ঢাকা   শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

আমি ক্ষমা চাই ক্ষমা করে দিবেন- তৈমূর আলম


নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
| ফটো কার্ড

আমি ক্ষমা চাই ক্ষমা করে দিবেন- তৈমূর আলম

নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর বাজারে মুসলিম একাডেমীর উদ্যোগে সমাজ কল্যাণ প্রভাতী সংসদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য প্রয়াত হারুণ অর রশিদ (বাবুল), সামছুল হকসহ এলাকার মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. তৈমূর আলম খন্দকার।

মুসলিম একাডেমীর নির্বাহী পরিচালক মো. নূরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আলী ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগে জান্নাত পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মহিউদ্দিন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক শরিফ সুমন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মাইনউদ্দিন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, শহীদুর রহমানসহ মুসলিম একাডেমীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় মুসলিম একাডেমীর ঊর্ধ্বতন সভাপতি আবু সিদ্দিক ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, হাজী মোহাম্মদ হোসেন শেখ, যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক মাকছুদুল আলম খন্দকার, সহ-নির্বাহী পরিচালক খসরু নোমান, পরিচালক (অর্থ) শাহাবদ্দিন আহম্মাদ খন্দকার, পরিচালক (দপ্তর ও প্রচার) মো. আব্দুল হালিম, পরিচালক (শিক্ষা ও সংস্কৃতি) শাহ আলম ভূঁইয়া, পরিচালক (ক্রীড়া) মো. রবিউল আলম খান রবু, পরিচালক (পাঠাগার) নাজমুল কবির নাহিদ, পরিচালক (সমাজ কল্যাণ) মো. মনির হোসেন খান, পরিচালক (ধর্ম) ডা. মো. নুরুল হক, পরিচালক শাহাজাহান আহম্মদ প্রধান, গোলজার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও ইয়াসির সুলতান উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, “আমাদের সামাজিক ঐতিহ্য অনুযায়ী কেউ মৃত্যুবরণ করলে পরিবারের সদস্যদের মতো আমরা তার জন্য দোয়া মাহফিল করি। একসময় এই এলাকা অনেক অপকর্মের এলাকা ছিল। আমরা তখন নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলাম। ওই সময়ে যারা সহযোগিতা করেছিলেন, তাদের অনেকেই এখন আর জীবিত নেই।”

একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “কখন মারা যাই, কখন আল্লাহ দুনিয়া থেকে নিয়ে যান—কেউ জানি না। যদি কোনো ভুল করে থাকি, ক্ষমা করে দিবেন। ভুল তো অবশ্যই আছে; আমি ক্ষমা চাই, ক্ষমা করে দিবেন।”

তিনি আরও বলেন, “হারুণ অর রশিদ (বাবুল) ও সামছুল হকের সমাজের জন্য অনেক অবদান রয়েছে। তাদের জন্য দোয়া করবেন। তাদের সন্তানদের জন্যও দোয়া করবেন। আমরা চলে যাওয়ার পরও যেন মুসলিম একাডেমী সচল থাকে, সেজন্য দোয়া করবেন।”

তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, একসময় তাদের একটি দল ছিল, যারা কোনো মানুষ মারা গেলে তার কবর খনন করত। এছাড়া যেসব পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না, তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হতো।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “এখনকার সমাজ অনেক সময় গণমানুষের প্রয়োজনের কথা ভুলে যায়।”

পরে প্রয়াত হারুণ অর রশিদ (বাবুল), সামছুল হকসহ এলাকার মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত এবং জীবিতদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আমি ক্ষমা চাই ক্ষমা করে দিবেন- তৈমূর আলম

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর বাজারে মুসলিম একাডেমীর উদ্যোগে সমাজ কল্যাণ প্রভাতী সংসদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য প্রয়াত হারুণ অর রশিদ (বাবুল), সামছুল হকসহ এলাকার মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান ড. তৈমূর আলম খন্দকার।


মুসলিম একাডেমীর নির্বাহী পরিচালক মো. নূরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আলী ভূঁইয়া।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগে জান্নাত পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মহিউদ্দিন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক শরিফ সুমন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মাইনউদ্দিন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, শহীদুর রহমানসহ মুসলিম একাডেমীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


এ সময় মুসলিম একাডেমীর ঊর্ধ্বতন সভাপতি আবু সিদ্দিক ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, হাজী মোহাম্মদ হোসেন শেখ, যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক মাকছুদুল আলম খন্দকার, সহ-নির্বাহী পরিচালক খসরু নোমান, পরিচালক (অর্থ) শাহাবদ্দিন আহম্মাদ খন্দকার, পরিচালক (দপ্তর ও প্রচার) মো. আব্দুল হালিম, পরিচালক (শিক্ষা ও সংস্কৃতি) শাহ আলম ভূঁইয়া, পরিচালক (ক্রীড়া) মো. রবিউল আলম খান রবু, পরিচালক (পাঠাগার) নাজমুল কবির নাহিদ, পরিচালক (সমাজ কল্যাণ) মো. মনির হোসেন খান, পরিচালক (ধর্ম) ডা. মো. নুরুল হক, পরিচালক শাহাজাহান আহম্মদ প্রধান, গোলজার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও ইয়াসির সুলতান উপস্থিত ছিলেন।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, “আমাদের সামাজিক ঐতিহ্য অনুযায়ী কেউ মৃত্যুবরণ করলে পরিবারের সদস্যদের মতো আমরা তার জন্য দোয়া মাহফিল করি। একসময় এই এলাকা অনেক অপকর্মের এলাকা ছিল। আমরা তখন নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলাম। ওই সময়ে যারা সহযোগিতা করেছিলেন, তাদের অনেকেই এখন আর জীবিত নেই।”


একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “কখন মারা যাই, কখন আল্লাহ দুনিয়া থেকে নিয়ে যান—কেউ জানি না। যদি কোনো ভুল করে থাকি, ক্ষমা করে দিবেন। ভুল তো অবশ্যই আছে; আমি ক্ষমা চাই, ক্ষমা করে দিবেন।”


তিনি আরও বলেন, “হারুণ অর রশিদ (বাবুল) ও সামছুল হকের সমাজের জন্য অনেক অবদান রয়েছে। তাদের জন্য দোয়া করবেন। তাদের সন্তানদের জন্যও দোয়া করবেন। আমরা চলে যাওয়ার পরও যেন মুসলিম একাডেমী সচল থাকে, সেজন্য দোয়া করবেন।”


তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, একসময় তাদের একটি দল ছিল, যারা কোনো মানুষ মারা গেলে তার কবর খনন করত। এছাড়া যেসব পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না, তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হতো।


তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “এখনকার সমাজ অনেক সময় গণমানুষের প্রয়োজনের কথা ভুলে যায়।”


পরে প্রয়াত হারুণ অর রশিদ (বাবুল), সামছুল হকসহ এলাকার মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত এবং জীবিতদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত