ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
বাংলার শিরোনাম

শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রীর সাথে কেক কেটে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান



শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রীর সাথে কেক কেটে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রীর সাথে কেক কাটলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এক হৃদয়স্পর্শী ও মানবিক দৃশ্যের অবতারণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে কেক কাটার নির্ধারিত মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী দর্শক সারিতে বসে থাকা এক বৃদ্ধা নারীকে মঞ্চে ডেকে এনে তাঁর হাতে কেক কাটিয়েছেন। পরে জানা যায়, সেই বৃদ্ধা নারী হলেন মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী নায়েক শহীদ আবু তাহেরের সহধর্মিণী রওশন আরা।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল মঞ্চে কেক কাটার জন্য তিন বাহিনীর প্রধান যখন প্রধানমন্ত্রীর দুপাশে এসে দাঁড়ান এবং কেক আনা হয়, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী হাতের ইশারায় পিজিআরের এক সদস্যকে ডাকেন। তিনি দর্শক সারির দিকে আঙুল নির্দেশ করে সেই বৃদ্ধা নারীকে মঞ্চে নিয়ে আসার অনুরোধ জানান। মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি উপস্থিত সবার মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি করে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টার সহায়তায় পিজিআর সদস্য সেই নারীকে মঞ্চে নিয়ে আসেন।

প্রধানমন্ত্রীকে এমন বিরল মানবিকতা প্রদর্শন করতে দেখে মঞ্চে উপস্থিত সেনাপ্রধানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে জায়গা ছেড়ে দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রী রওশন আরাকে পাশে নিয়ে তাঁর হাতে কেক কাটার ছুরি তুলে দেন। কেক কাটা শেষে তাঁকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে পুনরায় নিজ আসনে বসিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, নায়েক আবু তাহের ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের একজন সাহসী যোদ্ধা। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চরম আনুগত্যের পরিচয় দিয়েছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জিয়াউর রহমানকে রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

তারেক রহমান তাঁর বাবার দেহরক্ষী নায়েক শহীদ আবু তাহেরের সেই মহান আত্মত্যাগ ও আনুগত্যকে ভোলেননি। অনুষ্ঠানে তাঁর স্ত্রীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ বীরদের পরিবার রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যথাযথ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য।

একজন রাষ্ট্রনায়কের এমন বিনয়, নম্রতা ও কৃতজ্ঞতাবোধের বহিঃপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড একজন নেতাকে প্রকৃত ‘স্টেটসম্যান’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

আপনার মতামত লিখুন

বাংলার শিরোনাম

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রীর সাথে কেক কেটে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এক হৃদয়স্পর্শী ও মানবিক দৃশ্যের অবতারণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে কেক কাটার নির্ধারিত মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী দর্শক সারিতে বসে থাকা এক বৃদ্ধা নারীকে মঞ্চে ডেকে এনে তাঁর হাতে কেক কাটিয়েছেন। পরে জানা যায়, সেই বৃদ্ধা নারী হলেন মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী নায়েক শহীদ আবু তাহেরের সহধর্মিণী রওশন আরা।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল মঞ্চে কেক কাটার জন্য তিন বাহিনীর প্রধান যখন প্রধানমন্ত্রীর দুপাশে এসে দাঁড়ান এবং কেক আনা হয়, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী হাতের ইশারায় পিজিআরের এক সদস্যকে ডাকেন। তিনি দর্শক সারির দিকে আঙুল নির্দেশ করে সেই বৃদ্ধা নারীকে মঞ্চে নিয়ে আসার অনুরোধ জানান। মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি উপস্থিত সবার মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি করে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টার সহায়তায় পিজিআর সদস্য সেই নারীকে মঞ্চে নিয়ে আসেন।

প্রধানমন্ত্রীকে এমন বিরল মানবিকতা প্রদর্শন করতে দেখে মঞ্চে উপস্থিত সেনাপ্রধানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে জায়গা ছেড়ে দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে শহীদ নায়েক আবু তাহেরের স্ত্রী রওশন আরাকে পাশে নিয়ে তাঁর হাতে কেক কাটার ছুরি তুলে দেন। কেক কাটা শেষে তাঁকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে পুনরায় নিজ আসনে বসিয়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, নায়েক আবু তাহের ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের একজন সাহসী যোদ্ধা। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চরম আনুগত্যের পরিচয় দিয়েছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জিয়াউর রহমানকে রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

তারেক রহমান তাঁর বাবার দেহরক্ষী নায়েক শহীদ আবু তাহেরের সেই মহান আত্মত্যাগ ও আনুগত্যকে ভোলেননি। অনুষ্ঠানে তাঁর স্ত্রীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ বীরদের পরিবার রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যথাযথ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য।

একজন রাষ্ট্রনায়কের এমন বিনয়, নম্রতা ও কৃতজ্ঞতাবোধের বহিঃপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড একজন নেতাকে প্রকৃত ‘স্টেটসম্যান’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।


বাংলার শিরোনাম

সম্পাদকঃ মোঃ ইউসুফ আলী প্রধান । নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ রানা
কপিরাইট © ২০২৬ বাংলার শিরোনাম । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত