাট ও হাজীর হাট।

  • লেবুখালী ইউনিয়ন: লেবুখালী নতুন বাজার (পায়রা সেতু সংলগ্ন) হাট ও ইউনিভার্সিটি স্কয়ার পায়রা পয়েন্টের দক্ষিণ পাশ।

  • আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন: দুমকি সাতানী কালভার্ট বাজার, বাহেরচর ফেরিঘাট ও জলিশা কদমতলা হাট।

  • শ্রীরামপুর ইউনিয়ন: দুমকি নতুন বাজার বালুর মাঠ ও তালুকদার বাজার।

হাট বসার সময়: সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই হাটগুলো সপ্তাহে দুই দিন, বিকেলের শিফটে বসছে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ও ব্যস্ততা

কোরবানি উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নতুন এই পশুর হাটগুলো চালুর ফলে কোরবানিদাতা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারি—উভয় পক্ষই দারুণ উপকৃত হবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। ইতোমধ্যে হাটগুলোতে পশু আসতে শুরু করেছে এবং ক্রমান্বয়ে তা জমজমাট হয়ে উঠছে।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, একদিকে বিক্রেতারা তাদের পশুর কাঙ্ক্ষিত দাম হাঁকছেন, অন্যদিকে ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পশুটি কিনতে দরদাম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর ফেরিঘাট হাটের ইজারাদার মো. মহিবুল্লাহ জানান, "এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতাদের যাতায়াত ও সুবিধার কথা মাথায় রেখেই মূলত এই হাট বসানো হয়েছে। সপ্তাহে প্রতি সোম ও শুক্রবার এখানে হাট বসছে। আমাদের এখানে পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেও প্রচুর ক্রেতা-বিক্রেতা আসছেন। আশা করছি, ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, বেচাকেনা আরও কয়েকগুণ বাড়বে।"

হাটে আসা পাইকার জাফর খান বলেন, "ছোট-বড় সব ধরনের গরু সংগ্রহ করে উপজেলার বিভিন্ন হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছি। বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো। আশা করছি এবার লাভবান হতে পারব।"

জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা

এদিকে পশুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখছে প্রশাসন। আসন্ন কোরবানির এই হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে কেনাবেচা করতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে তৎপর রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত